দেশের বিভিন্ন ধর্মীয় উপাসনালয়ের দায়িত্বশীলদের জন্য মাসিক সম্মানী ভাতা কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়েছে। শনিবার (১৪ মার্চ) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এ পাইলট প্রকল্পের উদ্বোধন ঘোষণা করা হয়।
সরকারি এই উদ্যোগের মাধ্যমে দেশের হাজার হাজার ইমাম, মুয়াজ্জিন, পুরোহিত, যাজক, বৌদ্ধ ভিক্ষুসহ ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের দায়িত্বশীলরা মাসিক আর্থিক সহায়তা পাবেন বলে জানানো হয়েছে। এর লক্ষ্য হিসেবে ধর্মীয় সম্প্রীতি বৃদ্ধি ও সামাজিক স্বীকৃতি নিশ্চিত করার কথা বলা হয়েছে।
তথ্য অনুযায়ী, প্রাথমিক পর্যায়ে দেশের কয়েক হাজার উপাসনালয় এই প্রকল্পের আওতায় আসছে। এর মধ্যে রয়েছে—
এই উপাসনালয়গুলোর ইমাম, মুয়াজ্জিন, খাদেম, পুরোহিত, যাজক এবং সংশ্লিষ্ট সহকারী দায়িত্বশীলরা এই সুবিধা পাবেন।
প্রকল্পের রূপরেখা অনুযায়ী, উপাসনালয়ভিত্তিক মাসিক ভাতা নির্ধারণ করা হয়েছে—
ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সরকারের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা ও ধর্মীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন। তারা বলেন, এই উদ্যোগ ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের দায়িত্বশীলদের আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সহায়ক হবে।
বক্তারা আরও আশা প্রকাশ করেন, এর মাধ্যমে ধর্মীয় সম্প্রীতি আরও সুদৃঢ় হবে এবং ধর্মীয় নেতৃত্ব সমাজে আরও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে পারবে।
বিশ্লেষকদের মতে, দেশের অনেক ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান দীর্ঘদিন ধরে সীমিত সম্পদের ওপর নির্ভর করে পরিচালিত হচ্ছে। ফলে দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের জীবনমান ও সামাজিক নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন ছিল।
এই ভাতা ব্যবস্থা চালু হলে—
তবে তারা এটাও বলছেন, এই ধরনের প্রকল্প সঠিকভাবে বাস্তবায়ন না হলে এর প্রভাব সীমিত হতে পারে।
ধর্মীয় সম্প্রীতির দেশ হিসেবে পরিচিত বাংলাদেশে এই উদ্যোগকে অনেকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন। বিশেষ করে বিভিন্ন ধর্মের প্রতিনিধিদের একই কাঠামোর আওতায় আনা সামাজিক সমতা ও অন্তর্ভুক্তির বার্তা দেয় বলে মত বিশেষজ্ঞদের।
তাদের মতে, এই ধরনের প্রকল্প সফল হলে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতি রাষ্ট্রীয় সহায়তার একটি স্থায়ী কাঠামো তৈরি হতে পারে।
সরকারি সূত্রে জানা গেছে, পাইলট প্রকল্প সফল হলে এটি পর্যায়ক্রমে সারা দেশে সম্প্রসারণ করা হতে পারে। পাশাপাশি অনলাইন ব্যবস্থার মাধ্যমে ভাতা বিতরণ প্রক্রিয়া আরও স্বচ্ছ করার পরিকল্পনাও রয়েছে।
বিষয় : প্রধানমন্ত্রী

শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ মার্চ ২০২৬
দেশের বিভিন্ন ধর্মীয় উপাসনালয়ের দায়িত্বশীলদের জন্য মাসিক সম্মানী ভাতা কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়েছে। শনিবার (১৪ মার্চ) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এ পাইলট প্রকল্পের উদ্বোধন ঘোষণা করা হয়।
সরকারি এই উদ্যোগের মাধ্যমে দেশের হাজার হাজার ইমাম, মুয়াজ্জিন, পুরোহিত, যাজক, বৌদ্ধ ভিক্ষুসহ ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের দায়িত্বশীলরা মাসিক আর্থিক সহায়তা পাবেন বলে জানানো হয়েছে। এর লক্ষ্য হিসেবে ধর্মীয় সম্প্রীতি বৃদ্ধি ও সামাজিক স্বীকৃতি নিশ্চিত করার কথা বলা হয়েছে।
তথ্য অনুযায়ী, প্রাথমিক পর্যায়ে দেশের কয়েক হাজার উপাসনালয় এই প্রকল্পের আওতায় আসছে। এর মধ্যে রয়েছে—
এই উপাসনালয়গুলোর ইমাম, মুয়াজ্জিন, খাদেম, পুরোহিত, যাজক এবং সংশ্লিষ্ট সহকারী দায়িত্বশীলরা এই সুবিধা পাবেন।
প্রকল্পের রূপরেখা অনুযায়ী, উপাসনালয়ভিত্তিক মাসিক ভাতা নির্ধারণ করা হয়েছে—
ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সরকারের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা ও ধর্মীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন। তারা বলেন, এই উদ্যোগ ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের দায়িত্বশীলদের আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সহায়ক হবে।
বক্তারা আরও আশা প্রকাশ করেন, এর মাধ্যমে ধর্মীয় সম্প্রীতি আরও সুদৃঢ় হবে এবং ধর্মীয় নেতৃত্ব সমাজে আরও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে পারবে।
বিশ্লেষকদের মতে, দেশের অনেক ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান দীর্ঘদিন ধরে সীমিত সম্পদের ওপর নির্ভর করে পরিচালিত হচ্ছে। ফলে দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের জীবনমান ও সামাজিক নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন ছিল।
এই ভাতা ব্যবস্থা চালু হলে—
তবে তারা এটাও বলছেন, এই ধরনের প্রকল্প সঠিকভাবে বাস্তবায়ন না হলে এর প্রভাব সীমিত হতে পারে।
ধর্মীয় সম্প্রীতির দেশ হিসেবে পরিচিত বাংলাদেশে এই উদ্যোগকে অনেকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন। বিশেষ করে বিভিন্ন ধর্মের প্রতিনিধিদের একই কাঠামোর আওতায় আনা সামাজিক সমতা ও অন্তর্ভুক্তির বার্তা দেয় বলে মত বিশেষজ্ঞদের।
তাদের মতে, এই ধরনের প্রকল্প সফল হলে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতি রাষ্ট্রীয় সহায়তার একটি স্থায়ী কাঠামো তৈরি হতে পারে।
সরকারি সূত্রে জানা গেছে, পাইলট প্রকল্প সফল হলে এটি পর্যায়ক্রমে সারা দেশে সম্প্রসারণ করা হতে পারে। পাশাপাশি অনলাইন ব্যবস্থার মাধ্যমে ভাতা বিতরণ প্রক্রিয়া আরও স্বচ্ছ করার পরিকল্পনাও রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন