দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর
সর্বশেষ
প্রকাশ : শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬

মেঘনায় গুলিবিদ্ধ হয়ে জেলে নিহত, নৌ-পুলিশের বিরুদ্ধে গুলির অভিযোগ

মেঘনায় গুলিবিদ্ধ হয়ে জেলে নিহত, নৌ-পুলিশের বিরুদ্ধে গুলির অভিযোগ

কুড়িগ্রামে ইয়াবা-হেরোইনসহ আইনজীবী দম্পতি আটক, উদ্ধার ১৯৫ পিস ইয়াবা

কালীগঞ্জে ট্রাকের ধাক্কায় এসআই ও বিএনপি নেতা নিহত, চালক গ্রেপ্তার

সাংবাদিক অরিত্র কুন্ডুসহ দুজনকে জেলগেটে জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি, কনডেম সেলে রাখার অভিযোগ

কাস্টম হাউস ঢাকায় সাংবাদিকদের প্রবেশে বাধা, নিরাপত্তাপ্রহরীর বিরুদ্ধে দুর্ব্যবহারের অভিযোগ

এফিডেভিটে মাকে মৃত দেখিয়ে ৪০ হাজার টাকায় মেয়েকে বিক্রি বাবার, উদ্ধার ১৪ মাসের শিশু

১৩ বছরের শিশুকে ধর্ষণচেষ্টা, ফরিদপুরে আসামির ৫ বছরের কারাদণ্ড

৩০ হাজার ইয়াবা লুটের অভিযোগে পুলিশের ৩ সদস্য প্রত্যাহার

মেঘনায় গুলিবিদ্ধ হয়ে জেলে নিহত, নৌ-পুলিশের বিরুদ্ধে গুলির অভিযোগ

মেঘনায় গুলিবিদ্ধ হয়ে জেলে নিহত, নৌ-পুলিশের বিরুদ্ধে গুলির অভিযোগ
বরিশালের হিজলা উপজেলার মেঘনা নদীতে গুলিবিদ্ধ হয়ে এক জেলের মৃত্যুর ঘটনায় নৌ-পুলিশের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় আরও পাঁচজন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত দাবি করেছেন স্থানীয়রা।

বরিশালের হিজলা উপজেলার মেঘনা নদীতে গুলিবিদ্ধ হয়ে এক জেলের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় আরও পাঁচজন আহত হয়েছেন বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। প্রত্যক্ষদর্শীদের অভিযোগ, নদীতে মাছ শিকার শেষে ফেরার পথে নৌ-পুলিশের সঙ্গে জেলেদের বিরোধের একপর্যায়ে গুলি ছোড়া হয়। তবে গুলি কারা ছুড়েছে, তা স্বাধীনভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, বুধবার (২৮ অক্টোবর) দিবাগত রাতে হিজলার মেমানিয়া ইউনিয়নের চর মেমানিয়া গ্রামের কয়েকজন জেলে মেঘনা নদীতে মাছ ধরতে যান। রাতভর মাছ শিকার শেষে বৃহস্পতিবার ভোরে তীরে ফেরার পথে গৌরবদী ইউনিয়নের শাওড়া অরাকুল মাছঘাটসংলগ্ন নদীতে তাঁদের ট্রলার থামানো হয় বলে অভিযোগ উঠেছে।

প্রত্যক্ষদর্শী জেলে আব্দুল ব্যাপারীর অভিযোগ, ট্রলার আটকানো নিয়ে নৌ-পুলিশের সঙ্গে জেলেদের বিরোধ সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে গুলি ছোড়া হলে আকতার হাওলাদার গুলিবিদ্ধ হন। পরে তিনি মারা যান।

স্থানীয়দের সহায়তায় আহত জেলেকে উদ্ধার করে প্রথমে হিজলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার উদ্দেশ্যে রওনা করা হলে পথেই তাঁর মৃত্যু হয় বলে পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন।

এ ঘটনায় আরও পাঁচজন আহত হয়েছেন বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। তাঁদের পরিচয়, আঘাতের ধরন এবং চিকিৎসার বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি।

নিহত জেলের বোন সাথী আক্তার বলেন, গুলিবিদ্ধ হওয়ার পর তাঁর ভাইকে হিজলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়েছিল। সেখান থেকে বরিশালে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হলে তাঁরা রওনা হন। কিন্তু পথেই তাঁর ভাই মারা যান।

তিনি অভিযোগ করেন, তাঁর ভাইকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। একই সঙ্গে মামলা করলে হয়রানির শিকার হওয়ার আশঙ্কাও প্রকাশ করেন তিনি।

তবে গুলির ঘটনায় কারা জড়িত, তা তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন। পরিবারের অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বক্তব্যও গুরুত্বপূর্ণ।

মেমানিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আফসার উদ্দিন জানান, কয়েকজন জেলে তাঁকে নদীতে একজনকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় পড়ে থাকার খবর দেন। পরে তিনি ঘটনাস্থলে গিয়ে আহত জেলেকে উদ্ধারে সহায়তা করেন এবং পুলিশকে খবর দেন। তবে কে বা কারা গুলি করেছে, তা তিনি নিশ্চিত করতে পারেননি।

হিজলা উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা কেএম মাহফুজুর রহমান বলেন, গুলিতে একজন জেলে নিহত হয়েছেন বলে তিনি জানতে পেরেছেন। তবে নদীতে তাঁদের কোনো অভিযান ছিল না এবং কারা অভিযান চালিয়েছিল, সে বিষয়ে তিনি নিশ্চিত নন।

হিজলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সোলায়মান হোসেন বলেন, তাঁরা ঘটনাটি তদন্ত করে দেখছেন।

হিজলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইলিয়াস সিকদার জানান, বিভিন্ন মাধ্যমে তিনি এক জেলে নিহত হওয়ার খবর পেয়েছেন। তাঁর কাছে এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য নেই বলে জানান তিনি।

চাঁদপুর নৌ-পুলিশের পুলিশ সুপার মোশফিকুর রহমান জানান, ঘটনার জন্য উল্লেখ করা এলাকাটি তাঁদের আওতাধীন নয়। ফলে সেখানে তাঁদের অভিযান চালানোর সুযোগ নেই বলে তিনি দাবি করেন।

তিনি আরও জানান, বুধবার থেকে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত চাঁদপুর নৌ-পুলিশের কোনো অভিযান ছিল না।

এ বক্তব্যের কারণে ঘটনাস্থলে কোন বাহিনী বা দলের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন, তা নিরপেক্ষভাবে যাচাই করা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। প্রত্যক্ষদর্শীদের অভিযোগ এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বক্তব্যের মধ্যে পার্থক্য থাকায় তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা নির্ধারণ করা প্রয়োজন।

সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) বরিশালের সভাপতি অধ্যাপক গাজী জাহিদ হোসেন এ ঘটনায় স্বচ্ছ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, একজন জেলে গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যাওয়ার ঘটনায় কারা গুলি করেছে, তা স্পষ্ট হওয়া প্রয়োজন। ঘটনার সঠিক তদন্ত করে দায়ীদের শনাক্ত এবং আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার ওপর তিনি গুরুত্ব দেন।

মেঘনা নদীতে জেলে নিহতের ঘটনায় প্রত্যক্ষদর্শীদের অভিযোগ, পরিবারের বক্তব্য এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অবস্থান—সবকিছু বিবেচনায় নিয়ে নিরপেক্ষ তদন্ত প্রয়োজন। ঘটনাস্থলে কোন বাহিনী উপস্থিত ছিল, গুলি কোথা থেকে ছোড়া হয়েছিল এবং কী পরিস্থিতিতে জেলে গুলিবিদ্ধ হন, তা তদন্তের মাধ্যমে স্পষ্ট হওয়া জরুরি।

এ ঘটনায় পুলিশের তদন্তের অগ্রগতি, ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন এবং আহত ব্যক্তিদের বক্তব্য পাওয়া গেলে মৃত্যুর কারণ ও ঘটনার প্রকৃত পরিস্থিতি সম্পর্কে আরও পরিষ্কার ধারণা পাওয়া যেতে পারে।

বিষয় : মেঘনা নদীতে জেলে আহত হিজলায় জেলে নিহতের ঘটনা নৌ-পুলিশের বিরুদ্ধে গুলির অভিযোগ হিজলায় জেলে গুলিবিদ্ধ মেঘনা নদীতে জেলে নিহত

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর

শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬


মেঘনায় গুলিবিদ্ধ হয়ে জেলে নিহত, নৌ-পুলিশের বিরুদ্ধে গুলির অভিযোগ

প্রকাশের তারিখ : ৩০ অক্টোবর ২০২৬

featured Image

বরিশালের হিজলা উপজেলার মেঘনা নদীতে গুলিবিদ্ধ হয়ে এক জেলের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় আরও পাঁচজন আহত হয়েছেন বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। প্রত্যক্ষদর্শীদের অভিযোগ, নদীতে মাছ শিকার শেষে ফেরার পথে নৌ-পুলিশের সঙ্গে জেলেদের বিরোধের একপর্যায়ে গুলি ছোড়া হয়। তবে গুলি কারা ছুড়েছে, তা স্বাধীনভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, বুধবার (২৮ অক্টোবর) দিবাগত রাতে হিজলার মেমানিয়া ইউনিয়নের চর মেমানিয়া গ্রামের কয়েকজন জেলে মেঘনা নদীতে মাছ ধরতে যান। রাতভর মাছ শিকার শেষে বৃহস্পতিবার ভোরে তীরে ফেরার পথে গৌরবদী ইউনিয়নের শাওড়া অরাকুল মাছঘাটসংলগ্ন নদীতে তাঁদের ট্রলার থামানো হয় বলে অভিযোগ উঠেছে।

