দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর
সর্বশেষ
প্রকাশ : বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬

ড্যাফোডিল ও সুইসকন্ট্যাক্টের যৌথ উদ্যোগে দেশে প্রথম ইউজিসি অনুমোদিত সাস্টেইনেবিলিটি পিজিডি চালু

ড্যাফোডিল ও সুইসকন্ট্যাক্টের যৌথ উদ্যোগে দেশে প্রথম ইউজিসি অনুমোদিত সাস্টেইনেবিলিটি পিজিডি চালু

ইডেন কলেজে শিশু রামিসার হত্যার বিচারের দাবিতে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ ও সংবাদ সম্মেলন

জবিতে বৃহস্পতিবারের অনলাইন ক্লাস বন্ধের সিদ্ধান্ত, ৭ জুন থেকে ফিরছে পূর্ণাঙ্গ সশরীরে ক্লাস

ভিসি প্রত্যাহারের দাবিতে ডুয়েটে শাটডাউন ঘোষণা, সংঘর্ষের ঘটনায় উত্তপ্ত ক্যাম্পাস

ভিসি নিয়োগ ঘিরে উত্তাল ডুয়েট: ব্লকেডে অচল ক্যাম্পাস, মূল ফটকে তালা দিয়ে শিক্ষার্থীদের অবস্থান

জাবিতে ধর্ষণচেষ্টার ঘটনায় উত্তেজনা, অবরোধ তুলে দিয়ে ৭২ ঘণ্টার আলটিমেটাম শিক্ষার্থীদের

২০২৭ সালের এসএসসি ৭ জানুয়ারি, এইচএসসি শুরু ৬ জুন: পরীক্ষার নতুন সময়সূচি ঘোষণা

সোহরাওয়ার্দী কলেজ সাংবাদিক সমিতির ৫ম বর্ষে পদার্পণ: ক্যাম্পাস সাংবাদিকতায় নতুন অঙ্গীকার

গুচ্ছের ‘এ’ ইউনিটের ফল প্রকাশ: পাসের হার ৩০ শতাংশ, প্রথম তৌকির সিদ্দিক ইশতি

গুচ্ছের ‘এ’ ইউনিটের ফল প্রকাশ: পাসের হার ৩০ শতাংশ, প্রথম তৌকির সিদ্দিক ইশতি
-ফাইল ফটো

দেশের ২০টি সাধারণ এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সমন্বিত গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষার ‘এ’ ইউনিটের (বিজ্ঞান) ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছে। এতে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩০ শতাংশ ভর্তিযোগ্য হিসেবে বিবেচিত হয়েছেন। বুধবার (১৫ এপ্রিল) সকালে ভর্তি পরীক্ষার নির্ধারিত ওয়েবসাইটে আনুষ্ঠানিকভাবে এই ফল প্রকাশ করা হয়।

প্রকাশিত ফলাফলে দেখা গেছে, এ বছর ‘এ’ ইউনিটে মোট আবেদন করেছিলেন ১ লাখ ৬৬ হাজার ১৬২ জন শিক্ষার্থী। তাদের মধ্যে পরীক্ষায় অংশ নেন ১ লাখ ২৫ হাজার ৯৩৮ জন। তবে ৪০ হাজার ২২৪ জন পরীক্ষার্থী বিভিন্ন কারণে পরীক্ষায় উপস্থিত হননি। উপস্থিত পরীক্ষার্থীদের মধ্য থেকে ৩৮ হাজার ৮৮ জনকে ভর্তিযোগ্য হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে, যা মোট উপস্থিত পরীক্ষার্থীর প্রায় ৩০ শতাংশ।

এবারের ফলাফলে সর্বোচ্চ নম্বর পেয়ে প্রথম স্থান অর্জন করেছেন তৌকির সিদ্দিক ইশতি। তিনি রাজধানীর মোহাম্মদপুর সরকারি কলেজ থেকে পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিলেন। ১০০ নম্বরের পরীক্ষায় তিনি পেয়েছেন ৮৭ নম্বর। তার এই সাফল্য শিক্ষার্থীদের মধ্যে নতুন উদ্দীপনা তৈরি করেছে।

ফলাফল বিশ্লেষণে আরও দেখা গেছে, বিভিন্ন অনিয়ম ও কারিগরি ত্রুটির কারণে মোট ১১০ জন পরীক্ষার্থীর ফল বাতিল করা হয়েছে। এসব কারণের মধ্যে ছিল পরীক্ষার নিয়ম ভঙ্গ করে বহিষ্কার হওয়া, রোল নম্বর ভুল লেখা, প্রশ্ন সেট সংক্রান্ত সমস্যা এবং পরিচয় যাচাইয়ের ত্রুটি। ভর্তি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, পরীক্ষার স্বচ্ছতা বজায় রাখতেই এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

শিক্ষার্থীরা খুব সহজেই নিজেদের ফলাফল দেখতে পারছেন। এজন্য প্রথমে গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষার ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে সাইন ইন পেজে গিয়ে পিন নম্বর ও পাসওয়ার্ড দিয়ে লগইন করতে হচ্ছে। এরপর ড্যাশবোর্ডে থাকা ‘ফলাফল’ অপশন নির্বাচন করলেই ফল দেখা যাচ্ছে। চাইলে ফলাফল শিট ডাউনলোড বা প্রিন্টও করা যাচ্ছে। এছাড়া মোবাইল ফোনে এসএমএসের মাধ্যমেও ফল জানার সুযোগ রাখা হয়েছে ।

উল্লেখ্য, দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের ২০টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় একসঙ্গে সমন্বিতভাবে এই গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষা আয়োজন করে থাকে। এর ফলে শিক্ষার্থীদের আলাদা আলাদা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার ঝামেলা অনেক কমে গেছে। সময় ও খরচ সাশ্রয়ের পাশাপাশি ভর্তি প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতাও বেড়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রতিবছর গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারীর সংখ্যা বাড়ছে, যা দেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে পড়াশোনার প্রতি শিক্ষার্থীদের আগ্রহেরই প্রতিফলন। একই সঙ্গে প্রতিযোগিতাও দিন দিন কঠিন হয়ে উঠছে। তাই ভর্তিযোগ্য তালিকায় স্থান পাওয়া শিক্ষার্থীদের সামনে এখন বিষয় ও বিশ্ববিদ্যালয় পছন্দের গুরুত্বপূর্ণ ধাপ অপেক্ষা করছে।

সব মিলিয়ে ‘এ’ ইউনিটের ফল প্রকাশের মাধ্যমে গুচ্ছ ভর্তি প্রক্রিয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ শেষ হলো। এখন শিক্ষার্থীরা পরবর্তী ধাপ—বিশ্ববিদ্যালয় ও বিষয় পছন্দের প্রস্তুতি নিচ্ছেন। ভর্তি সংক্রান্ত পরবর্তী নির্দেশনা দ্রুত প্রকাশ করা হবে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর

সোমবার, ০১ জুন ২০২৬


গুচ্ছের ‘এ’ ইউনিটের ফল প্রকাশ: পাসের হার ৩০ শতাংশ, প্রথম তৌকির সিদ্দিক ইশতি

প্রকাশের তারিখ : ১৫ এপ্রিল ২০২৬

featured Image

দেশের ২০টি সাধারণ এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সমন্বিত গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষার ‘এ’ ইউনিটের (বিজ্ঞান) ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছে। এতে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩০ শতাংশ ভর্তিযোগ্য হিসেবে বিবেচিত হয়েছেন। বুধবার (১৫ এপ্রিল) সকালে ভর্তি পরীক্ষার নির্ধারিত ওয়েবসাইটে আনুষ্ঠানিকভাবে এই ফল প্রকাশ করা হয়।

প্রকাশিত ফলাফলে দেখা গেছে, এ বছর ‘এ’ ইউনিটে মোট আবেদন করেছিলেন ১ লাখ ৬৬ হাজার ১৬২ জন শিক্ষার্থী। তাদের মধ্যে পরীক্ষায় অংশ নেন ১ লাখ ২৫ হাজার ৯৩৮ জন। তবে ৪০ হাজার ২২৪ জন পরীক্ষার্থী বিভিন্ন কারণে পরীক্ষায় উপস্থিত হননি। উপস্থিত পরীক্ষার্থীদের মধ্য থেকে ৩৮ হাজার ৮৮ জনকে ভর্তিযোগ্য হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে, যা মোট উপস্থিত পরীক্ষার্থীর প্রায় ৩০ শতাংশ।

এবারের ফলাফলে সর্বোচ্চ নম্বর পেয়ে প্রথম স্থান অর্জন করেছেন তৌকির সিদ্দিক ইশতি। তিনি রাজধানীর মোহাম্মদপুর সরকারি কলেজ থেকে পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিলেন। ১০০ নম্বরের পরীক্ষায় তিনি পেয়েছেন ৮৭ নম্বর। তার এই সাফল্য শিক্ষার্থীদের মধ্যে নতুন উদ্দীপনা তৈরি করেছে।

ফলাফল বিশ্লেষণে আরও দেখা গেছে, বিভিন্ন অনিয়ম ও কারিগরি ত্রুটির কারণে মোট ১১০ জন পরীক্ষার্থীর ফল বাতিল করা হয়েছে। এসব কারণের মধ্যে ছিল পরীক্ষার নিয়ম ভঙ্গ করে বহিষ্কার হওয়া, রোল নম্বর ভুল লেখা, প্রশ্ন সেট সংক্রান্ত সমস্যা এবং পরিচয় যাচাইয়ের ত্রুটি। ভর্তি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, পরীক্ষার স্বচ্ছতা বজায় রাখতেই এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

শিক্ষার্থীরা খুব সহজেই নিজেদের ফলাফল দেখতে পারছেন। এজন্য প্রথমে গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষার ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে সাইন ইন পেজে গিয়ে পিন নম্বর ও পাসওয়ার্ড দিয়ে লগইন করতে হচ্ছে। এরপর ড্যাশবোর্ডে থাকা ‘ফলাফল’ অপশন নির্বাচন করলেই ফল দেখা যাচ্ছে। চাইলে ফলাফল শিট ডাউনলোড বা প্রিন্টও করা যাচ্ছে। এছাড়া মোবাইল ফোনে এসএমএসের মাধ্যমেও ফল জানার সুযোগ রাখা হয়েছে ।

উল্লেখ্য, দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের ২০টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় একসঙ্গে সমন্বিতভাবে এই গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষা আয়োজন করে থাকে। এর ফলে শিক্ষার্থীদের আলাদা আলাদা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার ঝামেলা অনেক কমে গেছে। সময় ও খরচ সাশ্রয়ের পাশাপাশি ভর্তি প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতাও বেড়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রতিবছর গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারীর সংখ্যা বাড়ছে, যা দেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে পড়াশোনার প্রতি শিক্ষার্থীদের আগ্রহেরই প্রতিফলন। একই সঙ্গে প্রতিযোগিতাও দিন দিন কঠিন হয়ে উঠছে। তাই ভর্তিযোগ্য তালিকায় স্থান পাওয়া শিক্ষার্থীদের সামনে এখন বিষয় ও বিশ্ববিদ্যালয় পছন্দের গুরুত্বপূর্ণ ধাপ অপেক্ষা করছে।

সব মিলিয়ে ‘এ’ ইউনিটের ফল প্রকাশের মাধ্যমে গুচ্ছ ভর্তি প্রক্রিয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ শেষ হলো। এখন শিক্ষার্থীরা পরবর্তী ধাপ—বিশ্ববিদ্যালয় ও বিষয় পছন্দের প্রস্তুতি নিচ্ছেন। ভর্তি সংক্রান্ত পরবর্তী নির্দেশনা দ্রুত প্রকাশ করা হবে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।


দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর

প্রকাশক ও সম্পাদকঃ মোঃ সাদ্দাম হোসেন
কপিরাইট © ২০২৬ দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর