দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর
সর্বশেষ
প্রকাশ : বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬

কাস্টম হাউস ঢাকায় সাংবাদিকদের প্রবেশে বাধা, নিরাপত্তাপ্রহরীর বিরুদ্ধে দুর্ব্যবহারের অভিযোগ

কাস্টম হাউস ঢাকায় সাংবাদিকদের প্রবেশে বাধা, নিরাপত্তাপ্রহরীর বিরুদ্ধে দুর্ব্যবহারের অভিযোগ

এফিডেভিটে মাকে মৃত দেখিয়ে ৪০ হাজার টাকায় মেয়েকে বিক্রি বাবার, উদ্ধার ১৪ মাসের শিশু

১৩ বছরের শিশুকে ধর্ষণচেষ্টা, ফরিদপুরে আসামির ৫ বছরের কারাদণ্ড

৩০ হাজার ইয়াবা লুটের অভিযোগে পুলিশের ৩ সদস্য প্রত্যাহার

পেশাদারিত্ব ও মানবিকতায় ‘জনগণের পুলিশ’ গড়ার আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

৩০ হাজার টাকা ন্যূনতম বেতনের দাবিতে মিরপুর-১০-এ শ্রমিকদের সড়ক অবরোধ

মহেশপুর সীমান্তে তিন ভারতীয় নাগরিকসহ আটক ৮

নেত্রকোনায় কিশোরীকে নিয়ে মাদ্রাসার মুহতামিমের (পরিচালক) বিরুদ্ধে অনৈতিক কাজের অভিযোগ

এফিডেভিটে মাকে মৃত দেখিয়ে ৪০ হাজার টাকায় মেয়েকে বিক্রি বাবার, উদ্ধার ১৪ মাসের শিশু

এফিডেভিটে মাকে মৃত দেখিয়ে ৪০ হাজার টাকায় মেয়েকে বিক্রি বাবার, উদ্ধার ১৪ মাসের শিশু
গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে মাকে মৃত দেখিয়ে ১৪ মাসের শিশুকে বিক্রির অভিযোগের পর সাদুল্লাপুর থেকে আদিবা খাতুনকে উদ্ধার করে মায়ের কাছে ফিরিয়ে দিয়েছে পুলিশ।

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে মাকে মৃত দেখিয়ে এফিডেভিট করার পর ৪০ হাজার টাকায় ১৪ মাস বয়সী কন্যাসন্তানকে বিক্রির অভিযোগ উঠেছে বাবা আজাহার আলীর বিরুদ্ধে। পরে পুলিশ শিশুটিকে উদ্ধার করে মায়ের কাছে ফিরিয়ে দিয়েছে।

বুধবার (২৮ অক্টোবর) রাতে পার্শ্ববর্তী সাদুল্লাপুর উপজেলার নলডাঙ্গা ইউনিয়নের পূর্ব খামার দশলিয়া গ্রামের রুহুল আমিনের বাড়ি থেকে শিশুটিকে উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার হওয়া শিশুটির নাম আদিবা খাতুন। তার মা খালেদা বেগম ঢাকায় একটি পোশাক কারখানায় কাজ করেন।

পুলিশ ও স্বজনদের সূত্রে জানা যায়, খালেদা বেগম ঢাকায় পোশাক কারখানায় কাজ করার কারণে মেয়ে আদিবাকে সুন্দরগঞ্জে তার খালার বাড়িতে রেখে গিয়েছিলেন।

অভিযোগ অনুযায়ী, গত ১ অক্টোবর শিশুটির বাবা আজাহার আলী বিস্কুট কিনে দেওয়ার কথা বলে খালার কাছ থেকে আদিবাকে নিয়ে যান। এরপর তিনি শিশুটিকে আর ফিরিয়ে দেননি।

পরে পরিবারের সদস্যরা শিশুটির খোঁজ করতে থাকেন। একপর্যায়ে ২৭ অক্টোবর শিশুটিকে উদ্ধারের জন্য সুন্দরগঞ্জ থানায় আইনগত সহায়তা চেয়ে অভিযোগ করেন তার মা খালেদা বেগম।

পুলিশের প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, শিশুটিকে বিক্রির সময় তার মা খালেদা বেগমকে মৃত দেখিয়ে নোটারি পাবলিকের মাধ্যমে এফিডেভিট করা হয়েছিল বলে অভিযোগ উঠেছে।

শিশুটিকে ৪০ হাজার টাকায় বিক্রি করা হয়েছিল বলে জানা গেছে। তবে এফিডেভিট তৈরির প্রক্রিয়া, এতে কারা জড়িত ছিলেন এবং শিশুটিকে কীভাবে হস্তান্তর করা হয়েছিল—এসব বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য এখনো স্পষ্ট নয়।

সুন্দরগঞ্জ থানায় করা অভিযোগের ভিত্তিতে বুধবার সাদুল্লাপুর থানা-পুলিশ শিশুটিকে উদ্ধার করে।

সাদুল্লাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) একেএম হাবিবুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, অভিযোগের ভিত্তিতে শিশুটিকে উদ্ধার করা হয়েছে। তবে এ সময় শিশুটিকে যারা কিনেছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে, তারা উপস্থিত না থাকায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।

ওসি জানান, উদ্ধার হওয়া আদিবাকে তার মায়ের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

পুলিশের ধারণা, আজাহার আলী জুয়া ও মাদকের জন্য অর্থ জোগাড় করতে শিশুটিকে বিক্রি করে থাকতে পারেন। তবে এটি পুলিশের প্রাথমিক ধারণা; ঘটনার প্রকৃত উদ্দেশ্য ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ভূমিকা তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন।

শিশুটিকে উদ্ধারের পর অভিযোগের ভিত্তিতে পরবর্তী আইনগত পদক্ষেপ কী নেওয়া হবে, সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য জানানো হয়নি।

বিষয় : ১৪ মাসের শিশু বিক্রি সুন্দরগঞ্জে শিশু উদ্ধার শিশুকে বিক্রির অভিযোগ

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর

বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬


এফিডেভিটে মাকে মৃত দেখিয়ে ৪০ হাজার টাকায় মেয়েকে বিক্রি বাবার, উদ্ধার ১৪ মাসের শিশু

প্রকাশের তারিখ : ২৯ অক্টোবর ২০২৬

featured Image

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে মাকে মৃত দেখিয়ে এফিডেভিট করার পর ৪০ হাজার টাকায় ১৪ মাস বয়সী কন্যাসন্তানকে বিক্রির অভিযোগ উঠেছে বাবা আজাহার আলীর বিরুদ্ধে। পরে পুলিশ শিশুটিকে উদ্ধার করে মায়ের কাছে ফিরিয়ে দিয়েছে।

বুধবার (২৮ অক্টোবর) রাতে পার্শ্ববর্তী সাদুল্লাপুর উপজেলার নলডাঙ্গা ইউনিয়নের পূর্ব খামার দশলিয়া গ্রামের রুহুল আমিনের বাড়ি থেকে শিশুটিকে উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার হওয়া শিশুটির নাম আদিবা খাতুন। তার মা খালেদা বেগম ঢাকায় একটি পোশাক কারখানায় কাজ করেন।

পুলিশ ও স্বজনদের সূত্রে জানা যায়, খালেদা বেগম ঢাকায় পোশাক কারখানায় কাজ করার কারণে মেয়ে আদিবাকে সুন্দরগঞ্জে তার খালার বাড়িতে রেখে গিয়েছিলেন।

অভিযোগ অনুযায়ী, গত ১ অক্টোবর শিশুটির বাবা আজাহার আলী বিস্কুট কিনে দেওয়ার কথা বলে খালার কাছ থেকে আদিবাকে নিয়ে যান। এরপর তিনি শিশুটিকে আর ফিরিয়ে দেননি।

পরে পরিবারের সদস্যরা শিশুটির খোঁজ করতে থাকেন। একপর্যায়ে ২৭ অক্টোবর শিশুটিকে উদ্ধারের জন্য সুন্দরগঞ্জ থানায় আইনগত সহায়তা চেয়ে অভিযোগ করেন তার মা খালেদা বেগম।

পুলিশের প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, শিশুটিকে বিক্রির সময় তার মা খালেদা বেগমকে মৃত দেখিয়ে নোটারি পাবলিকের মাধ্যমে এফিডেভিট করা হয়েছিল বলে অভিযোগ উঠেছে।

শিশুটিকে ৪০ হাজার টাকায় বিক্রি করা হয়েছিল বলে জানা গেছে। তবে এফিডেভিট তৈরির প্রক্রিয়া, এতে কারা জড়িত ছিলেন এবং শিশুটিকে কীভাবে হস্তান্তর করা হয়েছিল—এসব বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য এখনো স্পষ্ট নয়।

সুন্দরগঞ্জ থানায় করা অভিযোগের ভিত্তিতে বুধবার সাদুল্লাপুর থানা-পুলিশ শিশুটিকে উদ্ধার করে।

সাদুল্লাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) একেএম হাবিবুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, অভিযোগের ভিত্তিতে শিশুটিকে উদ্ধার করা হয়েছে। তবে এ সময় শিশুটিকে যারা কিনেছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে, তারা উপস্থিত না থাকায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।

ওসি জানান, উদ্ধার হওয়া আদিবাকে তার মায়ের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

পুলিশের ধারণা, আজাহার আলী জুয়া ও মাদকের জন্য অর্থ জোগাড় করতে শিশুটিকে বিক্রি করে থাকতে পারেন। তবে এটি পুলিশের প্রাথমিক ধারণা; ঘটনার প্রকৃত উদ্দেশ্য ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ভূমিকা তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন।

শিশুটিকে উদ্ধারের পর অভিযোগের ভিত্তিতে পরবর্তী আইনগত পদক্ষেপ কী নেওয়া হবে, সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য জানানো হয়নি।


দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর

প্রকাশক ও সম্পাদকঃ মোঃ সাদ্দাম হোসেন
কপিরাইট © ২০২৬ দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর