বৈঠক শেষে প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে সভার বিস্তারিত তুলে ধরেন এবং বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
সভায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, "কৃষক আমাদের অর্থনীতির প্রাণ। তাদের ঘাম ঝরানো ফসলের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করা সরকারের অগ্রাধিকার।" তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য বন্ধ করে সরাসরি কৃষকের হাতে সুফল পৌঁছে দিতে ‘কৃষক কার্ড’ একটি মাইলফলক হিসেবে কাজ করবে।
১. ন্যায্যমূল্য নিশ্চিতকরণ: কৃষক কার্ডের মাধ্যমে সরকার সরাসরি কৃষকের কাছ থেকে ধান, গম ও অন্যান্য ফসল সংগ্রহ করবে। এর ফলে ডিজিটাল ডাটাবেজ ব্যবহার করে প্রকৃত কৃষক শনাক্ত করা সহজ হবে এবং কোনো তৃতীয় পক্ষ বা সিন্ডিকেট কৃষকের মুনাফায় ভাগ বসাতে পারবে না।
২. সরাসরি ভর্তুকি প্রদান: সার, বীজ ও কীটনাশকের ওপর দেওয়া সরকারি ভর্তুকি এখন থেকে সরাসরি ‘কৃষক কার্ড’-এর সাথে সংযুক্ত ব্যাংক অ্যাকাউন্ট বা মোবাইল ওয়ালেটে পৌঁছে দেওয়া হবে। এতে অর্থ লোপাটের সুযোগ বন্ধ হবে।
৩. সহজ শর্তে ঋণ সুবিধা: এই কার্ডধারী কৃষকরা ব্যাংক থেকে জামানতবিহীন ও সহজ শর্তে কৃষি ঋণ পাবেন। প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের দ্রুত ক্ষতিপূরণ প্রদানেও এই কার্ড ব্যবহার করা হবে।
৪. স্মার্ট কৃষি ডাটাবেজ: কৃষি মন্ত্রণালয়কে দ্রুততম সময়ের মধ্যে দেশের সকল প্রকৃত কৃষকের তথ্য যাচাই-বাছাই করে একটি কেন্দ্রীয় ডিজিটাল ডাটাবেজ তৈরির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এই কার্ডের মাধ্যমেই একজন কৃষক কী পরিমাণ জমি চাষ করছেন এবং কী পরিমাণ সার প্রয়োজন, তার নির্ভুল হিসাব পাওয়া যাবে।
সভায় কৃষি মন্ত্রী, বাণিজ্য মন্ত্রী এবং অর্থ মন্ত্রীসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব ও উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। প্রধানমন্ত্রী প্রতিটি জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে স্বচ্ছতার সাথে কার্ড বিতরণের প্রক্রিয়া তদারকি করার জন্য জেলা প্রশাসকদের (ডিসি) বিশেষ নির্দেশনা প্রদান করেন।
প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন জানান, সরকার চায় আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহারের মাধ্যমে কৃষিকে আরও লাভজনক পেশা হিসেবে গড়ে তুলতে। ‘কৃষক কার্ড’ প্রকল্পটির সফল বাস্তবায়ন হলে দেশের খাদ্য নিরাপত্তা আরও সুসংহত হবে এবং গ্রামীণ অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।

বুধবার, ২৭ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
বৈঠক শেষে প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে সভার বিস্তারিত তুলে ধরেন এবং বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
সভায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, "কৃষক আমাদের অর্থনীতির প্রাণ। তাদের ঘাম ঝরানো ফসলের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করা সরকারের অগ্রাধিকার।" তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য বন্ধ করে সরাসরি কৃষকের হাতে সুফল পৌঁছে দিতে ‘কৃষক কার্ড’ একটি মাইলফলক হিসেবে কাজ করবে।
১. ন্যায্যমূল্য নিশ্চিতকরণ: কৃষক কার্ডের মাধ্যমে সরকার সরাসরি কৃষকের কাছ থেকে ধান, গম ও অন্যান্য ফসল সংগ্রহ করবে। এর ফলে ডিজিটাল ডাটাবেজ ব্যবহার করে প্রকৃত কৃষক শনাক্ত করা সহজ হবে এবং কোনো তৃতীয় পক্ষ বা সিন্ডিকেট কৃষকের মুনাফায় ভাগ বসাতে পারবে না।
২. সরাসরি ভর্তুকি প্রদান: সার, বীজ ও কীটনাশকের ওপর দেওয়া সরকারি ভর্তুকি এখন থেকে সরাসরি ‘কৃষক কার্ড’-এর সাথে সংযুক্ত ব্যাংক অ্যাকাউন্ট বা মোবাইল ওয়ালেটে পৌঁছে দেওয়া হবে। এতে অর্থ লোপাটের সুযোগ বন্ধ হবে।
৩. সহজ শর্তে ঋণ সুবিধা: এই কার্ডধারী কৃষকরা ব্যাংক থেকে জামানতবিহীন ও সহজ শর্তে কৃষি ঋণ পাবেন। প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের দ্রুত ক্ষতিপূরণ প্রদানেও এই কার্ড ব্যবহার করা হবে।
৪. স্মার্ট কৃষি ডাটাবেজ: কৃষি মন্ত্রণালয়কে দ্রুততম সময়ের মধ্যে দেশের সকল প্রকৃত কৃষকের তথ্য যাচাই-বাছাই করে একটি কেন্দ্রীয় ডিজিটাল ডাটাবেজ তৈরির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এই কার্ডের মাধ্যমেই একজন কৃষক কী পরিমাণ জমি চাষ করছেন এবং কী পরিমাণ সার প্রয়োজন, তার নির্ভুল হিসাব পাওয়া যাবে।
সভায় কৃষি মন্ত্রী, বাণিজ্য মন্ত্রী এবং অর্থ মন্ত্রীসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব ও উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। প্রধানমন্ত্রী প্রতিটি জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে স্বচ্ছতার সাথে কার্ড বিতরণের প্রক্রিয়া তদারকি করার জন্য জেলা প্রশাসকদের (ডিসি) বিশেষ নির্দেশনা প্রদান করেন।
প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন জানান, সরকার চায় আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহারের মাধ্যমে কৃষিকে আরও লাভজনক পেশা হিসেবে গড়ে তুলতে। ‘কৃষক কার্ড’ প্রকল্পটির সফল বাস্তবায়ন হলে দেশের খাদ্য নিরাপত্তা আরও সুসংহত হবে এবং গ্রামীণ অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।

আপনার মতামত লিখুন