দেশের বাজারে আবারও কমেছে স্বর্ণের দাম। ভরিতে ১ হাজার ৬৩৩ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। নতুন দর অনুযায়ী, ভ্যাটসহ প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ২৩ হাজার ৭৪ টাকা।
শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) সকালে এক বিজ্ঞপ্তিতে নতুন দাম ঘোষণা করে বাজুস। সকাল ১০টা থেকে এ দাম কার্যকর হয়েছে। স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের দাম কমে যাওয়ায় সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় মূল্য সমন্বয়ের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে সংগঠনটি।
নতুন দর অনুযায়ী, ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ১৩ হাজার ৪৩ টাকা। ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৮২ হাজার ৯৫০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৪৯ হাজার ৪৭৪ টাকা।
এখানে প্রতি ভরি বলতে ১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম স্বর্ণ বোঝানো হয়েছে।
অলংকারের নকশা অনুযায়ী মজুরি নির্ধারিত হবে। বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে ভ্যাট অন্তর্ভুক্ত থাকায় ক্রেতার কাছ থেকে আলাদাভাবে ভ্যাট আদায় করা যাবে না।
এ ছাড়া মজুরি ও পাথরের দাম বাদ দিয়ে পুরোনো অলংকার বদলের ক্ষেত্রে ১২ শতাংশ এবং পুরোনো স্বর্ণ বিক্রির ক্ষেত্রে ১৮ শতাংশ বাদ দেওয়ার নিয়ম রয়েছে। তবে এসব ক্ষেত্রে আলাদাভাবে ভ্যাট বাদ দেওয়ার সুযোগ নেই।
পরবর্তী ঘোষণা না আসা পর্যন্ত দেশের সব জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানে নতুন দাম কার্যকর থাকবে।
ওই দিন ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ছিল ২ লাখ ১৪ হাজার ৬১৮ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ১ লাখ ৮৪ হাজার ২৯১ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের দাম ছিল ১ লাখ ৫০ হাজার ৫৮২ টাকা।
অর্থাৎ, আগের দিনের বৃদ্ধির পরদিনই ভরিতে একই পরিমাণ কমানো হয়েছে।
অন্যদিকে, ২০২৫ সালে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। ওই বছর ৬৪ বার দাম বেড়েছিল এবং ২৯ বার কমেছিল।
নতুন মূল্যতালিকা অনুযায়ী, ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপার দাম ৩ হাজার ৪৯৯ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ৩ হাজার ৩৩ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপার দাম ২ হাজার ২৭৪ টাকা।
বাজুসের হিসাব অনুযায়ী, চলতি বছরে এখন পর্যন্ত ৭৭ দফা রুপার দাম সমন্বয় করা হয়েছে। এর মধ্যে ৩৬ দফা দাম বেড়েছে এবং ৪১ দফা কমেছে। ২০২৫ সালে রুপার দাম ১৩ বার সমন্বয় করা হয়েছিল। সে বছর ১০ বার দাম বাড়ানো হয় এবং তিনবার কমানো হয়।
স্বর্ণ ও রুপার নতুন দাম শুক্রবার সকাল ১০টা থেকে কার্যকর হয়েছে। পরবর্তী ঘোষণা না আসা পর্যন্ত এ দামেই দেশের বাজারে এসব মূল্যবান ধাতু কেনাবেচা চলবে।

শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ অক্টোবর ২০২৬
দেশের বাজারে আবারও কমেছে স্বর্ণের দাম। ভরিতে ১ হাজার ৬৩৩ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। নতুন দর অনুযায়ী, ভ্যাটসহ প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ২৩ হাজার ৭৪ টাকা।
শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) সকালে এক বিজ্ঞপ্তিতে নতুন দাম ঘোষণা করে বাজুস। সকাল ১০টা থেকে এ দাম কার্যকর হয়েছে। স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের দাম কমে যাওয়ায় সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় মূল্য সমন্বয়ের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে সংগঠনটি।
নতুন দর অনুযায়ী, ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ১৩ হাজার ৪৩ টাকা। ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৮২ হাজার ৯৫০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৪৯ হাজার ৪৭৪ টাকা।
এখানে প্রতি ভরি বলতে ১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম স্বর্ণ বোঝানো হয়েছে।
অলংকারের নকশা অনুযায়ী মজুরি নির্ধারিত হবে। বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে ভ্যাট অন্তর্ভুক্ত থাকায় ক্রেতার কাছ থেকে আলাদাভাবে ভ্যাট আদায় করা যাবে না।
এ ছাড়া মজুরি ও পাথরের দাম বাদ দিয়ে পুরোনো অলংকার বদলের ক্ষেত্রে ১২ শতাংশ এবং পুরোনো স্বর্ণ বিক্রির ক্ষেত্রে ১৮ শতাংশ বাদ দেওয়ার নিয়ম রয়েছে। তবে এসব ক্ষেত্রে আলাদাভাবে ভ্যাট বাদ দেওয়ার সুযোগ নেই।
পরবর্তী ঘোষণা না আসা পর্যন্ত দেশের সব জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানে নতুন দাম কার্যকর থাকবে।
ওই দিন ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ছিল ২ লাখ ১৪ হাজার ৬১৮ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ১ লাখ ৮৪ হাজার ২৯১ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের দাম ছিল ১ লাখ ৫০ হাজার ৫৮২ টাকা।
অর্থাৎ, আগের দিনের বৃদ্ধির পরদিনই ভরিতে একই পরিমাণ কমানো হয়েছে।
অন্যদিকে, ২০২৫ সালে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। ওই বছর ৬৪ বার দাম বেড়েছিল এবং ২৯ বার কমেছিল।
নতুন মূল্যতালিকা অনুযায়ী, ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপার দাম ৩ হাজার ৪৯৯ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ৩ হাজার ৩৩ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপার দাম ২ হাজার ২৭৪ টাকা।
বাজুসের হিসাব অনুযায়ী, চলতি বছরে এখন পর্যন্ত ৭৭ দফা রুপার দাম সমন্বয় করা হয়েছে। এর মধ্যে ৩৬ দফা দাম বেড়েছে এবং ৪১ দফা কমেছে। ২০২৫ সালে রুপার দাম ১৩ বার সমন্বয় করা হয়েছিল। সে বছর ১০ বার দাম বাড়ানো হয় এবং তিনবার কমানো হয়।
স্বর্ণ ও রুপার নতুন দাম শুক্রবার সকাল ১০টা থেকে কার্যকর হয়েছে। পরবর্তী ঘোষণা না আসা পর্যন্ত এ দামেই দেশের বাজারে এসব মূল্যবান ধাতু কেনাবেচা চলবে।

আপনার মতামত লিখুন