দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর
সর্বশেষ
প্রকাশ : বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬

সাংবাদিক অরিত্র কুন্ডুসহ দুজনকে জেলগেটে জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি, কনডেম সেলে রাখার অভিযোগ

সাংবাদিক অরিত্র কুন্ডুসহ দুজনকে জেলগেটে জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি, কনডেম সেলে রাখার অভিযোগ

কাস্টম হাউস ঢাকায় সাংবাদিকদের প্রবেশে বাধা, নিরাপত্তাপ্রহরীর বিরুদ্ধে দুর্ব্যবহারের অভিযোগ

এফিডেভিটে মাকে মৃত দেখিয়ে ৪০ হাজার টাকায় মেয়েকে বিক্রি বাবার, উদ্ধার ১৪ মাসের শিশু

১৩ বছরের শিশুকে ধর্ষণচেষ্টা, ফরিদপুরে আসামির ৫ বছরের কারাদণ্ড

৩০ হাজার ইয়াবা লুটের অভিযোগে পুলিশের ৩ সদস্য প্রত্যাহার

পেশাদারিত্ব ও মানবিকতায় ‘জনগণের পুলিশ’ গড়ার আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

৩০ হাজার টাকা ন্যূনতম বেতনের দাবিতে মিরপুর-১০-এ শ্রমিকদের সড়ক অবরোধ

মহেশপুর সীমান্তে তিন ভারতীয় নাগরিকসহ আটক ৮

সাংবাদিক অরিত্র কুন্ডুসহ দুজনকে জেলগেটে জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি, কনডেম সেলে রাখার অভিযোগ

সাংবাদিক অরিত্র কুন্ডুসহ দুজনকে জেলগেটে জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি, কনডেম সেলে রাখার অভিযোগ
ঝিনাইদহে কথিত চাঁদাবাজি মামলায় কারাগারে থাকা সাংবাদিক অরিত্র কুন্ডুসহ দুজনকে জেলগেটে এক দিন জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি দিয়েছেন আদালত। এদিকে অরিত্রকে কনডেম সেলে রাখার অভিযোগ উঠেছে, যা নিয়ে সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি: ঝিনাইদহে কথিত চাঁদাবাজি মামলায় কারাগারে থাকা সাংবাদিক অরিত্র কুন্ডুসহ দুজনকে জেলগেটে এক দিন জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে অরিত্র কুন্ডুকে কারাগারের কনডেম সেলে রাখা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।

আসামিপক্ষের আইনজীবী আব্দুল মান্নানের বরাতে জানা যায়, ঝিনাইদহের চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক গোলাম নবী এ আদেশ দেন। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই মাসুম বিল্লাহ পাঁচ দিনের রিমান্ড আবেদন করলে শুনানি শেষে আদালত এক দিন জেলগেটে জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি দেন।

আদালতের আদেশের পর অরিত্রর জব্দ করা মোবাইল ফোনের পাসওয়ার্ড থানা-পুলিশকে দেওয়া হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। এদিকে আসামিপক্ষের আইনজীবী রিমান্ড বাতিল ও জামিনের আবেদন করলেও আদালত তা মঞ্জুর করেননি বলে জানা গেছে।

এদিকে সাংবাদিক অরিত্র কুন্ডুর বিরুদ্ধে ১০ হাজার টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগে আরেকটি মামলা দায়ের হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। অভিযোগ অনুযায়ী, ঝিনাইদহের এক বিএনপি নেতার ঘনিষ্ঠ ঠিকাদার রোকনুজ্জামান এ মামলাটি করেছেন বলে জানা গেছে।

তবে নতুন মামলার এজাহার, অভিযোগের বিস্তারিত এবং অরিত্র কুন্ডু বা তাঁর আইনজীবীর এ বিষয়ে বক্তব্য স্বাধীনভাবে যাচাই করা প্রয়োজন। মামলা দায়েরের তথ্য নিজে থেকেই অভিযোগের সত্যতা প্রমাণ করে না।

অরিত্র কুন্ডুকে কারাগারের কনডেম সেলে রাখা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এ বিষয়ে বৃহস্পতিবার বিকেলে সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ কমিটি কেন্দ্রীয় কমান্ড কাউন্সিলের পক্ষ থেকে ঝিনাইদহের জেল সুপার মোহাম্মদ হাবীবুর রহমানের সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ করা হয় বলে প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, জেল সুপার বলেন, নিরাপত্তার স্বার্থে অরিত্রকে কনডেম সেলে রাখা হয়েছে। অন্য বন্দিদের সঙ্গে রাখলে তাঁর ক্ষতি হতে পারে—এমন আশঙ্কার কথা উল্লেখ করে তিনি জানান, এ ছাড়া অন্য কোনো কারণ নেই।

তবে অরিত্রকে ঠিক কোন ধরনের নিরাপত্তাঝুঁকির কারণে সেখানে রাখা হয়েছে, সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য প্রতিবেদনে পাওয়া যায়নি। এ ছাড়া তাঁকে সেখানে রাখার সিদ্ধান্তের প্রশাসনিক ও আইনগত ভিত্তি সম্পর্কেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বিস্তারিত ব্যাখ্যা প্রয়োজন।

কনডেম সেলে রাখার অভিযোগের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য কারাবিধি, বন্দির আইনি অবস্থান এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের লিখিত ব্যাখ্যা যাচাই করা জরুরি। এসব তথ্য ছাড়া সিদ্ধান্তটির আইনগত বৈধতা সম্পর্কে চূড়ান্ত মন্তব্য করা সমীচীন নয়।

বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরামের ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান ও সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি আহমেদ আবু জাফর এ ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

তাঁর অভিযোগ, গত কয়েক দিনে অরিত্র কুন্ডুকে ঘিরে যেসব ঘটনা ঘটছে, তা বাড়াবাড়ি বলে মনে হচ্ছে। ঝিনাইদহের সাংবাদিকদের এ বিষয়ে কথা বলতে প্রশাসন ও রাজনৈতিক দলের নেতাদের পক্ষ থেকে নিষেধ করা হচ্ছে বলেও তিনি দাবি করেন। তবে এ দাবির পক্ষে স্বাধীনভাবে যাচাই করা তথ্য প্রতিবেদনে উল্লেখ নেই।

আহমেদ আবু জাফর আইনমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে অরিত্রর বিরুদ্ধে চলমান ঘটনাগুলো খতিয়ে দেখার আহ্বান জানিয়েছেন। তাঁর আশঙ্কা, অরিত্রর বিরুদ্ধে আরও কঠোর মামলা করা হতে পারে। তিনি বলেন, পরিস্থিতি আরও জটিল না করতে সংশ্লিষ্ট প্রশাসন ও রাজনৈতিক নেতাদের দায়িত্বশীল ভূমিকা নেওয়া উচিত।

এদিকে মামলাটি বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরামের পক্ষ থেকে পরিচালনা করা হতে পারে বলে সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

সাংবাদিক অরিত্র কুন্ডুর বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলাগুলোর অভিযোগ, আদালতের আদেশ এবং কারাগারে তাঁকে রাখার পরিস্থিতি—প্রতিটি বিষয়ই পৃথকভাবে যাচাই করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে অরিত্রর আইনজীবীর বক্তব্য, মামলার এজাহার, আদালতের আদেশ এবং কারা কর্তৃপক্ষের প্রাসঙ্গিক নথি সামনে এলে বিষয়টি আরও স্পষ্ট হতে পারে।

একজন বন্দিকে নিরাপত্তার কারণে বিশেষ ব্যবস্থায় রাখার দাবি করা হলে সেই সিদ্ধান্তের কারণ ও আইনগত ভিত্তি সম্পর্কে যথাযথ ব্যাখ্যা থাকা গুরুত্বপূর্ণ। অভিযোগের সত্যতা যাচাই এবং সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের বক্তব্য প্রকাশের মাধ্যমে ঘটনাটির নিরপেক্ষ চিত্র তুলে ধরা প্রয়োজন।

