মধ্যপ্রাচ্যে ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের ক্রমবর্ধমান সংঘাত ও ইরাকে সাম্প্রতিক অস্থিতিশীলতার প্রেক্ষাপটে নিজ দেশের নাগরিকদের জন্য জরুরি ভ্রমণ সতর্কতা জারি করেছে তুরস্ক। শনিবার (১৪ মার্চ) আঙ্কারা সরকারের পক্ষ থেকে তুর্কি নাগরিকদের ইরাকে অপ্রয়োজনীয় ভ্রমণ এড়িয়ে চলার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
বাগদাদে অবস্থিত তুর্কি দূতাবাস এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, বিশেষ জরুরি পরিস্থিতি ছাড়া নাগরিকদের ইরাক ভ্রমণ করা উচিত হবে না। যারা বর্তমানে ইরাকে অবস্থান করছেন, তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নির্দিষ্ট কিছু এলাকা এড়িয়ে চলার কঠোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এড়িয়ে চলার জন্য চিহ্নিত এলাকাগুলো হলো:
বাগদাদের গ্রিন জোন: এই এলাকার আশপাশের জনাকীর্ণ স্কোয়ার ও জনসমাগমস্থল।
বিমানবন্দর: বাগদাদ ও এরবিল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর।
ঝুঁকিপূর্ণ শহর: মোসুল ও এর আশপাশের আবাসিক এলাকা এবং বসরা সংলগ্ন অঞ্চল।
সংবেদনশীল স্থাপনা: ইরাক জুড়ে অবস্থিত সামরিক অঞ্চল এবং তেলক্ষেত্রের মতো গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো।
বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে, ইরাকে সম্প্রতি মার্কিন সম্পদ ও স্থাপনা লক্ষ্য করে ইরান-সমর্থিত গোষ্ঠীগুলোর হামলা বৃদ্ধি পেয়েছে। বিশেষ করে গ্রিন জোন এবং এরবিল এলাকা বারবার আক্রমণের শিকার হওয়ায় তুর্কি নাগরিকদের নিরাপত্তার কথা ভেবেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। মূলত আঞ্চলিক ছায়াযুদ্ধের প্রভাব থেকে নাগরিকদের রক্ষা করাই আঙ্কারার মূল লক্ষ্য।
ভ্রমণ সতর্কতা জারি করা হলেও দূতাবাস নিশ্চিত করেছে যে, তুরস্ক ও ইরাকের মধ্যে বর্তমান সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা এখনও সচল রয়েছে। তবে যাতায়াতের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ মার্চ ২০২৬
মধ্যপ্রাচ্যে ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের ক্রমবর্ধমান সংঘাত ও ইরাকে সাম্প্রতিক অস্থিতিশীলতার প্রেক্ষাপটে নিজ দেশের নাগরিকদের জন্য জরুরি ভ্রমণ সতর্কতা জারি করেছে তুরস্ক। শনিবার (১৪ মার্চ) আঙ্কারা সরকারের পক্ষ থেকে তুর্কি নাগরিকদের ইরাকে অপ্রয়োজনীয় ভ্রমণ এড়িয়ে চলার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
বাগদাদে অবস্থিত তুর্কি দূতাবাস এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, বিশেষ জরুরি পরিস্থিতি ছাড়া নাগরিকদের ইরাক ভ্রমণ করা উচিত হবে না। যারা বর্তমানে ইরাকে অবস্থান করছেন, তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নির্দিষ্ট কিছু এলাকা এড়িয়ে চলার কঠোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এড়িয়ে চলার জন্য চিহ্নিত এলাকাগুলো হলো:
বাগদাদের গ্রিন জোন: এই এলাকার আশপাশের জনাকীর্ণ স্কোয়ার ও জনসমাগমস্থল।
বিমানবন্দর: বাগদাদ ও এরবিল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর।
ঝুঁকিপূর্ণ শহর: মোসুল ও এর আশপাশের আবাসিক এলাকা এবং বসরা সংলগ্ন অঞ্চল।
সংবেদনশীল স্থাপনা: ইরাক জুড়ে অবস্থিত সামরিক অঞ্চল এবং তেলক্ষেত্রের মতো গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো।
বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে, ইরাকে সম্প্রতি মার্কিন সম্পদ ও স্থাপনা লক্ষ্য করে ইরান-সমর্থিত গোষ্ঠীগুলোর হামলা বৃদ্ধি পেয়েছে। বিশেষ করে গ্রিন জোন এবং এরবিল এলাকা বারবার আক্রমণের শিকার হওয়ায় তুর্কি নাগরিকদের নিরাপত্তার কথা ভেবেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। মূলত আঞ্চলিক ছায়াযুদ্ধের প্রভাব থেকে নাগরিকদের রক্ষা করাই আঙ্কারার মূল লক্ষ্য।
ভ্রমণ সতর্কতা জারি করা হলেও দূতাবাস নিশ্চিত করেছে যে, তুরস্ক ও ইরাকের মধ্যে বর্তমান সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা এখনও সচল রয়েছে। তবে যাতায়াতের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন