জধানীর অভিজাত এলাকা বনানীর একটি ১১ তলা ভবনের শীর্ষতলায় আগুন লাগার ঘটনা ঘটেছে। বুধবার (১৫ এপ্রিল) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে বনানীর ১২ নম্বর রোডের ৪২ নম্বর বাড়িতে আগুনের সূত্রপাত হয়। আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে দ্রুত ঘটনাস্থলে ফায়ার সার্ভিসের পাঁচটি ইউনিট কাজ শুরু করে।
ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের কন্ট্রোল রুম সূত্রে জানা গেছে, ভবনটির ১১ তলায় একটি কাপড়ের গোডাউন রয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, ওই গোডাউন থেকেই আগুনের সূত্রপাত হয়েছে। তবে কী কারণে আগুন লাগে—সে বিষয়ে এখনো নিশ্চিতভাবে কিছু বলা যায়নি।
আগুন লাগার পরপরই ভবনের ওপরের তলা থেকে ঘন ধোঁয়া বের হতে দেখা যায়। ধোঁয়া ছড়িয়ে পড়ায় আশপাশের এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। অনেকেই নিরাপদ দূরত্বে সরে যান এবং ঘটনাস্থলের আশপাশে ভিড় জমতে দেখা যায় স্থানীয় বাসিন্দাদের।
ফায়ার সার্ভিসের ডিউটি অফিসার রাকিবুল হাসান জানান, সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে নিয়ন্ত্রণ কক্ষে আগুন লাগার খবর আসে। খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই পাঁচটি ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়। ফায়ার কর্মীরা পৌঁছেই আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে কাজ শুরু করেন এবং পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।
এদিকে ঘটনাস্থলে আগুন লাগার পর ভবনের ভেতরে থাকা মানুষদের দ্রুত বের করে আনার বিষয়েও সতর্কতা নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। এখন পর্যন্ত কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি, যা স্থানীয়দের জন্য স্বস্তির খবর। তবে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ সম্পর্কে এখনো নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি।
রাজধানীর বনানী এলাকা মূলত আবাসিক ও বাণিজ্যিক ভবনের জন্য পরিচিত। এখানে বহু অফিস, রেস্তোরাঁ ও গুদাম থাকায় অগ্নিকাণ্ডের ঝুঁকি তুলনামূলক বেশি থাকে। বিশেষ করে বহুতল ভবনের ওপরের তলায় গুদাম বা দাহ্য পদার্থ সংরক্ষণ করা হলে আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা থাকে—এমন সতর্কতা আগে থেকেই দিয়ে আসছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
বাংলাদেশ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স দেশের যেকোনো অগ্নিকাণ্ড, দুর্ঘটনা বা জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত উদ্ধার কাজ পরিচালনা করে থাকে। রাজধানীতে প্রতিদিন ছোট-বড় বিভিন্ন অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় তাদের ইউনিটগুলো নিয়মিত কাজ করছে। দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা তাদের অন্যতম প্রধান দায়িত্ব।
সর্বশেষ পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, আগুন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আনতে এখনো কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা। পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে এবং আগুন লাগার প্রকৃত কারণ জানতে তদন্ত করা হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। দ্রুত আগুন নিয়ন্ত্রণে এলে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি এড়ানো সম্ভব হবে বলে আশা করছেন স্থানীয়রা।

বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ এপ্রিল ২০২৬
জধানীর অভিজাত এলাকা বনানীর একটি ১১ তলা ভবনের শীর্ষতলায় আগুন লাগার ঘটনা ঘটেছে। বুধবার (১৫ এপ্রিল) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে বনানীর ১২ নম্বর রোডের ৪২ নম্বর বাড়িতে আগুনের সূত্রপাত হয়। আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে দ্রুত ঘটনাস্থলে ফায়ার সার্ভিসের পাঁচটি ইউনিট কাজ শুরু করে।
ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের কন্ট্রোল রুম সূত্রে জানা গেছে, ভবনটির ১১ তলায় একটি কাপড়ের গোডাউন রয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, ওই গোডাউন থেকেই আগুনের সূত্রপাত হয়েছে। তবে কী কারণে আগুন লাগে—সে বিষয়ে এখনো নিশ্চিতভাবে কিছু বলা যায়নি।
আগুন লাগার পরপরই ভবনের ওপরের তলা থেকে ঘন ধোঁয়া বের হতে দেখা যায়। ধোঁয়া ছড়িয়ে পড়ায় আশপাশের এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। অনেকেই নিরাপদ দূরত্বে সরে যান এবং ঘটনাস্থলের আশপাশে ভিড় জমতে দেখা যায় স্থানীয় বাসিন্দাদের।
ফায়ার সার্ভিসের ডিউটি অফিসার রাকিবুল হাসান জানান, সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে নিয়ন্ত্রণ কক্ষে আগুন লাগার খবর আসে। খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই পাঁচটি ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়। ফায়ার কর্মীরা পৌঁছেই আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে কাজ শুরু করেন এবং পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।
এদিকে ঘটনাস্থলে আগুন লাগার পর ভবনের ভেতরে থাকা মানুষদের দ্রুত বের করে আনার বিষয়েও সতর্কতা নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। এখন পর্যন্ত কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি, যা স্থানীয়দের জন্য স্বস্তির খবর। তবে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ সম্পর্কে এখনো নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি।
রাজধানীর বনানী এলাকা মূলত আবাসিক ও বাণিজ্যিক ভবনের জন্য পরিচিত। এখানে বহু অফিস, রেস্তোরাঁ ও গুদাম থাকায় অগ্নিকাণ্ডের ঝুঁকি তুলনামূলক বেশি থাকে। বিশেষ করে বহুতল ভবনের ওপরের তলায় গুদাম বা দাহ্য পদার্থ সংরক্ষণ করা হলে আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা থাকে—এমন সতর্কতা আগে থেকেই দিয়ে আসছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
বাংলাদেশ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স দেশের যেকোনো অগ্নিকাণ্ড, দুর্ঘটনা বা জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত উদ্ধার কাজ পরিচালনা করে থাকে। রাজধানীতে প্রতিদিন ছোট-বড় বিভিন্ন অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় তাদের ইউনিটগুলো নিয়মিত কাজ করছে। দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা তাদের অন্যতম প্রধান দায়িত্ব।
সর্বশেষ পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, আগুন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আনতে এখনো কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা। পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে এবং আগুন লাগার প্রকৃত কারণ জানতে তদন্ত করা হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। দ্রুত আগুন নিয়ন্ত্রণে এলে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি এড়ানো সম্ভব হবে বলে আশা করছেন স্থানীয়রা।

আপনার মতামত লিখুন