বিশ্বসংগীতের কিংবদন্তি শিল্পী মাইকেল জ্যাকসনের জীবন নিয়ে নির্মিত বহুল প্রতীক্ষিত বায়োপিক ‘মাইকেল’ মুক্তির আগেই বিশ্বজুড়ে তুমুল আলোচনার জন্ম দিয়েছে। আগামী ২৪ এপ্রিল সিনেমাটি বিশ্বব্যাপী প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাওয়ার কথা রয়েছে, আর এই ঘোষণার পর থেকেই ভক্তদের মধ্যে তৈরি হয়েছে ব্যাপক আগ্রহ ও অপেক্ষা।
‘কিং অব পপ’ নামে পরিচিত মাইকেল জ্যাকসনের জীবন ও সংগীতযাত্রা নিয়ে নির্মিত এই সিনেমাটি শুধু ভক্তদের জন্যই নয়, সাধারণ দর্শকদের কাছেও বিশেষ আকর্ষণের কেন্দ্র হয়ে উঠেছে। দীর্ঘদিন ধরেই তাঁর জীবনের নানা অজানা গল্প বড় পর্দায় দেখার অপেক্ষায় ছিলেন ভক্তরা। সেই অপেক্ষার অবসান ঘটতে যাচ্ছে এই সিনেমার মাধ্যমে।
এই চলচ্চিত্রের সবচেয়ে বড় আকর্ষণ হচ্ছে—মাইকেল জ্যাকসনের চরিত্রে অভিনয় করেছেন তাঁরই ভাতিজা জাফর জ্যাকসন। ইতিমধ্যে সিনেমার টিজার ও ট্রেলার প্রকাশের পর দর্শকদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া দেখা গেছে। বিশেষ করে মাইকেলের বিখ্যাত গান ‘বিট ইট’-এর আইকনিক লুক ও নাচের স্টাইল যেভাবে জাফর তুলে ধরেছেন, তা অনেক দর্শককে অবাক করেছে। অনেকেই বলছেন, পর্দায় তাঁকে প্রায় হুবহু মাইকেল জ্যাকসনের মতোই লাগছে।
মাইকেল জ্যাকসনের মৃত্যুর ১৬ বছর পার হয়ে গেলেও তাঁর জনপ্রিয়তা এতটুকুও কমেনি। এখনো তাঁর গান, নাচ ও স্টাইল নতুন প্রজন্মের কাছেও সমান জনপ্রিয়। এই সিনেমায় তাঁর সংগীতজীবনের সাফল্যের পাশাপাশি ব্যক্তিগত জীবনের নানা কঠিন সময় এবং বিতর্কিত অধ্যায়ও তুলে ধরা হয়েছে বলে জানা গেছে। ফলে দর্শকদের কৌতূহল আরও বেড়ে গেছে—নির্মাতারা কীভাবে এই স্পর্শকাতর বিষয়গুলো পর্দায় দেখিয়েছেন।
সিনেমাটির প্রযোজক গ্রাহাম কিং, যিনি এর আগে জনপ্রিয় বায়োপিক ‘বোহেমিয়ান র্যাপসোডি’ নির্মাণ করে বিশ্বজুড়ে সাড়া ফেলেছিলেন। সেই সিনেমাটি ব্রিটিশ ব্যান্ড কুইনের গায়ক ফ্রেডি মার্কারির জীবন নিয়ে তৈরি হয়েছিল এবং বিশ্বব্যাপী ৯০০ মিলিয়ন ডলারের বেশি আয় করেছিল। একই সঙ্গে এটি চারটি অস্কার পুরস্কারও জিতেছিল। সেই অভিজ্ঞতা থেকেই অনেকেই মনে করছেন, ‘মাইকেল’ সিনেমাটিও বড় ধরনের সাফল্য পেতে পারে।
মাইকেল জ্যাকসন শুধু একজন গায়কই ছিলেন না, তিনি আধুনিক পপসংগীতকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে গিয়েছিলেন। তাঁর ‘থ্রিলার’ অ্যালবাম এখনো বিশ্বের সবচেয়ে বেশি বিক্রি হওয়া অ্যালবাম হিসেবে পরিচিত। তাঁর নাচের ‘মুনওয়াক’ স্টাইল বিশ্বজুড়ে অসংখ্য শিল্পীকে অনুপ্রাণিত করেছে। ফলে তাঁর জীবন নিয়ে নির্মিত সিনেমাটি স্বাভাবিকভাবেই বিশ্বব্যাপী বড় আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে।
চলচ্চিত্র বিশ্লেষকদের ধারণা, সিনেমাটি মুক্তির পর বক্স অফিসে বড় ধরনের সাফল্য পেতে পারে। একই সঙ্গে নতুন প্রজন্মের দর্শকরাও এই সিনেমার মাধ্যমে মাইকেল জ্যাকসনের সংগীত ও জীবনের নানা দিক সম্পর্কে নতুনভাবে জানতে পারবেন।
সব মিলিয়ে বলা যায়, ‘মাইকেল’ সিনেমাটি শুধু একটি বায়োপিক নয়—এটি সংগীত ইতিহাসের এক কিংবদন্তিকে নতুন করে জানার সুযোগ তৈরি করতে যাচ্ছে। এখন বিশ্বজুড়ে দর্শকদের চোখ ২৪ এপ্রিলের দিকেই, যখন বড় পর্দায় আবারও জীবন্ত হয়ে উঠবেন কিং অব পপ মাইকেল জ্যাকসন।

বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ এপ্রিল ২০২৬
বিশ্বসংগীতের কিংবদন্তি শিল্পী মাইকেল জ্যাকসনের জীবন নিয়ে নির্মিত বহুল প্রতীক্ষিত বায়োপিক ‘মাইকেল’ মুক্তির আগেই বিশ্বজুড়ে তুমুল আলোচনার জন্ম দিয়েছে। আগামী ২৪ এপ্রিল সিনেমাটি বিশ্বব্যাপী প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাওয়ার কথা রয়েছে, আর এই ঘোষণার পর থেকেই ভক্তদের মধ্যে তৈরি হয়েছে ব্যাপক আগ্রহ ও অপেক্ষা।
‘কিং অব পপ’ নামে পরিচিত মাইকেল জ্যাকসনের জীবন ও সংগীতযাত্রা নিয়ে নির্মিত এই সিনেমাটি শুধু ভক্তদের জন্যই নয়, সাধারণ দর্শকদের কাছেও বিশেষ আকর্ষণের কেন্দ্র হয়ে উঠেছে। দীর্ঘদিন ধরেই তাঁর জীবনের নানা অজানা গল্প বড় পর্দায় দেখার অপেক্ষায় ছিলেন ভক্তরা। সেই অপেক্ষার অবসান ঘটতে যাচ্ছে এই সিনেমার মাধ্যমে।
এই চলচ্চিত্রের সবচেয়ে বড় আকর্ষণ হচ্ছে—মাইকেল জ্যাকসনের চরিত্রে অভিনয় করেছেন তাঁরই ভাতিজা জাফর জ্যাকসন। ইতিমধ্যে সিনেমার টিজার ও ট্রেলার প্রকাশের পর দর্শকদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া দেখা গেছে। বিশেষ করে মাইকেলের বিখ্যাত গান ‘বিট ইট’-এর আইকনিক লুক ও নাচের স্টাইল যেভাবে জাফর তুলে ধরেছেন, তা অনেক দর্শককে অবাক করেছে। অনেকেই বলছেন, পর্দায় তাঁকে প্রায় হুবহু মাইকেল জ্যাকসনের মতোই লাগছে।
মাইকেল জ্যাকসনের মৃত্যুর ১৬ বছর পার হয়ে গেলেও তাঁর জনপ্রিয়তা এতটুকুও কমেনি। এখনো তাঁর গান, নাচ ও স্টাইল নতুন প্রজন্মের কাছেও সমান জনপ্রিয়। এই সিনেমায় তাঁর সংগীতজীবনের সাফল্যের পাশাপাশি ব্যক্তিগত জীবনের নানা কঠিন সময় এবং বিতর্কিত অধ্যায়ও তুলে ধরা হয়েছে বলে জানা গেছে। ফলে দর্শকদের কৌতূহল আরও বেড়ে গেছে—নির্মাতারা কীভাবে এই স্পর্শকাতর বিষয়গুলো পর্দায় দেখিয়েছেন।
সিনেমাটির প্রযোজক গ্রাহাম কিং, যিনি এর আগে জনপ্রিয় বায়োপিক ‘বোহেমিয়ান র্যাপসোডি’ নির্মাণ করে বিশ্বজুড়ে সাড়া ফেলেছিলেন। সেই সিনেমাটি ব্রিটিশ ব্যান্ড কুইনের গায়ক ফ্রেডি মার্কারির জীবন নিয়ে তৈরি হয়েছিল এবং বিশ্বব্যাপী ৯০০ মিলিয়ন ডলারের বেশি আয় করেছিল। একই সঙ্গে এটি চারটি অস্কার পুরস্কারও জিতেছিল। সেই অভিজ্ঞতা থেকেই অনেকেই মনে করছেন, ‘মাইকেল’ সিনেমাটিও বড় ধরনের সাফল্য পেতে পারে।
মাইকেল জ্যাকসন শুধু একজন গায়কই ছিলেন না, তিনি আধুনিক পপসংগীতকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে গিয়েছিলেন। তাঁর ‘থ্রিলার’ অ্যালবাম এখনো বিশ্বের সবচেয়ে বেশি বিক্রি হওয়া অ্যালবাম হিসেবে পরিচিত। তাঁর নাচের ‘মুনওয়াক’ স্টাইল বিশ্বজুড়ে অসংখ্য শিল্পীকে অনুপ্রাণিত করেছে। ফলে তাঁর জীবন নিয়ে নির্মিত সিনেমাটি স্বাভাবিকভাবেই বিশ্বব্যাপী বড় আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে।
চলচ্চিত্র বিশ্লেষকদের ধারণা, সিনেমাটি মুক্তির পর বক্স অফিসে বড় ধরনের সাফল্য পেতে পারে। একই সঙ্গে নতুন প্রজন্মের দর্শকরাও এই সিনেমার মাধ্যমে মাইকেল জ্যাকসনের সংগীত ও জীবনের নানা দিক সম্পর্কে নতুনভাবে জানতে পারবেন।
সব মিলিয়ে বলা যায়, ‘মাইকেল’ সিনেমাটি শুধু একটি বায়োপিক নয়—এটি সংগীত ইতিহাসের এক কিংবদন্তিকে নতুন করে জানার সুযোগ তৈরি করতে যাচ্ছে। এখন বিশ্বজুড়ে দর্শকদের চোখ ২৪ এপ্রিলের দিকেই, যখন বড় পর্দায় আবারও জীবন্ত হয়ে উঠবেন কিং অব পপ মাইকেল জ্যাকসন।

আপনার মতামত লিখুন