দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর
সর্বশেষ
প্রকাশ : শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬

দেশকে আরও সবুজ করে গড়ে তুলতে সবার প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান

দেশকে আরও সবুজ করে গড়ে তুলতে সবার প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান

টানা বৃষ্টিতে ফের ডুবছে চট্টগ্রাম: দুর্ভোগে কর্মজীবী মানুষ, বাড়ল রিকশা ভাড়া

ইরানে আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির জানাজা অনুষ্ঠিত, পরিবারের চার সদস্যেরও নামাজে অংশগ্রহণ

জুলাই আন্দোলনের শহীদ পরিবার ও আহত যোদ্ধাদের সম্মাননা, প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে ‘জুলাই স্মৃতি স্মারক’ গ্রহণ

কিশোরগঞ্জ জেলা কারাগার পরিদর্শনে ডিসি সোহানা নাসরিন, বন্দিদের কল্যাণে দিলেন একগুচ্ছ নির্দেশনা

আনোয়ার ইব্রাহিমের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর একান্ত বৈঠক, কর্মী প্রেরণ ও বিনিয়োগে নতুন সম্ভাবনার আলোচনা

মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার খুলতে উদ্যোগ, প্রবাসীদের সমস্যার সমাধানের আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর

প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ২০২৬: শিশুদের শিক্ষা ও স্বাস্থ্যে বিনিয়োগই জাতি গঠনের সবচেয়ে বড় ভিত্তি—প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

কালবৈশাখীর শঙ্কা বাড়ছে: রংপুর থেকে সিলেট পর্যন্ত ঝড়ের পূর্বাভাস

কালবৈশাখীর শঙ্কা বাড়ছে: রংপুর থেকে সিলেট পর্যন্ত ঝড়ের পূর্বাভাস
-ফাইল ফটো

দেশের অন্তত ৮টি অঞ্চলের ওপর দিয়ে সন্ধ্যা থেকে গভীর রাত পর্যন্ত ঝড়ো হাওয়া ও বজ্রবৃষ্টির আশঙ্কা রয়েছে। কোথাও কোথাও ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৮০ কিলোমিটার বেগে দমকা হাওয়া বয়ে যেতে পারে বলে সতর্ক করেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।শনিবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে দিবাগত রাত ১টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য দেওয়া এক পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, রংপুর, রাজশাহী, বগুড়া, পাবনা, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ, কুমিল্লা ও সিলেট অঞ্চলের ওপর দিয়ে পশ্চিম বা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে অস্থায়ীভাবে দমকা বা ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এসব এলাকার নদীবন্দরকে ১ নম্বর সতর্কসংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

আবহাওয়াবিদ এ কে এম নাজমুল হক জানান, এসব এলাকায় বাতাসের গতি ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার পর্যন্ত হতে পারে। তবে কিছু জায়গায় এর চেয়ে বেশি গতির ঝোড়ো হাওয়াও বয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা আছে। এ সময় খোলা জায়গায় অবস্থান না করা এবং নদীপথে চলাচলে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

এদিকে আরেকটি পূর্বাভাসে জানানো হয়েছে, ময়মনসিংহ ও সিলেট অঞ্চলেও বিকেল ৪টা থেকে রাত ১টার মধ্যে ঝড়-বৃষ্টি হতে পারে। এসব এলাকার ওপর দিয়েও একই ধরনের দমকা হাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তাই এখানকার নদীবন্দরগুলোতেও ১ নম্বর সতর্কসংকেত বহাল রাখা হয়েছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই সময়টিতে সাধারণত কালবৈশাখী মৌসুম চলতে থাকে। মার্চ থেকে মে মাসের মধ্যে দেশের উত্তর ও মধ্যাঞ্চলে হঠাৎ করে দমকা হাওয়া, বজ্রপাত ও ভারী বৃষ্টির ঘটনা বেশি ঘটে। এর ফলে গাছপালা ভেঙে পড়া, বিদ্যুৎ বিভ্রাট বা নৌপথে দুর্ঘটনার ঝুঁকি বেড়ে যায়। তাই আগাম সতর্কতা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

নদীবন্দরের জন্য দেওয়া ১ নম্বর সতর্কসংকেত মূলত সতর্ক থাকার একটি প্রাথমিক নির্দেশনা। এর অর্থ হচ্ছে, নদীপথে ছোট নৌযানগুলোকে সাবধানে চলাচল করতে হবে এবং আবহাওয়ার পরিবর্তনের দিকে নজর রাখতে হবে। প্রয়োজনে নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নিতে বলা হয়।

গত কয়েক বছর ধরেই এই মৌসুমে বজ্রপাত ও ঝড়ের ঘটনা তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যাচ্ছে। বিশেষ করে উত্তরাঞ্চল ও হাওর এলাকাগুলোতে বজ্রপাতের ঝুঁকি বেশি থাকে। ফলে কৃষক, জেলে ও খোলা মাঠে কাজ করা মানুষদের জন্য আগাম সতর্ক থাকা খুব জরুরি বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, পরিস্থিতি অনুযায়ী পরবর্তী সময়ে নতুন সতর্কবার্তা দেওয়া হতে পারে। তাই সংশ্লিষ্ট এলাকার মানুষকে নিয়মিত আবহাওয়ার আপডেট অনুসরণ করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

সব মিলিয়ে, সন্ধ্যা থেকে গভীর রাত পর্যন্ত ঝড়-বৃষ্টি ও দমকা হাওয়ার এই পূর্বাভাসকে গুরুত্ব দিয়ে প্রয়োজনীয় সতর্কতা নিলে সম্ভাব্য ক্ষতি অনেকটাই কমানো সম্ভব হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর

শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬


কালবৈশাখীর শঙ্কা বাড়ছে: রংপুর থেকে সিলেট পর্যন্ত ঝড়ের পূর্বাভাস

প্রকাশের তারিখ : ১৮ এপ্রিল ২০২৬

featured Image

দেশের অন্তত ৮টি অঞ্চলের ওপর দিয়ে সন্ধ্যা থেকে গভীর রাত পর্যন্ত ঝড়ো হাওয়া ও বজ্রবৃষ্টির আশঙ্কা রয়েছে। কোথাও কোথাও ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৮০ কিলোমিটার বেগে দমকা হাওয়া বয়ে যেতে পারে বলে সতর্ক করেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।শনিবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে দিবাগত রাত ১টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য দেওয়া এক পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, রংপুর, রাজশাহী, বগুড়া, পাবনা, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ, কুমিল্লা ও সিলেট অঞ্চলের ওপর দিয়ে পশ্চিম বা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে অস্থায়ীভাবে দমকা বা ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এসব এলাকার নদীবন্দরকে ১ নম্বর সতর্কসংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

আবহাওয়াবিদ এ কে এম নাজমুল হক জানান, এসব এলাকায় বাতাসের গতি ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার পর্যন্ত হতে পারে। তবে কিছু জায়গায় এর চেয়ে বেশি গতির ঝোড়ো হাওয়াও বয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা আছে। এ সময় খোলা জায়গায় অবস্থান না করা এবং নদীপথে চলাচলে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

এদিকে আরেকটি পূর্বাভাসে জানানো হয়েছে, ময়মনসিংহ ও সিলেট অঞ্চলেও বিকেল ৪টা থেকে রাত ১টার মধ্যে ঝড়-বৃষ্টি হতে পারে। এসব এলাকার ওপর দিয়েও একই ধরনের দমকা হাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তাই এখানকার নদীবন্দরগুলোতেও ১ নম্বর সতর্কসংকেত বহাল রাখা হয়েছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই সময়টিতে সাধারণত কালবৈশাখী মৌসুম চলতে থাকে। মার্চ থেকে মে মাসের মধ্যে দেশের উত্তর ও মধ্যাঞ্চলে হঠাৎ করে দমকা হাওয়া, বজ্রপাত ও ভারী বৃষ্টির ঘটনা বেশি ঘটে। এর ফলে গাছপালা ভেঙে পড়া, বিদ্যুৎ বিভ্রাট বা নৌপথে দুর্ঘটনার ঝুঁকি বেড়ে যায়। তাই আগাম সতর্কতা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

নদীবন্দরের জন্য দেওয়া ১ নম্বর সতর্কসংকেত মূলত সতর্ক থাকার একটি প্রাথমিক নির্দেশনা। এর অর্থ হচ্ছে, নদীপথে ছোট নৌযানগুলোকে সাবধানে চলাচল করতে হবে এবং আবহাওয়ার পরিবর্তনের দিকে নজর রাখতে হবে। প্রয়োজনে নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নিতে বলা হয়।

গত কয়েক বছর ধরেই এই মৌসুমে বজ্রপাত ও ঝড়ের ঘটনা তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যাচ্ছে। বিশেষ করে উত্তরাঞ্চল ও হাওর এলাকাগুলোতে বজ্রপাতের ঝুঁকি বেশি থাকে। ফলে কৃষক, জেলে ও খোলা মাঠে কাজ করা মানুষদের জন্য আগাম সতর্ক থাকা খুব জরুরি বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, পরিস্থিতি অনুযায়ী পরবর্তী সময়ে নতুন সতর্কবার্তা দেওয়া হতে পারে। তাই সংশ্লিষ্ট এলাকার মানুষকে নিয়মিত আবহাওয়ার আপডেট অনুসরণ করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

সব মিলিয়ে, সন্ধ্যা থেকে গভীর রাত পর্যন্ত ঝড়-বৃষ্টি ও দমকা হাওয়ার এই পূর্বাভাসকে গুরুত্ব দিয়ে প্রয়োজনীয় সতর্কতা নিলে সম্ভাব্য ক্ষতি অনেকটাই কমানো সম্ভব হবে বলে আশা করা হচ্ছে।


দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর

প্রকাশক ও সম্পাদকঃ মোঃ সাদ্দাম হোসেন
কপিরাইট © ২০২৬ দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর