গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে মাকে মৃত দেখিয়ে এফিডেভিট করার পর ৪০ হাজার টাকায় ১৪ মাস বয়সী কন্যাসন্তানকে বিক্রির অভিযোগ উঠেছে বাবা আজাহার আলীর বিরুদ্ধে। পরে পুলিশ শিশুটিকে উদ্ধার করে মায়ের কাছে ফিরিয়ে দিয়েছে।
বুধবার (২৮ অক্টোবর) রাতে পার্শ্ববর্তী সাদুল্লাপুর উপজেলার নলডাঙ্গা ইউনিয়নের পূর্ব খামার দশলিয়া গ্রামের রুহুল আমিনের বাড়ি থেকে শিশুটিকে উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার হওয়া শিশুটির নাম আদিবা খাতুন। তার মা খালেদা বেগম ঢাকায় একটি পোশাক কারখানায় কাজ করেন।
পুলিশ ও স্বজনদের সূত্রে জানা যায়, খালেদা বেগম ঢাকায় পোশাক কারখানায় কাজ করার কারণে মেয়ে আদিবাকে সুন্দরগঞ্জে তার খালার বাড়িতে রেখে গিয়েছিলেন।
অভিযোগ অনুযায়ী, গত ১ অক্টোবর শিশুটির বাবা আজাহার আলী বিস্কুট কিনে দেওয়ার কথা বলে খালার কাছ থেকে আদিবাকে নিয়ে যান। এরপর তিনি শিশুটিকে আর ফিরিয়ে দেননি।
পরে পরিবারের সদস্যরা শিশুটির খোঁজ করতে থাকেন। একপর্যায়ে ২৭ অক্টোবর শিশুটিকে উদ্ধারের জন্য সুন্দরগঞ্জ থানায় আইনগত সহায়তা চেয়ে অভিযোগ করেন তার মা খালেদা বেগম।
পুলিশের প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, শিশুটিকে বিক্রির সময় তার মা খালেদা বেগমকে মৃত দেখিয়ে নোটারি পাবলিকের মাধ্যমে এফিডেভিট করা হয়েছিল বলে অভিযোগ উঠেছে।
শিশুটিকে ৪০ হাজার টাকায় বিক্রি করা হয়েছিল বলে জানা গেছে। তবে এফিডেভিট তৈরির প্রক্রিয়া, এতে কারা জড়িত ছিলেন এবং শিশুটিকে কীভাবে হস্তান্তর করা হয়েছিল—এসব বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য এখনো স্পষ্ট নয়।
সুন্দরগঞ্জ থানায় করা অভিযোগের ভিত্তিতে বুধবার সাদুল্লাপুর থানা-পুলিশ শিশুটিকে উদ্ধার করে।
সাদুল্লাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) একেএম হাবিবুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, অভিযোগের ভিত্তিতে শিশুটিকে উদ্ধার করা হয়েছে। তবে এ সময় শিশুটিকে যারা কিনেছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে, তারা উপস্থিত না থাকায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।
ওসি জানান, উদ্ধার হওয়া আদিবাকে তার মায়ের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
পুলিশের ধারণা, আজাহার আলী জুয়া ও মাদকের জন্য অর্থ জোগাড় করতে শিশুটিকে বিক্রি করে থাকতে পারেন। তবে এটি পুলিশের প্রাথমিক ধারণা; ঘটনার প্রকৃত উদ্দেশ্য ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ভূমিকা তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন।
শিশুটিকে উদ্ধারের পর অভিযোগের ভিত্তিতে পরবর্তী আইনগত পদক্ষেপ কী নেওয়া হবে, সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য জানানো হয়নি।

বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ অক্টোবর ২০২৬
গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে মাকে মৃত দেখিয়ে এফিডেভিট করার পর ৪০ হাজার টাকায় ১৪ মাস বয়সী কন্যাসন্তানকে বিক্রির অভিযোগ উঠেছে বাবা আজাহার আলীর বিরুদ্ধে। পরে পুলিশ শিশুটিকে উদ্ধার করে মায়ের কাছে ফিরিয়ে দিয়েছে।
বুধবার (২৮ অক্টোবর) রাতে পার্শ্ববর্তী সাদুল্লাপুর উপজেলার নলডাঙ্গা ইউনিয়নের পূর্ব খামার দশলিয়া গ্রামের রুহুল আমিনের বাড়ি থেকে শিশুটিকে উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার হওয়া শিশুটির নাম আদিবা খাতুন। তার মা খালেদা বেগম ঢাকায় একটি পোশাক কারখানায় কাজ করেন।
পুলিশ ও স্বজনদের সূত্রে জানা যায়, খালেদা বেগম ঢাকায় পোশাক কারখানায় কাজ করার কারণে মেয়ে আদিবাকে সুন্দরগঞ্জে তার খালার বাড়িতে রেখে গিয়েছিলেন।
অভিযোগ অনুযায়ী, গত ১ অক্টোবর শিশুটির বাবা আজাহার আলী বিস্কুট কিনে দেওয়ার কথা বলে খালার কাছ থেকে আদিবাকে নিয়ে যান। এরপর তিনি শিশুটিকে আর ফিরিয়ে দেননি।
পরে পরিবারের সদস্যরা শিশুটির খোঁজ করতে থাকেন। একপর্যায়ে ২৭ অক্টোবর শিশুটিকে উদ্ধারের জন্য সুন্দরগঞ্জ থানায় আইনগত সহায়তা চেয়ে অভিযোগ করেন তার মা খালেদা বেগম।
পুলিশের প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, শিশুটিকে বিক্রির সময় তার মা খালেদা বেগমকে মৃত দেখিয়ে নোটারি পাবলিকের মাধ্যমে এফিডেভিট করা হয়েছিল বলে অভিযোগ উঠেছে।
শিশুটিকে ৪০ হাজার টাকায় বিক্রি করা হয়েছিল বলে জানা গেছে। তবে এফিডেভিট তৈরির প্রক্রিয়া, এতে কারা জড়িত ছিলেন এবং শিশুটিকে কীভাবে হস্তান্তর করা হয়েছিল—এসব বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য এখনো স্পষ্ট নয়।
সুন্দরগঞ্জ থানায় করা অভিযোগের ভিত্তিতে বুধবার সাদুল্লাপুর থানা-পুলিশ শিশুটিকে উদ্ধার করে।
সাদুল্লাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) একেএম হাবিবুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, অভিযোগের ভিত্তিতে শিশুটিকে উদ্ধার করা হয়েছে। তবে এ সময় শিশুটিকে যারা কিনেছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে, তারা উপস্থিত না থাকায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।
ওসি জানান, উদ্ধার হওয়া আদিবাকে তার মায়ের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
পুলিশের ধারণা, আজাহার আলী জুয়া ও মাদকের জন্য অর্থ জোগাড় করতে শিশুটিকে বিক্রি করে থাকতে পারেন। তবে এটি পুলিশের প্রাথমিক ধারণা; ঘটনার প্রকৃত উদ্দেশ্য ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ভূমিকা তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন।
শিশুটিকে উদ্ধারের পর অভিযোগের ভিত্তিতে পরবর্তী আইনগত পদক্ষেপ কী নেওয়া হবে, সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য জানানো হয়নি।

আপনার মতামত লিখুন