শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে উৎসবমুখর পরিবেশে আদর্শ কো-অপারেটিভ ক্রেডিট ইউনিয়ন লিমিটেডের ২৭তম বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার সকালে উপজেলার শালচূড়া এলাকায় প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব মালিকানাধীন আদর্শ রিসোর্ট ও মানবসম্পদ উন্নয়ন কেন্দ্রের প্রস্তাবিত মাঠে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে সদস্য, অতিথি ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে প্রাণবন্ত পরিবেশের সৃষ্টি হয়।
অনুষ্ঠানে বক্তারা সমবায়ভিত্তিক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডকে গ্রামীণ উন্নয়নের অন্যতম শক্তি হিসেবে উল্লেখ করেন। তারা বলেন, পারস্পরিক সহযোগিতা ও সঞ্চয়ের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের আর্থিক সক্ষমতা বাড়াতে সমবায় প্রতিষ্ঠানগুলোর ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
সকালে জাতীয় পতাকা ও সমবায় পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হয়। পরে বিভিন্ন ধর্মগ্রন্থ থেকে পাঠ করা হয়। সভায় অংশগ্রহণকারী সদস্যদের মধ্যে ছিল উৎসবের আমেজ। আয়োজকরা জানান, প্রতিবছরের মতো এবারও সদস্যদের সম্পৃক্ততা ও অংশগ্রহণ ছিল চোখে পড়ার মতো।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন আদর্শ কো-অপারেটিভ ক্রেডিট ইউনিয়ন লিমিটেডের চেয়ারম্যান আলহাজ মো. ছালেহ আহাম্মেদ। পুরো অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) শাহজাহান সিরাজ।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শেরপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য মো. মাহমুদুল হক রুবেল। বক্তব্যে তিনি বলেন, সমবায় আন্দোলন গ্রামীণ অর্থনীতিকে শক্তিশালী করতে দীর্ঘদিন ধরে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে আসছে। মানুষের ক্ষুদ্র সঞ্চয়কে পুঁজি করে আত্মনির্ভরশীলতা গড়ে তুলতে এমন প্রতিষ্ঠান কার্যকর অবদান রাখতে পারে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
তিনি আরও বলেন, বর্তমান সময়ে বেকারত্ব ও আর্থিক সংকট মোকাবিলায় সমবায়ভিত্তিক উদ্যোগ মানুষের মাঝে নতুন সম্ভাবনা তৈরি করছে। এ ধরনের প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম আরও স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক হওয়া প্রয়োজন বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য দেন প্রতিষ্ঠানের প্রধান উপদেষ্টা ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মো. আমিনুল ইসলাম বাদশা। তিনি বলেন, সমবায়ের মূল ভিত্তি হলো পারস্পরিক আস্থা ও সহযোগিতা। এই বিশ্বাস ধরে রাখতে পারলে গ্রামের সাধারণ মানুষ অর্থনৈতিকভাবে আরও শক্তিশালী হয়ে উঠতে পারবেন।
তিনি দাবি করেন, আদর্শ কো-অপারেটিভ দীর্ঘদিন ধরে এলাকার নিম্ন ও মধ্যবিত্ত মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে কাজ করে যাচ্ছে। ক্ষুদ্র ঋণ, সঞ্চয় কর্মসূচি ও সদস্যভিত্তিক বিভিন্ন কার্যক্রমের মাধ্যমে অনেক পরিবার উপকৃত হয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক আলহাজ মো. শাহজাহান আকন্দ, সদস্য সচিব মো. লুৎফর রহমান, উপজেলা সমবায় অফিসার মোহাম্মদ রুকুনুজ্জামান এবং জেলা ব্যবস্থাপক মো. সোলায়মান হোসেন টগর।
এছাড়া আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঝিনাইগাতী ক্ষুদ্র বণিক সমবায় সমিতি লিমিটেডের সভাপতি আলহাজ মো. মোখলেছুর রহমান খান, উত্তরণ কো-অপারেটিভ ক্রেডিট ইউনিয়ন লিমিটেডের সেক্রেটারি মো. জয়নাল আবেদীন এবং ঝিনাইগাতী শিক্ষক-কর্মচারী কো-অপারেটিভ ক্রেডিট ইউনিয়ন লিমিটেডের সভাপতি মাসুদ হাসান।
অনুষ্ঠানে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, সমবায় কর্মী, সদস্য ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।
সভায় প্রতিষ্ঠানের বার্ষিক কার্যক্রম, আয়-ব্যয়ের হিসাব ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সদস্যদের সামনে তুলে ধরা হয়। পরে সদস্যদের মতামতের ভিত্তিতে বার্ষিক প্রতিবেদন অনুমোদন করা হয়।
আয়োজক সূত্রে জানা গেছে, গত বছরের বিভিন্ন কার্যক্রম, সদস্য সংখ্যা বৃদ্ধি, সঞ্চয় কার্যক্রম এবং ঋণ বিতরণ নিয়ে আলোচনা হয় সভায়। সদস্যদের পক্ষ থেকেও বিভিন্ন পরামর্শ ও মতামত তুলে ধরা হয়।
অনেক সদস্য বলেন, সমবায়ভিত্তিক উদ্যোগ তাদের দৈনন্দিন জীবনে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে সহায়তা করেছে। বিশেষ করে ক্ষুদ্র ব্যবসা ও পারিবারিক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে সহায়তা পাওয়ার কথা উল্লেখ করেন তারা।
আলোচনা পর্ব শেষে সদস্যদের অংশগ্রহণে আকর্ষণীয় র্যাফেল ড্র অনুষ্ঠিত হয়। এতে বিজয়ীদের হাতে বিভিন্ন পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়। পুরো আয়োজন ঘিরে সদস্যদের মধ্যে ছিল বাড়তি উচ্ছ্বাস।
অনুষ্ঠানজুড়ে শৃঙ্খলাপূর্ণ পরিবেশ বজায় ছিল বলে জানিয়েছেন উপস্থিত অতিথিরা। আয়োজকরাও দাবি করেন, সদস্যদের সক্রিয় অংশগ্রহণ তাদের ভবিষ্যৎ কার্যক্রম পরিচালনায় নতুন উৎসাহ যোগাবে।
বিশ্লেষকদের মতে, বাংলাদেশের গ্রামীণ অর্থনীতিতে সমবায় প্রতিষ্ঠানগুলো গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছে। বিশেষ করে ক্ষুদ্র সঞ্চয়, স্বল্প সুদে ঋণ প্রদান এবং সদস্যভিত্তিক আর্থিক সহায়তার মাধ্যমে অনেক পরিবার অর্থনৈতিকভাবে ঘুরে দাঁড়ানোর সুযোগ পাচ্ছে।
তবে অনেক ক্ষেত্রেই কিছু সমবায় প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অনিয়ম ও আর্থিক জটিলতার অভিযোগও উঠে আসে। ফলে সংশ্লিষ্টদের মতে, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা গেলে এই খাত আরও শক্তিশালী হতে পারে।
স্থানীয়রা মনে করছেন, ঝিনাইগাতীর আদর্শ কো-অপারেটিভ ক্রেডিট ইউনিয়নের মতো প্রতিষ্ঠানগুলো যদি নিয়মিত সদস্যদের আস্থা ধরে রাখতে পারে, তাহলে এলাকার অর্থনৈতিক উন্নয়নে আরও কার্যকর ভূমিকা রাখা সম্ভব হবে।
সভা শেষে আয়োজকরা জানান, ভবিষ্যতে সদস্যদের জন্য আরও আধুনিক ও প্রযুক্তিনির্ভর সেবা চালুর পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি নতুন সদস্য অন্তর্ভুক্তি, প্রশিক্ষণ কার্যক্রম এবং মানবসম্পদ উন্নয়নমূলক উদ্যোগ বাড়ানোর কথাও বলা হয়েছে।
এদিকে অংশগ্রহণকারী সদস্যরা আশা প্রকাশ করেন, সমবায়ের এই ধারাবাহিক কার্যক্রম আগামী দিনেও অব্যাহত থাকবে এবং সাধারণ মানুষের আর্থিক নিরাপত্তা ও স্বাবলম্বিতা অর্জনে আরও বড় ভূমিকা রাখবে।

রোববার, ১৭ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ মে ২০২৬
শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে উৎসবমুখর পরিবেশে আদর্শ কো-অপারেটিভ ক্রেডিট ইউনিয়ন লিমিটেডের ২৭তম বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার সকালে উপজেলার শালচূড়া এলাকায় প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব মালিকানাধীন আদর্শ রিসোর্ট ও মানবসম্পদ উন্নয়ন কেন্দ্রের প্রস্তাবিত মাঠে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে সদস্য, অতিথি ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে প্রাণবন্ত পরিবেশের সৃষ্টি হয়।
অনুষ্ঠানে বক্তারা সমবায়ভিত্তিক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডকে গ্রামীণ উন্নয়নের অন্যতম শক্তি হিসেবে উল্লেখ করেন। তারা বলেন, পারস্পরিক সহযোগিতা ও সঞ্চয়ের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের আর্থিক সক্ষমতা বাড়াতে সমবায় প্রতিষ্ঠানগুলোর ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
সকালে জাতীয় পতাকা ও সমবায় পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হয়। পরে বিভিন্ন ধর্মগ্রন্থ থেকে পাঠ করা হয়। সভায় অংশগ্রহণকারী সদস্যদের মধ্যে ছিল উৎসবের আমেজ। আয়োজকরা জানান, প্রতিবছরের মতো এবারও সদস্যদের সম্পৃক্ততা ও অংশগ্রহণ ছিল চোখে পড়ার মতো।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন আদর্শ কো-অপারেটিভ ক্রেডিট ইউনিয়ন লিমিটেডের চেয়ারম্যান আলহাজ মো. ছালেহ আহাম্মেদ। পুরো অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) শাহজাহান সিরাজ।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শেরপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য মো. মাহমুদুল হক রুবেল। বক্তব্যে তিনি বলেন, সমবায় আন্দোলন গ্রামীণ অর্থনীতিকে শক্তিশালী করতে দীর্ঘদিন ধরে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে আসছে। মানুষের ক্ষুদ্র সঞ্চয়কে পুঁজি করে আত্মনির্ভরশীলতা গড়ে তুলতে এমন প্রতিষ্ঠান কার্যকর অবদান রাখতে পারে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
তিনি আরও বলেন, বর্তমান সময়ে বেকারত্ব ও আর্থিক সংকট মোকাবিলায় সমবায়ভিত্তিক উদ্যোগ মানুষের মাঝে নতুন সম্ভাবনা তৈরি করছে। এ ধরনের প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম আরও স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক হওয়া প্রয়োজন বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য দেন প্রতিষ্ঠানের প্রধান উপদেষ্টা ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মো. আমিনুল ইসলাম বাদশা। তিনি বলেন, সমবায়ের মূল ভিত্তি হলো পারস্পরিক আস্থা ও সহযোগিতা। এই বিশ্বাস ধরে রাখতে পারলে গ্রামের সাধারণ মানুষ অর্থনৈতিকভাবে আরও শক্তিশালী হয়ে উঠতে পারবেন।
তিনি দাবি করেন, আদর্শ কো-অপারেটিভ দীর্ঘদিন ধরে এলাকার নিম্ন ও মধ্যবিত্ত মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে কাজ করে যাচ্ছে। ক্ষুদ্র ঋণ, সঞ্চয় কর্মসূচি ও সদস্যভিত্তিক বিভিন্ন কার্যক্রমের মাধ্যমে অনেক পরিবার উপকৃত হয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক আলহাজ মো. শাহজাহান আকন্দ, সদস্য সচিব মো. লুৎফর রহমান, উপজেলা সমবায় অফিসার মোহাম্মদ রুকুনুজ্জামান এবং জেলা ব্যবস্থাপক মো. সোলায়মান হোসেন টগর।
এছাড়া আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঝিনাইগাতী ক্ষুদ্র বণিক সমবায় সমিতি লিমিটেডের সভাপতি আলহাজ মো. মোখলেছুর রহমান খান, উত্তরণ কো-অপারেটিভ ক্রেডিট ইউনিয়ন লিমিটেডের সেক্রেটারি মো. জয়নাল আবেদীন এবং ঝিনাইগাতী শিক্ষক-কর্মচারী কো-অপারেটিভ ক্রেডিট ইউনিয়ন লিমিটেডের সভাপতি মাসুদ হাসান।
অনুষ্ঠানে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, সমবায় কর্মী, সদস্য ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।
সভায় প্রতিষ্ঠানের বার্ষিক কার্যক্রম, আয়-ব্যয়ের হিসাব ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সদস্যদের সামনে তুলে ধরা হয়। পরে সদস্যদের মতামতের ভিত্তিতে বার্ষিক প্রতিবেদন অনুমোদন করা হয়।
আয়োজক সূত্রে জানা গেছে, গত বছরের বিভিন্ন কার্যক্রম, সদস্য সংখ্যা বৃদ্ধি, সঞ্চয় কার্যক্রম এবং ঋণ বিতরণ নিয়ে আলোচনা হয় সভায়। সদস্যদের পক্ষ থেকেও বিভিন্ন পরামর্শ ও মতামত তুলে ধরা হয়।
অনেক সদস্য বলেন, সমবায়ভিত্তিক উদ্যোগ তাদের দৈনন্দিন জীবনে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে সহায়তা করেছে। বিশেষ করে ক্ষুদ্র ব্যবসা ও পারিবারিক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে সহায়তা পাওয়ার কথা উল্লেখ করেন তারা।
আলোচনা পর্ব শেষে সদস্যদের অংশগ্রহণে আকর্ষণীয় র্যাফেল ড্র অনুষ্ঠিত হয়। এতে বিজয়ীদের হাতে বিভিন্ন পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়। পুরো আয়োজন ঘিরে সদস্যদের মধ্যে ছিল বাড়তি উচ্ছ্বাস।
অনুষ্ঠানজুড়ে শৃঙ্খলাপূর্ণ পরিবেশ বজায় ছিল বলে জানিয়েছেন উপস্থিত অতিথিরা। আয়োজকরাও দাবি করেন, সদস্যদের সক্রিয় অংশগ্রহণ তাদের ভবিষ্যৎ কার্যক্রম পরিচালনায় নতুন উৎসাহ যোগাবে।
বিশ্লেষকদের মতে, বাংলাদেশের গ্রামীণ অর্থনীতিতে সমবায় প্রতিষ্ঠানগুলো গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছে। বিশেষ করে ক্ষুদ্র সঞ্চয়, স্বল্প সুদে ঋণ প্রদান এবং সদস্যভিত্তিক আর্থিক সহায়তার মাধ্যমে অনেক পরিবার অর্থনৈতিকভাবে ঘুরে দাঁড়ানোর সুযোগ পাচ্ছে।
তবে অনেক ক্ষেত্রেই কিছু সমবায় প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অনিয়ম ও আর্থিক জটিলতার অভিযোগও উঠে আসে। ফলে সংশ্লিষ্টদের মতে, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা গেলে এই খাত আরও শক্তিশালী হতে পারে।
স্থানীয়রা মনে করছেন, ঝিনাইগাতীর আদর্শ কো-অপারেটিভ ক্রেডিট ইউনিয়নের মতো প্রতিষ্ঠানগুলো যদি নিয়মিত সদস্যদের আস্থা ধরে রাখতে পারে, তাহলে এলাকার অর্থনৈতিক উন্নয়নে আরও কার্যকর ভূমিকা রাখা সম্ভব হবে।
সভা শেষে আয়োজকরা জানান, ভবিষ্যতে সদস্যদের জন্য আরও আধুনিক ও প্রযুক্তিনির্ভর সেবা চালুর পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি নতুন সদস্য অন্তর্ভুক্তি, প্রশিক্ষণ কার্যক্রম এবং মানবসম্পদ উন্নয়নমূলক উদ্যোগ বাড়ানোর কথাও বলা হয়েছে।
এদিকে অংশগ্রহণকারী সদস্যরা আশা প্রকাশ করেন, সমবায়ের এই ধারাবাহিক কার্যক্রম আগামী দিনেও অব্যাহত থাকবে এবং সাধারণ মানুষের আর্থিক নিরাপত্তা ও স্বাবলম্বিতা অর্জনে আরও বড় ভূমিকা রাখবে।

আপনার মতামত লিখুন