কৃষকদের জন্য একটি সমন্বিত তথ্যভান্ডার তৈরি এবং সরকারি সেবা ও সহায়তা সরাসরি পৌঁছে দিতে দেশে প্রথমবারের মতো ‘কৃষক কার্ড’ কর্মসূচি চালু করতে যাচ্ছে সরকার। প্রাথমিকভাবে দেশের আট বিভাগের নয়টি উপজেলায় এই কার্যক্রম শুরু হবে।
গতকাল বুধবার (৪ মার্চ) সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সম্মেলন কক্ষে প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক পর্যালোচনা সভায় এই গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব সালেহ শিবলী গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
প্রাক-পাইলট ও পাইলট প্রকল্পের আওতায় দেশের আট বিভাগের নির্বাচিত নয়টি উপজেলা হলো: ১. টাঙ্গাইল সদর ২. বগুড়ার শিবগঞ্জ ৩. পঞ্চগড় সদর ৪. জামালপুরের ইসলামপুর ৫. ঝিনাইদহের শৈলকুপা ৬. পিরোজপুরের নেছারাবাদ ৭. মৌলভীবাজারের জুড়ী ৮. কুমিল্লা সদর ৯. কক্সবাজারের টেকনাফ
প্রেস সচিব জানান, প্রাক-পাইলট পর্যায়ে আগামী ৪৫ দিনের মধ্যে এসব উপজেলার নির্বাচিত নয়টি ব্লকের সব শ্রেণির কৃষকের তথ্য সংগ্রহ করা হবে। এরপর নির্ধারিত কৃষকদের মাঝে ডিজিটাল ‘কৃষক কার্ড’ বিতরণ করা হবে।
আগামী ১৪ এপ্রিল (পহেলা বৈশাখ) প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আনুষ্ঠানিকভাবে এই ‘কৃষক কার্ড’ বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করবেন বলে আশা করা হচ্ছে।
সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী, এই পাইলট পর্যায়ের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে আগামী চার বছরের মধ্যে দেশের প্রতিটি উপজেলায় ‘কৃষক কার্ড’ কর্মসূচি পূর্ণাঙ্গভাবে বাস্তবায়ন করা হবে। এর ফলে কৃষি ঋণ, সার-বীজ সহায়তা এবং অন্যান্য সরকারি প্রণোদনা সরাসরি প্রকৃত কৃষকের কাছে পৌঁছানো নিশ্চিত হবে।

বুধবার, ০৩ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ মার্চ ২০২৬
কৃষকদের জন্য একটি সমন্বিত তথ্যভান্ডার তৈরি এবং সরকারি সেবা ও সহায়তা সরাসরি পৌঁছে দিতে দেশে প্রথমবারের মতো ‘কৃষক কার্ড’ কর্মসূচি চালু করতে যাচ্ছে সরকার। প্রাথমিকভাবে দেশের আট বিভাগের নয়টি উপজেলায় এই কার্যক্রম শুরু হবে।
গতকাল বুধবার (৪ মার্চ) সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সম্মেলন কক্ষে প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক পর্যালোচনা সভায় এই গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব সালেহ শিবলী গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
প্রাক-পাইলট ও পাইলট প্রকল্পের আওতায় দেশের আট বিভাগের নির্বাচিত নয়টি উপজেলা হলো: ১. টাঙ্গাইল সদর ২. বগুড়ার শিবগঞ্জ ৩. পঞ্চগড় সদর ৪. জামালপুরের ইসলামপুর ৫. ঝিনাইদহের শৈলকুপা ৬. পিরোজপুরের নেছারাবাদ ৭. মৌলভীবাজারের জুড়ী ৮. কুমিল্লা সদর ৯. কক্সবাজারের টেকনাফ
প্রেস সচিব জানান, প্রাক-পাইলট পর্যায়ে আগামী ৪৫ দিনের মধ্যে এসব উপজেলার নির্বাচিত নয়টি ব্লকের সব শ্রেণির কৃষকের তথ্য সংগ্রহ করা হবে। এরপর নির্ধারিত কৃষকদের মাঝে ডিজিটাল ‘কৃষক কার্ড’ বিতরণ করা হবে।
আগামী ১৪ এপ্রিল (পহেলা বৈশাখ) প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আনুষ্ঠানিকভাবে এই ‘কৃষক কার্ড’ বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করবেন বলে আশা করা হচ্ছে।
সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী, এই পাইলট পর্যায়ের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে আগামী চার বছরের মধ্যে দেশের প্রতিটি উপজেলায় ‘কৃষক কার্ড’ কর্মসূচি পূর্ণাঙ্গভাবে বাস্তবায়ন করা হবে। এর ফলে কৃষি ঋণ, সার-বীজ সহায়তা এবং অন্যান্য সরকারি প্রণোদনা সরাসরি প্রকৃত কৃষকের কাছে পৌঁছানো নিশ্চিত হবে।

আপনার মতামত লিখুন