পবিত্র হজকে সামনে রেখে সৌদি আরব এবার ভাষাগত সহায়তায় বড় পরিসরের উদ্যোগ নিয়েছে। বাংলাসহ বিশ্বের বিভিন্ন ভাষায় হজের খুতবা ও ধর্মীয় নির্দেশনা পৌঁছে দিতে চালু করা হয়েছে অনুবাদ ও ডিজিটাল সহায়তা ব্যবস্থা। ফলে আরবি না জানা হাজিরাও এখন সহজে খুতবা শুনতে ও প্রয়োজনীয় তথ্য বুঝতে পারছেন।
সৌদি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, চলতি হজ মৌসুমে পবিত্র মক্কা ও মদিনায় ভাষা-সংক্রান্ত জটিলতা কমাতে একাধিক প্রযুক্তিনির্ভর ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে। বাংলা, উর্দু, ইংরেজি, ফরাসি, তুর্কি, ফার্সি, ইন্দোনেশিয়ান ও সোয়াহিলিসহ বিভিন্ন ভাষায় অনুবাদ সুবিধা দেওয়া হচ্ছে। এতে বিশ্বের নানা প্রান্ত থেকে আসা মুসল্লিরা নিজেদের ভাষায় গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় বার্তা শুনতে পারছেন।
সোমবার (১৮ মে) প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে সংবাদমাধ্যম Arab News জানায়, গ্র্যান্ড মসজিদ ও মসজিদে নববির খুতবা একযোগে ১০টি ভাষায় অনুবাদের ব্যবস্থা করেছে সৌদি প্রশাসন। ‘মানারাত আল-হারামাইন’ নামের ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম এবং এফএম রেডিওর মাধ্যমে হাজিরা এসব অনুবাদ শুনতে পারবেন।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, প্রতি বছর লাখো মানুষ হজে অংশ নিলেও ভাষাগত কারণে অনেকেই ধর্মীয় নির্দেশনা বা জরুরি বার্তা বুঝতে সমস্যায় পড়েন। সেই বাস্তবতা মাথায় রেখেই এবার প্রযুক্তিনির্ভর অনুবাদ ব্যবস্থায় জোর দেওয়া হয়েছে।
মক্কায় অবস্থানরত কয়েকজন বাংলাদেশি হাজি জানিয়েছেন, মাতৃভাষায় নির্দেশনা পাওয়ায় হজের বিভিন্ন আনুষ্ঠানিকতা বুঝতে আগের তুলনায় অনেক সুবিধা হচ্ছে। বিশেষ করে বয়স্ক হাজিদের জন্য এ ধরনের সেবা বেশ কার্যকর বলে মনে করছেন তারা।
শুধু খুতবাই নয়, হাজিদের চলাচল ও ধর্মীয় আচার পালনে সহায়তা করতে ব্যবহার করা হচ্ছে ওয়্যারলেস হেডফোন ও ডিজিটাল গাইড কার্ড। সৌদি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ৫০টির বেশি ভাষায় তথ্য ও নির্দেশনা পৌঁছে দিতে এসব প্রযুক্তি ব্যবহার করা হচ্ছে।
মসজিদুল হারামের বিভিন্ন স্থানে বহুভাষিক সাইনবোর্ড, ইলেকট্রনিক ডিসপ্লে এবং অনূদিত ধর্মীয় বইও রাখা হয়েছে। পাশাপাশি বিভিন্ন ভাষায় অনূদিত পবিত্র কোরআনের কপিও হাজিদের জন্য সরবরাহ করা হচ্ছে।
ধর্মীয় নির্দেশনার পাশাপাশি স্বাস্থ্যসেবা, নিরাপত্তা ও জরুরি সহায়তার তথ্যও বিভিন্ন ভাষায় দেওয়া হচ্ছে বলে জানা গেছে। এতে বিদেশি হাজিদের মধ্যে বিভ্রান্তি কমছে এবং জরুরি পরিস্থিতি সামাল দিতেও সুবিধা হচ্ছে।
হজ ব্যবস্থাপনায় এবার বড় ভূমিকা রাখছেন বহুভাষিক স্বেচ্ছাসেবক ও ফিল্ড টিম। বিভিন্ন দেশের ভাষা জানা কর্মীরা হাজিদের পথনির্দেশনা, চিকিৎসা সহায়তা ও প্রশাসনিক তথ্য দিতে কাজ করছেন।
সৌদি কর্তৃপক্ষের দাবি, এই উদ্যোগের ফলে হজযাত্রীরা আরও নিরাপদ ও স্বাচ্ছন্দ্যের সঙ্গে ধর্মীয় আচার পালন করতে পারছেন। বিশেষ করে বৃদ্ধ হাজি ও প্রথমবার হজে আসা মুসল্লিদের জন্য এটি গুরুত্বপূর্ণ সহায়তা হিসেবে কাজ করছে।
একাধিক আন্তর্জাতিক হজ পর্যবেক্ষক বলছেন, প্রতি বছর হজে ভাষাগত জটিলতা বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়ায়। ফলে বহুভাষিক সেবা চালুর সিদ্ধান্ত দীর্ঘমেয়াদে হজ ব্যবস্থাপনাকে আরও আধুনিক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক করে তুলতে পারে।
এদিকে বাংলাদেশের ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের হজ আইটি হেল্পডেস্কের সর্বশেষ বুলেটিন অনুযায়ী, মঙ্গলবার (১৯ মে) পর্যন্ত ১৬৯টি ফ্লাইটে মোট ৬৫ হাজার ৫৯২ জন বাংলাদেশি হজযাত্রী সৌদি আরবে পৌঁছেছেন।
এর মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় গেছেন ৪ হাজার ৪৪৪ জন এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ৬১ হাজার ১৪৮ জন হাজি। প্রতিদিনই ঢাকা থেকে নতুন ফ্লাইটে হজযাত্রীরা সৌদি আরবে যাচ্ছেন।
হজ সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, এবার বাংলাদেশ থেকে যাওয়া হাজিদের জন্য স্বাস্থ্যসেবা, আবাসন ও পরিবহন ব্যবস্থায়ও কিছু নতুন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। যদিও অতিরিক্ত ভিড় ও আবহাওয়ার কারণে কিছু জায়গায় ভোগান্তির অভিযোগও পাওয়া যাচ্ছে।
হজের এই ধর্মীয় আবহের মধ্যেই বাংলাদেশি হাজিদের কয়েকটি মৃত্যুর খবরও এসেছে। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, এখন পর্যন্ত ১৮ জন বাংলাদেশি হজযাত্রী সৌদি আরবে মারা গেছেন।
মৃতদের মধ্যে ১৩ জন পুরুষ ও ৫ জন নারী রয়েছেন। এর মধ্যে মক্কায় ১৩ জন এবং মদিনায় ৫ জন ইন্তেকাল করেছেন বলে জানিয়েছে হজ আইটি হেল্পডেস্ক।
সবশেষ গত ১৭ মে ফেনীর সোনাগাজী উপজেলার বাসিন্দা সাজেদা বেগম (৫৬) মারা যান। তার মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে আনুষ্ঠানিকভাবে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি। তবে হজ মৌসুমে অতিরিক্ত গরম, শারীরিক দুর্বলতা ও দীর্ঘ ভ্রমণের কারণে অনেক বয়স্ক হাজি স্বাস্থ্যঝুঁকিতে পড়েন বলে চিকিৎসকদের ধারণা।
বিশ্লেষকদের মতে, বহুভাষিক খুতবা ও ডিজিটাল গাইড ব্যবস্থা শুধু প্রযুক্তিগত উন্নয়ন নয়, বরং বিশ্ব মুসলিম সম্প্রদায়ের জন্য আরও অন্তর্ভুক্তিমূলক পরিবেশ তৈরির একটি পদক্ষেপ। প্রতিবছর ভিন্ন ভাষা ও সংস্কৃতির লাখো মানুষের সমাগমে হজ ব্যবস্থাপনা আরও জটিল হয়ে ওঠে। সেখানে ভাষাভিত্তিক সেবা অনেক সমস্যাই কমাতে পারে।
তবে পর্যবেক্ষকদের কেউ কেউ বলছেন, প্রযুক্তিনির্ভর সেবার পাশাপাশি মাঠপর্যায়ে মানবিক সহায়তা বাড়ানোও জরুরি। বিশেষ করে বয়স্ক হাজি ও প্রযুক্তিতে অভ্যস্ত নন—এমন মানুষের জন্য সরাসরি সহায়তাকারী টিমের প্রয়োজনীয়তা এখনও অনেক বেশি।
চলতি হজ মৌসুমে সৌদি কর্তৃপক্ষের এসব উদ্যোগ কতটা কার্যকর হয়, এখন সেদিকেই নজর রয়েছে বিভিন্ন দেশের হজ ব্যবস্থাপনা সংশ্লিষ্টদের।

বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ মে ২০২৬
পবিত্র হজকে সামনে রেখে সৌদি আরব এবার ভাষাগত সহায়তায় বড় পরিসরের উদ্যোগ নিয়েছে। বাংলাসহ বিশ্বের বিভিন্ন ভাষায় হজের খুতবা ও ধর্মীয় নির্দেশনা পৌঁছে দিতে চালু করা হয়েছে অনুবাদ ও ডিজিটাল সহায়তা ব্যবস্থা। ফলে আরবি না জানা হাজিরাও এখন সহজে খুতবা শুনতে ও প্রয়োজনীয় তথ্য বুঝতে পারছেন।
সৌদি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, চলতি হজ মৌসুমে পবিত্র মক্কা ও মদিনায় ভাষা-সংক্রান্ত জটিলতা কমাতে একাধিক প্রযুক্তিনির্ভর ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে। বাংলা, উর্দু, ইংরেজি, ফরাসি, তুর্কি, ফার্সি, ইন্দোনেশিয়ান ও সোয়াহিলিসহ বিভিন্ন ভাষায় অনুবাদ সুবিধা দেওয়া হচ্ছে। এতে বিশ্বের নানা প্রান্ত থেকে আসা মুসল্লিরা নিজেদের ভাষায় গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় বার্তা শুনতে পারছেন।
সোমবার (১৮ মে) প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে সংবাদমাধ্যম Arab News জানায়, গ্র্যান্ড মসজিদ ও মসজিদে নববির খুতবা একযোগে ১০টি ভাষায় অনুবাদের ব্যবস্থা করেছে সৌদি প্রশাসন। ‘মানারাত আল-হারামাইন’ নামের ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম এবং এফএম রেডিওর মাধ্যমে হাজিরা এসব অনুবাদ শুনতে পারবেন।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, প্রতি বছর লাখো মানুষ হজে অংশ নিলেও ভাষাগত কারণে অনেকেই ধর্মীয় নির্দেশনা বা জরুরি বার্তা বুঝতে সমস্যায় পড়েন। সেই বাস্তবতা মাথায় রেখেই এবার প্রযুক্তিনির্ভর অনুবাদ ব্যবস্থায় জোর দেওয়া হয়েছে।
মক্কায় অবস্থানরত কয়েকজন বাংলাদেশি হাজি জানিয়েছেন, মাতৃভাষায় নির্দেশনা পাওয়ায় হজের বিভিন্ন আনুষ্ঠানিকতা বুঝতে আগের তুলনায় অনেক সুবিধা হচ্ছে। বিশেষ করে বয়স্ক হাজিদের জন্য এ ধরনের সেবা বেশ কার্যকর বলে মনে করছেন তারা।
শুধু খুতবাই নয়, হাজিদের চলাচল ও ধর্মীয় আচার পালনে সহায়তা করতে ব্যবহার করা হচ্ছে ওয়্যারলেস হেডফোন ও ডিজিটাল গাইড কার্ড। সৌদি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ৫০টির বেশি ভাষায় তথ্য ও নির্দেশনা পৌঁছে দিতে এসব প্রযুক্তি ব্যবহার করা হচ্ছে।
মসজিদুল হারামের বিভিন্ন স্থানে বহুভাষিক সাইনবোর্ড, ইলেকট্রনিক ডিসপ্লে এবং অনূদিত ধর্মীয় বইও রাখা হয়েছে। পাশাপাশি বিভিন্ন ভাষায় অনূদিত পবিত্র কোরআনের কপিও হাজিদের জন্য সরবরাহ করা হচ্ছে।
ধর্মীয় নির্দেশনার পাশাপাশি স্বাস্থ্যসেবা, নিরাপত্তা ও জরুরি সহায়তার তথ্যও বিভিন্ন ভাষায় দেওয়া হচ্ছে বলে জানা গেছে। এতে বিদেশি হাজিদের মধ্যে বিভ্রান্তি কমছে এবং জরুরি পরিস্থিতি সামাল দিতেও সুবিধা হচ্ছে।
হজ ব্যবস্থাপনায় এবার বড় ভূমিকা রাখছেন বহুভাষিক স্বেচ্ছাসেবক ও ফিল্ড টিম। বিভিন্ন দেশের ভাষা জানা কর্মীরা হাজিদের পথনির্দেশনা, চিকিৎসা সহায়তা ও প্রশাসনিক তথ্য দিতে কাজ করছেন।
সৌদি কর্তৃপক্ষের দাবি, এই উদ্যোগের ফলে হজযাত্রীরা আরও নিরাপদ ও স্বাচ্ছন্দ্যের সঙ্গে ধর্মীয় আচার পালন করতে পারছেন। বিশেষ করে বৃদ্ধ হাজি ও প্রথমবার হজে আসা মুসল্লিদের জন্য এটি গুরুত্বপূর্ণ সহায়তা হিসেবে কাজ করছে।
একাধিক আন্তর্জাতিক হজ পর্যবেক্ষক বলছেন, প্রতি বছর হজে ভাষাগত জটিলতা বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়ায়। ফলে বহুভাষিক সেবা চালুর সিদ্ধান্ত দীর্ঘমেয়াদে হজ ব্যবস্থাপনাকে আরও আধুনিক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক করে তুলতে পারে।
এদিকে বাংলাদেশের ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের হজ আইটি হেল্পডেস্কের সর্বশেষ বুলেটিন অনুযায়ী, মঙ্গলবার (১৯ মে) পর্যন্ত ১৬৯টি ফ্লাইটে মোট ৬৫ হাজার ৫৯২ জন বাংলাদেশি হজযাত্রী সৌদি আরবে পৌঁছেছেন।
এর মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় গেছেন ৪ হাজার ৪৪৪ জন এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ৬১ হাজার ১৪৮ জন হাজি। প্রতিদিনই ঢাকা থেকে নতুন ফ্লাইটে হজযাত্রীরা সৌদি আরবে যাচ্ছেন।
হজ সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, এবার বাংলাদেশ থেকে যাওয়া হাজিদের জন্য স্বাস্থ্যসেবা, আবাসন ও পরিবহন ব্যবস্থায়ও কিছু নতুন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। যদিও অতিরিক্ত ভিড় ও আবহাওয়ার কারণে কিছু জায়গায় ভোগান্তির অভিযোগও পাওয়া যাচ্ছে।
হজের এই ধর্মীয় আবহের মধ্যেই বাংলাদেশি হাজিদের কয়েকটি মৃত্যুর খবরও এসেছে। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, এখন পর্যন্ত ১৮ জন বাংলাদেশি হজযাত্রী সৌদি আরবে মারা গেছেন।
মৃতদের মধ্যে ১৩ জন পুরুষ ও ৫ জন নারী রয়েছেন। এর মধ্যে মক্কায় ১৩ জন এবং মদিনায় ৫ জন ইন্তেকাল করেছেন বলে জানিয়েছে হজ আইটি হেল্পডেস্ক।
সবশেষ গত ১৭ মে ফেনীর সোনাগাজী উপজেলার বাসিন্দা সাজেদা বেগম (৫৬) মারা যান। তার মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে আনুষ্ঠানিকভাবে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি। তবে হজ মৌসুমে অতিরিক্ত গরম, শারীরিক দুর্বলতা ও দীর্ঘ ভ্রমণের কারণে অনেক বয়স্ক হাজি স্বাস্থ্যঝুঁকিতে পড়েন বলে চিকিৎসকদের ধারণা।
বিশ্লেষকদের মতে, বহুভাষিক খুতবা ও ডিজিটাল গাইড ব্যবস্থা শুধু প্রযুক্তিগত উন্নয়ন নয়, বরং বিশ্ব মুসলিম সম্প্রদায়ের জন্য আরও অন্তর্ভুক্তিমূলক পরিবেশ তৈরির একটি পদক্ষেপ। প্রতিবছর ভিন্ন ভাষা ও সংস্কৃতির লাখো মানুষের সমাগমে হজ ব্যবস্থাপনা আরও জটিল হয়ে ওঠে। সেখানে ভাষাভিত্তিক সেবা অনেক সমস্যাই কমাতে পারে।
তবে পর্যবেক্ষকদের কেউ কেউ বলছেন, প্রযুক্তিনির্ভর সেবার পাশাপাশি মাঠপর্যায়ে মানবিক সহায়তা বাড়ানোও জরুরি। বিশেষ করে বয়স্ক হাজি ও প্রযুক্তিতে অভ্যস্ত নন—এমন মানুষের জন্য সরাসরি সহায়তাকারী টিমের প্রয়োজনীয়তা এখনও অনেক বেশি।
চলতি হজ মৌসুমে সৌদি কর্তৃপক্ষের এসব উদ্যোগ কতটা কার্যকর হয়, এখন সেদিকেই নজর রয়েছে বিভিন্ন দেশের হজ ব্যবস্থাপনা সংশ্লিষ্টদের।

আপনার মতামত লিখুন