কোটা সংস্কার আন্দোলনকে ঘিরে চলমান সহিংস পরিস্থিতির কারণে টানা কয়েকদিন ইন্টারনেট সেবা বন্ধ থাকায় দেশের অন্যান্য এলাকার মতো সিরাজগঞ্জের কাজিপুরেও স্বাভাবিক যোগাযোগ ও অনলাইন কার্যক্রম ব্যাহত হয়। তবে ইন্টারনেট সেবা পুনরায় চালু হওয়ার পর থেকেই হাটবাজার ও মোবাইল দোকানগুলোতে দেখা দিয়েছে গ্রাহকের ব্যাপক ভিড়।
মঙ্গলবার (৩০ জুলাই) দুপুরে কাজিপুর পৌরসভাসহ উপজেলার বিভিন্ন বাজার—মেঘাই, সোনামুখী, শিমুলদাইড়, ঢেকুরিয়া, হরিনাথপুর ও সিমান্তবাজার এলাকায় মোবাইল ও ইন্টারনেট সেবার দোকানগুলোতে এমন চিত্র দেখা যায়।
দোকান মালিকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, প্রায় ১০ দিন ইন্টারনেট সেবা বন্ধ থাকার পর রবিবার বিকেল থেকে ধীরে ধীরে সেবা স্বাভাবিক হতে শুরু করে। এরপর থেকেই গ্রাহকরা আবারও ডাটা প্যাক, নতুন সিম ও মোবাইল ইন্টারনেট সেবা নিতে দোকানে ভিড় করতে শুরু করেন।
দোকানিরা জানান, এই কয়েকদিনে ব্যবসা প্রায় বন্ধের মতো অবস্থায় ছিল, তবে এখন পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ায় তারা কিছুটা স্বস্তি পেয়েছেন।
সরেজমিনে দেখা যায়, গ্রামীণ, রবি, বাংলালিংক ও টেলিটকসহ বিভিন্ন অপারেটরের জিবি অফার কিনতে দোকানে লাইন ধরে দাঁড়িয়ে আছেন গ্রাহকরা। কেউ নতুন সিম কিনছেন, আবার কেউ পুরোনো সিমে ডাটা প্যাক রিচার্জ করছেন।
অনেকেই দীর্ঘদিন পর অনলাইন কার্যক্রমে ফিরে যেতে আগ্রহী হয়ে পড়েছেন।
মেঘাই বাজারের রাসেল মিয়া (৩২) নামের এক ফ্রিল্যান্সার বলেন, ইন্টারনেট বন্ধ থাকায় তিনি কয়েকদিন কাজ করতে পারেননি, যার ফলে আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েন।
তিনি বলেন, “ইন্টারনেট বন্ধ থাকায় আমরা পুরোপুরি বেকার হয়ে পড়েছিলাম। এখন আবার জিবি প্যাক নিয়ে কাজ শুরু করেছি।”
সোনামুখী চৌরাস্তার ‘ইমন ইলেকট্রনিক্স’-এর স্বত্বাধিকারী ইসমাইল হোসেন জানান, ইন্টারনেট বন্ধ থাকায় শুধু মোবাইল ডাটা নয়, টাকা-পয়সার লেনদেনও প্রায় বন্ধ ছিল।
তিনি বলেন, “গত কয়েকদিন আমাদের দোকানেও বিক্রি প্রায় বন্ধ ছিল। এখন আবার গ্রাহক বাড়ছে, ব্যবসাও ভালো হচ্ছে।”
উল্লেখ্য, ১৬ জুলাই থেকে দেশে ইন্টারনেটের ধীরগতি দেখা দেয় এবং ১৮ জুলাই রাতে পুরোপুরি ইন্টারনেট শাটডাউন করা হয় বলে জানা যায়। প্রায় ১০ দিন পর ২৮ জুলাই বিকেল থেকে ধীরে ধীরে মোবাইল ইন্টারনেট চালু হয়।
এই সময়টায় দেশের বিভিন্ন জায়গায় অনলাইন যোগাযোগ, ফ্রিল্যান্সিং, অনলাইন ব্যবসা এবং সাধারণ যোগাযোগে বড় ধরনের বিঘ্ন ঘটে।
তবে এই অভিজ্ঞতা আবারও প্রমাণ করেছে, আধুনিক জীবনে ইন্টারনেট কতটা গুরুত্বপূর্ণ একটি সেবা হয়ে উঠেছে।

বুধবার, ২৭ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ আগস্ট ২০২৪
