দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর
সর্বশেষ
প্রকাশ : শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬

জুলাইয়ের শুরুতেই এইচএসসি পরীক্ষা: শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের প্রস্তুতির পরামর্শ

জুলাইয়ের শুরুতেই এইচএসসি পরীক্ষা: শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের প্রস্তুতির পরামর্শ

নববর্ষের রঙে রঙিন নর্থ সাউথ ক্যাম্পাস, শিক্ষার্থীদের প্রাণবন্ত অংশগ্রহণ

গুচ্ছের এ ইউনিটের ফল প্রকাশ: পাস ৩০%, শীর্ষে মোহাম্মদপুর সরকারি কলেজের শিক্ষার্থী

রাজধানীতে ঢাবি শিক্ষার্থীবাহী বাস দুর্ঘটনা, হাসপাতালে ছুটলেন ডাকসু নেতারা

এসএসসি পরীক্ষা ২০২৬: অসদুপায় অবলম্বন করলেই ‘সাইলেন্ট এক্সপেল’, যা জানা জরুরি পরীক্ষার্থীদের

গুচ্ছের ‘এ’ ইউনিটের ফল প্রকাশ: পাসের হার ৩০ শতাংশ, প্রথম তৌকির সিদ্দিক ইশতি

বাবার অনুপস্থিতি: শিশুর মানসিক বিকাশে নীরব প্রভাব

তারাবিসহ রমজানের গুরুত্বপূর্ণ সময়ে বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ

জুলাইয়ের শুরুতেই এইচএসসি পরীক্ষা: শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের প্রস্তুতির পরামর্শ

জুলাইয়ের শুরুতেই এইচএসসি পরীক্ষা: শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের প্রস্তুতির পরামর্শ
-ছবি: সংগৃহীত

২০২৬  সালের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার তারিখ ঘোষণা করা হয়েছে। ঘোষিত সূচি অনুযায়ী আগামী ২ জুলাই থেকে সারাদেশে একযোগে এই পরীক্ষা শুরু হবে। ফলে দেশের লাখো শিক্ষার্থী এখন চূড়ান্ত প্রস্তুতির দিকে মনোযোগ দেওয়ার সুযোগ পাচ্ছে। 

শিক্ষা বোর্ডগুলোর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, পরীক্ষার প্রস্তুতি ও সার্বিক আয়োজন ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে। নিয়ম অনুযায়ী লিখিত পরীক্ষা আগে অনুষ্ঠিত হবে এবং পরে ব্যবহারিক পরীক্ষা নেওয়া হবে। খুব শিগগিরই বিস্তারিত রুটিন প্রকাশ করা হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে। এতে শিক্ষার্থীরা বিষয়ভিত্তিক প্রস্তুতি আরও পরিকল্পিতভাবে সাজাতে পারবে।

বাংলাদেশে এইচএসসি পরীক্ষা সাধারণত শিক্ষা জীবনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হিসেবে ধরা হয়। কারণ এই পরীক্ষার ফলাফলের ওপর নির্ভর করে শিক্ষার্থীদের বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি এবং ভবিষ্যৎ পড়াশোনার দিকনির্দেশনা অনেকটাই নির্ধারিত হয়। তাই পরীক্ষার তারিখ ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গে শিক্ষার্থীদের মধ্যে স্বাভাবিকভাবেই এক ধরনের বাড়তি আগ্রহ ও দায়িত্ববোধ তৈরি হয়।

এদিকে শিক্ষা বোর্ড সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, পরীক্ষা সুষ্ঠু ও নকলমুক্ত পরিবেশে আয়োজন করতে প্রয়োজনীয় সব প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। পরীক্ষাকেন্দ্র নির্ধারণ, প্রশ্নপত্র প্রণয়ন, নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার—সব বিষয়েই কাজ চলছে ধাপে ধাপে। একই সঙ্গে শিক্ষার্থীদেরও নিয়মিত পড়াশোনার পাশাপাশি মানসিকভাবে প্রস্তুত থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

বাংলাদেশে বর্তমানে সাধারণ ৯টি শিক্ষা বোর্ড, একটি মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড এবং একটি কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। প্রতিবছর প্রায় ১২ থেকে ১৫ লাখ শিক্ষার্থী এই পরীক্ষায় অংশ নেয়। তাই জাতীয় পর্যায়ে এটি একটি বড় শিক্ষা কার্যক্রম হিসেবে বিবেচিত হয়।

গত কয়েক বছরে নানা কারণে পরীক্ষার সময়সূচিতে কিছুটা পরিবর্তন দেখা গেলেও এবার নির্ধারিত সময়ের কাছাকাছি পরীক্ষার আয়োজন করা হচ্ছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। এতে শিক্ষার্থীদের শিক্ষাবর্ষের ধারাবাহিকতা বজায় থাকবে এবং পরবর্তী ভর্তি কার্যক্রমও সময়মতো শুরু করা সহজ হবে।

শিক্ষা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, পরীক্ষার তারিখ ঘোষণার পর এখন শিক্ষার্থীদের উচিত সময় নষ্ট না করে একটি নির্দিষ্ট পরিকল্পনা অনুযায়ী পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়া। প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময় ধরে অনুশীলন করলে পরীক্ষার আগে আত্মবিশ্বাস অনেকটাই বাড়বে। পাশাপাশি অভিভাবকদেরও শিক্ষার্থীদের মানসিকভাবে সহায়তা করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

সব মিলিয়ে, আগামী ২ জুলাই শুরু হতে যাওয়া এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা ২০২৬ দেশের লাখো শিক্ষার্থীর জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হতে যাচ্ছে। সময়মতো প্রস্তুতি এবং সঠিক পরিকল্পনা থাকলে শিক্ষার্থীরা এই পরীক্ষায় ভালো ফল অর্জন করতে পারবে—এমনটাই আশা করছেন সংশ্লিষ্ট সবাই।

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর

শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬


জুলাইয়ের শুরুতেই এইচএসসি পরীক্ষা: শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের প্রস্তুতির পরামর্শ

প্রকাশের তারিখ : ১৮ এপ্রিল ২০২৬

featured Image

২০২৬  সালের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার তারিখ ঘোষণা করা হয়েছে। ঘোষিত সূচি অনুযায়ী আগামী ২ জুলাই থেকে সারাদেশে একযোগে এই পরীক্ষা শুরু হবে। ফলে দেশের লাখো শিক্ষার্থী এখন চূড়ান্ত প্রস্তুতির দিকে মনোযোগ দেওয়ার সুযোগ পাচ্ছে। 

শিক্ষা বোর্ডগুলোর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, পরীক্ষার প্রস্তুতি ও সার্বিক আয়োজন ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে। নিয়ম অনুযায়ী লিখিত পরীক্ষা আগে অনুষ্ঠিত হবে এবং পরে ব্যবহারিক পরীক্ষা নেওয়া হবে। খুব শিগগিরই বিস্তারিত রুটিন প্রকাশ করা হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে। এতে শিক্ষার্থীরা বিষয়ভিত্তিক প্রস্তুতি আরও পরিকল্পিতভাবে সাজাতে পারবে।

বাংলাদেশে এইচএসসি পরীক্ষা সাধারণত শিক্ষা জীবনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হিসেবে ধরা হয়। কারণ এই পরীক্ষার ফলাফলের ওপর নির্ভর করে শিক্ষার্থীদের বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি এবং ভবিষ্যৎ পড়াশোনার দিকনির্দেশনা অনেকটাই নির্ধারিত হয়। তাই পরীক্ষার তারিখ ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গে শিক্ষার্থীদের মধ্যে স্বাভাবিকভাবেই এক ধরনের বাড়তি আগ্রহ ও দায়িত্ববোধ তৈরি হয়।

এদিকে শিক্ষা বোর্ড সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, পরীক্ষা সুষ্ঠু ও নকলমুক্ত পরিবেশে আয়োজন করতে প্রয়োজনীয় সব প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। পরীক্ষাকেন্দ্র নির্ধারণ, প্রশ্নপত্র প্রণয়ন, নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার—সব বিষয়েই কাজ চলছে ধাপে ধাপে। একই সঙ্গে শিক্ষার্থীদেরও নিয়মিত পড়াশোনার পাশাপাশি মানসিকভাবে প্রস্তুত থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

বাংলাদেশে বর্তমানে সাধারণ ৯টি শিক্ষা বোর্ড, একটি মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড এবং একটি কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। প্রতিবছর প্রায় ১২ থেকে ১৫ লাখ শিক্ষার্থী এই পরীক্ষায় অংশ নেয়। তাই জাতীয় পর্যায়ে এটি একটি বড় শিক্ষা কার্যক্রম হিসেবে বিবেচিত হয়।

গত কয়েক বছরে নানা কারণে পরীক্ষার সময়সূচিতে কিছুটা পরিবর্তন দেখা গেলেও এবার নির্ধারিত সময়ের কাছাকাছি পরীক্ষার আয়োজন করা হচ্ছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। এতে শিক্ষার্থীদের শিক্ষাবর্ষের ধারাবাহিকতা বজায় থাকবে এবং পরবর্তী ভর্তি কার্যক্রমও সময়মতো শুরু করা সহজ হবে।

শিক্ষা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, পরীক্ষার তারিখ ঘোষণার পর এখন শিক্ষার্থীদের উচিত সময় নষ্ট না করে একটি নির্দিষ্ট পরিকল্পনা অনুযায়ী পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়া। প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময় ধরে অনুশীলন করলে পরীক্ষার আগে আত্মবিশ্বাস অনেকটাই বাড়বে। পাশাপাশি অভিভাবকদেরও শিক্ষার্থীদের মানসিকভাবে সহায়তা করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

সব মিলিয়ে, আগামী ২ জুলাই শুরু হতে যাওয়া এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা ২০২৬ দেশের লাখো শিক্ষার্থীর জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হতে যাচ্ছে। সময়মতো প্রস্তুতি এবং সঠিক পরিকল্পনা থাকলে শিক্ষার্থীরা এই পরীক্ষায় ভালো ফল অর্জন করতে পারবে—এমনটাই আশা করছেন সংশ্লিষ্ট সবাই।


দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর

প্রকাশক ও সম্পাদকঃ মোঃ সাদ্দাম হোসেন
কপিরাইট © ২০২৬ দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর