সাহস ও বীরত্ব প্রদর্শন, গুরুত্বপূর্ণ মামলার তদন্ত এবং সেবায় বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকিরসহ ৯২ জন পুলিশ সদস্যকে পুলিশ পদক দেওয়া হচ্ছে।
সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পুলিশ-২ শাখা থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। এতে স্বাক্ষর করেছেন উপসচিব নাসরিন সুলতানা।
প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ১ মার্চ থেকে ২০২৬ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে ৯২ জন পুলিশ সদস্যকে পদকের জন্য মনোনীত করা হয়েছে।
পদকের চারটি ক্যাটাগরি হলো—
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, সাহস ও বীরত্ব প্রদর্শন, সেবায় অনন্য নজির স্থাপন, গুরুত্বপূর্ণ ও চাঞ্চল্যকর মামলার তদন্ত এবং উদ্ভাবনীমূলক কর্মকাণ্ডের স্বীকৃতি হিসেবে এসব পদক দেওয়া হচ্ছে।
অর্থাৎ শুধু মাঠপর্যায়ে সাহসিকতার জন্য নয়, তদন্ত, জনসেবা ও নতুন ধরনের কার্যক্রমের ক্ষেত্রেও পুলিশের সদস্যদের অবদানের স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে।
পদকের জন্য বিবেচিত সময়সীমা ২০২৫ সালের ১ মার্চ থেকে ২০২৬ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি। অর্থাৎ নির্দিষ্ট এক বছরের কার্যক্রমের ভিত্তিতেই ৯২ সদস্যকে চারটি ক্যাটাগরিতে পদকের জন্য মনোনীত করা হয়েছে।
আইজিপি মো. আলী হোসেন ফকিরের নামও এই তালিকায় রয়েছে। তবে কোন সদস্য কোন ক্যাটাগরিতে পদক পাচ্ছেন, সে অনুযায়ী পূর্ণ তালিকা ও প্রত্যেকের অবদানের বিস্তারিত তথ্য প্রজ্ঞাপনের সংশ্লিষ্ট তালিকায় রয়েছে।
পুলিশ পদকের মাধ্যমে কোনো সদস্যের নির্দিষ্ট কাজ বা অবদানের প্রাতিষ্ঠানিক স্বীকৃতি দেওয়া হয়। তাই পদকপ্রাপ্তদের ক্ষেত্রে কোন কাজ বা সেবার জন্য স্বীকৃতি দেওয়া হচ্ছে, সেই তথ্যও জনসমক্ষে স্পষ্ট থাকা গুরুত্বপূর্ণ।
একই সঙ্গে এমন স্বীকৃতি পুলিশের সদস্যদের দায়িত্ব পালনে উৎসাহিত করার পাশাপাশি জনসেবার ক্ষেত্রে জবাবদিহি ও পেশাগত মান বজায় রাখার বিষয়টিকেও সামনে আনতে পারে।
এবারের স্বীকৃতির তালিকায় সাহসিকতার পাশাপাশি তদন্ত, সেবা ও উদ্ভাবনী কর্মকাণ্ডকে একসঙ্গে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এতে পুলিশের কাজের মূল্যায়ন শুধু ঝুঁকিপূর্ণ অভিযান বা বীরত্বের মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে পেশাগত দক্ষতার বিভিন্ন দিকেও বিস্তৃত হচ্ছে—প্রজ্ঞাপনের বর্ণনা থেকে এমন একটি বিষয় স্পষ্ট হয়।

সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সাহস ও বীরত্ব প্রদর্শন, গুরুত্বপূর্ণ মামলার তদন্ত এবং সেবায় বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকিরসহ ৯২ জন পুলিশ সদস্যকে পুলিশ পদক দেওয়া হচ্ছে।
সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পুলিশ-২ শাখা থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। এতে স্বাক্ষর করেছেন উপসচিব নাসরিন সুলতানা।
প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ১ মার্চ থেকে ২০২৬ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে ৯২ জন পুলিশ সদস্যকে পদকের জন্য মনোনীত করা হয়েছে।
পদকের চারটি ক্যাটাগরি হলো—
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, সাহস ও বীরত্ব প্রদর্শন, সেবায় অনন্য নজির স্থাপন, গুরুত্বপূর্ণ ও চাঞ্চল্যকর মামলার তদন্ত এবং উদ্ভাবনীমূলক কর্মকাণ্ডের স্বীকৃতি হিসেবে এসব পদক দেওয়া হচ্ছে।
অর্থাৎ শুধু মাঠপর্যায়ে সাহসিকতার জন্য নয়, তদন্ত, জনসেবা ও নতুন ধরনের কার্যক্রমের ক্ষেত্রেও পুলিশের সদস্যদের অবদানের স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে।
পদকের জন্য বিবেচিত সময়সীমা ২০২৫ সালের ১ মার্চ থেকে ২০২৬ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি। অর্থাৎ নির্দিষ্ট এক বছরের কার্যক্রমের ভিত্তিতেই ৯২ সদস্যকে চারটি ক্যাটাগরিতে পদকের জন্য মনোনীত করা হয়েছে।
আইজিপি মো. আলী হোসেন ফকিরের নামও এই তালিকায় রয়েছে। তবে কোন সদস্য কোন ক্যাটাগরিতে পদক পাচ্ছেন, সে অনুযায়ী পূর্ণ তালিকা ও প্রত্যেকের অবদানের বিস্তারিত তথ্য প্রজ্ঞাপনের সংশ্লিষ্ট তালিকায় রয়েছে।
পুলিশ পদকের মাধ্যমে কোনো সদস্যের নির্দিষ্ট কাজ বা অবদানের প্রাতিষ্ঠানিক স্বীকৃতি দেওয়া হয়। তাই পদকপ্রাপ্তদের ক্ষেত্রে কোন কাজ বা সেবার জন্য স্বীকৃতি দেওয়া হচ্ছে, সেই তথ্যও জনসমক্ষে স্পষ্ট থাকা গুরুত্বপূর্ণ।
একই সঙ্গে এমন স্বীকৃতি পুলিশের সদস্যদের দায়িত্ব পালনে উৎসাহিত করার পাশাপাশি জনসেবার ক্ষেত্রে জবাবদিহি ও পেশাগত মান বজায় রাখার বিষয়টিকেও সামনে আনতে পারে।
এবারের স্বীকৃতির তালিকায় সাহসিকতার পাশাপাশি তদন্ত, সেবা ও উদ্ভাবনী কর্মকাণ্ডকে একসঙ্গে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এতে পুলিশের কাজের মূল্যায়ন শুধু ঝুঁকিপূর্ণ অভিযান বা বীরত্বের মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে পেশাগত দক্ষতার বিভিন্ন দিকেও বিস্তৃত হচ্ছে—প্রজ্ঞাপনের বর্ণনা থেকে এমন একটি বিষয় স্পষ্ট হয়।

আপনার মতামত লিখুন