দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর
সর্বশেষ
প্রকাশ : বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬

৯০ শতাংশ বৈদেশিক বাণিজ্যের দায়িত্ব কাঁধে নিয়ে এগিয়ে চলছে চট্টগ্রাম বন্দর

৯০ শতাংশ বৈদেশিক বাণিজ্যের দায়িত্ব কাঁধে নিয়ে এগিয়ে চলছে চট্টগ্রাম বন্দর

বেনাপোলের ধান ক্ষেতে মিলল যুবকের মরদেহ: নেপথ্যে কি পারিবারিক কলহ?

প্রতি কিলোমিটারে বাসভাড়া বাড়ল ১১ পয়সা, আজ থেকেই কার্যকর সিদ্ধান্ত

ঢাকা–ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়ের সার্ভিস লেনে প্রাণ গেল ১৭ বছরের কলেজছাত্রের

জমি নিয়ে বিরোধ: নওগাঁয় একই পরিবারের ৪ জনকে হত্যা, উঠানেই পাশাপাশি কবর

সম্পত্তি বিরোধে মামা-মামি ও দুই শিশুকে হত্যা, আদালতে ভাগনের চাঞ্চল্যকর স্বীকারোক্তি

৩০ লাখ দাবি থেকে ৮ লাখে সমঝোতা, অপহরণের ১০ ঘণ্টা পর ফিরলেন ইউপি সদস্য রুস্তম আলী

যশোরে প্রায় ২ কোটি টাকার স্বর্ণসহ ভারতীয় নাগরিক আটক

৯০ শতাংশ বৈদেশিক বাণিজ্যের দায়িত্ব কাঁধে নিয়ে এগিয়ে চলছে চট্টগ্রাম বন্দর

৯০ শতাংশ বৈদেশিক বাণিজ্যের দায়িত্ব কাঁধে নিয়ে এগিয়ে চলছে চট্টগ্রাম বন্দর
-ছবি: সংগৃহীত

প্রতিকূলতা পেরিয়ে দেশের অর্থনীতির হাল ধরে রেখেছে চট্টগ্রাম বন্দর

দেশের প্রায় ৯০ শতাংশ বৈদেশিক বাণিজ্য পরিচালিত হয় চট্টগ্রাম বন্দরের মাধ্যমে। নানা সংকট ও প্রতিকূলতার মধ্যেও এই বন্দর সচল থাকায় দেশের অর্থনীতির চাকা থেমে যায়নি—এমনটাই বলছেন সংশ্লিষ্টরা। আগামী ২৫ এপ্রিল চট্টগ্রাম বন্দর দিবস উপলক্ষে দিনব্যাপী নানা কর্মসূচিও নেওয়া হয়েছে।

বাংলাদেশের আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রমের বড় অংশই নির্ভর করে এই বন্দরের ওপর। শিল্পকারখানার কাঁচামাল, জ্বালানি, খাদ্যপণ্য এবং তৈরি পোশাক খাতের রপ্তানি—সব ক্ষেত্রেই চট্টগ্রাম বন্দরের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ফলে বন্দর সচল থাকলে দেশের উৎপাদন, সরবরাহ ও রপ্তানি কার্যক্রম স্বাভাবিক থাকে।

ঐতিহাসিকভাবে চট্টগ্রাম অঞ্চল বহু আগে থেকেই সমুদ্রবাণিজ্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত। ব্রিটিশ আমলে ১৮৮৭ সালে পোর্ট কমিশনার্স অ্যাক্ট প্রণয়ন এবং ১৮৮৮ সালের ২৫ এপ্রিল তা কার্যকর হওয়ার মাধ্যমে বন্দরের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়। শুরুতে কর্ণফুলী নদীর তীরে অস্থায়ী জেটির মাধ্যমে পণ্য ওঠানামা করা হতো। পরে স্থায়ী জেটি নির্মাণ, রেল সংযোগ এবং অবকাঠামো উন্নয়নের মাধ্যমে বন্দরটি ধীরে ধীরে আধুনিক রূপ পায়। ১৯২৬ সালে এটি মেজর পোর্ট হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করে।

স্বাধীনতার আগে পাকিস্তান আমলে এটি পোর্ট ট্রাস্ট হিসেবে পরিচালিত হতো। পরে স্বাধীনতার পর ১৯৭৬ সালে এটি পোর্ট অথরিটিতে রূপান্তরিত হয় এবং বর্তমানে একটি স্বায়ত্তশাসিত সরকারি সংস্থা হিসেবে পরিচালিত হচ্ছে। দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের সঙ্গে তাল মিলিয়ে বন্দরের সক্ষমতাও ধীরে ধীরে বৃদ্ধি পেয়েছে।

বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় চট্টগ্রাম বন্দরের অবকাঠামো ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। কর্ণফুলী নদীতে মাইন পুঁতে রাখা, জাহাজ ডুবিয়ে দেওয়া এবং বিভিন্ন স্থাপনা ধ্বংসের কারণে বন্দরের কার্যক্রম প্রায় বন্ধ হয়ে যায়। স্বাধীনতার পর আন্তর্জাতিক সহায়তা এবং দেশীয় উদ্যোগে মাইন অপসারণ ও নৌপথ সচল করার মাধ্যমে আবারও বন্দরের কার্যক্রম শুরু হয়। এই পুনর্গঠন দেশের অর্থনীতি পুনরুদ্ধারে বড় ভূমিকা রাখে।

প্রাকৃতিক দুর্যোগও বন্দরের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে এসেছে। উপকূলীয় এলাকায় অবস্থানের কারণে ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসের ঝুঁকি সবসময় থাকে। বিশেষ করে ১৯৯১ সালের ঘূর্ণিঝড়ে বন্দরের অবকাঠামো মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তবে দ্রুত পুনর্গঠন ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদারের মাধ্যমে বন্দর আবার স্বাভাবিক কার্যক্রমে ফিরে আসে।

বৈদেশিক বাণিজ্য বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বন্দরের ওপর চাপও বেড়েছে। দীর্ঘদিন ধরে কনটেইনার জট, জাহাজের দীর্ঘ অপেক্ষা এবং লজিস্টিক সমস্যার কারণে ব্যবসায়ীদের অতিরিক্ত ব্যয় গুনতে হয়েছে। তবে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে নতুন জেটি নির্মাণ, আধুনিক যন্ত্রপাতি সংযোজন এবং ডিজিটাল ব্যবস্থাপনা চালুর ফলে এসব সমস্যার অনেকটাই কমেছে। এতে পণ্য খালাসের সময় কমেছে এবং সেবার মানও বেড়েছে 

২০২৪ সালের রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের সময় দেশের অর্থনৈতিক কার্যক্রমে চাপ তৈরি হলেও চট্টগ্রাম বন্দর কার্যক্রম সচল রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। শিল্পকারখানার কাঁচামাল দ্রুত খালাস এবং আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম স্বাভাবিক রাখতে বন্দর কর্তৃপক্ষ ২৪ ঘণ্টা সেবা চালু রাখে। এতে ব্যবসায়ীদের আস্থা ধরে রাখতে সহায়ক ভূমিকা পালন করেছে বলে জানা গেছে।

বর্তমানে শুধু জাতীয় অর্থনীতিই নয়, আঞ্চলিক বাণিজ্যের ক্ষেত্রেও চট্টগ্রাম বন্দরের গুরুত্ব বাড়ছে। ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে এটি দক্ষিণ এশিয়া ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার সংযোগস্থল হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। ভারত, নেপাল ও ভুটানের সঙ্গে বাণিজ্য সম্প্রসারণে এই বন্দরের সম্ভাবনা রয়েছে। ভবিষ্যতে ট্রানজিট ও ট্রানশিপমেন্ট সুবিধা বাড়ানো গেলে এটি একটি বড় আঞ্চলিক বাণিজ্যকেন্দ্রে পরিণত হতে পারে।

চট্টগ্রাম বন্দর দিবস উপলক্ষে র‍্যালি, আলোচনা সভা, কেক কাটা, দোয়া মাহফিল ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানসহ দিনব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। এসব অনুষ্ঠানে বন্দরের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পাশাপাশি ব্যবসায়ী ও বিভিন্ন পেশাজীবী অংশ নেবেন। একই সঙ্গে বন্দরের উন্নয়ন কার্যক্রম ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়েও আলোচনা হবে।

সব মিলিয়ে নানা প্রতিকূলতা, সংকট ও সীমাবদ্ধতা অতিক্রম করে চট্টগ্রাম বন্দর দেশের অর্থনীতির প্রধান ভিত্তি হিসেবে নিজের অবস্থান আরও শক্ত করেছে। চলমান উন্নয়ন কার্যক্রম ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে দেশের অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রায় এই বন্দরের ভূমিকা আরও বাড়বে—এমনটাই প্রত্যাশা সংশ্লিষ্টদের। 

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর

বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬


৯০ শতাংশ বৈদেশিক বাণিজ্যের দায়িত্ব কাঁধে নিয়ে এগিয়ে চলছে চট্টগ্রাম বন্দর

প্রকাশের তারিখ : ২৩ এপ্রিল ২০২৬

featured Image

প্রতিকূলতা পেরিয়ে দেশের অর্থনীতির হাল ধরে রেখেছে চট্টগ্রাম বন্দর

দেশের প্রায় ৯০ শতাংশ বৈদেশিক বাণিজ্য পরিচালিত হয় চট্টগ্রাম বন্দরের মাধ্যমে। নানা সংকট ও প্রতিকূলতার মধ্যেও এই বন্দর সচল থাকায় দেশের অর্থনীতির চাকা থেমে যায়নি—এমনটাই বলছেন সংশ্লিষ্টরা। আগামী ২৫ এপ্রিল চট্টগ্রাম বন্দর দিবস উপলক্ষে দিনব্যাপী নানা কর্মসূচিও নেওয়া হয়েছে।

বাংলাদেশের আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রমের বড় অংশই নির্ভর করে এই বন্দরের ওপর। শিল্পকারখানার কাঁচামাল, জ্বালানি, খাদ্যপণ্য এবং তৈরি পোশাক খাতের রপ্তানি—সব ক্ষেত্রেই চট্টগ্রাম বন্দরের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ফলে বন্দর সচল থাকলে দেশের উৎপাদন, সরবরাহ ও রপ্তানি কার্যক্রম স্বাভাবিক থাকে।

ঐতিহাসিকভাবে চট্টগ্রাম অঞ্চল বহু আগে থেকেই সমুদ্রবাণিজ্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত। ব্রিটিশ আমলে ১৮৮৭ সালে পোর্ট কমিশনার্স অ্যাক্ট প্রণয়ন এবং ১৮৮৮ সালের ২৫ এপ্রিল তা কার্যকর হওয়ার মাধ্যমে বন্দরের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়। শুরুতে কর্ণফুলী নদীর তীরে অস্থায়ী জেটির মাধ্যমে পণ্য ওঠানামা করা হতো। পরে স্থায়ী জেটি নির্মাণ, রেল সংযোগ এবং অবকাঠামো উন্নয়নের মাধ্যমে বন্দরটি ধীরে ধীরে আধুনিক রূপ পায়। ১৯২৬ সালে এটি মেজর পোর্ট হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করে।

স্বাধীনতার আগে পাকিস্তান আমলে এটি পোর্ট ট্রাস্ট হিসেবে পরিচালিত হতো। পরে স্বাধীনতার পর ১৯৭৬ সালে এটি পোর্ট অথরিটিতে রূপান্তরিত হয় এবং বর্তমানে একটি স্বায়ত্তশাসিত সরকারি সংস্থা হিসেবে পরিচালিত হচ্ছে। দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের সঙ্গে তাল মিলিয়ে বন্দরের সক্ষমতাও ধীরে ধীরে বৃদ্ধি পেয়েছে।

বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় চট্টগ্রাম বন্দরের অবকাঠামো ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। কর্ণফুলী নদীতে মাইন পুঁতে রাখা, জাহাজ ডুবিয়ে দেওয়া এবং বিভিন্ন স্থাপনা ধ্বংসের কারণে বন্দরের কার্যক্রম প্রায় বন্ধ হয়ে যায়। স্বাধীনতার পর আন্তর্জাতিক সহায়তা এবং দেশীয় উদ্যোগে মাইন অপসারণ ও নৌপথ সচল করার মাধ্যমে আবারও বন্দরের কার্যক্রম শুরু হয়। এই পুনর্গঠন দেশের অর্থনীতি পুনরুদ্ধারে বড় ভূমিকা রাখে।

প্রাকৃতিক দুর্যোগও বন্দরের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে এসেছে। উপকূলীয় এলাকায় অবস্থানের কারণে ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসের ঝুঁকি সবসময় থাকে। বিশেষ করে ১৯৯১ সালের ঘূর্ণিঝড়ে বন্দরের অবকাঠামো মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তবে দ্রুত পুনর্গঠন ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদারের মাধ্যমে বন্দর আবার স্বাভাবিক কার্যক্রমে ফিরে আসে।

বৈদেশিক বাণিজ্য বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বন্দরের ওপর চাপও বেড়েছে। দীর্ঘদিন ধরে কনটেইনার জট, জাহাজের দীর্ঘ অপেক্ষা এবং লজিস্টিক সমস্যার কারণে ব্যবসায়ীদের অতিরিক্ত ব্যয় গুনতে হয়েছে। তবে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে নতুন জেটি নির্মাণ, আধুনিক যন্ত্রপাতি সংযোজন এবং ডিজিটাল ব্যবস্থাপনা চালুর ফলে এসব সমস্যার অনেকটাই কমেছে। এতে পণ্য খালাসের সময় কমেছে এবং সেবার মানও বেড়েছে 

২০২৪ সালের রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের সময় দেশের অর্থনৈতিক কার্যক্রমে চাপ তৈরি হলেও চট্টগ্রাম বন্দর কার্যক্রম সচল রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। শিল্পকারখানার কাঁচামাল দ্রুত খালাস এবং আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম স্বাভাবিক রাখতে বন্দর কর্তৃপক্ষ ২৪ ঘণ্টা সেবা চালু রাখে। এতে ব্যবসায়ীদের আস্থা ধরে রাখতে সহায়ক ভূমিকা পালন করেছে বলে জানা গেছে।

বর্তমানে শুধু জাতীয় অর্থনীতিই নয়, আঞ্চলিক বাণিজ্যের ক্ষেত্রেও চট্টগ্রাম বন্দরের গুরুত্ব বাড়ছে। ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে এটি দক্ষিণ এশিয়া ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার সংযোগস্থল হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। ভারত, নেপাল ও ভুটানের সঙ্গে বাণিজ্য সম্প্রসারণে এই বন্দরের সম্ভাবনা রয়েছে। ভবিষ্যতে ট্রানজিট ও ট্রানশিপমেন্ট সুবিধা বাড়ানো গেলে এটি একটি বড় আঞ্চলিক বাণিজ্যকেন্দ্রে পরিণত হতে পারে।

চট্টগ্রাম বন্দর দিবস উপলক্ষে র‍্যালি, আলোচনা সভা, কেক কাটা, দোয়া মাহফিল ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানসহ দিনব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। এসব অনুষ্ঠানে বন্দরের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পাশাপাশি ব্যবসায়ী ও বিভিন্ন পেশাজীবী অংশ নেবেন। একই সঙ্গে বন্দরের উন্নয়ন কার্যক্রম ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়েও আলোচনা হবে।

সব মিলিয়ে নানা প্রতিকূলতা, সংকট ও সীমাবদ্ধতা অতিক্রম করে চট্টগ্রাম বন্দর দেশের অর্থনীতির প্রধান ভিত্তি হিসেবে নিজের অবস্থান আরও শক্ত করেছে। চলমান উন্নয়ন কার্যক্রম ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে দেশের অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রায় এই বন্দরের ভূমিকা আরও বাড়বে—এমনটাই প্রত্যাশা সংশ্লিষ্টদের। 


দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর

প্রকাশক ও সম্পাদকঃ মোঃ সাদ্দাম হোসেন
কপিরাইট © ২০২৬ দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর