দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর
সর্বশেষ
প্রকাশ : বৃহস্পতিবার, ০১ আগস্ট ২০২৪

শিগগিরই সৌদি আরব সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

শিগগিরই সৌদি আরব সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

সাইবার বুলিংয়ের শিকার ১০০ কিশোরীর ৩১ জনের মধ্যে গুরুতর বিষণ্নতার লক্ষণ

সংখ্যালঘু-সংখ্যাগুরু নয়, সবার পরিচয় হবে বাংলাদেশি: মাহদী আমিন

সংকুচিত হচ্ছে জনশক্তি রপ্তানির বাজার,দুই মাসে কর্মী যাওয়া কমেছে ৩৬.৪৭ শতাংশ

দেশের আট বিভাগেই বৃষ্টির পূর্বাভাস, কোথাও কোথাও ভারি বর্ষণ

জঙ্গল সলিমপুরে পুলিশ একাডেমি, পাশে হবে চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগার

১৫ অক্টোবর থেকে ন্যাশনাল ব্যাংকে স্বাভাবিক লেনদেন, এটিএমে মিলবে নগদ টাকা

নিরাপদ পানির নিশ্চয়তায় ২৫ হাজার কোটি টাকার সমন্বিত প্রকল্পের পরিকল্পনা

কোটা আন্দোলনে প্রতিটি হত্যায় দায়ীদের বিচার হতেই হবে: প্রধানমন্ত্রী

কোটা আন্দোলনে প্রতিটি হত্যায় দায়ীদের বিচার হতেই হবে: প্রধানমন্ত্রী
-ছবি: সংগৃহীত

কোটা সংস্কার আন্দোলনকে কেন্দ্র করে ঘটে যাওয়া সহিংসতা ও হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় জড়িতদের বিচার নিশ্চিত করা হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, প্রতিটি ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত হবে এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বৃহস্পতিবার (১ আগস্ট) রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ-এ কৃষকলীগ আয়োজিত স্বেচ্ছায় রক্তদান কর্মসূচি, আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমি চাই প্রতিটি ঘটনার তদন্ত হোক—কে কীভাবে জড়িত ছিল, কারা এর পেছনে আছে, সবকিছুই খতিয়ে দেখা দরকার।” তিনি জানান, এ বিষয়ে আন্তর্জাতিক সহায়তার জন্য জাতিসংঘের বিশেষজ্ঞ দল পাঠানোর অনুরোধও জানানো হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, অন্য দেশগুলো চাইলে তারাও বিশেষজ্ঞ পাঠাতে পারে, যাতে ঘটনার স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ তদন্ত নিশ্চিত করা যায়।

আন্দোলনের সময় সংঘটিত সহিংসতার প্রসঙ্গ তুলে প্রধানমন্ত্রী পুলিশ সদস্য হত্যার ঘটনাকে কঠোরভাবে সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, একজন পুলিশ সদস্যকে হত্যা করে তার মরদেহ ঝুলিয়ে রাখা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য আন্দোলন হতে পারে না।

প্রধানমন্ত্রী দাবি করেন, শিক্ষার্থীদের দাবির বড় অংশ সরকার ইতিমধ্যে মেনে নিয়েছে, তাই আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার যৌক্তিকতা নেই। একই সঙ্গে তিনি আন্দোলনের সময় সরকারি সম্পদ ধ্বংসের ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন এবং একে রাষ্ট্রের জন্য বড় ক্ষতি হিসেবে উল্লেখ করেন।

পটভূমি হিসেবে জানা যায়, সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের দাবিতে দীর্ঘদিন ধরে আন্দোলন চলছিল। জুলাইয়ের মাঝামাঝি সময়ে এই আন্দোলন সহিংস রূপ নেয় এবং দেশের বিভিন্ন স্থানে সংঘর্ষ ও প্রাণহানির ঘটনা ঘটে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কঠোর অবস্থান নেয়।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশকে অস্থিতিশীল করার যেকোনো চেষ্টা কঠোরভাবে মোকাবিলা করা হবে। তিনি দেশের জনগণকে সচেতন থাকার আহ্বান জানান।

এ সময় তিনি আরও বলেন, তার রাজনৈতিক জীবনে বহুবার হামলা, গ্রেনেড ও গুলিবর্ষণের মুখোমুখি হতে হয়েছে। তবে এসব বাধা তাকে দেশের উন্নয়নমূলক কাজ থেকে বিচ্যুত করতে পারেনি।

বক্তব্যে তিনি ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের ভয়াবহ হত্যাকাণ্ডের কথাও স্মরণ করেন, যেখানে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ তার পরিবারের সদস্যরা নির্মমভাবে নিহত হন।

সব মিলিয়ে, প্রধানমন্ত্রী তার বক্তব্যে সহিংসতার বিচার, আন্দোলনের যৌক্তিকতা এবং দেশের স্থিতিশীলতা রক্ষার ওপর জোর দেন। একই সঙ্গে তিনি তদন্তের মাধ্যমে সত্য উদঘাটনের আহ্বান জানান।

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর

শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬


কোটা আন্দোলনে প্রতিটি হত্যায় দায়ীদের বিচার হতেই হবে: প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশের তারিখ : ০১ আগস্ট ২০২৪

featured Image

কোটা সংস্কার আন্দোলনকে কেন্দ্র করে ঘটে যাওয়া সহিংসতা ও হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় জড়িতদের বিচার নিশ্চিত করা হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, প্রতিটি ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত হবে এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বৃহস্পতিবার (১ আগস্ট) রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ-এ কৃষকলীগ আয়োজিত স্বেচ্ছায় রক্তদান কর্মসূচি, আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমি চাই প্রতিটি ঘটনার তদন্ত হোক—কে কীভাবে জড়িত ছিল, কারা এর পেছনে আছে, সবকিছুই খতিয়ে দেখা দরকার।” তিনি জানান, এ বিষয়ে আন্তর্জাতিক সহায়তার জন্য জাতিসংঘের বিশেষজ্ঞ দল পাঠানোর অনুরোধও জানানো হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, অন্য দেশগুলো চাইলে তারাও বিশেষজ্ঞ পাঠাতে পারে, যাতে ঘটনার স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ তদন্ত নিশ্চিত করা যায়।

আন্দোলনের সময় সংঘটিত সহিংসতার প্রসঙ্গ তুলে প্রধানমন্ত্রী পুলিশ সদস্য হত্যার ঘটনাকে কঠোরভাবে সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, একজন পুলিশ সদস্যকে হত্যা করে তার মরদেহ ঝুলিয়ে রাখা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য আন্দোলন হতে পারে না।

প্রধানমন্ত্রী দাবি করেন, শিক্ষার্থীদের দাবির বড় অংশ সরকার ইতিমধ্যে মেনে নিয়েছে, তাই আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার যৌক্তিকতা নেই। একই সঙ্গে তিনি আন্দোলনের সময় সরকারি সম্পদ ধ্বংসের ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন এবং একে রাষ্ট্রের জন্য বড় ক্ষতি হিসেবে উল্লেখ করেন।

পটভূমি হিসেবে জানা যায়, সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের দাবিতে দীর্ঘদিন ধরে আন্দোলন চলছিল। জুলাইয়ের মাঝামাঝি সময়ে এই আন্দোলন সহিংস রূপ নেয় এবং দেশের বিভিন্ন স্থানে সংঘর্ষ ও প্রাণহানির ঘটনা ঘটে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কঠোর অবস্থান নেয়।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশকে অস্থিতিশীল করার যেকোনো চেষ্টা কঠোরভাবে মোকাবিলা করা হবে। তিনি দেশের জনগণকে সচেতন থাকার আহ্বান জানান।

এ সময় তিনি আরও বলেন, তার রাজনৈতিক জীবনে বহুবার হামলা, গ্রেনেড ও গুলিবর্ষণের মুখোমুখি হতে হয়েছে। তবে এসব বাধা তাকে দেশের উন্নয়নমূলক কাজ থেকে বিচ্যুত করতে পারেনি।

বক্তব্যে তিনি ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের ভয়াবহ হত্যাকাণ্ডের কথাও স্মরণ করেন, যেখানে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ তার পরিবারের সদস্যরা নির্মমভাবে নিহত হন।

সব মিলিয়ে, প্রধানমন্ত্রী তার বক্তব্যে সহিংসতার বিচার, আন্দোলনের যৌক্তিকতা এবং দেশের স্থিতিশীলতা রক্ষার ওপর জোর দেন। একই সঙ্গে তিনি তদন্তের মাধ্যমে সত্য উদঘাটনের আহ্বান জানান।


দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর

প্রকাশক ও সম্পাদকঃ মোঃ সাদ্দাম হোসেন
কপিরাইট © ২০২৬ দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর