মেহেরপুর ও কুষ্টিয়া সীমান্ত দিয়ে ১০ জনকে বাংলাদেশে ঠেলে পাঠানোর (পুশ-ইন) চেষ্টা করেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। তবে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) সদস্যদের তৎপরতায় দুটি চেষ্টাই ব্যর্থ হয়েছে বলে জানিয়েছে বিজিবি।
রোববার (১১ অক্টোবর) ভোরে মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার রংমহল সীমান্তে ছয়জন এবং কুষ্টিয়ার দৌলতপুর সীমান্তে চারজনকে বাংলাদেশে পাঠানোর চেষ্টা করা হয়।
কুষ্টিয়া ৪৭ ব্যাটালিয়ন বিজিবির সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ভোরে গাংনীর রংমহল বিওপির দায়িত্বপূর্ণ সীমান্ত এলাকায় দুই পুরুষ ও দুই নারীসহ মোট ছয়জনকে বাংলাদেশে পুশ-ইনের চেষ্টা করে বিএসএফ।
পরে সকাল ৮টার দিকে বিজিবি সীমান্তে অবস্থান জোরদার করলে বিএসএফের ১১ ব্যাটালিয়নের দীঘলকান্দি ক্যাম্পের সদস্যরা ওই ব্যক্তিদের ভারতের ভেতরে ফিরিয়ে নিয়ে যান বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
কুষ্টিয়া ৪৭ বিজিবির অধিনায়ক রাশেদ কামাল রনি বলেন, সীমান্ত এলাকায় বিজিবির নিয়মিত টহল কার্যক্রম জোরদার রয়েছে। এলাকার সার্বিক পরিস্থিতি স্বাভাবিক এবং বিজিবির নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।
একই দিন সকাল পৌনে ৮টার দিকে কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার ঠোটারপাড়া বিওপির নিয়ন্ত্রণাধীন সীমান্ত এলাকা দিয়ে আরও চারজনকে বাংলাদেশে পুশ-ইনের চেষ্টা করা হয়। তাঁদের মধ্যে দুই পুরুষ ও দুই নারী ছিলেন।
বিজিবির সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বিজিবির তৎপরতায় সকাল ৮টার দিকে বিএসএফের ওই চেষ্টা ব্যর্থ হয়।
বিজিবি কর্মকর্তা রাশেদ কামাল রনি বলেন, বিজিবি সদস্যদের সতর্ক অবস্থানের কারণে বিএসএফ ওই ব্যক্তিদের ফিরিয়ে নিতে বাধ্য হয়।
বিজিবির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সীমান্ত এলাকায় নিয়মিত টহল ও নজরদারি জোরদার রাখা হয়েছে। দুই ঘটনায় মোট ১০ জনকে বাংলাদেশে পাঠানোর চেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে বলে জানিয়েছে বাহিনীটি।
তবে ওই ব্যক্তিদের পরিচয়, নাগরিকত্ব এবং তাঁদের ভারতে অবস্থানের পরিস্থিতি সম্পর্কে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিস্তারিত জানানো হয়নি।

রোববার, ১১ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ অক্টোবর ২০২৬
মেহেরপুর ও কুষ্টিয়া সীমান্ত দিয়ে ১০ জনকে বাংলাদেশে ঠেলে পাঠানোর (পুশ-ইন) চেষ্টা করেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। তবে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) সদস্যদের তৎপরতায় দুটি চেষ্টাই ব্যর্থ হয়েছে বলে জানিয়েছে বিজিবি।
রোববার (১১ অক্টোবর) ভোরে মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার রংমহল সীমান্তে ছয়জন এবং কুষ্টিয়ার দৌলতপুর সীমান্তে চারজনকে বাংলাদেশে পাঠানোর চেষ্টা করা হয়।
কুষ্টিয়া ৪৭ ব্যাটালিয়ন বিজিবির সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ভোরে গাংনীর রংমহল বিওপির দায়িত্বপূর্ণ সীমান্ত এলাকায় দুই পুরুষ ও দুই নারীসহ মোট ছয়জনকে বাংলাদেশে পুশ-ইনের চেষ্টা করে বিএসএফ।
পরে সকাল ৮টার দিকে বিজিবি সীমান্তে অবস্থান জোরদার করলে বিএসএফের ১১ ব্যাটালিয়নের দীঘলকান্দি ক্যাম্পের সদস্যরা ওই ব্যক্তিদের ভারতের ভেতরে ফিরিয়ে নিয়ে যান বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
কুষ্টিয়া ৪৭ বিজিবির অধিনায়ক রাশেদ কামাল রনি বলেন, সীমান্ত এলাকায় বিজিবির নিয়মিত টহল কার্যক্রম জোরদার রয়েছে। এলাকার সার্বিক পরিস্থিতি স্বাভাবিক এবং বিজিবির নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।
একই দিন সকাল পৌনে ৮টার দিকে কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার ঠোটারপাড়া বিওপির নিয়ন্ত্রণাধীন সীমান্ত এলাকা দিয়ে আরও চারজনকে বাংলাদেশে পুশ-ইনের চেষ্টা করা হয়। তাঁদের মধ্যে দুই পুরুষ ও দুই নারী ছিলেন।
বিজিবির সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বিজিবির তৎপরতায় সকাল ৮টার দিকে বিএসএফের ওই চেষ্টা ব্যর্থ হয়।
বিজিবি কর্মকর্তা রাশেদ কামাল রনি বলেন, বিজিবি সদস্যদের সতর্ক অবস্থানের কারণে বিএসএফ ওই ব্যক্তিদের ফিরিয়ে নিতে বাধ্য হয়।
বিজিবির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সীমান্ত এলাকায় নিয়মিত টহল ও নজরদারি জোরদার রাখা হয়েছে। দুই ঘটনায় মোট ১০ জনকে বাংলাদেশে পাঠানোর চেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে বলে জানিয়েছে বাহিনীটি।
তবে ওই ব্যক্তিদের পরিচয়, নাগরিকত্ব এবং তাঁদের ভারতে অবস্থানের পরিস্থিতি সম্পর্কে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিস্তারিত জানানো হয়নি।

আপনার মতামত লিখুন