প্রত্যক্ষদর্শী জেলে আব্দুল ব্যাপারীর অভিযোগ, ট্রলার আটকানো নিয়ে নৌ-পুলিশের সঙ্গে জেলেদের বিরোধ সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে গুলি ছোড়া হলে আকতার হাওলাদার গুলিবিদ্ধ হন। পরে তিনি মারা যান।

স্থানীয়দের সহায়তায় আহত জেলেকে উদ্ধার করে প্রথমে হিজলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার উদ্দেশ্যে রওনা করা হলে পথেই তাঁর মৃত্যু হয় বলে পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন।

এ ঘটনায় আরও পাঁচজন আহত হয়েছেন বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। তাঁদের পরিচয়, আঘাতের ধরন এবং চিকিৎসার বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি।

নিহত জেলের বোন সাথী আক্তার বলেন, গুলিবিদ্ধ হওয়ার পর তাঁর ভাইকে হিজলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়েছিল। সেখান থেকে বরিশালে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হলে তাঁরা রওনা হন। কিন্তু পথেই তাঁর ভাই মারা যান।

তিনি অভিযোগ করেন, তাঁর ভাইকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। একই সঙ্গে মামলা করলে হয়রানির শিকার হওয়ার আশঙ্কাও প্রকাশ করেন তিনি।

তবে গুলির ঘটনায় কারা জড়িত, তা তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন। পরিবারের অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বক্তব্যও গুরুত্বপূর্ণ।

মেমানিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আফসার উদ্দিন জানান, কয়েকজন জেলে তাঁকে নদীতে একজনকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় পড়ে থাকার খবর দেন। পরে তিনি ঘটনাস্থলে গিয়ে আহত জেলেকে উদ্ধারে সহায়তা করেন এবং পুলিশকে খবর দেন। তবে কে বা কারা গুলি করেছে, তা তিনি নিশ্চিত করতে পারেননি।

হিজলা উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা কেএম মাহফুজুর রহমান বলেন, গুলিতে একজন জেলে নিহত হয়েছেন বলে তিনি জানতে পেরেছেন। তবে নদীতে তাঁদের কোনো অভিযান ছিল না এবং কারা অভিযান চালিয়েছিল, সে বিষয়ে তিনি নিশ্চিত নন।

হিজলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সোলায়মান হোসেন বলেন, তাঁরা ঘটনাটি তদন্ত করে দেখছেন।

হিজলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইলিয়াস সিকদার জানান, বিভিন্ন মাধ্যমে তিনি এক জেলে নিহত হওয়ার খবর পেয়েছেন। তাঁর কাছে এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য নেই বলে জানান তিনি।

চাঁদপুর নৌ-পুলিশের পুলিশ সুপার মোশফিকুর রহমান জানান, ঘটনার জন্য উল্লেখ করা এলাকাটি তাঁদের আওতাধীন নয়। ফলে সেখানে তাঁদের অভিযান চালানোর সুযোগ নেই বলে তিনি দাবি করেন।

তিনি আরও জানান, বুধবার থেকে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত চাঁদপুর নৌ-পুলিশের কোনো অভিযান ছিল না।

এ বক্তব্যের কারণে ঘটনাস্থলে কোন বাহিনী বা দলের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন, তা নিরপেক্ষভাবে যাচাই করা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। প্রত্যক্ষদর্শীদের অভিযোগ এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বক্তব্যের মধ্যে পার্থক্য থাকায় তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা নির্ধারণ করা প্রয়োজন।

সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) বরিশালের সভাপতি অধ্যাপক গাজী জাহিদ হোসেন এ ঘটনায় স্বচ্ছ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, একজন জেলে গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যাওয়ার ঘটনায় কারা গুলি করেছে, তা স্পষ্ট হওয়া প্রয়োজন। ঘটনার সঠিক তদন্ত করে দায়ীদের শনাক্ত এবং আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার ওপর তিনি গুরুত্ব দেন।

মেঘনা নদীতে জেলে নিহতের ঘটনায় প্রত্যক্ষদর্শীদের অভিযোগ, পরিবারের বক্তব্য এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অবস্থান—সবকিছু বিবেচনায় নিয়ে নিরপেক্ষ তদন্ত প্রয়োজন। ঘটনাস্থলে কোন বাহিনী উপস্থিত ছিল, গুলি কোথা থেকে ছোড়া হয়েছিল এবং কী পরিস্থিতিতে জেলে গুলিবিদ্ধ হন, তা তদন্তের মাধ্যমে স্পষ্ট হওয়া জরুরি।

এ ঘটনায় পুলিশের তদন্তের অগ্রগতি, ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন এবং আহত ব্যক্তিদের বক্তব্য পাওয়া গেলে মৃত্যুর কারণ ও ঘটনার প্রকৃত পরিস্থিতি সম্পর্কে আরও পরিষ্কার ধারণা পাওয়া যেতে পারে।


দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর

প্রকাশক ও সম্পাদকঃ মোঃ সাদ্দাম হোসেন
কপিরাইট © ২০২৬ দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর