দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর
সর্বশেষ
প্রকাশ : মঙ্গলবার, ২০ আগস্ট ২০২৪

মাগুরার শিশু আছিয়া হত্যা-ধর্ষণ মামলার রায় পিছিয়েছে, সোমবার নতুন দিন

মাগুরার শিশু আছিয়া হত্যা-ধর্ষণ মামলার রায় পিছিয়েছে, সোমবার নতুন দিন

সেপ্টেম্বরে যুক্তরাষ্ট্রে যাচ্ছেন তারেক রহমান, ২০ বছর পর নিউইয়র্ক সফর

অনুমোদিত নকশার বাইরে ভবন নির্মাণ বন্ধে নতুন উদ্যোগ, কী বললেন গৃহায়নমন্ত্রী?

সৌদির স্কুলের বইয়ে আমূল পরিবর্তন, ইহুদি-খ্রিস্টানদের নিয়ে বদলে গেল পুরোনো বয়ান

৬ মাস শেষে সরকারের অর্জন-সীমাবদ্ধতা জানাবেন প্রধানমন্ত্রী, চলছে সূক্ষ্ম মূল্যায়ন

দিল্লিতে শেখ হাসিনার বক্তব্য ঘিরে ঢাকা–দিল্লি টানাপোড়েন, সম্পর্ক কি আবার কঠিন পথে?

জ্বালানি খাত নিয়ে বড় সতর্কবার্তা প্রধানমন্ত্রীর, নিয়োগ হবে ১ লাখ স্বাস্থ্যকর্মী

নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস: তরুণ প্রতিভাদের নিয়ে ঢাকার আর্মি স্টেডিয়ামে জমজমাট সমাপনী

হিন্ডন বিমানঘাঁটি থেকে দিল্লির সেফ হাউস—কোথায় আছেন শেখ হাসিনা?

হিন্ডন বিমানঘাঁটি থেকে দিল্লির সেফ হাউস—কোথায় আছেন শেখ হাসিনা?
-ছবি: সংগৃহীত

শেখ হাসিনার ভারত অবস্থান নিয়ে নতুন প্রশ্ন, ইমিগ্রেশন স্ট্যাটাস নিয়ে অনিশ্চয়তা

বাংলাদেশের সদ্য-প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বর্তমানে ভারতে অবস্থান করছেন। তবে তিনি ঠিক কোন আইনি বা অভিবাসনগত অবস্থায় সেখানে আছেন, তা নিয়ে এখনো স্পষ্ট কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি ভারত সরকার। ফলে বিষয়টি ঘিরে নানা প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।

জানা যায়, ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা ও তার বোন শেখ রেহানাকে বহনকারী বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর একটি বিমান ভারতের দিল্লির কাছে গাজিয়াবাদের হিন্ডন বিমানঘাঁটিতে অবতরণ করে। সেদিনই ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভাল তাদের স্বাগত জানান।

পরদিন ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর দেশটির পার্লামেন্টে জানান, শেখ হাসিনা ‘সাময়িকভাবে’ ভারতে আসার অনুমতি চেয়েছিলেন এবং সেই অনুমোদন দেওয়ার পরই তিনি ভারতে প্রবেশ করেন।

এরপর থেকে প্রায় দুই সপ্তাহের বেশি সময় ধরে তিনি ভারতে অবস্থান করছেন। বিভিন্ন সূত্রের বরাতে জানা গেছে, শেখ হাসিনা ও তার বোনকে দিল্লির উপকণ্ঠে একটি আধাসামরিক বাহিনীর অতিথিনিবাস বা “সেফ হাউসে” রাখা হয়েছে। তবে তাদের অবস্থান সম্পর্কে সরকারিভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।

সবচেয়ে বড় প্রশ্ন হলো, শেখ হাসিনা ভারতে ঠিক কোন ধরনের ইমিগ্রেশন স্ট্যাটাসে আছেন। তিনি কি বিশেষ ভিসায় অবস্থান করছেন, নাকি তাকে রাজনৈতিক আশ্রয় (পলিটিক্যাল অ্যাসাইলাম) দেওয়া হয়েছে—এ বিষয়ে ভারত সরকার এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা দেয়নি।

আইন বিশেষজ্ঞদের মতে, কোনো বিদেশি নাগরিকের অবস্থান দীর্ঘ সময় চললে তার ভিসা, নিরাপত্তা অনুমোদন বা আশ্রয় নীতির বিষয়গুলো স্পষ্ট থাকা জরুরি। কিন্তু এই ক্ষেত্রে ভারত সরকারের নীরবতা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে।

এ কারণে প্রশ্ন উঠছে, শেখ হাসিনার ভারতে অবস্থান কতদিন বৈধ থাকবে এবং ভবিষ্যতে তার রাজনৈতিক বা কূটনৈতিক অবস্থান কী হবে।

এদিকে আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশ্লেষকরা বলছেন, এমন পরিস্থিতিতে সাধারণত মানবিক বা নিরাপত্তাজনিত কারণে সাময়িক অবস্থানের অনুমতি দেওয়া হতে পারে। তবে রাজনৈতিক গুরুত্ব থাকায় বিষয়টি প্রকাশ্যে আনা হচ্ছে না বলেও অনেকে মনে করছেন।

সব মিলিয়ে, শেখ হাসিনার ভারত অবস্থান এখন শুধু রাজনৈতিক আলোচনাই নয়, কূটনৈতিক ও আইনি আলোচনার কেন্দ্রেও চলে এসেছে। ভারত সরকারের আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা না আসা পর্যন্ত এই প্রশ্নগুলোর স্পষ্ট উত্তর পাওয়া যাচ্ছে না।

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর

বুধবার, ২৬ আগস্ট ২০২৬


হিন্ডন বিমানঘাঁটি থেকে দিল্লির সেফ হাউস—কোথায় আছেন শেখ হাসিনা?

প্রকাশের তারিখ : ২০ আগস্ট ২০২৪

featured Image

শেখ হাসিনার ভারত অবস্থান নিয়ে নতুন প্রশ্ন, ইমিগ্রেশন স্ট্যাটাস নিয়ে অনিশ্চয়তা

বাংলাদেশের সদ্য-প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বর্তমানে ভারতে অবস্থান করছেন। তবে তিনি ঠিক কোন আইনি বা অভিবাসনগত অবস্থায় সেখানে আছেন, তা নিয়ে এখনো স্পষ্ট কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি ভারত সরকার। ফলে বিষয়টি ঘিরে নানা প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।

জানা যায়, ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা ও তার বোন শেখ রেহানাকে বহনকারী বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর একটি বিমান ভারতের দিল্লির কাছে গাজিয়াবাদের হিন্ডন বিমানঘাঁটিতে অবতরণ করে। সেদিনই ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভাল তাদের স্বাগত জানান।

পরদিন ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর দেশটির পার্লামেন্টে জানান, শেখ হাসিনা ‘সাময়িকভাবে’ ভারতে আসার অনুমতি চেয়েছিলেন এবং সেই অনুমোদন দেওয়ার পরই তিনি ভারতে প্রবেশ করেন।

এরপর থেকে প্রায় দুই সপ্তাহের বেশি সময় ধরে তিনি ভারতে অবস্থান করছেন। বিভিন্ন সূত্রের বরাতে জানা গেছে, শেখ হাসিনা ও তার বোনকে দিল্লির উপকণ্ঠে একটি আধাসামরিক বাহিনীর অতিথিনিবাস বা “সেফ হাউসে” রাখা হয়েছে। তবে তাদের অবস্থান সম্পর্কে সরকারিভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।

সবচেয়ে বড় প্রশ্ন হলো, শেখ হাসিনা ভারতে ঠিক কোন ধরনের ইমিগ্রেশন স্ট্যাটাসে আছেন। তিনি কি বিশেষ ভিসায় অবস্থান করছেন, নাকি তাকে রাজনৈতিক আশ্রয় (পলিটিক্যাল অ্যাসাইলাম) দেওয়া হয়েছে—এ বিষয়ে ভারত সরকার এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা দেয়নি।

আইন বিশেষজ্ঞদের মতে, কোনো বিদেশি নাগরিকের অবস্থান দীর্ঘ সময় চললে তার ভিসা, নিরাপত্তা অনুমোদন বা আশ্রয় নীতির বিষয়গুলো স্পষ্ট থাকা জরুরি। কিন্তু এই ক্ষেত্রে ভারত সরকারের নীরবতা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে।

এ কারণে প্রশ্ন উঠছে, শেখ হাসিনার ভারতে অবস্থান কতদিন বৈধ থাকবে এবং ভবিষ্যতে তার রাজনৈতিক বা কূটনৈতিক অবস্থান কী হবে।

এদিকে আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশ্লেষকরা বলছেন, এমন পরিস্থিতিতে সাধারণত মানবিক বা নিরাপত্তাজনিত কারণে সাময়িক অবস্থানের অনুমতি দেওয়া হতে পারে। তবে রাজনৈতিক গুরুত্ব থাকায় বিষয়টি প্রকাশ্যে আনা হচ্ছে না বলেও অনেকে মনে করছেন।

সব মিলিয়ে, শেখ হাসিনার ভারত অবস্থান এখন শুধু রাজনৈতিক আলোচনাই নয়, কূটনৈতিক ও আইনি আলোচনার কেন্দ্রেও চলে এসেছে। ভারত সরকারের আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা না আসা পর্যন্ত এই প্রশ্নগুলোর স্পষ্ট উত্তর পাওয়া যাচ্ছে না।


দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর

প্রকাশক ও সম্পাদকঃ মোঃ সাদ্দাম হোসেন
কপিরাইট © ২০২৬ দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর