শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে রোগীর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে হামলার শিকার চিকিৎসক ডা. নাসির ইসলামকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। শনিবার দুপুরে তাঁকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে ঢাকায় আনা হয়। বর্তমানে তাঁর শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব মো. কামরুজ্জামান চৌধুরী।
শুক্রবার রাতে শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে এক রোগীর মৃত্যুর পর উত্তেজিত কয়েকজনের হামলার মুখে পড়েন ডা. নাসির। অভিযোগ উঠেছে, একপর্যায়ে তাঁকে হাসপাতালের ভেতর থেকে টেনে বাইরে এনে মারধর করা হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় প্রথমে স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা দেওয়া হলেও পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার রাতে বুকের ব্যথা নিয়ে এক রোগী শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি হন। কর্তব্যরত চিকিৎসক হিসেবে ডা. নাসির ইসলাম তাঁর চিকিৎসা শুরু করেন। রোগীর অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাঁকে রাজধানীর জাতীয় হৃদ্রোগ ইনস্টিটিউটে পাঠানোর পরামর্শ দেওয়া হয়।
তবে রোগীর স্বজনেরা ঢাকায় নিতে রাজি হননি বলে দাবি করেছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। পরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই রোগীর মৃত্যু হয়। এরপর চিকিৎসায় অবহেলার অভিযোগ তুলে হাসপাতালজুড়ে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।
স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব মো. কামরুজ্জামান চৌধুরী বলেন, “রোগীর মৃত্যুর পর একদল লোক ডা. নাসিরের ওপর হামলা চালায়। পরিস্থিতি ভয়াবহ হয়ে উঠলে তিনি হাসপাতালের বাথরুমে আশ্রয় নেন। কিন্তু সেখান থেকেও তাঁকে বের করে এনে মারধর করা হয়।”
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের ভাষ্য অনুযায়ী, হামলায় ডা. নাসির গুরুতর আহত হন। তাঁর মাথাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত লাগে বলে জানা গেছে। রাতেই তাঁকে শরীয়তপুরে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়।
পরিস্থিতি বিবেচনায় শনিবার সকালে প্রধানমন্ত্রীর মুখ্যসচিব, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এবং বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের সঙ্গে আলোচনা করে তাঁকে ঢাকায় নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। পরে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আনা হয়।
দুপুর দেড়টার দিকে তাঁকে ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। হাসপাতালের নিউরোসার্জারি বিভাগের চিকিৎসকেরা তাঁর শারীরিক অবস্থা পর্যবেক্ষণ করছেন।
শনিবার দুপুরে আহত চিকিৎসককে দেখতে ঢাকা মেডিকেলে যান স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব মো. কামরুজ্জামান চৌধুরী। সেখানে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে তিনি হামলার ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেন।
তিনি বলেন, “বর্তমানে ডা. নাসিরের অবস্থা স্থিতিশীল। আমরা আশা করছি তিনি দ্রুত সুস্থ হয়ে আবার কাজে ফিরতে পারবেন।”
সচিব আরও জানান, হামলার ঘটনায় ইতোমধ্যে মামলা হয়েছে এবং দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। জড়িত অন্যদের শনাক্তে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কাজ করছে।
তাঁর ভাষায়, “এ ধরনের বর্বরোচিত হামলা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। যারা জড়িত, তাদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
এই ঘটনার পর চিকিৎসকদের নিরাপত্তা নিয়ে আবারও আলোচনা শুরু হয়েছে। দেশের বিভিন্ন সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের ওপর হামলার অভিযোগ আগেও উঠেছে। তবে চিকিৎসকদের সংগঠনগুলোর দাবি, অধিকাংশ ঘটনায় দ্রুত বিচার না হওয়ায় হামলার প্রবণতা কমছে না।
স্বাস্থ্য খাত সংশ্লিষ্টরা বলছেন, জরুরি বিভাগে রোগীর মৃত্যু বা চিকিৎসা জটিলতা তৈরি হলেই অনেক সময় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। চিকিৎসক ও রোগীর স্বজনদের মধ্যে যোগাযোগের ঘাটতি, অতিরিক্ত চাপ এবং নিরাপত্তা দুর্বলতার কারণে এমন উত্তেজনা বাড়ছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, হাসপাতালগুলোতে নিরাপত্তা জোরদার, সংকটকালীন ব্যবস্থাপনা উন্নত করা এবং রোগীর স্বজনদের সঙ্গে পরিষ্কার যোগাযোগ নিশ্চিত করা জরুরি। একই সঙ্গে চিকিৎসকদের ওপর হামলার ঘটনায় দ্রুত বিচার নিশ্চিত না হলে স্বাস্থ্যখাতে ভয় ও অনিশ্চয়তা আরও বাড়তে পারে।
এদিকে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক ডা. জাহিদ রায়হানকে হত্যার হুমকি দিয়ে চিঠি পাঠানোর অভিযোগ নিয়েও শনিবার কথা বলেন কর্মকর্তারা।
এ বিষয়ে স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব বলেন, চিকিৎসকদের নিরাপত্তা নিয়ে সরকার সতর্ক রয়েছে এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তৎপর আছে। তাঁর দাবি, বর্তমানে কোনো চিকিৎসকের জীবনের জন্য তাৎক্ষণিক ঝুঁকির তথ্য সরকারের কাছে নেই।
অন্যদিকে ডা. জাহিদ রায়হান বলেন, নামবিহীন ওই চিঠিকে তিনি ব্যক্তিগতভাবে খুব বেশি গুরুত্ব দেননি। তবে বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।
তিনি বলেন, “এ ধরনের হুমকিকে ভয় পেলে কাজ করা কঠিন হয়ে যাবে। তারপরও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে বিষয়টি অবহিত করা হয়েছে।”
শনিবার ঢাকা মেডিকেলে আহত চিকিৎসককে দেখতে স্বাস্থ্য খাতের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের পাশাপাশি বিভিন্ন পর্যায়ের চিকিৎসকেরা উপস্থিত ছিলেন। এ সময় বিএনপির স্বাস্থ্য বিষয়ক উপদেষ্টা ডা. রফিকুল ইসলাম, ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আসাদুজ্জামান এবং উপপরিচালক ডা. আশরাফুল আলমও সেখানে যান।
হামলার ঘটনায় চিকিৎসক সমাজে উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়েছে। একই সঙ্গে রোগীর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ এবং পরবর্তী সহিংসতার পেছনের পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে তদন্তের দাবি উঠেছে।
বর্তমানে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ঘটনাটির বিভিন্ন দিক তদন্ত করছে। হাসপাতালের সিসিটিভি ফুটেজ, প্রত্যক্ষদর্শীর বক্তব্য এবং সংশ্লিষ্টদের জিজ্ঞাসাবাদের মাধ্যমে পুরো ঘটনার চিত্র পরিষ্কার করার চেষ্টা চলছে।

রোববার, ১৭ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ মে ২০২৬
শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে রোগীর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে হামলার শিকার চিকিৎসক ডা. নাসির ইসলামকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। শনিবার দুপুরে তাঁকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে ঢাকায় আনা হয়। বর্তমানে তাঁর শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব মো. কামরুজ্জামান চৌধুরী।
শুক্রবার রাতে শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে এক রোগীর মৃত্যুর পর উত্তেজিত কয়েকজনের হামলার মুখে পড়েন ডা. নাসির। অভিযোগ উঠেছে, একপর্যায়ে তাঁকে হাসপাতালের ভেতর থেকে টেনে বাইরে এনে মারধর করা হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় প্রথমে স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা দেওয়া হলেও পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার রাতে বুকের ব্যথা নিয়ে এক রোগী শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি হন। কর্তব্যরত চিকিৎসক হিসেবে ডা. নাসির ইসলাম তাঁর চিকিৎসা শুরু করেন। রোগীর অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাঁকে রাজধানীর জাতীয় হৃদ্রোগ ইনস্টিটিউটে পাঠানোর পরামর্শ দেওয়া হয়।
তবে রোগীর স্বজনেরা ঢাকায় নিতে রাজি হননি বলে দাবি করেছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। পরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই রোগীর মৃত্যু হয়। এরপর চিকিৎসায় অবহেলার অভিযোগ তুলে হাসপাতালজুড়ে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।
স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব মো. কামরুজ্জামান চৌধুরী বলেন, “রোগীর মৃত্যুর পর একদল লোক ডা. নাসিরের ওপর হামলা চালায়। পরিস্থিতি ভয়াবহ হয়ে উঠলে তিনি হাসপাতালের বাথরুমে আশ্রয় নেন। কিন্তু সেখান থেকেও তাঁকে বের করে এনে মারধর করা হয়।”
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের ভাষ্য অনুযায়ী, হামলায় ডা. নাসির গুরুতর আহত হন। তাঁর মাথাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত লাগে বলে জানা গেছে। রাতেই তাঁকে শরীয়তপুরে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়।
পরিস্থিতি বিবেচনায় শনিবার সকালে প্রধানমন্ত্রীর মুখ্যসচিব, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এবং বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের সঙ্গে আলোচনা করে তাঁকে ঢাকায় নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। পরে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আনা হয়।
দুপুর দেড়টার দিকে তাঁকে ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। হাসপাতালের নিউরোসার্জারি বিভাগের চিকিৎসকেরা তাঁর শারীরিক অবস্থা পর্যবেক্ষণ করছেন।
শনিবার দুপুরে আহত চিকিৎসককে দেখতে ঢাকা মেডিকেলে যান স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব মো. কামরুজ্জামান চৌধুরী। সেখানে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে তিনি হামলার ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেন।
তিনি বলেন, “বর্তমানে ডা. নাসিরের অবস্থা স্থিতিশীল। আমরা আশা করছি তিনি দ্রুত সুস্থ হয়ে আবার কাজে ফিরতে পারবেন।”
সচিব আরও জানান, হামলার ঘটনায় ইতোমধ্যে মামলা হয়েছে এবং দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। জড়িত অন্যদের শনাক্তে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কাজ করছে।
তাঁর ভাষায়, “এ ধরনের বর্বরোচিত হামলা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। যারা জড়িত, তাদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
এই ঘটনার পর চিকিৎসকদের নিরাপত্তা নিয়ে আবারও আলোচনা শুরু হয়েছে। দেশের বিভিন্ন সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের ওপর হামলার অভিযোগ আগেও উঠেছে। তবে চিকিৎসকদের সংগঠনগুলোর দাবি, অধিকাংশ ঘটনায় দ্রুত বিচার না হওয়ায় হামলার প্রবণতা কমছে না।
স্বাস্থ্য খাত সংশ্লিষ্টরা বলছেন, জরুরি বিভাগে রোগীর মৃত্যু বা চিকিৎসা জটিলতা তৈরি হলেই অনেক সময় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। চিকিৎসক ও রোগীর স্বজনদের মধ্যে যোগাযোগের ঘাটতি, অতিরিক্ত চাপ এবং নিরাপত্তা দুর্বলতার কারণে এমন উত্তেজনা বাড়ছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, হাসপাতালগুলোতে নিরাপত্তা জোরদার, সংকটকালীন ব্যবস্থাপনা উন্নত করা এবং রোগীর স্বজনদের সঙ্গে পরিষ্কার যোগাযোগ নিশ্চিত করা জরুরি। একই সঙ্গে চিকিৎসকদের ওপর হামলার ঘটনায় দ্রুত বিচার নিশ্চিত না হলে স্বাস্থ্যখাতে ভয় ও অনিশ্চয়তা আরও বাড়তে পারে।
এদিকে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক ডা. জাহিদ রায়হানকে হত্যার হুমকি দিয়ে চিঠি পাঠানোর অভিযোগ নিয়েও শনিবার কথা বলেন কর্মকর্তারা।
এ বিষয়ে স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব বলেন, চিকিৎসকদের নিরাপত্তা নিয়ে সরকার সতর্ক রয়েছে এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তৎপর আছে। তাঁর দাবি, বর্তমানে কোনো চিকিৎসকের জীবনের জন্য তাৎক্ষণিক ঝুঁকির তথ্য সরকারের কাছে নেই।
অন্যদিকে ডা. জাহিদ রায়হান বলেন, নামবিহীন ওই চিঠিকে তিনি ব্যক্তিগতভাবে খুব বেশি গুরুত্ব দেননি। তবে বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।
তিনি বলেন, “এ ধরনের হুমকিকে ভয় পেলে কাজ করা কঠিন হয়ে যাবে। তারপরও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে বিষয়টি অবহিত করা হয়েছে।”
শনিবার ঢাকা মেডিকেলে আহত চিকিৎসককে দেখতে স্বাস্থ্য খাতের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের পাশাপাশি বিভিন্ন পর্যায়ের চিকিৎসকেরা উপস্থিত ছিলেন। এ সময় বিএনপির স্বাস্থ্য বিষয়ক উপদেষ্টা ডা. রফিকুল ইসলাম, ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আসাদুজ্জামান এবং উপপরিচালক ডা. আশরাফুল আলমও সেখানে যান।
হামলার ঘটনায় চিকিৎসক সমাজে উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়েছে। একই সঙ্গে রোগীর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ এবং পরবর্তী সহিংসতার পেছনের পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে তদন্তের দাবি উঠেছে।
বর্তমানে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ঘটনাটির বিভিন্ন দিক তদন্ত করছে। হাসপাতালের সিসিটিভি ফুটেজ, প্রত্যক্ষদর্শীর বক্তব্য এবং সংশ্লিষ্টদের জিজ্ঞাসাবাদের মাধ্যমে পুরো ঘটনার চিত্র পরিষ্কার করার চেষ্টা চলছে।

আপনার মতামত লিখুন