প্রতিবেদন-সংক্রান্ত সতর্কতা: এ সংবাদে অরিত্র কুন্ডুর বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলোকে প্রমাণিত অপরাধ হিসেবে বিবেচনা করা হয়নি। কনডেম সেলে রাখার অভিযোগ এবং জেল সুপারের বক্তব্য মূল প্রতিবেদনে দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে উপস্থাপন করা হয়েছে। প্রকাশের আগে আদালতের আদেশ, মামলার নথি, তারিখ এবং সংশ্লিষ্ট পক্ষের বক্তব্য যাচাই করা প্রয়োজন।

বিষয় : ঝিনাইদহ চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত কনডেম সেলে রাখার অভিযোগ অরিত্র কুন্ডুর রিমান্ড ঝিনাইদহে সাংবাদিক গ্রেপ্তার সাংবাদিক অরিত্র কুন্ডু

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর

বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬


সাংবাদিক অরিত্র কুন্ডুসহ দুজনকে জেলগেটে জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি, কনডেম সেলে রাখার অভিযোগ

প্রকাশের তারিখ : ২৯ অক্টোবর ২০২৬

featured Image

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি: ঝিনাইদহে কথিত চাঁদাবাজি মামলায় কারাগারে থাকা সাংবাদিক অরিত্র কুন্ডুসহ দুজনকে জেলগেটে এক দিন জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে অরিত্র কুন্ডুকে কারাগারের কনডেম সেলে রাখা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।

আসামিপক্ষের আইনজীবী আব্দুল মান্নানের বরাতে জানা যায়, ঝিনাইদহের চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক গোলাম নবী এ আদেশ দেন। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই মাসুম বিল্লাহ পাঁচ দিনের রিমান্ড আবেদন করলে শুনানি শেষে আদালত এক দিন জেলগেটে জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি দেন।

আদালতের আদেশের পর অরিত্রর জব্দ করা মোবাইল ফোনের পাসওয়ার্ড থানা-পুলিশকে দেওয়া হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। এদিকে আসামিপক্ষের আইনজীবী রিমান্ড বাতিল ও জামিনের আবেদন করলেও আদালত তা মঞ্জুর করেননি বলে জানা গেছে।

এদিকে সাংবাদিক অরিত্র কুন্ডুর বিরুদ্ধে ১০ হাজার টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগে আরেকটি মামলা দায়ের হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। অভিযোগ অনুযায়ী, ঝিনাইদহের এক বিএনপি নেতার ঘনিষ্ঠ ঠিকাদার রোকনুজ্জামান এ মামলাটি করেছেন বলে জানা গেছে।

তবে নতুন মামলার এজাহার, অভিযোগের বিস্তারিত এবং অরিত্র কুন্ডু বা তাঁর আইনজীবীর এ বিষয়ে বক্তব্য স্বাধীনভাবে যাচাই করা প্রয়োজন। মামলা দায়েরের তথ্য নিজে থেকেই অভিযোগের সত্যতা প্রমাণ করে না।

অরিত্র কুন্ডুকে কারাগারের কনডেম সেলে রাখা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এ বিষয়ে বৃহস্পতিবার বিকেলে সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ কমিটি কেন্দ্রীয় কমান্ড কাউন্সিলের পক্ষ থেকে ঝিনাইদহের জেল সুপার মোহাম্মদ হাবীবুর রহমানের সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ করা হয় বলে প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, জেল সুপার বলেন, নিরাপত্তার স্বার্থে অরিত্রকে কনডেম সেলে রাখা হয়েছে। অন্য বন্দিদের সঙ্গে রাখলে তাঁর ক্ষতি হতে পারে—এমন আশঙ্কার কথা উল্লেখ করে তিনি জানান, এ ছাড়া অন্য কোনো কারণ নেই।

তবে অরিত্রকে ঠিক কোন ধরনের নিরাপত্তাঝুঁকির কারণে সেখানে রাখা হয়েছে, সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য প্রতিবেদনে পাওয়া যায়নি। এ ছাড়া তাঁকে সেখানে রাখার সিদ্ধান্তের প্রশাসনিক ও আইনগত ভিত্তি সম্পর্কেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বিস্তারিত ব্যাখ্যা প্রয়োজন।

কনডেম সেলে রাখার অভিযোগের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য কারাবিধি, বন্দির আইনি অবস্থান এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের লিখিত ব্যাখ্যা যাচাই করা জরুরি। এসব তথ্য ছাড়া সিদ্ধান্তটির আইনগত বৈধতা সম্পর্কে চূড়ান্ত মন্তব্য করা সমীচীন নয়।

বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরামের ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান ও সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি আহমেদ আবু জাফর এ ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

তাঁর অভিযোগ, গত কয়েক দিনে অরিত্র কুন্ডুকে ঘিরে যেসব ঘটনা ঘটছে, তা বাড়াবাড়ি বলে মনে হচ্ছে। ঝিনাইদহের সাংবাদিকদের এ বিষয়ে কথা বলতে প্রশাসন ও রাজনৈতিক দলের নেতাদের পক্ষ থেকে নিষেধ করা হচ্ছে বলেও তিনি দাবি করেন। তবে এ দাবির পক্ষে স্বাধীনভাবে যাচাই করা তথ্য প্রতিবেদনে উল্লেখ নেই।

আহমেদ আবু জাফর আইনমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে অরিত্রর বিরুদ্ধে চলমান ঘটনাগুলো খতিয়ে দেখার আহ্বান জানিয়েছেন। তাঁর আশঙ্কা, অরিত্রর বিরুদ্ধে আরও কঠোর মামলা করা হতে পারে। তিনি বলেন, পরিস্থিতি আরও জটিল না করতে সংশ্লিষ্ট প্রশাসন ও রাজনৈতিক নেতাদের দায়িত্বশীল ভূমিকা নেওয়া উচিত।

এদিকে মামলাটি বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরামের পক্ষ থেকে পরিচালনা করা হতে পারে বলে সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

সাংবাদিক অরিত্র কুন্ডুর বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলাগুলোর অভিযোগ, আদালতের আদেশ এবং কারাগারে তাঁকে রাখার পরিস্থিতি—প্রতিটি বিষয়ই পৃথকভাবে যাচাই করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে অরিত্রর আইনজীবীর বক্তব্য, মামলার এজাহার, আদালতের আদেশ এবং কারা কর্তৃপক্ষের প্রাসঙ্গিক নথি সামনে এলে বিষয়টি আরও স্পষ্ট হতে পারে।

একজন বন্দিকে নিরাপত্তার কারণে বিশেষ ব্যবস্থায় রাখার দাবি করা হলে সেই সিদ্ধান্তের কারণ ও আইনগত ভিত্তি সম্পর্কে যথাযথ ব্যাখ্যা থাকা গুরুত্বপূর্ণ। অভিযোগের সত্যতা যাচাই এবং সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের বক্তব্য প্রকাশের মাধ্যমে ঘটনাটির নিরপেক্ষ চিত্র তুলে ধরা প্রয়োজন।

প্রতিবেদন-সংক্রান্ত সতর্কতা: এ সংবাদে অরিত্র কুন্ডুর বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলোকে প্রমাণিত অপরাধ হিসেবে বিবেচনা করা হয়নি। কনডেম সেলে রাখার অভিযোগ এবং জেল সুপারের বক্তব্য মূল প্রতিবেদনে দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে উপস্থাপন করা হয়েছে। প্রকাশের আগে আদালতের আদেশ, মামলার নথি, তারিখ এবং সংশ্লিষ্ট পক্ষের বক্তব্য যাচাই করা প্রয়োজন।


দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর

প্রকাশক ও সম্পাদকঃ মোঃ সাদ্দাম হোসেন
কপিরাইট © ২০২৬ দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর