দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর
সর্বশেষ
আপডেট : শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬

গুম-শহীদ পরিবারের পাশে আমিনুল হক, ঈদ উপহার ও আর্থিক সহায়তা প্রদান

গুম-শহীদ পরিবারের পাশে আমিনুল হক, ঈদ উপহার ও আর্থিক সহায়তা প্রদান

ঈদযাত্রার সকালে রাজধানীতে ভয়াবহ বাস দুর্ঘটনা, নর্দ্দায় নিহত ৪, আহত বহু

নরসিংদীর রায়পুরায় তৃতীয় লিঙ্গের সদস্যকে কুপিয়ে হত্যা, আতঙ্কে এলাকাবাসী

টাঙ্গাইলে যমুনা সেতুর পূর্বপাড়ে ট্রাক দুর্ঘটনায় ১৫ প্রাণহানি, শোকে স্তব্ধ চাপাইনবাবগঞ্জ

বাংলাদেশ পরিচ্ছন্ন জ্বালানির পথে এগোচ্ছে, সংসদ ভবনে ১ মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প উদ্বোধন

রায়পুরায় নিজ ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা, আতঙ্কে স্থানীয়রা

ঈদে ঘরমুখো মানুষের নিরাপত্তায় তুরাগ থানার বিশেষ প্রস্তুতি, ২৪ দিনে গ্রেপ্তার ২৯৬

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সিআরপি প্রতিনিধিদের সাক্ষাৎ, পুনর্বাসন সেবার বিভিন্ন দিক তুলে ধরা হয়

ষড়যন্ত্রকারীদের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর: পিলখানা হত্যাকাণ্ডের নেপথ্য কারণ এখন জনগণের কাছে স্পষ্ট

ষড়যন্ত্রকারীদের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর: পিলখানা হত্যাকাণ্ডের নেপথ্য কারণ এখন জনগণের কাছে স্পষ্ট
-ছবি: সংগৃহীত

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, পিলখানা হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যে দেশ ও জনগণের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব বিরোধী গভীর ষড়যন্ত্র ছিল, যা আজ ফ্যাসিবাদমুক্ত বাংলাদেশে সাধারণ মানুষের কাছে অত্যন্ত স্পষ্ট। বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) 'জাতীয় শহীদ সেনা দিবস' উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে তিনি এসব কথা বলেন।

শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা ও দিবসের গুরুত্ব

প্রধানমন্ত্রী ২০০৯ সালের এই দিনে পিলখানায় বিডিআর সদর দপ্তরে সংঘটিত বর্বরোচিত হত্যাকাণ্ডে শাহাদাতবরণকারী ৫৭ জন সেনা কর্মকর্তাসহ ৭৪ জন শহীদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন। তিনি বলেন, বিগত ১৬ বছর দিনটিকে যথাযোগ্য গুরুত্বের সাথে পালন করা না হলেও, ২০২৪ সালে দেশ স্বৈরাচারমুক্ত হওয়ার পর থেকে এটি রাষ্ট্রীয়ভাবে ‘শহীদ সেনা দিবস’ হিসেবে পালিত হচ্ছে। শোকসন্তপ্ত পরিবারগুলোর প্রতি তিনি গভীর সমবেদনা জানান।

ষড়যন্ত্র ও অপপ্রচারের সমালোচনা

বাণীতে প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন যে, পিলখানা ট্র্যাজেডির পর দীর্ঘদিন ধরে মিথ্যা তথ্য ও অপপ্রচারের মাধ্যমে জনগণকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা চালানো হয়েছিল। তিনি বলেন:

“এই হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যে দেশ এবং জনগণের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব বিরোধী তৎপরতা বিদ্যমান ছিল—নাগরিক হিসেবে এই বিষয়টি আমাদের উপলব্ধিতে থাকা জরুরি।”

বিচার প্রক্রিয়া ও ভবিষ্যৎ শপথ

হত্যাকাণ্ডের বিচার কার্যক্রম চলমান থাকায় বিচারাধীন বিষয়ে বিস্তারিত মন্তব্য না করলেও, প্রধানমন্ত্রী সশস্ত্র বাহিনীকে দেশের বীরত্ব ও গৌরবের প্রতীক হিসেবে অভিহিত করেন। তিনি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, ভবিষ্যতে আর কেউ যেন সশস্ত্র বাহিনীর বিরুদ্ধে কোনো প্রকার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হতে না পারে, সেজন্য আজ সবাইকে পুনরায় শপথে বলীয়ান হতে হবে।

ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধের ডাক

দেশ ও জনগণের স্বার্থবিরোধী যেকোনো অপতৎপরতা রুখে দেওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, "দেশ এবং জনগণের স্বার্থের বিপরীতে যে কোনো ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে আমরা ঐক্যবদ্ধভাবে রুখে দাঁড়াবো—এই হোক শহীদ সেনা দিবসের মূল অঙ্গীকার।"

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর

বৃহস্পতিবার, ২৮ মে ২০২৬


ষড়যন্ত্রকারীদের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর: পিলখানা হত্যাকাণ্ডের নেপথ্য কারণ এখন জনগণের কাছে স্পষ্ট

প্রকাশের তারিখ : ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

featured Image

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, পিলখানা হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যে দেশ ও জনগণের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব বিরোধী গভীর ষড়যন্ত্র ছিল, যা আজ ফ্যাসিবাদমুক্ত বাংলাদেশে সাধারণ মানুষের কাছে অত্যন্ত স্পষ্ট। বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) 'জাতীয় শহীদ সেনা দিবস' উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে তিনি এসব কথা বলেন।

শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা ও দিবসের গুরুত্ব

প্রধানমন্ত্রী ২০০৯ সালের এই দিনে পিলখানায় বিডিআর সদর দপ্তরে সংঘটিত বর্বরোচিত হত্যাকাণ্ডে শাহাদাতবরণকারী ৫৭ জন সেনা কর্মকর্তাসহ ৭৪ জন শহীদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন। তিনি বলেন, বিগত ১৬ বছর দিনটিকে যথাযোগ্য গুরুত্বের সাথে পালন করা না হলেও, ২০২৪ সালে দেশ স্বৈরাচারমুক্ত হওয়ার পর থেকে এটি রাষ্ট্রীয়ভাবে ‘শহীদ সেনা দিবস’ হিসেবে পালিত হচ্ছে। শোকসন্তপ্ত পরিবারগুলোর প্রতি তিনি গভীর সমবেদনা জানান।

ষড়যন্ত্র ও অপপ্রচারের সমালোচনা

বাণীতে প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন যে, পিলখানা ট্র্যাজেডির পর দীর্ঘদিন ধরে মিথ্যা তথ্য ও অপপ্রচারের মাধ্যমে জনগণকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা চালানো হয়েছিল। তিনি বলেন:

“এই হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যে দেশ এবং জনগণের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব বিরোধী তৎপরতা বিদ্যমান ছিল—নাগরিক হিসেবে এই বিষয়টি আমাদের উপলব্ধিতে থাকা জরুরি।”

বিচার প্রক্রিয়া ও ভবিষ্যৎ শপথ

হত্যাকাণ্ডের বিচার কার্যক্রম চলমান থাকায় বিচারাধীন বিষয়ে বিস্তারিত মন্তব্য না করলেও, প্রধানমন্ত্রী সশস্ত্র বাহিনীকে দেশের বীরত্ব ও গৌরবের প্রতীক হিসেবে অভিহিত করেন। তিনি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, ভবিষ্যতে আর কেউ যেন সশস্ত্র বাহিনীর বিরুদ্ধে কোনো প্রকার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হতে না পারে, সেজন্য আজ সবাইকে পুনরায় শপথে বলীয়ান হতে হবে।

ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধের ডাক

দেশ ও জনগণের স্বার্থবিরোধী যেকোনো অপতৎপরতা রুখে দেওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, "দেশ এবং জনগণের স্বার্থের বিপরীতে যে কোনো ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে আমরা ঐক্যবদ্ধভাবে রুখে দাঁড়াবো—এই হোক শহীদ সেনা দিবসের মূল অঙ্গীকার।"


দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর

প্রকাশক ও সম্পাদকঃ মোঃ সাদ্দাম হোসেন
কপিরাইট © ২০২৬ দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর