দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর
সর্বশেষ
প্রকাশ : রোববার, ০৭ জুন ২০২৬

পল্লবীতে শিশু ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় সোহেল রানার মৃত্যুদণ্ড, স্ত্রী স্বপ্নার যাবজ্জীবন

পল্লবীতে শিশু ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় সোহেল রানার মৃত্যুদণ্ড, স্ত্রী স্বপ্নার যাবজ্জীবন

বেনাপোলে ব্যবসায়ী সোহাগকে হত্যাচেষ্টা: দুই দিনেও গ্রেপ্তার নেই, আতঙ্কে পরিবার

পঞ্চগড় সীমান্তে ৩৮ ঘণ্টা ধরে আটকা ১০ জন, তৃষ্ণায় কাঁদছে তিন শিশু

বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে অনশন, ৫ দিন পর লাপাত্তা প্রেমিক; চাঞ্চল্য পাবনায়

কটিয়াদীতে রক্তদান সমিতির ব্যতিক্রমী উদ্যোগ: গাছে গাছে পাখির বাসা, মাসব্যাপী বৃক্ষরোপণে সবুজ ভবিষ্যতের বার্তা

পাবনায় সরকারি সুবিধা পাইয়ে দেওয়ার নামে টাকা আদায়ের অভিযোগ, বিএনপি নেতা গণপিটুনির পর পুলিশের হাতে

পাবনায় সরকারি সুবিধা পাইয়ে দেওয়ার নামে টাকা আদায়ের অভিযোগ, বিএনপি নেতা গণপিটুনির পর পুলিশের হাতে

আদ্-দ্বীনে ৬ নবজাতকের মৃত্যু: দোষীদের বিচার চান পরিবার, হাসপাতাল বন্ধের বিপক্ষে ভুক্তভোগীরা

বেনাপোলে ব্যবসায়ী সোহাগকে হত্যাচেষ্টা: দুই দিনেও গ্রেপ্তার নেই, আতঙ্কে পরিবার

বেনাপোলে ব্যবসায়ী সোহাগকে হত্যাচেষ্টা: দুই দিনেও গ্রেপ্তার নেই, আতঙ্কে পরিবার
বেনাপোলে ব্যবসায়ী সোহাগ হোসেনকে হত্যাচেষ্টার অভিযোগের ঘটনায় এখনো গ্রেপ্তার হয়নি কোনো আসামি। -ছবি: সংগৃহীত

বেনাপোলে ব্যবসায়ী সোহাগকে হত্যাচেষ্টা: দুই দিনেও গ্রেপ্তার নেই, উদ্ধার হয়নি অস্ত্র

যশোরের বেনাপোলে ব্যবসায়ী সোহাগ হোসেনকে হত্যাচেষ্টার অভিযোগে দায়ের হওয়া মামলার দুই দিন পার হয়ে গেলেও এখন পর্যন্ত কোনো আসামিকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ। একই সঙ্গে হামলায় ব্যবহৃত আগ্নেয়াস্ত্রও উদ্ধার না 


অভিযোগ অনুযায়ী, ব্যবসায়িক লেনদেনের প্রায় ৪৮ লাখ টাকা নিয়ে বিরোধের জেরে গত শুক্রবার রাতে সোহাগ হোসেনের বাড়িতে গিয়ে হামলা চালানো হয়। তাঁর দাবি, পরিকল্পিতভাবে তাঁকে হত্যা করার উদ্দেশ্যে কয়েকজন ব্যক্তি বাড়ির সামনে গিয়ে গুলি ছোড়ে। তবে অল্পের জন্য প্রাণে বেঁচে যান তিনি। ঘটনার পর থেকেই এলাকায় ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে।

পাওনা টাকা চাওয়াকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা

মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, শুক্রবার সকালে ব্যবসা-সংক্রান্ত পাওনা টাকা নিয়ে কথা বলতে গেলে বিরোধের সূত্রপাত হয়। সোহাগ হোসেনের ভাষ্য অনুযায়ী, ওই সময় অভিযুক্তরা তাঁর অফিসে গিয়ে তাঁকে বিভিন্ন ধরনের হুমকি দেন।

এর কয়েক ঘণ্টা পর রাতের দিকে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ রূপ নেয় বলে অভিযোগ। সোহাগের দাবি, রাতের অন্ধকারে তাঁর বাড়ির সামনে গিয়ে হামলাকারীরা তিনটি গুলি ছোড়ে। গুলির শব্দে আশপাশের লোকজন আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। যদিও এ ঘটনায় কেউ হতাহত হয়নি, তবে পুরো এলাকায় নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে।

ঘটনার রাতেই তিনি বেনাপোল পোর্ট থানায় আটজনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। মামলায় যাদের নাম উল্লেখ করা হয়েছে, তারা সবাই স্থানীয় বাসিন্দা বলে জানা গেছে।

‘আসামিরা প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে’

শনিবার এক সংবাদ সম্মেলনে সোহাগ হোসেন ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, হামলার পর দুই দিন কেটে গেলেও কাউকে গ্রেপ্তার করা হয়নি। তাঁর অভিযোগ, অভিযুক্তরা এখনও এলাকায় প্রকাশ্যে চলাফেরা করছে এবং বিভিন্ন মাধ্যমে তাঁকে ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের ভয়ভীতি দেখানো হচ্ছে।

তিনি আরও দাবি করেন, সিসিটিভি ফুটেজ দেখে স্থানীয় লোকজন আলমগীর নামের এক ব্যক্তিকে সন্দেহভাজন হিসেবে আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দিয়েছিল। কিন্তু পরে


 তাঁকে গ্রেপ্তার না করেই ছেড়ে দেওয়া হয়।

পুলিশের বক্তব্য কী?

এ বিষয়ে বেনাপোল পোর্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আশরাফ হোসেন জানিয়েছেন, ঘটনার তদন্ত চলমান রয়েছে।

তিনি বলেন, হামলার ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করে বিশ্লেষণ করা হচ্ছে। ফুটেজের ভিত্তিতে হামলাকারীদের শনাক্তের চেষ্টা চলছে। পাশাপাশি মামলার আসামিদের গ্রেপ্তার এবং হামলায় ব্যবহৃত অস্ত্র উদ্ধারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

জনতার হাতে আটক হওয়া ব্যক্তিকে কেন গ্রেপ্তার করা হয়নি—এমন প্রশ্নের জবাবে ওসি জানান, আটক ব্যক্তি গণপিটুনির শিকার হয়েছিলেন। তাঁর বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিকভাবে পর্যাপ্ত তথ্যপ্রমাণ না থাকায় গ্রেপ্তার করা হয়নি। তবে তাঁকে পুলিশের নজরদারির আওতায় রাখা হয়েছে।

স্থানীয়দের উদ্বেগ বাড়ছে

স্থানীয় বাসিন্দাদের একটি অংশ বলছেন, সাম্প্রতিক সময়ে এলাকায় বিভিন্ন ধরনের অপরাধমূলক ঘটনার অভিযোগ বাড়ছে। বিশেষ করে অস্ত্রের ব্যবহার নিয়ে মানুষের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

তাদের দাবি, কোনো ব্যক্তি যদি প্রকাশ্যে কারও বাড়িতে গিয়ে গুলি চালানোর সাহস পায়, তাহলে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিয়েও প্রশ্ন তৈরি হয়। দ্রুত অভিযুক্তদের আইনের আওতায় এনে ঘটনার প্রকৃত রহস্য উদঘাটনের দাবি জানিয়েছেন তারা।

এলাকার কয়েকজন বাসিন্দা জানান, ব্যবসায়িক বিরোধ থেকে শুরু হওয়া অনেক ঘটনা সময়মতো সমাধান না হওয়ায় তা কখনও কখনও সহিংসতায় রূপ নেয়। ফলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর দ্রুত পদক্ষেপ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

কেন বাড়ছে এমন সহিংসতা?

সমাজবিজ্ঞানীরা মনে করেন, অর্থনৈতিক বিরোধ, ব্যক্তিগত দ্বন্দ্ব এবং প্রভাব বিস্তারের সংস্কৃতি অনেক সময় সংঘাতকে উসকে দেয়। যখন বিরোধ নিষ্পত্তির পরিবর্তে ভয়ভীতি বা শক্তি প্রদর্শনের পথ বেছে নেওয়া হয়, তখন পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে পড়ে।


বিশেষজ্ঞদের মতে, যেকোনো অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত এবং দ্রুত বিচার প্রক্রিয়া নিশ্চিত করা গেলে অপরাধপ্রবণতা অনেকটাই কমানো সম্ভব। একই সঙ্গে অবৈধ অস্ত্রের ব্যবহার বন্ধে কঠোর নজরদারি প্রয়োজন।

এদিকে সোহাগ হোসেনকে হত্যাচেষ্টার অভিযোগে দায়ের হওয়া মামলাটি বর্তমানে তদন্তাধীন রয়েছে। পুলিশ বলছে, তথ্যপ্রমাণ সংগ্রহের কাজ চলছে এবং অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নিতে তারা কাজ করে যাচ্ছে। তবে দুই দিন পরও কোনো গ্রেপ্তার না হওয়ায় স্থানীয়দের মধ্যে প্রশ্ন ও উদ্বেগ ক্রমেই বাড়ছে।

বিষয় : বেনাপোল সংবাদ, সোহাগ হোসেন, হত্যাচেষ্টা মামলা বেনাপোল পোর্ট থানা, যশোর অপরাধ সংবাদ

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর

রোববার, ০৭ জুন ২০২৬


বেনাপোলে ব্যবসায়ী সোহাগকে হত্যাচেষ্টা: দুই দিনেও গ্রেপ্তার নেই, আতঙ্কে পরিবার

প্রকাশের তারিখ : ০৭ জুন ২০২৬

featured Image

বেনাপোলে ব্যবসায়ী সোহাগকে হত্যাচেষ্টা: দুই দিনেও গ্রেপ্তার নেই, উদ্ধার হয়নি অস্ত্র

যশোরের বেনাপোলে ব্যবসায়ী সোহাগ হোসেনকে হত্যাচেষ্টার অভিযোগে দায়ের হওয়া মামলার দুই দিন পার হয়ে গেলেও এখন পর্যন্ত কোনো আসামিকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ। একই সঙ্গে হামলায় ব্যবহৃত আগ্নেয়াস্ত্রও উদ্ধার না 


অভিযোগ অনুযায়ী, ব্যবসায়িক লেনদেনের প্রায় ৪৮ লাখ টাকা নিয়ে বিরোধের জেরে গত শুক্রবার রাতে সোহাগ হোসেনের বাড়িতে গিয়ে হামলা চালানো হয়। তাঁর দাবি, পরিকল্পিতভাবে তাঁকে হত্যা করার উদ্দেশ্যে কয়েকজন ব্যক্তি বাড়ির সামনে গিয়ে গুলি ছোড়ে। তবে অল্পের জন্য প্রাণে বেঁচে যান তিনি। ঘটনার পর থেকেই এলাকায় ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে।

পাওনা টাকা চাওয়াকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা

মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, শুক্রবার সকালে ব্যবসা-সংক্রান্ত পাওনা টাকা নিয়ে কথা বলতে গেলে বিরোধের সূত্রপাত হয়। সোহাগ হোসেনের ভাষ্য অনুযায়ী, ওই সময় অভিযুক্তরা তাঁর অফিসে গিয়ে তাঁকে বিভিন্ন ধরনের হুমকি দেন।

এর কয়েক ঘণ্টা পর রাতের দিকে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ রূপ নেয় বলে অভিযোগ। সোহাগের দাবি, রাতের অন্ধকারে তাঁর বাড়ির সামনে গিয়ে হামলাকারীরা তিনটি গুলি ছোড়ে। গুলির শব্দে আশপাশের লোকজন আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। যদিও এ ঘটনায় কেউ হতাহত হয়নি, তবে পুরো এলাকায় নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে।

ঘটনার রাতেই তিনি বেনাপোল পোর্ট থানায় আটজনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। মামলায় যাদের নাম উল্লেখ করা হয়েছে, তারা সবাই স্থানীয় বাসিন্দা বলে জানা গেছে।

‘আসামিরা প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে’

শনিবার এক সংবাদ সম্মেলনে সোহাগ হোসেন ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, হামলার পর দুই দিন কেটে গেলেও কাউকে গ্রেপ্তার করা হয়নি। তাঁর অভিযোগ, অভিযুক্তরা এখনও এলাকায় প্রকাশ্যে চলাফেরা করছে এবং বিভিন্ন মাধ্যমে তাঁকে ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের ভয়ভীতি দেখানো হচ্ছে।

তিনি আরও দাবি করেন, সিসিটিভি ফুটেজ দেখে স্থানীয় লোকজন আলমগীর নামের এক ব্যক্তিকে সন্দেহভাজন হিসেবে আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দিয়েছিল। কিন্তু পরে


 তাঁকে গ্রেপ্তার না করেই ছেড়ে দেওয়া হয়।

পুলিশের বক্তব্য কী?

এ বিষয়ে বেনাপোল পোর্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আশরাফ হোসেন জানিয়েছেন, ঘটনার তদন্ত চলমান রয়েছে।

তিনি বলেন, হামলার ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করে বিশ্লেষণ করা হচ্ছে। ফুটেজের ভিত্তিতে হামলাকারীদের শনাক্তের চেষ্টা চলছে। পাশাপাশি মামলার আসামিদের গ্রেপ্তার এবং হামলায় ব্যবহৃত অস্ত্র উদ্ধারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

জনতার হাতে আটক হওয়া ব্যক্তিকে কেন গ্রেপ্তার করা হয়নি—এমন প্রশ্নের জবাবে ওসি জানান, আটক ব্যক্তি গণপিটুনির শিকার হয়েছিলেন। তাঁর বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিকভাবে পর্যাপ্ত তথ্যপ্রমাণ না থাকায় গ্রেপ্তার করা হয়নি। তবে তাঁকে পুলিশের নজরদারির আওতায় রাখা হয়েছে।

স্থানীয়দের উদ্বেগ বাড়ছে

স্থানীয় বাসিন্দাদের একটি অংশ বলছেন, সাম্প্রতিক সময়ে এলাকায় বিভিন্ন ধরনের অপরাধমূলক ঘটনার অভিযোগ বাড়ছে। বিশেষ করে অস্ত্রের ব্যবহার নিয়ে মানুষের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

তাদের দাবি, কোনো ব্যক্তি যদি প্রকাশ্যে কারও বাড়িতে গিয়ে গুলি চালানোর সাহস পায়, তাহলে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিয়েও প্রশ্ন তৈরি হয়। দ্রুত অভিযুক্তদের আইনের আওতায় এনে ঘটনার প্রকৃত রহস্য উদঘাটনের দাবি জানিয়েছেন তারা।

এলাকার কয়েকজন বাসিন্দা জানান, ব্যবসায়িক বিরোধ থেকে শুরু হওয়া অনেক ঘটনা সময়মতো সমাধান না হওয়ায় তা কখনও কখনও সহিংসতায় রূপ নেয়। ফলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর দ্রুত পদক্ষেপ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

কেন বাড়ছে এমন সহিংসতা?

সমাজবিজ্ঞানীরা মনে করেন, অর্থনৈতিক বিরোধ, ব্যক্তিগত দ্বন্দ্ব এবং প্রভাব বিস্তারের সংস্কৃতি অনেক সময় সংঘাতকে উসকে দেয়। যখন বিরোধ নিষ্পত্তির পরিবর্তে ভয়ভীতি বা শক্তি প্রদর্শনের পথ বেছে নেওয়া হয়, তখন পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে পড়ে।


বিশেষজ্ঞদের মতে, যেকোনো অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত এবং দ্রুত বিচার প্রক্রিয়া নিশ্চিত করা গেলে অপরাধপ্রবণতা অনেকটাই কমানো সম্ভব। একই সঙ্গে অবৈধ অস্ত্রের ব্যবহার বন্ধে কঠোর নজরদারি প্রয়োজন।

এদিকে সোহাগ হোসেনকে হত্যাচেষ্টার অভিযোগে দায়ের হওয়া মামলাটি বর্তমানে তদন্তাধীন রয়েছে। পুলিশ বলছে, তথ্যপ্রমাণ সংগ্রহের কাজ চলছে এবং অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নিতে তারা কাজ করে যাচ্ছে। তবে দুই দিন পরও কোনো গ্রেপ্তার না হওয়ায় স্থানীয়দের মধ্যে প্রশ্ন ও উদ্বেগ ক্রমেই বাড়ছে।


দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর

প্রকাশক ও সম্পাদকঃ মোঃ সাদ্দাম হোসেন
কপিরাইট © ২০২৬ দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর