সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, পুতিন হয়তো ইরানকে ‘সামান্য’ সাহায্য করছেন এবং এর পেছনে একটি ভূ-রাজনৈতিক সমীকরণ কাজ করছে। ট্রাম্পের মতে:
যুক্তরাষ্ট্র যেভাবে ইউক্রেনকে সামরিক সহায়তা দিচ্ছে, পুতিন হয়তো তার ‘প্রতিশোধ’ বা ‘পাল্টা পদক্ষেপ’ হিসেবে ইরানকে সমর্থন দিচ্ছেন।
কেবল রাশিয়া নয়, চীনের মতো বিশ্বশক্তিগুলোও একই সমীকরণ মাথায় রেখে তাদের মিত্রদের সমর্থন দিচ্ছে বলে ইঙ্গিত দেন ট্রাম্প।
ট্রাম্প একে ‘সামান্য সহায়তা’ হিসেবে বর্ণনা করলেও, ওয়াশিংটন পোস্টের এক প্রতিবেদনে অত্যন্ত উদ্বেগজনক তথ্য উঠে এসেছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী:
রাশিয়া মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক বাহিনীর অবস্থান সংক্রান্ত অত্যন্ত সংবেদনশীল গোয়েন্দা তথ্য তেহরানের কাছে হস্তান্তর করছে।
বিশেষ করে মার্কিন রণতরি (Warships) এবং যুদ্ধবিমানের অবস্থান সংক্রান্ত তথ্য ইরানকে সরবরাহ করা হচ্ছে, যাতে তারা মার্কিন লক্ষ্যবস্তুগুলোতে নিখুঁতভাবে আঘাত হানতে পারে।
ট্রাম্প বিষয়টিকে কিছুটা হালকাভাবে দেখলেও পেন্টাগন এবং মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থাগুলো একে চরম ঝুঁকি হিসেবে বিবেচনা করছে। তারা মনে করছে, রাশিয়ার দেওয়া এই টেকনিক্যাল ও স্যাটেলাইট তথ্য ব্যবহার করে ইরান বা তাদের প্রক্সি গোষ্ঠীগুলো মার্কিন স্বার্থে বড় ধরনের আঘাত হানতে পারে।
ট্রাম্পের দাবি: পুতিন ইউক্রেন যুদ্ধের পাল্টা জবাব হিসেবে ইরানকে সাহায্য করছেন।
সহযোগিতার ধরন: মূলত গোয়েন্দা তথ্য এবং মার্কিন সামরিক মুভমেন্ট শেয়ার করা।
অন্যান্য শক্তি: চীনও এই একই ধরনের কৌশলগত অবস্থানে থাকতে পারে বলে ট্রাম্পের আশঙ্কা।

মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ মার্চ ২০২৬
সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, পুতিন হয়তো ইরানকে ‘সামান্য’ সাহায্য করছেন এবং এর পেছনে একটি ভূ-রাজনৈতিক সমীকরণ কাজ করছে। ট্রাম্পের মতে:
যুক্তরাষ্ট্র যেভাবে ইউক্রেনকে সামরিক সহায়তা দিচ্ছে, পুতিন হয়তো তার ‘প্রতিশোধ’ বা ‘পাল্টা পদক্ষেপ’ হিসেবে ইরানকে সমর্থন দিচ্ছেন।
কেবল রাশিয়া নয়, চীনের মতো বিশ্বশক্তিগুলোও একই সমীকরণ মাথায় রেখে তাদের মিত্রদের সমর্থন দিচ্ছে বলে ইঙ্গিত দেন ট্রাম্প।
ট্রাম্প একে ‘সামান্য সহায়তা’ হিসেবে বর্ণনা করলেও, ওয়াশিংটন পোস্টের এক প্রতিবেদনে অত্যন্ত উদ্বেগজনক তথ্য উঠে এসেছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী:
রাশিয়া মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক বাহিনীর অবস্থান সংক্রান্ত অত্যন্ত সংবেদনশীল গোয়েন্দা তথ্য তেহরানের কাছে হস্তান্তর করছে।
বিশেষ করে মার্কিন রণতরি (Warships) এবং যুদ্ধবিমানের অবস্থান সংক্রান্ত তথ্য ইরানকে সরবরাহ করা হচ্ছে, যাতে তারা মার্কিন লক্ষ্যবস্তুগুলোতে নিখুঁতভাবে আঘাত হানতে পারে।
ট্রাম্প বিষয়টিকে কিছুটা হালকাভাবে দেখলেও পেন্টাগন এবং মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থাগুলো একে চরম ঝুঁকি হিসেবে বিবেচনা করছে। তারা মনে করছে, রাশিয়ার দেওয়া এই টেকনিক্যাল ও স্যাটেলাইট তথ্য ব্যবহার করে ইরান বা তাদের প্রক্সি গোষ্ঠীগুলো মার্কিন স্বার্থে বড় ধরনের আঘাত হানতে পারে।
ট্রাম্পের দাবি: পুতিন ইউক্রেন যুদ্ধের পাল্টা জবাব হিসেবে ইরানকে সাহায্য করছেন।
সহযোগিতার ধরন: মূলত গোয়েন্দা তথ্য এবং মার্কিন সামরিক মুভমেন্ট শেয়ার করা।
অন্যান্য শক্তি: চীনও এই একই ধরনের কৌশলগত অবস্থানে থাকতে পারে বলে ট্রাম্পের আশঙ্কা।

আপনার মতামত লিখুন