হরমুজ প্রণালিতে তেল সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের যুদ্ধজাহাজ মোতায়েনের আহ্বানকে অত্যন্ত জটিল এবং বিপজ্জনক বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। তাদের মতে, বাস্তব পরিস্থিতি বিবেচনা না করে নেওয়া এই উদ্যোগ হিতে বিপরীত হওয়ার প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে।
দোহা ইনস্টিটিউট ফর গ্র্যাজুয়েট স্টাডিজের মিডিয়া স্টাডিজের অধ্যাপক মোহাম্মদ এলমাসরি আল জাজিরা বা সংশ্লিষ্ট সংবাদমাধ্যমে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেন, ট্রাম্প সম্ভবত এই সংকটের গভীরতা এবং কারিগরি জটিলতাকে অবমূল্যায়ন করছেন। তার মতে, কয়েকটি কারণে এই মিশন প্রায় অসম্ভব:
বিশাল লক্ষ্যবস্তু ও সরু পথ: যুদ্ধজাহাজগুলো আকারে বিশাল এবং এগুলো বেশ ধীরগতিতে (ঘণ্টায় মাত্র ২৫ কিমি) চলাচল করে। হরমুজ প্রণালি অত্যন্ত সরু হওয়ায় এই জাহাজগুলো ইরানের জন্য সহজ লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হতে পারে।
ইরানি ড্রোনের সক্ষমতা: ইরানের শাহেদ ড্রোনগুলোর পাল্লা প্রায় ২,৫০০ কিলোমিটার পর্যন্ত। প্রণালিটি ইরানের মূল ভূখণ্ডের একদম কাছে হওয়ায় তারা চাইলেই যেকোনো সময় ড্রোন বা ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করে সাগরে বিশৃঙ্খলা তৈরি করতে পারে।
অধ্যাপক এলমাসরি সতর্ক করে বলেন, এই প্রস্তাবনাটি কেবল সামরিক নয়, বরং বীমা বাজারের জন্যও একটি দুঃস্বপ্ন। পরিস্থিতির ভয়াবহতা বিবেচনা করে অনেক বড় বড় বীমা কোম্পানি এখন ওই অঞ্চল দিয়ে চলাচলকারী জাহাজ বা নাবিকদের জীবন বীমা দিতে অনিচ্ছা প্রকাশ করছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, জোর করে যুদ্ধজাহাজ পাঠিয়ে পথ খোলা রাখার চেষ্টা ইরানকে আরও উসকে দিতে পারে। এতে করে যে তেল সরবরাহ সচল করার চেষ্টা চলছে, তা পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যাওয়ার এবং একটি বড় ধরনের আঞ্চলিক যুদ্ধ ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি রয়েছে।

শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ মার্চ ২০২৬
হরমুজ প্রণালিতে তেল সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের যুদ্ধজাহাজ মোতায়েনের আহ্বানকে অত্যন্ত জটিল এবং বিপজ্জনক বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। তাদের মতে, বাস্তব পরিস্থিতি বিবেচনা না করে নেওয়া এই উদ্যোগ হিতে বিপরীত হওয়ার প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে।
দোহা ইনস্টিটিউট ফর গ্র্যাজুয়েট স্টাডিজের মিডিয়া স্টাডিজের অধ্যাপক মোহাম্মদ এলমাসরি আল জাজিরা বা সংশ্লিষ্ট সংবাদমাধ্যমে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেন, ট্রাম্প সম্ভবত এই সংকটের গভীরতা এবং কারিগরি জটিলতাকে অবমূল্যায়ন করছেন। তার মতে, কয়েকটি কারণে এই মিশন প্রায় অসম্ভব:
বিশাল লক্ষ্যবস্তু ও সরু পথ: যুদ্ধজাহাজগুলো আকারে বিশাল এবং এগুলো বেশ ধীরগতিতে (ঘণ্টায় মাত্র ২৫ কিমি) চলাচল করে। হরমুজ প্রণালি অত্যন্ত সরু হওয়ায় এই জাহাজগুলো ইরানের জন্য সহজ লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হতে পারে।
ইরানি ড্রোনের সক্ষমতা: ইরানের শাহেদ ড্রোনগুলোর পাল্লা প্রায় ২,৫০০ কিলোমিটার পর্যন্ত। প্রণালিটি ইরানের মূল ভূখণ্ডের একদম কাছে হওয়ায় তারা চাইলেই যেকোনো সময় ড্রোন বা ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করে সাগরে বিশৃঙ্খলা তৈরি করতে পারে।
অধ্যাপক এলমাসরি সতর্ক করে বলেন, এই প্রস্তাবনাটি কেবল সামরিক নয়, বরং বীমা বাজারের জন্যও একটি দুঃস্বপ্ন। পরিস্থিতির ভয়াবহতা বিবেচনা করে অনেক বড় বড় বীমা কোম্পানি এখন ওই অঞ্চল দিয়ে চলাচলকারী জাহাজ বা নাবিকদের জীবন বীমা দিতে অনিচ্ছা প্রকাশ করছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, জোর করে যুদ্ধজাহাজ পাঠিয়ে পথ খোলা রাখার চেষ্টা ইরানকে আরও উসকে দিতে পারে। এতে করে যে তেল সরবরাহ সচল করার চেষ্টা চলছে, তা পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যাওয়ার এবং একটি বড় ধরনের আঞ্চলিক যুদ্ধ ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন