দীর্ঘ চার বছর বন্ধ থাকার পর অবশেষে দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দর দিয়ে ভারত থেকে গম আমদানি পুনরায় শুরু হয়েছে। এতে করে দেশের খাদ্য বাজারে স্বস্তি ফিরবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।
মঙ্গলবার (তারিখ উল্লেখযোগ্য হলে যোগ করা যাবে) সকাল থেকেই বন্দরে ভারতীয় গমবোঝাই ট্রাক প্রবেশ করতে দেখা যায়। আমদানিকারকরা জানান, দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার কারণে বাজারে গমের সরবরাহে ঘাটতি তৈরি হয়েছিল। ফলে দামও বেড়ে যায়। এখন আমদানি শুরু হওয়ায় বাজার স্থিতিশীল হবে বলে তারা মনে করছেন।
বন্দর কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা গেছে, বিভিন্ন প্রশাসনিক জটিলতা ও নীতিগত কারণে এতদিন গম আমদানি বন্ধ ছিল। তবে সম্প্রতি দুই দেশের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সমন্বয়ে সেই জটিলতা কাটিয়ে ওঠা সম্ভব হয়েছে।
স্থানীয় ব্যবসায়ীরা বলছেন, হিলি স্থলবন্দর দিয়ে গম আমদানি শুরু হওয়ায় শুধু উত্তরাঞ্চলই নয়, সারাদেশের বাজারে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে। এতে খাদ্যপণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণে রাখা সহজ হবে।
এদিকে, প্রথম দিনেই কয়েকটি ট্রাকে করে শতাধিক টন গম দেশে প্রবেশ করেছে বলে জানা গেছে। আগামী দিনগুলোতে আমদানির পরিমাণ আরও বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।
সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, নিয়মিতভাবে গম আমদানি অব্যাহত থাকলে দেশের খাদ্য নিরাপত্তা জোরদার হবে এবং ভোক্তারা এর সুফল পাবেন।

মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ এপ্রিল ২০২৬
দীর্ঘ চার বছর বন্ধ থাকার পর অবশেষে দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দর দিয়ে ভারত থেকে গম আমদানি পুনরায় শুরু হয়েছে। এতে করে দেশের খাদ্য বাজারে স্বস্তি ফিরবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।
মঙ্গলবার (তারিখ উল্লেখযোগ্য হলে যোগ করা যাবে) সকাল থেকেই বন্দরে ভারতীয় গমবোঝাই ট্রাক প্রবেশ করতে দেখা যায়। আমদানিকারকরা জানান, দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার কারণে বাজারে গমের সরবরাহে ঘাটতি তৈরি হয়েছিল। ফলে দামও বেড়ে যায়। এখন আমদানি শুরু হওয়ায় বাজার স্থিতিশীল হবে বলে তারা মনে করছেন।
বন্দর কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা গেছে, বিভিন্ন প্রশাসনিক জটিলতা ও নীতিগত কারণে এতদিন গম আমদানি বন্ধ ছিল। তবে সম্প্রতি দুই দেশের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সমন্বয়ে সেই জটিলতা কাটিয়ে ওঠা সম্ভব হয়েছে।
স্থানীয় ব্যবসায়ীরা বলছেন, হিলি স্থলবন্দর দিয়ে গম আমদানি শুরু হওয়ায় শুধু উত্তরাঞ্চলই নয়, সারাদেশের বাজারে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে। এতে খাদ্যপণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণে রাখা সহজ হবে।
এদিকে, প্রথম দিনেই কয়েকটি ট্রাকে করে শতাধিক টন গম দেশে প্রবেশ করেছে বলে জানা গেছে। আগামী দিনগুলোতে আমদানির পরিমাণ আরও বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।
সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, নিয়মিতভাবে গম আমদানি অব্যাহত থাকলে দেশের খাদ্য নিরাপত্তা জোরদার হবে এবং ভোক্তারা এর সুফল পাবেন।

আপনার মতামত লিখুন