প্রধানমন্ত্রী ২০০৯ সালের এই দিনে পিলখানায় বিডিআর সদর দপ্তরে সংঘটিত বর্বরোচিত হত্যাকাণ্ডে শাহাদাতবরণকারী ৫৭ জন সেনা কর্মকর্তাসহ ৭৪ জন শহীদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন। তিনি বলেন, বিগত ১৬ বছর দিনটিকে যথাযোগ্য গুরুত্বের সাথে পালন করা না হলেও, ২০২৪ সালে দেশ স্বৈরাচারমুক্ত হওয়ার পর থেকে এটি রাষ্ট্রীয়ভাবে ‘শহীদ সেনা দিবস’ হিসেবে পালিত হচ্ছে। শোকসন্তপ্ত পরিবারগুলোর প্রতি তিনি গভীর সমবেদনা জানান।
বাণীতে প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন যে, পিলখানা ট্র্যাজেডির পর দীর্ঘদিন ধরে মিথ্যা তথ্য ও অপপ্রচারের মাধ্যমে জনগণকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা চালানো হয়েছিল। তিনি বলেন:
“এই হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যে দেশ এবং জনগণের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব বিরোধী তৎপরতা বিদ্যমান ছিল—নাগরিক হিসেবে এই বিষয়টি আমাদের উপলব্ধিতে থাকা জরুরি।”
হত্যাকাণ্ডের বিচার কার্যক্রম চলমান থাকায় বিচারাধীন বিষয়ে বিস্তারিত মন্তব্য না করলেও, প্রধানমন্ত্রী সশস্ত্র বাহিনীকে দেশের বীরত্ব ও গৌরবের প্রতীক হিসেবে অভিহিত করেন। তিনি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, ভবিষ্যতে আর কেউ যেন সশস্ত্র বাহিনীর বিরুদ্ধে কোনো প্রকার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হতে না পারে, সেজন্য আজ সবাইকে পুনরায় শপথে বলীয়ান হতে হবে।
দেশ ও জনগণের স্বার্থবিরোধী যেকোনো অপতৎপরতা রুখে দেওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, "দেশ এবং জনগণের স্বার্থের বিপরীতে যে কোনো ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে আমরা ঐক্যবদ্ধভাবে রুখে দাঁড়াবো—এই হোক শহীদ সেনা দিবসের মূল অঙ্গীকার।"

বুধবার, ২৬ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
প্রধানমন্ত্রী ২০০৯ সালের এই দিনে পিলখানায় বিডিআর সদর দপ্তরে সংঘটিত বর্বরোচিত হত্যাকাণ্ডে শাহাদাতবরণকারী ৫৭ জন সেনা কর্মকর্তাসহ ৭৪ জন শহীদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন। তিনি বলেন, বিগত ১৬ বছর দিনটিকে যথাযোগ্য গুরুত্বের সাথে পালন করা না হলেও, ২০২৪ সালে দেশ স্বৈরাচারমুক্ত হওয়ার পর থেকে এটি রাষ্ট্রীয়ভাবে ‘শহীদ সেনা দিবস’ হিসেবে পালিত হচ্ছে। শোকসন্তপ্ত পরিবারগুলোর প্রতি তিনি গভীর সমবেদনা জানান।
বাণীতে প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন যে, পিলখানা ট্র্যাজেডির পর দীর্ঘদিন ধরে মিথ্যা তথ্য ও অপপ্রচারের মাধ্যমে জনগণকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা চালানো হয়েছিল। তিনি বলেন:
“এই হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যে দেশ এবং জনগণের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব বিরোধী তৎপরতা বিদ্যমান ছিল—নাগরিক হিসেবে এই বিষয়টি আমাদের উপলব্ধিতে থাকা জরুরি।”
হত্যাকাণ্ডের বিচার কার্যক্রম চলমান থাকায় বিচারাধীন বিষয়ে বিস্তারিত মন্তব্য না করলেও, প্রধানমন্ত্রী সশস্ত্র বাহিনীকে দেশের বীরত্ব ও গৌরবের প্রতীক হিসেবে অভিহিত করেন। তিনি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, ভবিষ্যতে আর কেউ যেন সশস্ত্র বাহিনীর বিরুদ্ধে কোনো প্রকার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হতে না পারে, সেজন্য আজ সবাইকে পুনরায় শপথে বলীয়ান হতে হবে।
দেশ ও জনগণের স্বার্থবিরোধী যেকোনো অপতৎপরতা রুখে দেওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, "দেশ এবং জনগণের স্বার্থের বিপরীতে যে কোনো ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে আমরা ঐক্যবদ্ধভাবে রুখে দাঁড়াবো—এই হোক শহীদ সেনা দিবসের মূল অঙ্গীকার।"

আপনার মতামত লিখুন