দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর
সর্বশেষ
প্রকাশ : বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

খিলগাঁওয়ে দুই বাসের চাপায় মাইলস্টোন শিক্ষিকার মৃত্যু, আটক ২

খিলগাঁওয়ে দুই বাসের চাপায় মাইলস্টোন শিক্ষিকার মৃত্যু, আটক ২

গাজীপুরের ইউনিয়ন স্বাস্থ্যকেন্দ্রে জং ধরা তালা, কাঁটাতারের বেড়া সরিয়ে ঢুকলেন এমপি

কারাগারেই জন্ম, সেখানেই ৭ বছর—অবশেষে মায়ের হাত ধরে মুক্ত বাতাসে মোবাশ্বেরা

মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলায় ওবায়দুল কাদেরের মৃত্যুদণ্ড

উত্তরা লিবার্টি ক্লাবে র‌্যাবের অভিযান, ৪৭০ লিটার মদ-বিয়ারসহ গ্রেপ্তার ২

মাগুরার খামারপাড়া বাজারে ককটেল বিস্ফোরণ, আতঙ্ক

নাসিরনগরে স্পিডবোট-বাল্কহেড মুখোমুখি সংঘর্ষ, নিহত ২

ঝিনাইদহে বিদেশি পিস্তলসহ যুবক গ্রেপ্তার

খিলগাঁওয়ে দুই বাসের চাপায় মাইলস্টোন শিক্ষিকার মৃত্যু, আটক ২

খিলগাঁওয়ে দুই বাসের চাপায় মাইলস্টোন শিক্ষিকার মৃত্যু, আটক ২
রাজধানীর খিলগাঁওয়ের মেরাদিয়

রাজধানীর খিলগাঁওয়ের মেরাদিয়ায় দুই বাসের চাপায় তাসফিয়া আহমেদ তিশা (৩১) নামে মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজের এক শিক্ষিকা নিহত হয়েছেন। বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা পৌনে ৬টার দিকে মেরাদিয়া বসুমতি হাসপাতালের সামনের সড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

গুরুতর আহত অবস্থায় পথচারীরা তাঁকে ফরাজী হাসপাতালে নিয়ে যান। পরে পরিবারের সদস্যরা ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে রাত সাড়ে ৯টার দিকে চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।

পুলিশ জানিয়েছে, দুর্ঘটনার পর রমজান পরিবহণসহ দুটি বাস জব্দ করা হয়েছে। একটি বাসের চালক ও অন্যটির সহকারীকে আটক করা হয়েছে। তবে দুর্ঘটনার সময় তাসফিয়া হেঁটে যাচ্ছিলেন, নাকি মোটরসাইকেলে ছিলেন, তা এখনো নিশ্চিত নয়। বিষয়টি তদন্ত করছে পুলিশ।

পুলিশ ও স্বজনদের সূত্রে জানা গেছে, ব্যক্তিগত কাজে বাসা থেকে বের হয়েছিলেন তাসফিয়া আহমেদ তিশা। সন্ধ্যার আগে বাসায় ফেরার সময় মেরাদিয়া বসুমতি হাসপাতালের সামনের সড়কে দুর্ঘটনার শিকার হন তিনি।

খিলগাঁও থানার এসআই অনয় চন্দ্র পাল জানান, রমজান পরিবহণের একটি বাসের সঙ্গে তাসফিয়ার দুর্ঘটনা ঘটে। এতে তিনি সড়কে ছিটকে পড়লে তিশা পরিবহণের আরেকটি বাসের চাকার নিচে চাপা পড়েন।

গুরুতর আহত অবস্থায় তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত সাড়ে ৯টার দিকে তাঁর মৃত্যু হয়।

নিহত তাসফিয়া আহমেদ তিশা চাঁদপুর সদর উপজেলার মো. শফিউদ্দিন আহমেদের মেয়ে। তিনি রাজধানীর আফতাবনগর শাখার মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে শিক্ষকতা করতেন।

স্বজনদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, তাঁর স্বামী প্রবাসী। তিনি খিলগাঁওয়ের মেরাদিয়া নয়াপাড়া এলাকায় বসবাস করতেন।

ব্যক্তিগত কাজে বের হয়ে এমন দুর্ঘটনার শিকার হওয়ায় পরিবার ও স্বজনদের মধ্যে শোক নেমে এসেছে।

স্থানীয় ব্যবসায়ী মো. মূসা জানান, দুর্ঘটনার পর তিনি তাসফিয়াকে সড়কে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন। পরে স্বজনদের খবর দেন।

পথচারীরা তাঁকে ফরাজী হাসপাতালে নিয়ে যান। পরে পরিবারের সদস্যরা ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

দুর্ঘটনার পর ঘটনাস্থলের পরিস্থিতি, আহত অবস্থায় উদ্ধারের সময় এবং হাসপাতালে নেওয়ার ব্যবস্থার বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি।

খিলগাঁও থানার এসআই অনয় চন্দ্র পাল জানান, দুর্ঘটনার পরপরই রমজান পরিবহণসহ দুটি বাস জব্দ করা হয়েছে। একটি বাসের চালক ও অন্যটির সহকারীকে আটক করা হয়েছে।

তবে দুর্ঘটনার সময় তাসফিয়া হেঁটে যাচ্ছিলেন, নাকি মোটরসাইকেলে ছিলেন, সে বিষয়ে পুলিশ এখনো নিশ্চিত হতে পারেনি। ঘটনাস্থলে কোনো মোটরসাইকেলও পাওয়া যায়নি বলে জানান এসআই।

তিনি বলেন, বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। এ ঘটনায় পরবর্তী আইনি কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

গুরুত্বপূর্ণ দিক

  • নিহত: তাসফিয়া আহমেদ তিশা, বয়স ৩১ বছর।

  • পেশা: মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষিকা।

  • ঘটনাস্থল: মেরাদিয়া বসুমতি হাসপাতালের সামনের সড়ক, খিলগাঁও।

  • সময়: বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, সন্ধ্যা পৌনে ৬টা।

  • পুলিশি ব্যবস্থা: দুটি বাস জব্দ, একজন চালক ও একজন সহকারী আটক।

ঢাকার ব্যস্ত সড়কে পথচারী ও গণপরিবহনের নিরাপত্তা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই মানুষের উদ্বেগ রয়েছে। এই দুর্ঘটনায় একজন শিক্ষিকার মৃত্যু আবারও মনে করিয়ে দেয়, সড়কে নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করা কতটা জরুরি।

তবে এই নির্দিষ্ট দুর্ঘটনার জন্য কার দায় কতটা, তা তদন্ত শেষ হওয়ার আগে বলা ঠিক হবে না। পুলিশের তদন্ত, প্রত্যক্ষদর্শীর বক্তব্য, গাড়ির গতিপথ এবং প্রয়োজনীয় প্রমাণের ভিত্তিতেই ঘটনার প্রকৃত কারণ পরিষ্কার হবে।

এই ঘটনায় একটি বিষয় আলাদা করে নজরে আসে—দুর্ঘটনার পর স্থানীয় ব্যবসায়ী ও পথচারীরা আহত নারীকে হাসপাতালে নিয়ে যান এবং স্বজনদের খবর দেন। জরুরি মুহূর্তে স্থানীয় মানুষের দ্রুত সহায়তা অনেক সময় গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে।

তবে শুধু দুর্ঘটনার পর উদ্ধার নয়, দুর্ঘটনা যাতে না ঘটে সেটিই সবচেয়ে বড় লক্ষ্য হওয়া উচিত। বাসচালকদের সতর্কতা, পথচারীদের নিরাপদ চলাচলের জায়গা, সড়কের অবস্থা এবং গণপরিবহনের নিয়ম মানা—সবকিছুই এখানে গুরুত্বপূর্ণ।

সড়কে দুর্ঘটনা কমাতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে ঝুঁকিপূর্ণ স্থানগুলো চিহ্নিত করে ব্যবস্থা নিতে হবে। বাসের চালকদের প্রশিক্ষণ, গাড়ির গতি নিয়ন্ত্রণ, পথচারী পারাপারের নিরাপদ ব্যবস্থা এবং সড়কে নিয়মিত নজরদারি প্রয়োজন।

একই সঙ্গে দুর্ঘটনার পর দ্রুত চিকিৎসা নিশ্চিত করাও জরুরি। স্থানীয় হাসপাতাল, পুলিশ ও সাধারণ মানুষের মধ্যে সমন্বয় থাকলে আহত ব্যক্তিকে দ্রুত চিকিৎসার আওতায় আনা সহজ হতে পারে।

একজন মানুষ বাসায় ফেরার পথে প্রাণ হারিয়েছেন—এটি তাঁর পরিবার, স্বজন ও পরিচিতদের জন্য গভীর শোকের ঘটনা। এমন দুর্ঘটনার খবর পড়ার পর সড়কে চলাচলের সময় সবাইকে আরও সতর্ক থাকতে হবে।

পথচারীদের রাস্তা পারাপারে নির্ধারিত স্থান ব্যবহার করা, চলন্ত বাসের কাছাকাছি না যাওয়া এবং চালকদের গতি ও নিরাপদ দূরত্ব বজায় রাখা জরুরি। তবে দুর্ঘটনার দায় নির্ধারণের দায়িত্ব তদন্তকারী কর্তৃপক্ষের।

পুলিশের তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত দুর্ঘটনার সঠিক কারণ বা কারও দায় সম্পর্কে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে যাওয়া উচিত নয়।

বিষয় : সড়ক দুর্ঘটনার খবর রাজধানীর সড়ক দুর্ঘটনা ঢাকায় বাস দুর্ঘটনা মাইলস্টোন শিক্ষিকা নিহত খিলগাঁও সড়ক দুর্ঘটনা

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর

বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬


খিলগাঁওয়ে দুই বাসের চাপায় মাইলস্টোন শিক্ষিকার মৃত্যু, আটক ২

প্রকাশের তারিখ : ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

রাজধানীর খিলগাঁওয়ের মেরাদিয়ায় দুই বাসের চাপায় তাসফিয়া আহমেদ তিশা (৩১) নামে মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজের এক শিক্ষিকা নিহত হয়েছেন। বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা পৌনে ৬টার দিকে মেরাদিয়া বসুমতি হাসপাতালের সামনের সড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

গুরুতর আহত অবস্থায় পথচারীরা তাঁকে ফরাজী হাসপাতালে নিয়ে যান। পরে পরিবারের সদস্যরা ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে রাত সাড়ে ৯টার দিকে চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।

পুলিশ জানিয়েছে, দুর্ঘটনার পর রমজান পরিবহণসহ দুটি বাস জব্দ করা হয়েছে। একটি বাসের চালক ও অন্যটির সহকারীকে আটক করা হয়েছে। তবে দুর্ঘটনার সময় তাসফিয়া হেঁটে যাচ্ছিলেন, নাকি মোটরসাইকেলে ছিলেন, তা এখনো নিশ্চিত নয়। বিষয়টি তদন্ত করছে পুলিশ।

পুলিশ ও স্বজনদের সূত্রে জানা গেছে, ব্যক্তিগত কাজে বাসা থেকে বের হয়েছিলেন তাসফিয়া আহমেদ তিশা। সন্ধ্যার আগে বাসায় ফেরার সময় মেরাদিয়া বসুমতি হাসপাতালের সামনের সড়কে দুর্ঘটনার শিকার হন তিনি।

খিলগাঁও থানার এসআই অনয় চন্দ্র পাল জানান, রমজান পরিবহণের একটি বাসের সঙ্গে তাসফিয়ার দুর্ঘটনা ঘটে। এতে তিনি সড়কে ছিটকে পড়লে তিশা পরিবহণের আরেকটি বাসের চাকার নিচে চাপা পড়েন।

গুরুতর আহত অবস্থায় তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত সাড়ে ৯টার দিকে তাঁর মৃত্যু হয়।

নিহত তাসফিয়া আহমেদ তিশা চাঁদপুর সদর উপজেলার মো. শফিউদ্দিন আহমেদের মেয়ে। তিনি রাজধানীর আফতাবনগর শাখার মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে শিক্ষকতা করতেন।

স্বজনদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, তাঁর স্বামী প্রবাসী। তিনি খিলগাঁওয়ের মেরাদিয়া নয়াপাড়া এলাকায় বসবাস করতেন।

ব্যক্তিগত কাজে বের হয়ে এমন দুর্ঘটনার শিকার হওয়ায় পরিবার ও স্বজনদের মধ্যে শোক নেমে এসেছে।

স্থানীয় ব্যবসায়ী মো. মূসা জানান, দুর্ঘটনার পর তিনি তাসফিয়াকে সড়কে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন। পরে স্বজনদের খবর দেন।

পথচারীরা তাঁকে ফরাজী হাসপাতালে নিয়ে যান। পরে পরিবারের সদস্যরা ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

দুর্ঘটনার পর ঘটনাস্থলের পরিস্থিতি, আহত অবস্থায় উদ্ধারের সময় এবং হাসপাতালে নেওয়ার ব্যবস্থার বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি।

খিলগাঁও থানার এসআই অনয় চন্দ্র পাল জানান, দুর্ঘটনার পরপরই রমজান পরিবহণসহ দুটি বাস জব্দ করা হয়েছে। একটি বাসের চালক ও অন্যটির সহকারীকে আটক করা হয়েছে।

