এসএসসি পরীক্ষার ফরম পূরণকে কেন্দ্র করে শরীয়তপুরের ডামুড্যা উপজেলার ধানকাটি ইউনিয়নের চর মালগাঁও উচ্চ বিদ্যালয়ে গুরুতর অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। একই ধরনের শিক্ষাগত অবস্থায় থাকা শিক্ষার্থীদের মধ্যে ভিন্ন আচরণ করা হয়েছে—এমন অভিযোগে এখন উত্তপ্ত পুরো এলাকা। অভিভাবকদের দাবি, অর্থের বিনিময়ে কিছু শিক্ষার্থীকে সুযোগ দেওয়া হলেও অন্যদের বঞ্চিত করা হয়েছে, যা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে ন্যায্যতা ও স্বচ্ছতা নিয়ে।
স্থানীয় অভিভাবকদের অভিযোগ অনুযায়ী, এসএসসি পরীক্ষার ফরম পূরণের ক্ষেত্রে একজন শিক্ষার্থী, যিনি চার বিষয়ে অকৃতকার্য ছিলেন, তার কাছ থেকে প্রায় ২০ হাজার টাকা নিয়ে ফরম পূরণের সুযোগ দেওয়া হয়েছে। অথচ একই সময়ে দুই বিষয়ে অকৃতকার্য আরেক শিক্ষার্থী সেই সুযোগ থেকে বঞ্চিত হয়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে।
এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা ও অসন্তোষ তৈরি হয়েছে। অভিভাবকরা বলছেন, একই নিয়মে সবাইকে সুযোগ না দিয়ে নির্দিষ্ট কিছু শিক্ষার্থীকে সুযোগ দেওয়া হলে তা শিক্ষাব্যবস্থার স্বচ্ছতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করে।
একজন অভিভাবক নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন,
“আমরা বুঝতে পারছি না—একজন চার বিষয়ে ফেল করেও সুযোগ পাচ্ছে, আরেকজন দুই বিষয়ে ফেল করেও পাচ্ছে না। এখানে নিশ্চয়ই কিছু প্রভাব বা আর্থিক বিষয় কাজ করছে।”
অভিভাবকদের অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক। তাদের দাবি, তিনি ব্যক্তিগতভাবে অর্থ গ্রহণ করে কিছু শিক্ষার্থীকে পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার সুযোগ করে দিচ্ছেন।
তবে এসব অভিযোগ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে প্রমাণিত হয়নি। বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকেও এ বিষয়ে কোনো ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি।
স্থানীয়দের মধ্যে অনেকেই বলছেন, দীর্ঘদিন ধরেই বিদ্যালয়ের প্রশাসনিক কার্যক্রম নিয়ে নানা প্রশ্ন রয়েছে। তবে এবার এসএসসি ফরম পূরণের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়কে কেন্দ্র করে অভিযোগ ওঠায় পরিস্থিতি আরও গুরুতর আকার ধারণ করেছে।
শুধু ফরম পূরণ নয়, বিদ্যালয়ের শিক্ষার পরিবেশ নিয়েও একাধিক অভিযোগ উঠেছে। অভিভাবকদের দাবি, নিয়মিত ক্লাস ঠিকভাবে নেওয়া হয় না। অনেক সময় ক্লাস না নিয়ে পিওনের মাধ্যমে পাঠদান করানো হয় বলেও অভিযোগ রয়েছে।
এতে শিক্ষার্থীরা পর্যাপ্ত পাঠদানের সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছে বলে মনে করছেন তারা। বিশেষ করে এসএসসি পরীক্ষার মতো গুরুত্বপূর্ণ সময়ে এমন পরিস্থিতি শিক্ষার্থীদের ফলাফলের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন অভিভাবকরা।
আরও অভিযোগ রয়েছে, বিদ্যালয়ে প্রাইভেট পড়ার ওপর অতিরিক্ত গুরুত্ব দেওয়া হয়। অনেক শিক্ষার্থীকে নাকি বলা হয়, প্রাইভেট না পড়লে ভালো ফল করা কঠিন হবে। এতে করে আর্থিকভাবে দুর্বল পরিবারের শিক্ষার্থীরা চাপে পড়ে যাচ্ছে।
