অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠনের বিষয়ে বড় সিদ্ধান্ত এসেছে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের সঙ্গে তিন বাহিনীর প্রধান ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়কারীদের বৈঠকে। বৈঠকে নোবেল বিজয়ী অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে প্রধান উপদেষ্টা করে নতুন সরকার গঠনের বিষয়ে একমত হয় সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলো।
বুধবার (৭ আগস্ট) রাতে রাষ্ট্রপতির প্রেস উইং থেকে পাঠানো বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের পক্ষ থেকে ড. ইউনূসকে প্রধান করে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠনের প্রস্তাব দেওয়া হয়। রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন সেই প্রস্তাবে সম্মতি দেন।
তবে উপদেষ্টা পরিষদের বাকি সদস্যদের মনোনয়ন নিয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। এ বিষয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা করে নাম চূড়ান্ত করার পরামর্শ দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি। একই সঙ্গে অন্তর্বর্তী সরকারে একজন মুক্তিযোদ্ধাকে অন্তর্ভুক্ত করার কথাও বলেন তিনি।
বৈঠকে সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী ও বিমানবাহিনীর প্রধানসহ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই অধ্যাপক এবং আন্দোলনের ১৩ জন সমন্বয়ক উপস্থিত ছিলেন। রাষ্ট্রপতি বলেন, বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনায় দ্রুত অন্তর্বর্তী সরকার গঠন করা জরুরি এবং সবাইকে শান্তিপূর্ণভাবে সহযোগিতা করার আহ্বান জানান তিনি।
এই সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এখন পরবর্তী ধাপে উপদেষ্টা পরিষদ গঠনের প্রক্রিয়া ও রাজনৈতিক আলোচনা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

বুধবার, ২৭ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ আগস্ট ২০২৪
অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠনের বিষয়ে বড় সিদ্ধান্ত এসেছে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের সঙ্গে তিন বাহিনীর প্রধান ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়কারীদের বৈঠকে। বৈঠকে নোবেল বিজয়ী অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে প্রধান উপদেষ্টা করে নতুন সরকার গঠনের বিষয়ে একমত হয় সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলো।
বুধবার (৭ আগস্ট) রাতে রাষ্ট্রপতির প্রেস উইং থেকে পাঠানো বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের পক্ষ থেকে ড. ইউনূসকে প্রধান করে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠনের প্রস্তাব দেওয়া হয়। রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন সেই প্রস্তাবে সম্মতি দেন।
তবে উপদেষ্টা পরিষদের বাকি সদস্যদের মনোনয়ন নিয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। এ বিষয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা করে নাম চূড়ান্ত করার পরামর্শ দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি। একই সঙ্গে অন্তর্বর্তী সরকারে একজন মুক্তিযোদ্ধাকে অন্তর্ভুক্ত করার কথাও বলেন তিনি।
বৈঠকে সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী ও বিমানবাহিনীর প্রধানসহ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই অধ্যাপক এবং আন্দোলনের ১৩ জন সমন্বয়ক উপস্থিত ছিলেন। রাষ্ট্রপতি বলেন, বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনায় দ্রুত অন্তর্বর্তী সরকার গঠন করা জরুরি এবং সবাইকে শান্তিপূর্ণভাবে সহযোগিতা করার আহ্বান জানান তিনি।
এই সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এখন পরবর্তী ধাপে উপদেষ্টা পরিষদ গঠনের প্রক্রিয়া ও রাজনৈতিক আলোচনা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

আপনার মতামত লিখুন