তবে দুর্ঘটনার সময় তাসফিয়া হেঁটে যাচ্ছিলেন, নাকি মোটরসাইকেলে ছিলেন, সে বিষয়ে পুলিশ এখনো নিশ্চিত হতে পারেনি। ঘটনাস্থলে কোনো মোটরসাইকেলও পাওয়া যায়নি বলে জানান এসআই।

তিনি বলেন, বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। এ ঘটনায় পরবর্তী আইনি কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

গুরুত্বপূর্ণ দিক

  • নিহত: তাসফিয়া আহমেদ তিশা, বয়স ৩১ বছর।

  • পেশা: মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষিকা।

  • ঘটনাস্থল: মেরাদিয়া বসুমতি হাসপাতালের সামনের সড়ক, খিলগাঁও।

  • সময়: বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, সন্ধ্যা পৌনে ৬টা।

  • পুলিশি ব্যবস্থা: দুটি বাস জব্দ, একজন চালক ও একজন সহকারী আটক।

ঢাকার ব্যস্ত সড়কে পথচারী ও গণপরিবহনের নিরাপত্তা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই মানুষের উদ্বেগ রয়েছে। এই দুর্ঘটনায় একজন শিক্ষিকার মৃত্যু আবারও মনে করিয়ে দেয়, সড়কে নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করা কতটা জরুরি।

তবে এই নির্দিষ্ট দুর্ঘটনার জন্য কার দায় কতটা, তা তদন্ত শেষ হওয়ার আগে বলা ঠিক হবে না। পুলিশের তদন্ত, প্রত্যক্ষদর্শীর বক্তব্য, গাড়ির গতিপথ এবং প্রয়োজনীয় প্রমাণের ভিত্তিতেই ঘটনার প্রকৃত কারণ পরিষ্কার হবে।

এই ঘটনায় একটি বিষয় আলাদা করে নজরে আসে—দুর্ঘটনার পর স্থানীয় ব্যবসায়ী ও পথচারীরা আহত নারীকে হাসপাতালে নিয়ে যান এবং স্বজনদের খবর দেন। জরুরি মুহূর্তে স্থানীয় মানুষের দ্রুত সহায়তা অনেক সময় গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে।

তবে শুধু দুর্ঘটনার পর উদ্ধার নয়, দুর্ঘটনা যাতে না ঘটে সেটিই সবচেয়ে বড় লক্ষ্য হওয়া উচিত। বাসচালকদের সতর্কতা, পথচারীদের নিরাপদ চলাচলের জায়গা, সড়কের অবস্থা এবং গণপরিবহনের নিয়ম মানা—সবকিছুই এখানে গুরুত্বপূর্ণ।

সড়কে দুর্ঘটনা কমাতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে ঝুঁকিপূর্ণ স্থানগুলো চিহ্নিত করে ব্যবস্থা নিতে হবে। বাসের চালকদের প্রশিক্ষণ, গাড়ির গতি নিয়ন্ত্রণ, পথচারী পারাপারের নিরাপদ ব্যবস্থা এবং সড়কে নিয়মিত নজরদারি প্রয়োজন।

একই সঙ্গে দুর্ঘটনার পর দ্রুত চিকিৎসা নিশ্চিত করাও জরুরি। স্থানীয় হাসপাতাল, পুলিশ ও সাধারণ মানুষের মধ্যে সমন্বয় থাকলে আহত ব্যক্তিকে দ্রুত চিকিৎসার আওতায় আনা সহজ হতে পারে।

একজন মানুষ বাসায় ফেরার পথে প্রাণ হারিয়েছেন—এটি তাঁর পরিবার, স্বজন ও পরিচিতদের জন্য গভীর শোকের ঘটনা। এমন দুর্ঘটনার খবর পড়ার পর সড়কে চলাচলের সময় সবাইকে আরও সতর্ক থাকতে হবে।

পথচারীদের রাস্তা পারাপারে নির্ধারিত স্থান ব্যবহার করা, চলন্ত বাসের কাছাকাছি না যাওয়া এবং চালকদের গতি ও নিরাপদ দূরত্ব বজায় রাখা জরুরি। তবে দুর্ঘটনার দায় নির্ধারণের দায়িত্ব তদন্তকারী কর্তৃপক্ষের।

পুলিশের তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত দুর্ঘটনার সঠিক কারণ বা কারও দায় সম্পর্কে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে যাওয়া উচিত নয়।


দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর

প্রকাশক ও সম্পাদকঃ মোঃ সাদ্দাম হোসেন
কপিরাইট © ২০২৬ দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর