দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর
সর্বশেষ
প্রকাশ : বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

নারায়ণগঞ্জে মাদ্রাসার ছাদে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে ২ শিশুর মৃত্যু, আইসিইউতে আরও ১

নারায়ণগঞ্জে মাদ্রাসার ছাদে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে ২ শিশুর মৃত্যু, আইসিইউতে আরও ১

মিরপুরে হকার উচ্ছেদ ঘিরে পুলিশের গাড়ি ভাঙচুর, সিটি কর্পোরেশনের গাড়িতে আগুন

কুমিল্লায় কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযানে আটক ৩৭৯

নারায়ণগঞ্জে ছাত্রলীগ-যুবদলের ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া, ফাঁকা গুলি ও ভাঙচুর

নিখোঁজ শিশুকে খুঁজছিল সবাই, ফুফুর কক্ষের বাক্সে পাওয়া গেল মরদেহ

আঙুলের ছাপ ক্লোন করে বিকাশ-নগদের আড়াই লাখ টাকা আত্মসাৎ, গ্রেপ্তার ৯

আদাবরে চাপাতি নিয়ে হামলা, পুলিশের গুলিতে গুলিবিদ্ধ ২; গ্রেপ্তার ১০

গাজীপুরে ১৬ বছরের পোশাক শ্রমিকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

নারায়ণগঞ্জে মাদ্রাসার ছাদে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে ২ শিশুর মৃত্যু, আইসিইউতে আরও ১

নারায়ণগঞ্জে মাদ্রাসার ছাদে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে ২ শিশুর মৃত্যু, আইসিইউতে আরও ১
নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় মাদ্রাসার ছাদে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে পাঁচ শিক্ষার্থী দগ্ধ হওয়ার ঘটনায় দুজনের মৃত্যু হয়েছে।

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় আবাসিক মহিলা মাদ্রাসার ছাদে খেলতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে দগ্ধ পাঁচ শিক্ষার্থীর মধ্যে দুজনের মৃত্যু হয়েছে। চিকিৎসাধীন অবস্থায় আতিয়া (১১) ও জিদনি (১৪) মারা গেছে।

গুরুতর দগ্ধ লামিয়া (১৩) বর্তমানে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আইসিইউতে আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসাধীন। অপর দুই শিক্ষার্থী আসিয়া (১২) ও সুমাইয়া (১৩) তুলনামূলক স্থিতিশীল অবস্থায় রয়েছে।

গত শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) বিকেলে ফতুল্লার কাশিপুর হাজীপাড়া এলাকার মাহেলা খাতুন বালিকা মাদ্রাসায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। দগ্ধ পাঁচ শিক্ষার্থীই ওই মাদ্রাসার আবাসিক ছাত্রী।

উদ্ধারকারী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাতে জানা গেছে, শনিবার বিকেল সাড়ে ৪টা থেকে ৫টার দিকে মাদ্রাসার তিনতলার ছাদে খেলাধুলা করছিল কয়েকজন শিক্ষার্থী।

মাদ্রাসা ভবনের পাশ দিয়ে উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন বিদ্যুতের লাইন ও একটি ট্রান্সফরমার রয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, বিদ্যুতের তারের সংস্পর্শে এসে অথবা কোনো কারণে ছাদ বিদ্যুতায়িত হয়ে শিক্ষার্থীরা দগ্ধ হতে পারে।

তবে দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ এখনো নিশ্চিত নয়। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

স্থানীয় বাসিন্দা ও উদ্ধারকাজে অংশ নেওয়া সেলিনা বেগম জানান, হঠাৎ ছাদ থেকে বিকট শব্দ ও শিশুদের চিৎকার শুনতে পান তিনি।

পরে স্থানীয় কয়েকজন ব্যক্তি ছাদে গিয়ে দগ্ধ শিক্ষার্থীদের উদ্ধার করে নিচে নামান। এরপর দ্রুত তাদের হাসপাতালে নেওয়া হয়।

আহত শিক্ষার্থী আসিয়া জানায়, তারা ছাদে খেলছিল। হঠাৎ বিকট শব্দ হওয়ার পর শরীরে আগুনের তাপ অনুভব করে। এরপর কী ঘটেছে, তা তার মনে নেই। একপর্যায়ে সে অচেতন হয়ে পড়ে।

দুর্ঘটনার পর পাঁচ শিক্ষার্থীকে গুরুতর দগ্ধ অবস্থায় প্রথমে স্থানীয় একটি হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে তাদের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় শনিবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে রাজধানীর জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের জরুরি বিভাগে ভর্তি করা হয়।

ইনস্টিটিউটের জরুরি বিভাগের আবাসিক সার্জন ডা. সুলতান মাহমুদ শিকদার জানান, ফতুল্লার মহিলা মাদ্রাসায় ইলেকট্রিক ফ্ল্যাশ বার্নের ঘটনায় পাঁচ শিক্ষার্থীকে ভর্তি করা হয়েছিল।

তিনি জানান, আতিয়া ৪৫ শতাংশ ইলেকট্রিক ফ্ল্যাশ বার্ন নিয়ে চিকিৎসাধীন ছিল। ২৯ সেপ্টেম্বর বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে তার মৃত্যু হয়।

জিদনি ৮২ শতাংশ ইলেকট্রিক ফ্ল্যাশ বার্ন নিয়ে আইসিইউতে আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসাধীন ছিল। বুধবার সকাল ৬টার দিকে তারও মৃত্যু হয়।

বর্তমানে লামিয়া ৫৫ শতাংশ ইলেকট্রিক ফ্ল্যাশ বার্ন নিয়ে আইসিইউতে আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসাধীন রয়েছে।

অন্যদিকে আসিয়া ও সুমাইয়া তুলনামূলক কম দগ্ধ হওয়ায় তাদের শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকেরা। তাদের আইসিইউ থেকে ওয়ার্ডে স্থানান্তর করা হয়েছে।

পাঁচ শিক্ষার্থীর মধ্যে দুজনের মৃত্যু এবং একজনের আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসাধীন থাকার ঘটনায় মাদ্রাসার শিক্ষার্থী ও স্বজনদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

ঘটনার প্রকৃত কারণ কী এবং কীভাবে শিক্ষার্থীরা বিদ্যুতের সংস্পর্শে এসে দগ্ধ হলো—তা খতিয়ে দেখতে পুলিশ ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ তদন্ত করছে।

বিশেষ করে ভবনের পাশ দিয়ে থাকা উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন বিদ্যুৎ লাইন, ট্রান্সফরমারের অবস্থান এবং মাদ্রাসার ছাদের নিরাপত্তাব্যবস্থা দুর্ঘটনার সঙ্গে কীভাবে সম্পর্কিত ছিল, তা তদন্তে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।

আবাসিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছাদ, বারান্দা ও খোলা জায়গার কাছাকাছি উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন বিদ্যুৎ লাইন থাকলে শিক্ষার্থীদের জন্য ঝুঁকি তৈরি হতে পারে। বিশেষ করে শিশুরা বিপদের মাত্রা সবসময় বুঝতে পারে না।

তাই শিক্ষা ও আবাসিক প্রতিষ্ঠানগুলোর আশপাশে বিদ্যুৎ লাইনের নিরাপদ দূরত্ব, ছাদে প্রবেশের ব্যবস্থা এবং বৈদ্যুতিক ঝুঁকি নিয়ে নিয়মিত পরিদর্শন করা জরুরি। কোনো ঝুঁকি থাকলে দুর্ঘটনার আগেই তা চিহ্নিত করে ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন।

এই ঘটনায় সবচেয়ে জরুরি বিষয় এখন শুধু দুর্ঘটনার কারণ নির্ধারণ নয়, ভবিষ্যতে একই ধরনের ঝুঁকি কীভাবে ঠেকানো যায় সেটিও নিশ্চিত করা। ভবনের পাশে উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন বিদ্যুৎ লাইন ও ট্রান্সফরমার থাকলে শিক্ষার্থীদের চলাচলের জায়গা কতটা নিরাপদ ছিল, ছাদে প্রবেশ নিয়ন্ত্রিত ছিল কি না এবং বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষের নিরাপত্তা মানদণ্ড মানা হয়েছিল কি না—এসব প্রশ্ন তদন্তে গুরুত্ব পাওয়া প্রয়োজন।

তবে তদন্ত শেষ হওয়ার আগে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হওয়ার নির্দিষ্ট কারণ বা কারও দায় চূড়ান্তভাবে বলা ঠিক হবে না। তদন্তের ফলেই দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ ও দায় সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা পাওয়া যাবে।

বিষয় : নারায়ণগঞ্জে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট মাদ্রাসার ছাদে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট নারায়ণগঞ্জে দুই শিশুর মৃত্যু

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর

বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬


নারায়ণগঞ্জে মাদ্রাসার ছাদে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে ২ শিশুর মৃত্যু, আইসিইউতে আরও ১

প্রকাশের তারিখ : ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় আবাসিক মহিলা মাদ্রাসার ছাদে খেলতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে দগ্ধ পাঁচ শিক্ষার্থীর মধ্যে দুজনের মৃত্যু হয়েছে। চিকিৎসাধীন অবস্থায় আতিয়া (১১) ও জিদনি (১৪) মারা গেছে।

গুরুতর দগ্ধ লামিয়া (১৩) বর্তমানে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আইসিইউতে আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসাধীন। অপর দুই শিক্ষার্থী আসিয়া (১২) ও সুমাইয়া (১৩) তুলনামূলক স্থিতিশীল অবস্থায় রয়েছে।

গত শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) বিকেলে ফতুল্লার কাশিপুর হাজীপাড়া এলাকার মাহেলা খাতুন বালিকা মাদ্রাসায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। দগ্ধ পাঁচ শিক্ষার্থীই ওই মাদ্রাসার আবাসিক ছাত্রী।

উদ্ধারকারী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাতে জানা গেছে, শনিবার বিকেল সাড়ে ৪টা থেকে ৫টার দিকে মাদ্রাসার তিনতলার ছাদে খেলাধুলা করছিল কয়েকজন শিক্ষার্থী।

মাদ্রাসা ভবনের পাশ দিয়ে উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন বিদ্যুতের লাইন ও একটি ট্রান্সফরমার রয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, বিদ্যুতের তারের সংস্পর্শে এসে অথবা কোনো কারণে ছাদ বিদ্যুতায়িত হয়ে শিক্ষার্থীরা দগ্ধ হতে পারে।

তবে দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ এখনো নিশ্চিত নয়। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

স্থানীয় বাসিন্দা ও উদ্ধারকাজে অংশ নেওয়া সেলিনা বেগম জানান, হঠাৎ ছাদ থেকে বিকট শব্দ ও শিশুদের চিৎকার শুনতে পান তিনি।

পরে স্থানীয় কয়েকজন ব্যক্তি ছাদে গিয়ে দগ্ধ শিক্ষার্থীদের উদ্ধার করে নিচে নামান। এরপর দ্রুত তাদের হাসপাতালে নেওয়া হয়।

আহত শিক্ষার্থী আসিয়া জানায়, তারা ছাদে খেলছিল। হঠাৎ বিকট শব্দ হওয়ার পর শরীরে আগুনের তাপ অনুভব করে। এরপর কী ঘটেছে, তা তার মনে নেই। একপর্যায়ে সে অচেতন হয়ে পড়ে।

দুর্ঘটনার পর পাঁচ শিক্ষার্থীকে গুরুতর দগ্ধ অবস্থায় প্রথমে স্থানীয় একটি হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে তাদের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় শনিবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে রাজধানীর জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের জরুরি বিভাগে ভর্তি করা হয়।

ইনস্টিটিউটের জরুরি বিভাগের আবাসিক সার্জন ডা. সুলতান মাহমুদ শিকদার জানান, ফতুল্লার মহিলা মাদ্রাসায় ইলেকট্রিক ফ্ল্যাশ বার্নের ঘটনায় পাঁচ শিক্ষার্থীকে ভর্তি করা হয়েছিল।

তিনি জানান, আতিয়া ৪৫ শতাংশ ইলেকট্রিক ফ্ল্যাশ বার্ন নিয়ে চিকিৎসাধীন ছিল। ২৯ সেপ্টেম্বর বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে তার মৃত্যু হয়।

জিদনি ৮২ শতাংশ ইলেকট্রিক ফ্ল্যাশ বার্ন নিয়ে আইসিইউতে আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসাধীন ছিল। বুধবার সকাল ৬টার দিকে তারও মৃত্যু হয়।

বর্তমানে লামিয়া ৫৫ শতাংশ ইলেকট্রিক ফ্ল্যাশ বার্ন নিয়ে আইসিইউতে আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসাধীন রয়েছে।

অন্যদিকে আসিয়া ও সুমাইয়া তুলনামূলক কম দগ্ধ হওয়ায় তাদের শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকেরা। তাদের আইসিইউ থেকে ওয়ার্ডে স্থানান্তর করা হয়েছে।

পাঁচ শিক্ষার্থীর মধ্যে দুজনের মৃত্যু এবং একজনের আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসাধীন থাকার ঘটনায় মাদ্রাসার শিক্ষার্থী ও স্বজনদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

ঘটনার প্রকৃত কারণ কী এবং কীভাবে শিক্ষার্থীরা বিদ্যুতের সংস্পর্শে এসে দগ্ধ হলো—তা খতিয়ে দেখতে পুলিশ ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ তদন্ত করছে।

বিশেষ করে ভবনের পাশ দিয়ে থাকা উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন বিদ্যুৎ লাইন, ট্রান্সফরমারের অবস্থান এবং মাদ্রাসার ছাদের নিরাপত্তাব্যবস্থা দুর্ঘটনার সঙ্গে কীভাবে সম্পর্কিত ছিল, তা তদন্তে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।

আবাসিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছাদ, বারান্দা ও খোলা জায়গার কাছাকাছি উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন বিদ্যুৎ লাইন থাকলে শিক্ষার্থীদের জন্য ঝুঁকি তৈরি হতে পারে। বিশেষ করে শিশুরা বিপদের মাত্রা সবসময় বুঝতে পারে না।

তাই শিক্ষা ও আবাসিক প্রতিষ্ঠানগুলোর আশপাশে বিদ্যুৎ লাইনের নিরাপদ দূরত্ব, ছাদে প্রবেশের ব্যবস্থা এবং বৈদ্যুতিক ঝুঁকি নিয়ে নিয়মিত পরিদর্শন করা জরুরি। কোনো ঝুঁকি থাকলে দুর্ঘটনার আগেই তা চিহ্নিত করে ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন।

এই ঘটনায় সবচেয়ে জরুরি বিষয় এখন শুধু দুর্ঘটনার কারণ নির্ধারণ নয়, ভবিষ্যতে একই ধরনের ঝুঁকি কীভাবে ঠেকানো যায় সেটিও নিশ্চিত করা। ভবনের পাশে উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন বিদ্যুৎ লাইন ও ট্রান্সফরমার থাকলে শিক্ষার্থীদের চলাচলের জায়গা কতটা নিরাপদ ছিল, ছাদে প্রবেশ নিয়ন্ত্রিত ছিল কি না এবং বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষের নিরাপত্তা মানদণ্ড মানা হয়েছিল কি না—এসব প্রশ্ন তদন্তে গুরুত্ব পাওয়া প্রয়োজন।

তবে তদন্ত শেষ হওয়ার আগে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হওয়ার নির্দিষ্ট কারণ বা কারও দায় চূড়ান্তভাবে বলা ঠিক হবে না। তদন্তের ফলেই দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ ও দায় সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা পাওয়া যাবে।


দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর

প্রকাশক ও সম্পাদকঃ মোঃ সাদ্দাম হোসেন
কপিরাইট © ২০২৬ দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর