বুধবার (১৩ মে) ভোররাত প্রায় ৪টা ৪৫ মিনিটে পটুয়াখালী বাসস্ট্যান্ডের পশ্চিম পাশে অবস্থিত একটি আবাসিক হোটেলে এ অভিযান চালানো হয়।
জেলা গোয়েন্দা শাখা সূত্র জানায়, নিয়মিত মাদকবিরোধী অভিযানের অংশ হিসেবে সন্দেহভাজন ব্যক্তিদের অবস্থান সম্পর্কে তথ্য পেয়ে অভিযান পরিচালনা করা হয়।
অভিযানের সময় হোটেলের একটি কক্ষ থেকে ২০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়েছে বলে দাবি করেছে ডিবি পুলিশ। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে তিনজনকে আটক করা হয়।
আটক ব্যক্তিরা হলেন— মোসাঃ সুখি বেগম (৩৫), মোঃ জসিম হাওলাদার (৩২) এবং মোঃ আরাফাত হোসেন।
পুলিশ জানিয়েছে, উদ্ধার হওয়া ইয়াবার বিষয়ে তাদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। তবে আটক ব্যক্তিদের কাছ থেকে আরও কোনো মাদক বা সরঞ্জাম উদ্ধার হয়েছে কিনা, সে বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হয়নি।
স্থানীয়দের একাংশ বলছেন, শহর ও বাসস্ট্যান্ডকেন্দ্রিক এলাকায় মাদকের বিস্তার নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। বিশেষ করে আবাসিক হোটেলগুলোকে ব্যবহার করে কিছু চক্র অবৈধ কর্মকাণ্ড চালাচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
তবে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, নিয়মিত অভিযান ও গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো গেলে মাদক কারবার নিয়ন্ত্রণে ইতিবাচক ফল আসতে পারে।
ডিবি পুলিশ জানিয়েছে, জেলায় মাদকবিরোধী অভিযান অব্যাহত রয়েছে এবং মাদক পাচার, বিক্রি ও সেবনের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে নিয়মিত আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের দাবি, মাদক নির্মূলে শুধু অভিযান নয়, সামাজিক সচেতনতা ও পারিবারিক নজরদারিও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
বর্তমানে আটক তিনজনকে আদালতে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে বলে জানা গেছে। একই সঙ্গে তাদের সঙ্গে আরও কেউ জড়িত আছে কিনা, সে বিষয়েও তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ মে ২০২৬
বুধবার (১৩ মে) ভোররাত প্রায় ৪টা ৪৫ মিনিটে পটুয়াখালী বাসস্ট্যান্ডের পশ্চিম পাশে অবস্থিত একটি আবাসিক হোটেলে এ অভিযান চালানো হয়।
জেলা গোয়েন্দা শাখা সূত্র জানায়, নিয়মিত মাদকবিরোধী অভিযানের অংশ হিসেবে সন্দেহভাজন ব্যক্তিদের অবস্থান সম্পর্কে তথ্য পেয়ে অভিযান পরিচালনা করা হয়।
অভিযানের সময় হোটেলের একটি কক্ষ থেকে ২০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়েছে বলে দাবি করেছে ডিবি পুলিশ। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে তিনজনকে আটক করা হয়।
আটক ব্যক্তিরা হলেন— মোসাঃ সুখি বেগম (৩৫), মোঃ জসিম হাওলাদার (৩২) এবং মোঃ আরাফাত হোসেন।
পুলিশ জানিয়েছে, উদ্ধার হওয়া ইয়াবার বিষয়ে তাদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। তবে আটক ব্যক্তিদের কাছ থেকে আরও কোনো মাদক বা সরঞ্জাম উদ্ধার হয়েছে কিনা, সে বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হয়নি।
স্থানীয়দের একাংশ বলছেন, শহর ও বাসস্ট্যান্ডকেন্দ্রিক এলাকায় মাদকের বিস্তার নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। বিশেষ করে আবাসিক হোটেলগুলোকে ব্যবহার করে কিছু চক্র অবৈধ কর্মকাণ্ড চালাচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
তবে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, নিয়মিত অভিযান ও গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো গেলে মাদক কারবার নিয়ন্ত্রণে ইতিবাচক ফল আসতে পারে।
ডিবি পুলিশ জানিয়েছে, জেলায় মাদকবিরোধী অভিযান অব্যাহত রয়েছে এবং মাদক পাচার, বিক্রি ও সেবনের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে নিয়মিত আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের দাবি, মাদক নির্মূলে শুধু অভিযান নয়, সামাজিক সচেতনতা ও পারিবারিক নজরদারিও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
বর্তমানে আটক তিনজনকে আদালতে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে বলে জানা গেছে। একই সঙ্গে তাদের সঙ্গে আরও কেউ জড়িত আছে কিনা, সে বিষয়েও তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন