কুমিল্লার দেবিদ্বারে ধারালো অস্ত্রের হামলায় এক যুবকের মা ও আট মাস বয়সী ভাতিজি নিহত হয়েছেন। এ সময় হামলা ঠেকাতে গিয়ে গুরুতর আহত হয়েছেন ওই যুবকের ভাবি।
সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার বড়শালঘর ইউনিয়নের বড়শালঘর গ্রামের দক্ষিণ পাড়ার মোস্তফা মাস্টারের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন যুবক ইমনের মা পেয়ারা বেগম ও তার আট মাস বয়সী ভাতিজি। গুরুতর আহত হয়েছেন ইমনের ভাবি রাবেয়া বেগম। ঘটনার পর স্থানীয়রা অভিযুক্ত ইমনকে (২৪) আটক করে একটি ঘরে তালাবদ্ধ করে রাখেন। তিনি ওই বাড়ির মৃত ফরিদ মিয়ার ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সোমবার সকালে হঠাৎ উত্তেজিত হয়ে ইমন দা নিয়ে তার মা পেয়ারা বেগমের ওপর হামলা চালান। এতে ঘটনাস্থলেই তিনি নিহত হন বলে স্থানীয়রা জানান।
এরপর আট মাস বয়সী ভাতিজির ওপরও ধারালো অস্ত্র দিয়ে হামলা করা হয়। এ সময় শিশুটিকে রক্ষা করতে এগিয়ে এলে রাবেয়া বেগমকেও কুপিয়ে গুরুতর আহত করা হয়।
ঘটনার পর স্থানীয়রা আহত রাবেয়া বেগমকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠান। একই সঙ্গে ইমনকে আটক করে পাশের একটি ঘরে তালাবদ্ধ করে রাখেন তারা।
দেবিদ্বার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান ঘটনার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলের উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, অভিযুক্ত ইমন দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ ছিলেন। তবে কী কারণে এ ঘটনা ঘটেছে, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে তদন্ত করার পর হামলার প্রকৃত কারণ এবং ঘটনার বিস্তারিত সম্পর্কে জানা যাবে বলে জানিয়েছেন ওসি।
একই পরিবারের দুই সদস্য নিহত এবং আরেকজন গুরুতর আহত হওয়ার ঘটনায় বড়শালঘর গ্রামে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়দের মধ্যে ঘটনাটি নিয়ে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।
তবে হামলার কারণ বা অভিযুক্ত ইমনের অসুস্থতার ধরন সম্পর্কে পুলিশ এখনো বিস্তারিত কিছু জানায়নি। তদন্তের পরই এসব বিষয়ে নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যেতে পারে।
ঘটনার কারণ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা ধরনের তথ্য ছড়িয়ে পড়তে পারে। তবে পুলিশ তদন্ত শেষ করার আগে কোনো অনুমান বা অসমর্থিত দাবিকে নিশ্চিত তথ্য হিসেবে প্রচার না করাই গুরুত্বপূর্ণ।
একই পরিবারের সদস্যদের ওপর এমন ভয়াবহ হামলার ঘটনায় সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় এখন ঘটনার প্রকৃত কারণ নির্ধারণ এবং আহত রাবেয়া বেগমের চিকিৎসা নিশ্চিত করা। অভিযুক্তের শারীরিক বা মানসিক অসুস্থতার বিষয়ে যে তথ্য স্থানীয়ভাবে বলা হচ্ছে, সেটিও তদন্ত ও সংশ্লিষ্ট নথির মাধ্যমে যাচাই করা প্রয়োজন। ঘটনার পেছনে ব্যক্তিগত বিরোধ, পারিবারিক কোনো বিষয় বা অন্য কোনো কারণ ছিল কি না—তা তদন্তেই স্পষ্ট হবে।

সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
কুমিল্লার দেবিদ্বারে ধারালো অস্ত্রের হামলায় এক যুবকের মা ও আট মাস বয়সী ভাতিজি নিহত হয়েছেন। এ সময় হামলা ঠেকাতে গিয়ে গুরুতর আহত হয়েছেন ওই যুবকের ভাবি।
সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার বড়শালঘর ইউনিয়নের বড়শালঘর গ্রামের দক্ষিণ পাড়ার মোস্তফা মাস্টারের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন যুবক ইমনের মা পেয়ারা বেগম ও তার আট মাস বয়সী ভাতিজি। গুরুতর আহত হয়েছেন ইমনের ভাবি রাবেয়া বেগম। ঘটনার পর স্থানীয়রা অভিযুক্ত ইমনকে (২৪) আটক করে একটি ঘরে তালাবদ্ধ করে রাখেন। তিনি ওই বাড়ির মৃত ফরিদ মিয়ার ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সোমবার সকালে হঠাৎ উত্তেজিত হয়ে ইমন দা নিয়ে তার মা পেয়ারা বেগমের ওপর হামলা চালান। এতে ঘটনাস্থলেই তিনি নিহত হন বলে স্থানীয়রা জানান।
এরপর আট মাস বয়সী ভাতিজির ওপরও ধারালো অস্ত্র দিয়ে হামলা করা হয়। এ সময় শিশুটিকে রক্ষা করতে এগিয়ে এলে রাবেয়া বেগমকেও কুপিয়ে গুরুতর আহত করা হয়।
ঘটনার পর স্থানীয়রা আহত রাবেয়া বেগমকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠান। একই সঙ্গে ইমনকে আটক করে পাশের একটি ঘরে তালাবদ্ধ করে রাখেন তারা।
দেবিদ্বার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান ঘটনার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলের উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, অভিযুক্ত ইমন দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ ছিলেন। তবে কী কারণে এ ঘটনা ঘটেছে, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে তদন্ত করার পর হামলার প্রকৃত কারণ এবং ঘটনার বিস্তারিত সম্পর্কে জানা যাবে বলে জানিয়েছেন ওসি।
একই পরিবারের দুই সদস্য নিহত এবং আরেকজন গুরুতর আহত হওয়ার ঘটনায় বড়শালঘর গ্রামে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়দের মধ্যে ঘটনাটি নিয়ে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।
তবে হামলার কারণ বা অভিযুক্ত ইমনের অসুস্থতার ধরন সম্পর্কে পুলিশ এখনো বিস্তারিত কিছু জানায়নি। তদন্তের পরই এসব বিষয়ে নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যেতে পারে।
ঘটনার কারণ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা ধরনের তথ্য ছড়িয়ে পড়তে পারে। তবে পুলিশ তদন্ত শেষ করার আগে কোনো অনুমান বা অসমর্থিত দাবিকে নিশ্চিত তথ্য হিসেবে প্রচার না করাই গুরুত্বপূর্ণ।
একই পরিবারের সদস্যদের ওপর এমন ভয়াবহ হামলার ঘটনায় সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় এখন ঘটনার প্রকৃত কারণ নির্ধারণ এবং আহত রাবেয়া বেগমের চিকিৎসা নিশ্চিত করা। অভিযুক্তের শারীরিক বা মানসিক অসুস্থতার বিষয়ে যে তথ্য স্থানীয়ভাবে বলা হচ্ছে, সেটিও তদন্ত ও সংশ্লিষ্ট নথির মাধ্যমে যাচাই করা প্রয়োজন। ঘটনার পেছনে ব্যক্তিগত বিরোধ, পারিবারিক কোনো বিষয় বা অন্য কোনো কারণ ছিল কি না—তা তদন্তেই স্পষ্ট হবে।

আপনার মতামত লিখুন