কোটা সংস্কার আন্দোলনকে ঘিরে চলমান সহিংস পরিস্থিতির কারণে টানা কয়েকদিন ইন্টারনেট সেবা বন্ধ থাকায় দেশের অন্যান্য এলাকার মতো সিরাজগঞ্জের কাজিপুরেও স্বাভাবিক যোগাযোগ ও অনলাইন কার্যক্রম ব্যাহত হয়। তবে ইন্টারনেট সেবা পুনরায় চালু হওয়ার পর থেকেই হাটবাজার ও মোবাইল দোকানগুলোতে দেখা দিয়েছে গ্রাহকের ব্যাপক ভিড়।
মঙ্গলবার (৩০ জুলাই) দুপুরে কাজিপুর পৌরসভাসহ উপজেলার বিভিন্ন বাজার—মেঘাই, সোনামুখী, শিমুলদাইড়, ঢেকুরিয়া, হরিনাথপুর ও সিমান্তবাজার এলাকায় মোবাইল ও ইন্টারনেট সেবার দোকানগুলোতে এমন চিত্র দেখা যায়।
দোকান মালিকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, প্রায় ১০ দিন ইন্টারনেট সেবা বন্ধ থাকার পর রবিবার বিকেল থেকে ধীরে ধীরে সেবা স্বাভাবিক হতে শুরু করে। এরপর থেকেই গ্রাহকরা আবারও ডাটা প্যাক, নতুন সিম ও মোবাইল ইন্টারনেট সেবা নিতে দোকানে ভিড় করতে শুরু করেন।
দোকানিরা জানান, এই কয়েকদিনে ব্যবসা প্রায় বন্ধের মতো অবস্থায় ছিল, তবে এখন পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ায় তারা কিছুটা স্বস্তি পেয়েছেন।
সরেজমিনে দেখা যায়, গ্রামীণ, রবি, বাংলালিংক ও টেলিটকসহ বিভিন্ন অপারেটরের জিবি অফার কিনতে দোকানে লাইন ধরে দাঁড়িয়ে আছেন গ্রাহকরা। কেউ নতুন সিম কিনছেন, আবার কেউ পুরোনো সিমে ডাটা প্যাক রিচার্জ করছেন।
অনেকেই দীর্ঘদিন পর অনলাইন কার্যক্রমে ফিরে যেতে আগ্রহী হয়ে পড়েছেন।
মেঘাই বাজারের রাসেল মিয়া (৩২) নামের এক ফ্রিল্যান্সার বলেন, ইন্টারনেট বন্ধ থাকায় তিনি কয়েকদিন কাজ করতে পারেননি, যার ফলে আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েন।
তিনি বলেন, “ইন্টারনেট বন্ধ থাকায় আমরা পুরোপুরি বেকার হয়ে পড়েছিলাম। এখন আবার জিবি প্যাক নিয়ে কাজ শুরু করেছি।”
সোনামুখী চৌরাস্তার ‘ইমন ইলেকট্রনিক্স’-এর স্বত্বাধিকারী ইসমাইল হোসেন জানান, ইন্টারনেট বন্ধ থাকায় শুধু মোবাইল ডাটা নয়, টাকা-পয়সার লেনদেনও প্রায় বন্ধ ছিল।
তিনি বলেন, “গত কয়েকদিন আমাদের দোকানেও বিক্রি প্রায় বন্ধ ছিল। এখন আবার গ্রাহক বাড়ছে, ব্যবসাও ভালো হচ্ছে।”
উল্লেখ্য, ১৬ জুলাই থেকে দেশে ইন্টারনেটের ধীরগতি দেখা দেয় এবং ১৮ জুলাই রাতে পুরোপুরি ইন্টারনেট শাটডাউন করা হয় বলে জানা যায়। প্রায় ১০ দিন পর ২৮ জুলাই বিকেল থেকে ধীরে ধীরে মোবাইল ইন্টারনেট চালু হয়।
এই সময়টায় দেশের বিভিন্ন জায়গায় অনলাইন যোগাযোগ, ফ্রিল্যান্সিং, অনলাইন ব্যবসা এবং সাধারণ যোগাযোগে বড় ধরনের বিঘ্ন ঘটে।
তবে এই অভিজ্ঞতা আবারও প্রমাণ করেছে, আধুনিক জীবনে ইন্টারনেট কতটা গুরুত্বপূর্ণ একটি সেবা হয়ে উঠেছে।

আপনার মতামত লিখুন