দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর
সর্বশেষ
প্রকাশ : রোববার, ১০ মে ২০২৬

ফলোআপ সাংবাদিকতায় জোর দেওয়ার আহ্বান, অপরাধের বিরুদ্ধে ‘শেষ পর্যন্ত’ কলম চালানোর বার্তা

ফলোআপ সাংবাদিকতায় জোর দেওয়ার আহ্বান, অপরাধের বিরুদ্ধে ‘শেষ পর্যন্ত’ কলম চালানোর বার্তা

খালার বাড়িতে বেড়াতে গিয়ে শিশুর জীবনে দুঃস্বপ্ন, কাশিয়ানীতে পাশবিকতার অভিযোগে তীব্র ক্ষোভ

শেরপুরে টিআরসি নিয়োগে নতুন ধাপ, লিখিত পরীক্ষায় অংশ নিলেন উত্তীর্ণ প্রার্থীরা

সংবিধির অপেক্ষায় পদোন্নতি প্রক্রিয়া, ববিতে শিক্ষকদের অসন্তোষ প্রকাশ

পাবনায় ইয়াং জার্নালিস্ট ফোরামের সবুজ উদ্যোগ, বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে মন্ত্রী-এমপিদের অংশগ্রহণ

গাজীপুরে একই পরিবারের ৫ জনকে হত্যা: লাশের ওপর মিলল টাইপ করা অভিযোগপত্র, তদন্তে নতুন প্রশ্ন".

"যুক্তরাষ্ট্রে নিহত বৃষ্টি: মরদেহ ফেরার অপেক্ষায় মাদারীপুরের গ্রামজুড়ে শোকের ছায়া".

"কসবা সীমান্তে গুলিবর্ষণের অভিযোগে বাংলাদেশি যুবক নিহত, মরদেহ নিয়ে টানাপোড়েনের দাবি পরিবারের".

খালার বাড়িতে বেড়াতে গিয়ে শিশুর জীবনে দুঃস্বপ্ন, কাশিয়ানীতে পাশবিকতার অভিযোগে তীব্র ক্ষোভ

খালার বাড়িতে বেড়াতে গিয়ে শিশুর জীবনে দুঃস্বপ্ন, কাশিয়ানীতে পাশবিকতার অভিযোগে তীব্র ক্ষোভ
-ছবি: সংগৃহীত

গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী উপজেলায় খালার বাড়িতে বেড়াতে যাওয়া ১০ বছরের এক শিশুকে পাশবিক নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় এক যুবকের বিরুদ্ধে। গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় শিশুটিকে গোপালগঞ্জ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর এলাকায় ক্ষোভ ও উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়েছে।

শিশুটির পরিবার বলছে, বেড়াতে গিয়ে এমন নির্মম ঘটনার শিকার হবে—তা তারা কল্পনাও করেনি। ভুক্তভোগী শিশুর নানীর কান্নাজড়িত কণ্ঠে একটাই দাবি, ঘটনার সুষ্ঠু বিচার।

গোসলের কথা বলে ডেকে নেওয়ার অভিযোগ

স্থানীয় সূত্র ও পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার করপাড়া ইউনিয়নের বনগ্রাম এলাকার ওই শিশু কয়েকদিন আগে কাশিয়ানী উপজেলার নিজামকান্দি গ্রামে তার খালার বাড়িতে বেড়াতে যায়। পরিবারের সদস্যদের দাবি, গত বৃহস্পতিবার দুপুরে একই গ্রামের কালাম শেখের ছেলে মুরসালিন রঙ্গু শিশুটিকে গোসল করানোর কথা বলে বাড়ির পাশের নির্জন এলাকায় নিয়ে যায়।


এরপর সেখানে শিশুটির ওপর পাশবিক নির্যাতন চালানো হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। ঘটনার পর শিশুটি অসুস্থ হয়ে পড়লে পরিবারের সদস্যরা প্রথমে বিষয়টি বুঝে উঠতে পারেননি। পরে তার শারীরিক অবস্থার দ্রুত অবনতি ঘটলে রাতেই গোপালগঞ্জ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

হাসপাতালে চিকিৎসাধীন শিশুটি শারীরিক ও মানসিকভাবে ভীষণ আতঙ্কিত বলে জানিয়েছেন স্বজনরা।

প্রথমে বিষয়টি চাপা রাখার চেষ্টা

পরিবারের কয়েকজন সদস্য জানিয়েছেন, অভিযুক্ত পক্ষের চাপ ও সামাজিক অস্বস্তির কারণে প্রথমদিকে ঘটনাটি প্রকাশ না করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। বিশেষ করে গ্রামের পরিবেশ, লোকলজ্জা এবং শিশুর ভবিষ্যৎ নিয়ে শঙ্কার কারণে পরিবার দ্বিধায় পড়ে যায়।

তবে পরিস্থিতি বদলে যায় শনিবার রাতে। শিশুটির নানী নেবা বেগম হাসপাতালে দায়িত্বরত তত্ত্বাবধায়ক চিকিৎসক জীবিতেশ বিশ্বাসকে পুরো ঘটনা খুলে বলেন। পরে চিকিৎসক পরিবারকে আইনগত সহায়তা নেওয়ার পরামর্শ দেন এবং থানায় যোগাযোগ করতে বলেন।

এ ঘটনার পর বিষয়টি স্থানীয় প্রশাসনের নজরেও আসে।


নানীর আহাজারিতে ভারী হাসপাতালের পরিবেশ

হাসপাতালে শিশুটির পাশে বসে কান্নায় ভেঙে পড়েন তার নানী নেবা বেগম। তিনি বলেন, “আমার নাতনি খালার বাড়িতে বেড়াতে গিয়েছিল। কী দোষ ছিল ওর? একটা পাষণ্ড-কুলাঙ্গার সব শেষ করে দিল। আমি এই ঘটনার বিচার চাই।”

তার এই আর্তনাদে হাসপাতালের পরিবেশও ভারী হয়ে ওঠে। স্বজনরা জানান, শিশুটি এখনও স্বাভাবিকভাবে কথা বলতে পারছে না। আতঙ্কে বারবার কেঁদে উঠছে।

স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ

ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়ার পর নিজামকান্দি গ্রাম ও আশপাশের এলাকায় আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে। স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, শিশুদের নিরাপত্তা নিয়ে এখন পরিবারগুলো উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছে।

তাদের দাবি, এ ধরনের ঘটনায় দ্রুত তদন্ত ও দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা না হলে সমাজে অপরাধের ভয় আরও বাড়বে। তবে অভিযুক্ত যুবকের পরিবারের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

পুলিশের অবস্থান কী?

এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত থানায় আনুষ্ঠানিক মামলা হয়েছে কি না, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। স্থানীয় সূত্র বলছে, পরিবার পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগের প্রস্তুতি নিচ্ছে।

এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট থানার কোনো কর্মকর্তা আনুষ্ঠানিক বক্তব্য দেননি। ফলে অভিযোগের বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অবস্থান এখনও স্পষ্ট নয়। তবে হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, শিশুটির চিকিৎসা ও শারীরিক পরীক্ষা গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে।


শিশু নির্যাতনের ঘটনায় বাড়ছে উদ্বেগ

সামাজিক বিশ্লেষকরা বলছেন, শিশুদের প্রতি সহিংসতা ও যৌন নির্যাতনের অভিযোগ সাম্প্রতিক সময়ে উদ্বেগজনকভাবে আলোচনায় আসছে। অনেক ক্ষেত্রেই পরিবার সামাজিক চাপ, ভয় বা প্রভাবশালী মহলের কারণে শুরুতে মুখ খুলতে চায় না। এতে অপরাধীরা পার পেয়ে যাওয়ার সুযোগ পায় বলে অভিযোগ রয়েছে।

তারা মনে করেন, শিশু সুরক্ষায় পরিবার, সমাজ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং প্রশাসনের সমন্বিত উদ্যোগ জরুরি। একইসঙ্গে নির্যাতনের শিকার শিশুর মানসিক পুনর্বাসনেও গুরুত্ব দিতে হবে।

এখন কী অবস্থা

বর্তমানে শিশুটি গোপালগঞ্জ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। চিকিৎসকরা তার শারীরিক অবস্থার পর্যবেক্ষণ করছেন। পরিবারের সদস্যরা বলছেন, তারা এখন আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার বিষয়ে আলোচনা করছেন।

ঘটনাটি তদন্তের মাধ্যমে সত্যতা যাচাই এবং দোষীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছে স্থানীয়রা। একইসঙ্গে এমন ঘটনা যেন আর কোনো শিশুর জীবনে না ঘটে, সে বিষয়ে কার্যকর উদ্যোগের কথাও উঠে আসছে।

বিষয় : গোপালগঞ্জ হাসপাতাল কাশিয়ানী ঘটনা গোপালগঞ্জ শিশু নির্যাতন

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর

রোববার, ১০ মে ২০২৬


খালার বাড়িতে বেড়াতে গিয়ে শিশুর জীবনে দুঃস্বপ্ন, কাশিয়ানীতে পাশবিকতার অভিযোগে তীব্র ক্ষোভ

প্রকাশের তারিখ : ১০ মে ২০২৬

featured Image

গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী উপজেলায় খালার বাড়িতে বেড়াতে যাওয়া ১০ বছরের এক শিশুকে পাশবিক নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় এক যুবকের বিরুদ্ধে। গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় শিশুটিকে গোপালগঞ্জ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর এলাকায় ক্ষোভ ও উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়েছে।

শিশুটির পরিবার বলছে, বেড়াতে গিয়ে এমন নির্মম ঘটনার শিকার হবে—তা তারা কল্পনাও করেনি। ভুক্তভোগী শিশুর নানীর কান্নাজড়িত কণ্ঠে একটাই দাবি, ঘটনার সুষ্ঠু বিচার।

গোসলের কথা বলে ডেকে নেওয়ার অভিযোগ

স্থানীয় সূত্র ও পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার করপাড়া ইউনিয়নের বনগ্রাম এলাকার ওই শিশু কয়েকদিন আগে কাশিয়ানী উপজেলার নিজামকান্দি গ্রামে তার খালার বাড়িতে বেড়াতে যায়। পরিবারের সদস্যদের দাবি, গত বৃহস্পতিবার দুপুরে একই গ্রামের কালাম শেখের ছেলে মুরসালিন রঙ্গু শিশুটিকে গোসল করানোর কথা বলে বাড়ির পাশের নির্জন এলাকায় নিয়ে যায়।


এরপর সেখানে শিশুটির ওপর পাশবিক নির্যাতন চালানো হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। ঘটনার পর শিশুটি অসুস্থ হয়ে পড়লে পরিবারের সদস্যরা প্রথমে বিষয়টি বুঝে উঠতে পারেননি। পরে তার শারীরিক অবস্থার দ্রুত অবনতি ঘটলে রাতেই গোপালগঞ্জ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

হাসপাতালে চিকিৎসাধীন শিশুটি শারীরিক ও মানসিকভাবে ভীষণ আতঙ্কিত বলে জানিয়েছেন স্বজনরা।

প্রথমে বিষয়টি চাপা রাখার চেষ্টা

পরিবারের কয়েকজন সদস্য জানিয়েছেন, অভিযুক্ত পক্ষের চাপ ও সামাজিক অস্বস্তির কারণে প্রথমদিকে ঘটনাটি প্রকাশ না করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। বিশেষ করে গ্রামের পরিবেশ, লোকলজ্জা এবং শিশুর ভবিষ্যৎ নিয়ে শঙ্কার কারণে পরিবার দ্বিধায় পড়ে যায়।

তবে পরিস্থিতি বদলে যায় শনিবার রাতে। শিশুটির নানী নেবা বেগম হাসপাতালে দায়িত্বরত তত্ত্বাবধায়ক চিকিৎসক জীবিতেশ বিশ্বাসকে পুরো ঘটনা খুলে বলেন। পরে চিকিৎসক পরিবারকে আইনগত সহায়তা নেওয়ার পরামর্শ দেন এবং থানায় যোগাযোগ করতে বলেন।

এ ঘটনার পর বিষয়টি স্থানীয় প্রশাসনের নজরেও আসে।


নানীর আহাজারিতে ভারী হাসপাতালের পরিবেশ

হাসপাতালে শিশুটির পাশে বসে কান্নায় ভেঙে পড়েন তার নানী নেবা বেগম। তিনি বলেন, “আমার নাতনি খালার বাড়িতে বেড়াতে গিয়েছিল। কী দোষ ছিল ওর? একটা পাষণ্ড-কুলাঙ্গার সব শেষ করে দিল। আমি এই ঘটনার বিচার চাই।”

তার এই আর্তনাদে হাসপাতালের পরিবেশও ভারী হয়ে ওঠে। স্বজনরা জানান, শিশুটি এখনও স্বাভাবিকভাবে কথা বলতে পারছে না। আতঙ্কে বারবার কেঁদে উঠছে।

স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ

ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়ার পর নিজামকান্দি গ্রাম ও আশপাশের এলাকায় আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে। স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, শিশুদের নিরাপত্তা নিয়ে এখন পরিবারগুলো উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছে।

তাদের দাবি, এ ধরনের ঘটনায় দ্রুত তদন্ত ও দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা না হলে সমাজে অপরাধের ভয় আরও বাড়বে। তবে অভিযুক্ত যুবকের পরিবারের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

পুলিশের অবস্থান কী?

এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত থানায় আনুষ্ঠানিক মামলা হয়েছে কি না, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। স্থানীয় সূত্র বলছে, পরিবার পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগের প্রস্তুতি নিচ্ছে।

এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট থানার কোনো কর্মকর্তা আনুষ্ঠানিক বক্তব্য দেননি। ফলে অভিযোগের বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অবস্থান এখনও স্পষ্ট নয়। তবে হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, শিশুটির চিকিৎসা ও শারীরিক পরীক্ষা গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে।


শিশু নির্যাতনের ঘটনায় বাড়ছে উদ্বেগ

সামাজিক বিশ্লেষকরা বলছেন, শিশুদের প্রতি সহিংসতা ও যৌন নির্যাতনের অভিযোগ সাম্প্রতিক সময়ে উদ্বেগজনকভাবে আলোচনায় আসছে। অনেক ক্ষেত্রেই পরিবার সামাজিক চাপ, ভয় বা প্রভাবশালী মহলের কারণে শুরুতে মুখ খুলতে চায় না। এতে অপরাধীরা পার পেয়ে যাওয়ার সুযোগ পায় বলে অভিযোগ রয়েছে।

তারা মনে করেন, শিশু সুরক্ষায় পরিবার, সমাজ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং প্রশাসনের সমন্বিত উদ্যোগ জরুরি। একইসঙ্গে নির্যাতনের শিকার শিশুর মানসিক পুনর্বাসনেও গুরুত্ব দিতে হবে।

এখন কী অবস্থা

বর্তমানে শিশুটি গোপালগঞ্জ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। চিকিৎসকরা তার শারীরিক অবস্থার পর্যবেক্ষণ করছেন। পরিবারের সদস্যরা বলছেন, তারা এখন আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার বিষয়ে আলোচনা করছেন।

ঘটনাটি তদন্তের মাধ্যমে সত্যতা যাচাই এবং দোষীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছে স্থানীয়রা। একইসঙ্গে এমন ঘটনা যেন আর কোনো শিশুর জীবনে না ঘটে, সে বিষয়ে কার্যকর উদ্যোগের কথাও উঠে আসছে।


দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর

প্রকাশক ও সম্পাদকঃ মোঃ সাদ্দাম হোসেন
কপিরাইট © ২০২৬ দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর