ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) হেফাজতে থাকা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ছয় সমন্বয়ককে মুক্তি দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১ আগস্ট) দুপুরে তাদেরকে পরিবারের কাছে পৌঁছে দেওয়া হয় বলে জানা গেছে।
মুক্তির আগে ডিবি কার্যালয়ে তারা প্রায় ৩২ ঘণ্টা অনশনে ছিলেন বলে দাবি করেছেন আইনজীবী মানজুর আল মতিন। তিনি তার ব্যক্তিগত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে এই তথ্য জানান।
আইনজীবী মানজুর আল মতিন আরও জানান, তিনি ও আইনজীবী আইনুন্নাহার সিদ্দিকা সমন্বয়কদের মুক্তি এবং আন্দোলনকারীদের ওপর গুলি না চালানোর নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট করেছিলেন। তবে ওই রিটের শুনানি আজ অনুষ্ঠিত হয়নি, কারণ সংশ্লিষ্ট বেঞ্চের কনিষ্ঠ বিচারপতি ছুটিতে ছিলেন।
ছয় সমন্বয়ক হলেন— মো. নাহিদ ইসলাম, মো. সারজিস আলম, হাসনাত আব্দুল্লাহ, মো. আবু বাকের মজুমদার, আসিফ মাহমুদ এবং নুসরাত তাবাসসুম।
এর আগে গত কয়েকদিনে ধাপে ধাপে তাদেরকে বিভিন্ন স্থান থেকে ডিবি হেফাজতে নেওয়া হয়। প্রথমে তিনজনকে ধানমন্ডির গণস্বাস্থ্য নগর হাসপাতাল থেকে, পরে আরও দুইজনকে এবং সর্বশেষ একজনকে মিরপুরের একটি আত্মীয়ের বাসা থেকে নিয়ে আসে ডিবি পুলিশ।
পরে গত ২৮ জুলাই ডিবি কার্যালয় থেকে দেওয়া এক ভিডিও বার্তায় এই ছয় সমন্বয়ক বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কর্মসূচি প্রত্যাহারের ঘোষণা দেন।
পটভূমি হিসেবে জানা যায়, সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের দাবিতে গড়ে ওঠা এই আন্দোলন জুলাই মাসে ব্যাপক আকার ধারণ করে। শুরুতে শান্তিপূর্ণ থাকলেও পরে তা বিভিন্ন জায়গায় সংঘর্ষ ও সহিংসতায় রূপ নেয়, যা সারাদেশে আলোচনার জন্ম দেয়।
সব মিলিয়ে, ছয় সমন্বয়কের মুক্তির ঘটনায় পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিকের দিকে যাচ্ছে বলে মনে করা হলেও বিষয়টি নিয়ে রাজনৈতিক ও সামাজিক অঙ্গনে আলোচনা অব্যাহত রয়েছে।

বুধবার, ২৭ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ আগস্ট ২০২৪
ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) হেফাজতে থাকা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ছয় সমন্বয়ককে মুক্তি দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১ আগস্ট) দুপুরে তাদেরকে পরিবারের কাছে পৌঁছে দেওয়া হয় বলে জানা গেছে।
মুক্তির আগে ডিবি কার্যালয়ে তারা প্রায় ৩২ ঘণ্টা অনশনে ছিলেন বলে দাবি করেছেন আইনজীবী মানজুর আল মতিন। তিনি তার ব্যক্তিগত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে এই তথ্য জানান।
আইনজীবী মানজুর আল মতিন আরও জানান, তিনি ও আইনজীবী আইনুন্নাহার সিদ্দিকা সমন্বয়কদের মুক্তি এবং আন্দোলনকারীদের ওপর গুলি না চালানোর নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট করেছিলেন। তবে ওই রিটের শুনানি আজ অনুষ্ঠিত হয়নি, কারণ সংশ্লিষ্ট বেঞ্চের কনিষ্ঠ বিচারপতি ছুটিতে ছিলেন।
ছয় সমন্বয়ক হলেন— মো. নাহিদ ইসলাম, মো. সারজিস আলম, হাসনাত আব্দুল্লাহ, মো. আবু বাকের মজুমদার, আসিফ মাহমুদ এবং নুসরাত তাবাসসুম।
এর আগে গত কয়েকদিনে ধাপে ধাপে তাদেরকে বিভিন্ন স্থান থেকে ডিবি হেফাজতে নেওয়া হয়। প্রথমে তিনজনকে ধানমন্ডির গণস্বাস্থ্য নগর হাসপাতাল থেকে, পরে আরও দুইজনকে এবং সর্বশেষ একজনকে মিরপুরের একটি আত্মীয়ের বাসা থেকে নিয়ে আসে ডিবি পুলিশ।
পরে গত ২৮ জুলাই ডিবি কার্যালয় থেকে দেওয়া এক ভিডিও বার্তায় এই ছয় সমন্বয়ক বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কর্মসূচি প্রত্যাহারের ঘোষণা দেন।
পটভূমি হিসেবে জানা যায়, সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের দাবিতে গড়ে ওঠা এই আন্দোলন জুলাই মাসে ব্যাপক আকার ধারণ করে। শুরুতে শান্তিপূর্ণ থাকলেও পরে তা বিভিন্ন জায়গায় সংঘর্ষ ও সহিংসতায় রূপ নেয়, যা সারাদেশে আলোচনার জন্ম দেয়।
সব মিলিয়ে, ছয় সমন্বয়কের মুক্তির ঘটনায় পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিকের দিকে যাচ্ছে বলে মনে করা হলেও বিষয়টি নিয়ে রাজনৈতিক ও সামাজিক অঙ্গনে আলোচনা অব্যাহত রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন