‘ওরা যা চায়, দিয়ে দাও, না হলে আমাকে মেরে ফেলবে’—লিবিয়ায় জিম্মি অবস্থায় ছোট ভাই আরিফুল ইসলামের এমন আকুতি শুনে দিশেহারা হয়ে পড়েছিলেন চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গার উজ্জ্বল হোসেন। পরিবারের অভিযোগ, ইতালিতে পাঠানো এবং মাসে ১ লাখ ৮০ হাজার টাকা বেতনের চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে আরিফুলকে লিবিয়ায় নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু ইউরোপে উন্নত জীবনের স্বপ্ন দেখানো সেই যাত্রা শেষ পর্যন্ত পরিণত হয় জিম্মি, নির্যাতন ও মুক্তিপণ আদায়ের ঘটনায়।
লিবিয়াকে ট্রানজিট হিসেবে ব্যবহার করে ইউরোপে যাওয়ার চেষ্টা করা অনেক বাংলাদেশির অভিজ্ঞতায়ও উঠে এসেছে একই ধরনের বিপদের চিত্র। অনেকে প্রতিশ্রুত চাকরি পান না; বরং আটকে রাখা, শারীরিক নির্যাতন ও পরিবারের কাছ থেকে টাকা আদায়ের মতো পরিস্থিতির মুখে পড়েন।
ইউরোপীয় সীমান্ত ও উপকূলরক্ষী সংস্থা ফ্রন্টেক্সের পরিসংখ্যানের বরাত দিয়ে ব্র্যাক জানিয়েছে, ২০০৯ সাল থেকে ২০২৬ সালের জুন পর্যন্ত মধ্য ভূমধ্যসাগরীয় পথ ব্যবহার করে প্রায় ১ লাখ ১০ হাজার বাংলাদেশি ইউরোপে পৌঁছেছেন।
ব্র্যাকের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালে এ পথে ইউরোপে পৌঁছান ২০ হাজার ২৫৯ জন বাংলাদেশি। ২০২৬ সালের প্রথম ছয় মাসে লিবিয়া থেকে ইতালিতে পৌঁছেছেন ৪ হাজার ২৪৯ জন এবং গ্রিসে পৌঁছেছেন ৩ হাজার ৬০৮ জন।
তবে এই পরিসংখ্যান শুধু ইউরোপে পৌঁছানো মানুষের হিসাব। যাত্রাপথে প্রাণ হারানো, নিখোঁজ হওয়া কিংবা দেশে ফিরে আসা মানুষের পূর্ণাঙ্গ সংখ্যা এতে অন্তর্ভুক্ত নয়।
ইউরোপে যাওয়ার ঝুঁকিপূর্ণ যাত্রার ভয়াবহতা স্পষ্ট হয়েছে ২০২৬ সালের দুটি ঘটনায়।
মার্চে লিবিয়া থেকে গ্রিসের পথে একটি নৌযানে ছয় দিন খাবার ও পানি ছাড়া ভেসে থাকার পর অন্তত ১৮ বাংলাদেশির মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়।
এরপর আগস্টে লিবিয়া থেকে ৩৮ বাংলাদেশি ও চার সুদানি নাগরিককে নিয়ে আরেকটি নৌযান যাত্রা করে। প্রায় ১১ দিন সাগরে ভেসে থাকার পর ওই ঘটনায় অন্তত ৯ বাংলাদেশি ও এক সুদানি নাগরিকের মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়। উদ্ধার হন ২৯ বাংলাদেশি।
দুটি ঘটনায় অন্তত ২৭ বাংলাদেশির মৃত্যুর তথ্য পাওয়া গেলেও মধ্য ভূমধ্যসাগরীয় পথে বিভিন্ন সময়ে প্রাণ হারানো ও নিখোঁজ বাংলাদেশিদের পূর্ণাঙ্গ নির্ভরযোগ্য হিসাব নেই।
আরিফুল ইসলামের পরিবারের অভিযোগ, ইতালিতে পাঠানো ও ভালো বেতনের চাকরির আশ্বাস দিয়ে তাঁকে লিবিয়ায় নেওয়া হয়। সেখানে পৌঁছানোর পর তাঁকে আটকে রেখে নির্যাতন করা হয় এবং মুক্তির জন্য টাকা দাবি করা হয়।
জিম্মি অবস্থায় আরিফুলের ফোনে করা আকুতি পরিবারের ওপর ভয়াবহ মানসিক চাপ তৈরি করে। প্রিয়জনকে বাঁচাতে অনেক পরিবার শেষ পর্যন্ত ধারদেনা করে বা নিজেদের সঞ্চয় ভেঙে টাকা দিতে বাধ্য হয়।
এ ধরনের ঘটনায় অভিবাসনপ্রত্যাশীদের শুধু আর্থিক ক্ষতিই হয় না; তাঁদের শারীরিক নিরাপত্তা, মানসিক স্বাস্থ্য ও ভবিষ্যৎ জীবনও গভীরভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।
লিবিয়া থেকে ফিরে আসা অভিবাসীদের অভিজ্ঞতা নিয়ে ব্র্যাকের একটি গবেষণায় প্রতারণা, আটক ও নির্যাতনের উদ্বেগজনক চিত্র উঠে এসেছে।
গবেষণায় অংশ নেওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে:
এই পরিসংখ্যান গবেষণায় অংশ নেওয়া ব্যক্তিদের অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে তৈরি। তাই এগুলোকে লিবিয়া থেকে ফিরে আসা সব অভিবাসীর অভিজ্ঞতার পরিসংখ্যান হিসেবে ধরে নেওয়া ঠিক হবে না। তবে গবেষণাটি অনিয়মিত অভিবাসনপথে প্রতারণা ও নির্যাতনের ঝুঁকি সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ ধারণা দেয়।
লিবিয়ায় আটকে পড়া ও বিপদে থাকা বাংলাদেশিদের দেশে ফিরিয়ে আনার উদ্যোগও চলছে। ২০২৬ সালের ১৮ আগস্ট, ১ সেপ্টেম্বর ও ১৫ সেপ্টেম্বর—এই তিন দফায় মোট ৫১৬ জন বাংলাদেশি দেশে ফিরেছেন।
ব্র্যাকের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এই সংখ্যা গত ছয় বছরে লিবিয়া থেকে দেশে ফিরে আসা প্রায় ১৫ হাজার মানুষের হিসাবের অন্তর্ভুক্ত।
তবে দেশে ফেরাই তাঁদের সংকটের শেষ নয়। অনেককে বিদেশযাত্রার খরচ জোগাতে ঋণ করতে হয়েছে, কেউ বিক্রি করেছেন জমি বা পারিবারিক সম্পদ। প্রত্যাশিত আয় না হওয়ায় দেশে ফিরে সেই ঋণ পরিশোধ এবং নতুন করে জীবিকা শুরু করা তাঁদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়ায়।
বিদেশে ভালো আয়, পরিবারের আর্থিক অবস্থার উন্নতি এবং দ্রুত স্বাবলম্বী হওয়ার আকাঙ্ক্ষা অনেক তরুণকে বিদেশমুখী করে। এই আকাঙ্ক্ষাকে কাজে লাগিয়ে কিছু দালাল ও পাচারকারী চক্র আকর্ষণীয় বেতন, নিশ্চিত চাকরি কিংবা ইউরোপে পৌঁছে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেয় বলে বিভিন্ন ঘটনায় অভিযোগ উঠে এসেছে।
কিন্তু যাত্রার প্রকৃত পথ, নিয়োগদাতা, ভিসার ধরন ও চাকরির শর্ত সম্পর্কে যথাযথ যাচাই না করলে অভিবাসনপ্রত্যাশীরা প্রতারণার ঝুঁকিতে পড়তে পারেন। বিশেষ করে অনিয়মিত পথে ইউরোপে যাওয়ার চেষ্টা তাঁদের এমন পরিস্থিতিতে ফেলতে পারে, যেখানে স্থানীয় সহায়তা পাওয়া কঠিন হয়ে পড়ে।
এ ধরনের ঘটনা প্রতিরোধে বিদেশে চাকরির প্রস্তাব, নিয়োগকারী প্রতিষ্ঠান, ভিসা ও অভিবাসনসংক্রান্ত কাগজপত্র যাচাই করা জরুরি। মধ্যস্থতাকারীর পরিচয় ও বৈধতা নিশ্চিত না করে বড় অঙ্কের টাকা দেওয়া থেকেও সতর্ক থাকা প্রয়োজন।
একই সঙ্গে প্রতারণা বা মানবপাচারের অভিযোগের তদন্ত, দায়ীদের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা এবং বিপদে পড়া অভিবাসীদের দ্রুত সহায়তা নিশ্চিত করা জরুরি। দেশে ফেরত আসা ব্যক্তিদের জন্য ঋণসংকট মোকাবিলা, মানসিক সহায়তা ও কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করাও গুরুত্বপূর্ণ।

সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ অক্টোবর ২০২৬
‘ওরা যা চায়, দিয়ে দাও, না হলে আমাকে মেরে ফেলবে’—লিবিয়ায় জিম্মি অবস্থায় ছোট ভাই আরিফুল ইসলামের এমন আকুতি শুনে দিশেহারা হয়ে পড়েছিলেন চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গার উজ্জ্বল হোসেন। পরিবারের অভিযোগ, ইতালিতে পাঠানো এবং মাসে ১ লাখ ৮০ হাজার টাকা বেতনের চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে আরিফুলকে লিবিয়ায় নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু ইউরোপে উন্নত জীবনের স্বপ্ন দেখানো সেই যাত্রা শেষ পর্যন্ত পরিণত হয় জিম্মি, নির্যাতন ও মুক্তিপণ আদায়ের ঘটনায়।
লিবিয়াকে ট্রানজিট হিসেবে ব্যবহার করে ইউরোপে যাওয়ার চেষ্টা করা অনেক বাংলাদেশির অভিজ্ঞতায়ও উঠে এসেছে একই ধরনের বিপদের চিত্র। অনেকে প্রতিশ্রুত চাকরি পান না; বরং আটকে রাখা, শারীরিক নির্যাতন ও পরিবারের কাছ থেকে টাকা আদায়ের মতো পরিস্থিতির মুখে পড়েন।
ইউরোপীয় সীমান্ত ও উপকূলরক্ষী সংস্থা ফ্রন্টেক্সের পরিসংখ্যানের বরাত দিয়ে ব্র্যাক জানিয়েছে, ২০০৯ সাল থেকে ২০২৬ সালের জুন পর্যন্ত মধ্য ভূমধ্যসাগরীয় পথ ব্যবহার করে প্রায় ১ লাখ ১০ হাজার বাংলাদেশি ইউরোপে পৌঁছেছেন।
ব্র্যাকের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালে এ পথে ইউরোপে পৌঁছান ২০ হাজার ২৫৯ জন বাংলাদেশি। ২০২৬ সালের প্রথম ছয় মাসে লিবিয়া থেকে ইতালিতে পৌঁছেছেন ৪ হাজার ২৪৯ জন এবং গ্রিসে পৌঁছেছেন ৩ হাজার ৬০৮ জন।
তবে এই পরিসংখ্যান শুধু ইউরোপে পৌঁছানো মানুষের হিসাব। যাত্রাপথে প্রাণ হারানো, নিখোঁজ হওয়া কিংবা দেশে ফিরে আসা মানুষের পূর্ণাঙ্গ সংখ্যা এতে অন্তর্ভুক্ত নয়।
ইউরোপে যাওয়ার ঝুঁকিপূর্ণ যাত্রার ভয়াবহতা স্পষ্ট হয়েছে ২০২৬ সালের দুটি ঘটনায়।
মার্চে লিবিয়া থেকে গ্রিসের পথে একটি নৌযানে ছয় দিন খাবার ও পানি ছাড়া ভেসে থাকার পর অন্তত ১৮ বাংলাদেশির মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়।
এরপর আগস্টে লিবিয়া থেকে ৩৮ বাংলাদেশি ও চার সুদানি নাগরিককে নিয়ে আরেকটি নৌযান যাত্রা করে। প্রায় ১১ দিন সাগরে ভেসে থাকার পর ওই ঘটনায় অন্তত ৯ বাংলাদেশি ও এক সুদানি নাগরিকের মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়। উদ্ধার হন ২৯ বাংলাদেশি।
দুটি ঘটনায় অন্তত ২৭ বাংলাদেশির মৃত্যুর তথ্য পাওয়া গেলেও মধ্য ভূমধ্যসাগরীয় পথে বিভিন্ন সময়ে প্রাণ হারানো ও নিখোঁজ বাংলাদেশিদের পূর্ণাঙ্গ নির্ভরযোগ্য হিসাব নেই।
আরিফুল ইসলামের পরিবারের অভিযোগ, ইতালিতে পাঠানো ও ভালো বেতনের চাকরির আশ্বাস দিয়ে তাঁকে লিবিয়ায় নেওয়া হয়। সেখানে পৌঁছানোর পর তাঁকে আটকে রেখে নির্যাতন করা হয় এবং মুক্তির জন্য টাকা দাবি করা হয়।
জিম্মি অবস্থায় আরিফুলের ফোনে করা আকুতি পরিবারের ওপর ভয়াবহ মানসিক চাপ তৈরি করে। প্রিয়জনকে বাঁচাতে অনেক পরিবার শেষ পর্যন্ত ধারদেনা করে বা নিজেদের সঞ্চয় ভেঙে টাকা দিতে বাধ্য হয়।
এ ধরনের ঘটনায় অভিবাসনপ্রত্যাশীদের শুধু আর্থিক ক্ষতিই হয় না; তাঁদের শারীরিক নিরাপত্তা, মানসিক স্বাস্থ্য ও ভবিষ্যৎ জীবনও গভীরভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।
লিবিয়া থেকে ফিরে আসা অভিবাসীদের অভিজ্ঞতা নিয়ে ব্র্যাকের একটি গবেষণায় প্রতারণা, আটক ও নির্যাতনের উদ্বেগজনক চিত্র উঠে এসেছে।
গবেষণায় অংশ নেওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে:
এই পরিসংখ্যান গবেষণায় অংশ নেওয়া ব্যক্তিদের অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে তৈরি। তাই এগুলোকে লিবিয়া থেকে ফিরে আসা সব অভিবাসীর অভিজ্ঞতার পরিসংখ্যান হিসেবে ধরে নেওয়া ঠিক হবে না। তবে গবেষণাটি অনিয়মিত অভিবাসনপথে প্রতারণা ও নির্যাতনের ঝুঁকি সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ ধারণা দেয়।
লিবিয়ায় আটকে পড়া ও বিপদে থাকা বাংলাদেশিদের দেশে ফিরিয়ে আনার উদ্যোগও চলছে। ২০২৬ সালের ১৮ আগস্ট, ১ সেপ্টেম্বর ও ১৫ সেপ্টেম্বর—এই তিন দফায় মোট ৫১৬ জন বাংলাদেশি দেশে ফিরেছেন।
ব্র্যাকের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এই সংখ্যা গত ছয় বছরে লিবিয়া থেকে দেশে ফিরে আসা প্রায় ১৫ হাজার মানুষের হিসাবের অন্তর্ভুক্ত।
তবে দেশে ফেরাই তাঁদের সংকটের শেষ নয়। অনেককে বিদেশযাত্রার খরচ জোগাতে ঋণ করতে হয়েছে, কেউ বিক্রি করেছেন জমি বা পারিবারিক সম্পদ। প্রত্যাশিত আয় না হওয়ায় দেশে ফিরে সেই ঋণ পরিশোধ এবং নতুন করে জীবিকা শুরু করা তাঁদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়ায়।
বিদেশে ভালো আয়, পরিবারের আর্থিক অবস্থার উন্নতি এবং দ্রুত স্বাবলম্বী হওয়ার আকাঙ্ক্ষা অনেক তরুণকে বিদেশমুখী করে। এই আকাঙ্ক্ষাকে কাজে লাগিয়ে কিছু দালাল ও পাচারকারী চক্র আকর্ষণীয় বেতন, নিশ্চিত চাকরি কিংবা ইউরোপে পৌঁছে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেয় বলে বিভিন্ন ঘটনায় অভিযোগ উঠে এসেছে।
কিন্তু যাত্রার প্রকৃত পথ, নিয়োগদাতা, ভিসার ধরন ও চাকরির শর্ত সম্পর্কে যথাযথ যাচাই না করলে অভিবাসনপ্রত্যাশীরা প্রতারণার ঝুঁকিতে পড়তে পারেন। বিশেষ করে অনিয়মিত পথে ইউরোপে যাওয়ার চেষ্টা তাঁদের এমন পরিস্থিতিতে ফেলতে পারে, যেখানে স্থানীয় সহায়তা পাওয়া কঠিন হয়ে পড়ে।
এ ধরনের ঘটনা প্রতিরোধে বিদেশে চাকরির প্রস্তাব, নিয়োগকারী প্রতিষ্ঠান, ভিসা ও অভিবাসনসংক্রান্ত কাগজপত্র যাচাই করা জরুরি। মধ্যস্থতাকারীর পরিচয় ও বৈধতা নিশ্চিত না করে বড় অঙ্কের টাকা দেওয়া থেকেও সতর্ক থাকা প্রয়োজন।
একই সঙ্গে প্রতারণা বা মানবপাচারের অভিযোগের তদন্ত, দায়ীদের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা এবং বিপদে পড়া অভিবাসীদের দ্রুত সহায়তা নিশ্চিত করা জরুরি। দেশে ফেরত আসা ব্যক্তিদের জন্য ঋণসংকট মোকাবিলা, মানসিক সহায়তা ও কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করাও গুরুত্বপূর্ণ।

আপনার মতামত লিখুন