অভিভাবকদের আরেকটি অভিযোগ হলো, এডমিট কার্ড দেওয়ার সময় প্রতিটি শিক্ষার্থীর কাছ থেকে ৫০০ টাকা করে নেওয়া হয়েছে। তবে এ বিষয়ে কোনো লিখিত রসিদ বা অফিসিয়াল নির্দেশনা দেওয়া হয়নি বলে দাবি তাদের।
এই ঘটনায় অভিভাবকদের মধ্যে সন্দেহ ও অসন্তোষ আরও বেড়েছে। তারা বলছেন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ ধরনের আর্থিক লেনদেন স্বচ্ছ না হলে ভবিষ্যতে বড় ধরনের অনিয়মের আশঙ্কা থাকে।
স্থানীয় শিক্ষাবিদ ও সচেতন মহল মনে করছেন, একটি বিদ্যালয়ের অভ্যন্তরীণ অনিয়ম সরাসরি শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যতের ওপর প্রভাব ফেলে। চর মালগাঁও উচ্চ বিদ্যালয়ের বর্তমান পরিস্থিতি যদি সত্য হয়, তাহলে তা শিক্ষার মান ও পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে।
একজন স্থানীয় শিক্ষাবিদ বলেন,
“শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে স্বচ্ছতা না থাকলে শিক্ষার্থীরা নৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তাদের মধ্যে হতাশা তৈরি হয়, যা ভবিষ্যতের জন্য ভালো নয়। তাই বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে তদন্ত করা উচিত।”
অভিভাবকরা ইতোমধ্যে বিষয়টি শিক্ষা প্রশাসনের নজরে আনার কথা ভাবছেন বলে জানিয়েছেন। তাদের দাবি, নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য উদঘাটন করা জরুরি।
এ বিষয়ে তারা দ্রুত উপজেলা শিক্ষা অফিস ও সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ডের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। তাদের মতে, যদি অভিযোগ সত্য প্রমাণিত হয়, তাহলে দায়ীদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নিতে হবে।
এখন পর্যন্ত চর মালগাঁও উচ্চ বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। অভিযোগের বিষয়ে তাদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তা সম্ভব হয়নি বলে জানা গেছে।
অন্যদিকে স্থানীয় শিক্ষা কর্মকর্তাদের বক্তব্যও এ বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। ফলে পুরো বিষয়টি এখনো একতরফা অভিযোগের পর্যায়েই রয়েছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ফরম পূরণ বা পরীক্ষার মতো গুরুত্বপূর্ণ প্রক্রিয়ায় যদি স্বচ্ছতা না থাকে, তাহলে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে আস্থা নষ্ট হয়। এর দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব পড়তে পারে পুরো শিক্ষা ব্যবস্থার ওপর।
ডামুড্যার এই ঘটনায় যে অভিযোগগুলো উঠেছে, তা যদি সত্য হয়, তাহলে এটি শুধু একটি বিদ্যালয়ের সমস্যা নয়—বরং স্থানীয় শিক্ষা ব্যবস্থার জন্য একটি সতর্ক সংকেত।
শরীয়তপুরের ডামুড্যা উপজেলার চর মালগাঁও উচ্চ বিদ্যালয়কে ঘিরে ওঠা এসএসসি ফরম পূরণ সংক্রান্ত অভিযোগ এখন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে। অভিভাবকদের ক্ষোভ, শিক্ষার পরিবেশ নিয়ে উদ্বেগ এবং প্রশাসনিক নীরবতা—সব মিলিয়ে বিষয়টি দ্রুত সমাধানের দাবি রাখে।
সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঠিক তদন্ত ও স্বচ্ছ পদক্ষেপই পারে শিক্ষার্থীদের আস্থা ফিরিয়ে আনতে এবং বিদ্যালয়ের পরিবেশ স্বাভাবিক করতে।

বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ এপ্রিল ২০২৬
এসএসসি পরীক্ষার ফরম পূরণকে কেন্দ্র করে শরীয়তপুরের ডামুড্যা উপজেলার ধানকাটি ইউনিয়নের চর মালগাঁও উচ্চ বিদ্যালয়ে গুরুতর অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। একই ধরনের শিক্ষাগত অবস্থায় থাকা শিক্ষার্থীদের মধ্যে ভিন্ন আচরণ করা হয়েছে—এমন অভিযোগে এখন উত্তপ্ত পুরো এলাকা। অভিভাবকদের দাবি, অর্থের বিনিময়ে কিছু শিক্ষার্থীকে সুযোগ দেওয়া হলেও অন্যদের বঞ্চিত করা হয়েছে, যা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে ন্যায্যতা ও স্বচ্ছতা নিয়ে।
স্থানীয় অভিভাবকদের অভিযোগ অনুযায়ী, এসএসসি পরীক্ষার ফরম পূরণের ক্ষেত্রে একজন শিক্ষার্থী, যিনি চার বিষয়ে অকৃতকার্য ছিলেন, তার কাছ থেকে প্রায় ২০ হাজার টাকা নিয়ে ফরম পূরণের সুযোগ দেওয়া হয়েছে। অথচ একই সময়ে দুই বিষয়ে অকৃতকার্য আরেক শিক্ষার্থী সেই সুযোগ থেকে বঞ্চিত হয়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে।
এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা ও অসন্তোষ তৈরি হয়েছে। অভিভাবকরা বলছেন, একই নিয়মে সবাইকে সুযোগ না দিয়ে নির্দিষ্ট কিছু শিক্ষার্থীকে সুযোগ দেওয়া হলে তা শিক্ষাব্যবস্থার স্বচ্ছতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করে।
একজন অভিভাবক নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন,
“আমরা বুঝতে পারছি না—একজন চার বিষয়ে ফেল করেও সুযোগ পাচ্ছে, আরেকজন দুই বিষয়ে ফেল করেও পাচ্ছে না। এখানে নিশ্চয়ই কিছু প্রভাব বা আর্থিক বিষয় কাজ করছে।”
অভিভাবকদের অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক। তাদের দাবি, তিনি ব্যক্তিগতভাবে অর্থ গ্রহণ করে কিছু শিক্ষার্থীকে পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার সুযোগ করে দিচ্ছেন।
তবে এসব অভিযোগ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে প্রমাণিত হয়নি। বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকেও এ বিষয়ে কোনো ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি।
স্থানীয়দের মধ্যে অনেকেই বলছেন, দীর্ঘদিন ধরেই বিদ্যালয়ের প্রশাসনিক কার্যক্রম নিয়ে নানা প্রশ্ন রয়েছে। তবে এবার এসএসসি ফরম পূরণের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়কে কেন্দ্র করে অভিযোগ ওঠায় পরিস্থিতি আরও গুরুতর আকার ধারণ করেছে।
শুধু ফরম পূরণ নয়, বিদ্যালয়ের শিক্ষার পরিবেশ নিয়েও একাধিক অভিযোগ উঠেছে। অভিভাবকদের দাবি, নিয়মিত ক্লাস ঠিকভাবে নেওয়া হয় না। অনেক সময় ক্লাস না নিয়ে পিওনের মাধ্যমে পাঠদান করানো হয় বলেও অভিযোগ রয়েছে।
এতে শিক্ষার্থীরা পর্যাপ্ত পাঠদানের সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছে বলে মনে করছেন তারা। বিশেষ করে এসএসসি পরীক্ষার মতো গুরুত্বপূর্ণ সময়ে এমন পরিস্থিতি শিক্ষার্থীদের ফলাফলের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন অভিভাবকরা।
আরও অভিযোগ রয়েছে, বিদ্যালয়ে প্রাইভেট পড়ার ওপর অতিরিক্ত গুরুত্ব দেওয়া হয়। অনেক শিক্ষার্থীকে নাকি বলা হয়, প্রাইভেট না পড়লে ভালো ফল করা কঠিন হবে। এতে করে আর্থিকভাবে দুর্বল পরিবারের শিক্ষার্থীরা চাপে পড়ে যাচ্ছে।
অভিভাবকদের আরেকটি অভিযোগ হলো, এডমিট কার্ড দেওয়ার সময় প্রতিটি শিক্ষার্থীর কাছ থেকে ৫০০ টাকা করে নেওয়া হয়েছে। তবে এ বিষয়ে কোনো লিখিত রসিদ বা অফিসিয়াল নির্দেশনা দেওয়া হয়নি বলে দাবি তাদের।
এই ঘটনায় অভিভাবকদের মধ্যে সন্দেহ ও অসন্তোষ আরও বেড়েছে। তারা বলছেন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ ধরনের আর্থিক লেনদেন স্বচ্ছ না হলে ভবিষ্যতে বড় ধরনের অনিয়মের আশঙ্কা থাকে।
স্থানীয় শিক্ষাবিদ ও সচেতন মহল মনে করছেন, একটি বিদ্যালয়ের অভ্যন্তরীণ অনিয়ম সরাসরি শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যতের ওপর প্রভাব ফেলে। চর মালগাঁও উচ্চ বিদ্যালয়ের বর্তমান পরিস্থিতি যদি সত্য হয়, তাহলে তা শিক্ষার মান ও পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে।
একজন স্থানীয় শিক্ষাবিদ বলেন,
“শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে স্বচ্ছতা না থাকলে শিক্ষার্থীরা নৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তাদের মধ্যে হতাশা তৈরি হয়, যা ভবিষ্যতের জন্য ভালো নয়। তাই বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে তদন্ত করা উচিত।”
অভিভাবকরা ইতোমধ্যে বিষয়টি শিক্ষা প্রশাসনের নজরে আনার কথা ভাবছেন বলে জানিয়েছেন। তাদের দাবি, নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য উদঘাটন করা জরুরি।
এ বিষয়ে তারা দ্রুত উপজেলা শিক্ষা অফিস ও সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ডের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। তাদের মতে, যদি অভিযোগ সত্য প্রমাণিত হয়, তাহলে দায়ীদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নিতে হবে।
এখন পর্যন্ত চর মালগাঁও উচ্চ বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। অভিযোগের বিষয়ে তাদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তা সম্ভব হয়নি বলে জানা গেছে।
অন্যদিকে স্থানীয় শিক্ষা কর্মকর্তাদের বক্তব্যও এ বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। ফলে পুরো বিষয়টি এখনো একতরফা অভিযোগের পর্যায়েই রয়েছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ফরম পূরণ বা পরীক্ষার মতো গুরুত্বপূর্ণ প্রক্রিয়ায় যদি স্বচ্ছতা না থাকে, তাহলে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে আস্থা নষ্ট হয়। এর দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব পড়তে পারে পুরো শিক্ষা ব্যবস্থার ওপর।
ডামুড্যার এই ঘটনায় যে অভিযোগগুলো উঠেছে, তা যদি সত্য হয়, তাহলে এটি শুধু একটি বিদ্যালয়ের সমস্যা নয়—বরং স্থানীয় শিক্ষা ব্যবস্থার জন্য একটি সতর্ক সংকেত।
শরীয়তপুরের ডামুড্যা উপজেলার চর মালগাঁও উচ্চ বিদ্যালয়কে ঘিরে ওঠা এসএসসি ফরম পূরণ সংক্রান্ত অভিযোগ এখন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে। অভিভাবকদের ক্ষোভ, শিক্ষার পরিবেশ নিয়ে উদ্বেগ এবং প্রশাসনিক নীরবতা—সব মিলিয়ে বিষয়টি দ্রুত সমাধানের দাবি রাখে।
সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঠিক তদন্ত ও স্বচ্ছ পদক্ষেপই পারে শিক্ষার্থীদের আস্থা ফিরিয়ে আনতে এবং বিদ্যালয়ের পরিবেশ স্বাভাবিক করতে।

আপনার মতামত লিখুন