নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ লিংক রোডের পাশের ঢাল থেকে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় বস্তাবন্দি অজ্ঞাত এক তরুণীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। রোববার (১১ অক্টোবর) দুপুরে ভূঁইগড় এলাকায় মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ জানিয়েছে, নিহতের শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, অন্য কোথাও হত্যার পর পরিচয় গোপন ও মরদেহ গুমের উদ্দেশ্যে বস্তায় ভরে সেখানে ফেলে রাখা হয়ে থাকতে পারে। তবে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ তদন্ত ও ময়নাতদন্তের পর জানা যাবে।
পুলিশ জানায়, ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ লিংক রোডের পাশের ঢালে একটি রহস্যজনক বস্তা দেখতে পান স্থানীয়রা। সন্দেহ হওয়ায় তাঁরা জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ ফোন করে পুলিশকে খবর দেন।
খবর পেয়ে ফতুল্লা মডেল থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে বস্তাবন্দি মরদেহটি উদ্ধার করে। পরে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।
নিহত তরুণীর পরিচয় শনাক্ত করতে ঘটনাস্থলে কাজ শুরু করে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। তবে তাৎক্ষণিকভাবে তাঁর পরিচয় নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি।
পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, নিহতের জাতীয় পরিচয়পত্রের নিবন্ধন না থাকায় পরিচয় শনাক্তে জটিলতা দেখা দিয়েছে। তাঁর পরিচয় জানার জন্য প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে।
ফতুল্লা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহবুব আলম জানান, নিহতের শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। তাঁর নাম-পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা চলছে।
ওসি আরও বলেন, ঘটনাস্থলের আশপাশের কয়েকজন জানিয়েছেন, তাঁরা ওই তরুণীকে আগেও ওই এলাকার কাছাকাছি দেখেছেন। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, অন্য কোথাও হত্যার পর মরদেহটি বস্তাবন্দি করে লিংক রোডের পাশে ফেলে রাখা হয়েছে।
তবে হত্যার স্থান, সময়, উদ্দেশ্য এবং জড়িত ব্যক্তিদের বিষয়ে এখনো নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। এসব বিষয় তদন্তের মাধ্যমে জানার চেষ্টা করছে পুলিশ।

রোববার, ১১ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ অক্টোবর ২০২৬
নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ লিংক রোডের পাশের ঢাল থেকে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় বস্তাবন্দি অজ্ঞাত এক তরুণীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। রোববার (১১ অক্টোবর) দুপুরে ভূঁইগড় এলাকায় মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ জানিয়েছে, নিহতের শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, অন্য কোথাও হত্যার পর পরিচয় গোপন ও মরদেহ গুমের উদ্দেশ্যে বস্তায় ভরে সেখানে ফেলে রাখা হয়ে থাকতে পারে। তবে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ তদন্ত ও ময়নাতদন্তের পর জানা যাবে।
পুলিশ জানায়, ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ লিংক রোডের পাশের ঢালে একটি রহস্যজনক বস্তা দেখতে পান স্থানীয়রা। সন্দেহ হওয়ায় তাঁরা জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ ফোন করে পুলিশকে খবর দেন।
খবর পেয়ে ফতুল্লা মডেল থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে বস্তাবন্দি মরদেহটি উদ্ধার করে। পরে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।
নিহত তরুণীর পরিচয় শনাক্ত করতে ঘটনাস্থলে কাজ শুরু করে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। তবে তাৎক্ষণিকভাবে তাঁর পরিচয় নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি।
পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, নিহতের জাতীয় পরিচয়পত্রের নিবন্ধন না থাকায় পরিচয় শনাক্তে জটিলতা দেখা দিয়েছে। তাঁর পরিচয় জানার জন্য প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে।
ফতুল্লা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহবুব আলম জানান, নিহতের শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। তাঁর নাম-পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা চলছে।
ওসি আরও বলেন, ঘটনাস্থলের আশপাশের কয়েকজন জানিয়েছেন, তাঁরা ওই তরুণীকে আগেও ওই এলাকার কাছাকাছি দেখেছেন। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, অন্য কোথাও হত্যার পর মরদেহটি বস্তাবন্দি করে লিংক রোডের পাশে ফেলে রাখা হয়েছে।
তবে হত্যার স্থান, সময়, উদ্দেশ্য এবং জড়িত ব্যক্তিদের বিষয়ে এখনো নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। এসব বিষয় তদন্তের মাধ্যমে জানার চেষ্টা করছে পুলিশ।

আপনার মতামত লিখুন