বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে মুক্তি দিয়েছে সরকার। মঙ্গলবার (৬ আগস্ট) রাতে এ তথ্য জানানো হয় বঙ্গভবনের উপ-প্রেস সচিব মো. শিপলু জামানের সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে।
মুক্তির খবর প্রকাশের পর রাতেই রাজধানীর একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন খালেদা জিয়ার সঙ্গে দেখা করতে যান বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। সেখানে তিনি ফুলেল শুভেচ্ছা জানান এবং তার শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নেন।
দলের মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান জানান, মুক্তির পরপরই দলের মহাসচিব হাসপাতালে গিয়ে খালেদা জিয়ার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। এ সময় তিনি তার চিকিৎসা ও শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে বিস্তারিত খোঁজ নেন। তিনি আরও জানান, দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থতার কারণে খালেদা জিয়া নিয়মিত চিকিৎসাধীন ছিলেন এবং দলের শীর্ষ নেতারা তার চিকিৎসা পরিস্থিতি নিয়ে সবসময় যোগাযোগ রাখছেন।
হাসপাতালে দেখা করার সময় খালেদা জিয়াকে হাস্যোজ্জ্বল অবস্থায় দেখা গেছে বলে দলীয় সূত্র জানিয়েছে। বিএনপির নেতারা বলছেন, দীর্ঘ সময় চিকিৎসাধীন থাকার পর তার শারীরিক অবস্থায় কিছুটা উন্নতি হয়েছে।
এর আগে ২০২০ সালে নির্বাহী আদেশে খালেদা জিয়াকে সাময়িকভাবে মুক্তি দেওয়া হয়। এরপর থেকে তিনি গুলশানের বাসভবন ফিরোজায় অবস্থান করছিলেন। তবে বিভিন্ন সময় শারীরিক অসুস্থতার কারণে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
সর্বশেষ গত ৮ জুলাই তিনি হাসপাতালে ভর্তি হন চিকিৎসার জন্য। চিকিৎসকদের পর্যবেক্ষণে থাকার পর বর্তমানে তার অবস্থার কিছুটা উন্নতি হয়েছে বলে জানা গেছে। বিএনপি সূত্র জানিয়েছে, চিকিৎসা পরিস্থিতি ভালো থাকলে আগামী কয়েক দিনের মধ্যে তিনি বাসায় ফিরতে পারেন।
রাজনৈতিক অঙ্গনে খালেদা জিয়ার মুক্তির বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ একটি ঘটনা হিসেবে দেখা হচ্ছে। বিএনপি নেতারা এটিকে ইতিবাচক অগ্রগতি হিসেবে উল্লেখ করেছেন এবং তার দ্রুত সুস্থতা কামনা করেছেন।
সব মিলিয়ে দীর্ঘ সময় চিকিৎসা ও রাজনৈতিক অনিশ্চয়তার মধ্যে থাকা খালেদা জিয়ার মুক্তি নিয়ে দলের ভেতরে স্বস্তি ফিরেছে। এখন তার স্বাস্থ্যগত উন্নতি এবং ভবিষ্যৎ অবস্থান নিয়ে রাজনৈতিক মহলে নানা আলোচনা চলছে।

বুধবার, ২৭ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ আগস্ট ২০২৪
বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে মুক্তি দিয়েছে সরকার। মঙ্গলবার (৬ আগস্ট) রাতে এ তথ্য জানানো হয় বঙ্গভবনের উপ-প্রেস সচিব মো. শিপলু জামানের সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে।
মুক্তির খবর প্রকাশের পর রাতেই রাজধানীর একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন খালেদা জিয়ার সঙ্গে দেখা করতে যান বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। সেখানে তিনি ফুলেল শুভেচ্ছা জানান এবং তার শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নেন।
দলের মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান জানান, মুক্তির পরপরই দলের মহাসচিব হাসপাতালে গিয়ে খালেদা জিয়ার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। এ সময় তিনি তার চিকিৎসা ও শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে বিস্তারিত খোঁজ নেন। তিনি আরও জানান, দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থতার কারণে খালেদা জিয়া নিয়মিত চিকিৎসাধীন ছিলেন এবং দলের শীর্ষ নেতারা তার চিকিৎসা পরিস্থিতি নিয়ে সবসময় যোগাযোগ রাখছেন।
হাসপাতালে দেখা করার সময় খালেদা জিয়াকে হাস্যোজ্জ্বল অবস্থায় দেখা গেছে বলে দলীয় সূত্র জানিয়েছে। বিএনপির নেতারা বলছেন, দীর্ঘ সময় চিকিৎসাধীন থাকার পর তার শারীরিক অবস্থায় কিছুটা উন্নতি হয়েছে।
এর আগে ২০২০ সালে নির্বাহী আদেশে খালেদা জিয়াকে সাময়িকভাবে মুক্তি দেওয়া হয়। এরপর থেকে তিনি গুলশানের বাসভবন ফিরোজায় অবস্থান করছিলেন। তবে বিভিন্ন সময় শারীরিক অসুস্থতার কারণে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
সর্বশেষ গত ৮ জুলাই তিনি হাসপাতালে ভর্তি হন চিকিৎসার জন্য। চিকিৎসকদের পর্যবেক্ষণে থাকার পর বর্তমানে তার অবস্থার কিছুটা উন্নতি হয়েছে বলে জানা গেছে। বিএনপি সূত্র জানিয়েছে, চিকিৎসা পরিস্থিতি ভালো থাকলে আগামী কয়েক দিনের মধ্যে তিনি বাসায় ফিরতে পারেন।
রাজনৈতিক অঙ্গনে খালেদা জিয়ার মুক্তির বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ একটি ঘটনা হিসেবে দেখা হচ্ছে। বিএনপি নেতারা এটিকে ইতিবাচক অগ্রগতি হিসেবে উল্লেখ করেছেন এবং তার দ্রুত সুস্থতা কামনা করেছেন।
সব মিলিয়ে দীর্ঘ সময় চিকিৎসা ও রাজনৈতিক অনিশ্চয়তার মধ্যে থাকা খালেদা জিয়ার মুক্তি নিয়ে দলের ভেতরে স্বস্তি ফিরেছে। এখন তার স্বাস্থ্যগত উন্নতি এবং ভবিষ্যৎ অবস্থান নিয়ে রাজনৈতিক মহলে নানা আলোচনা চলছে।

আপনার মতামত লিখুন