দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর
সর্বশেষ
প্রকাশ : রোববার, ০৫ অক্টোবর ২০২৫

মাগুরার শিশু আছিয়া হত্যা-ধর্ষণ মামলার রায় পিছিয়েছে, সোমবার নতুন দিন

মাগুরার শিশু আছিয়া হত্যা-ধর্ষণ মামলার রায় পিছিয়েছে, সোমবার নতুন দিন

সেপ্টেম্বরে যুক্তরাষ্ট্রে যাচ্ছেন তারেক রহমান, ২০ বছর পর নিউইয়র্ক সফর

অনুমোদিত নকশার বাইরে ভবন নির্মাণ বন্ধে নতুন উদ্যোগ, কী বললেন গৃহায়নমন্ত্রী?

সৌদির স্কুলের বইয়ে আমূল পরিবর্তন, ইহুদি-খ্রিস্টানদের নিয়ে বদলে গেল পুরোনো বয়ান

৬ মাস শেষে সরকারের অর্জন-সীমাবদ্ধতা জানাবেন প্রধানমন্ত্রী, চলছে সূক্ষ্ম মূল্যায়ন

দিল্লিতে শেখ হাসিনার বক্তব্য ঘিরে ঢাকা–দিল্লি টানাপোড়েন, সম্পর্ক কি আবার কঠিন পথে?

জ্বালানি খাত নিয়ে বড় সতর্কবার্তা প্রধানমন্ত্রীর, নিয়োগ হবে ১ লাখ স্বাস্থ্যকর্মী

নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস: তরুণ প্রতিভাদের নিয়ে ঢাকার আর্মি স্টেডিয়ামে জমজমাট সমাপনী

জাতীয় সবুজ মিশন চালু করার ঘোষণা দিয়েছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান : তারেক রহমান

জাতীয় সবুজ মিশন চালু করার ঘোষণা দিয়েছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান : তারেক রহমান
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান দেশের পরিবেশ, জলবায়ু ও নগর উন্নয়ন নিয়ে নতুন পরিকল্পনার ঘোষণা দিয়েছেন। তিনি জানিয়েছেন, “জাতীয় সবুজ মিশন” নামে একটি বৃহৎ কর্মসূচির আওতায় দেশজুড়ে ২৫ কোটি গাছ রোপণ করা হবে। রোববার (৫ অক্টোবর) রাতে নিজের ফেসবুক পোস্টে তিনি এ পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন। সেখানে তিনি বলেন, শুধু গাছ লাগানো নয়—নদী পুনরুদ্ধার, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, আধুনিক কৃষি এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানিতেও গুরুত্ব দেওয়া হবে। তার ভাষায়, “আমরা একটি জাতীয় সবুজ মিশন চালু করব, ২৫ কোটি গাছ রোপণ করব, নদী পুনরুদ্ধার করব, বর্জ্যকে সম্পদে রূপান্তর করব, কৃষিকাজ আধুনিকীকরণ করব এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে বিনিয়োগ করব।” তরুণদের জন্য নতুন সুযোগের কথা পোস্টে তিনি সমুদ্র অর্থনীতি বা “ব্লু ইকোনমি” সম্প্রসারণের কথাও বলেন। তার মতে, সমুদ্রসম্পদকে কাজে লাগিয়ে দেশের তরুণদের জন্য নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করা সম্ভব। একই সঙ্গে তিনি ঢাকাকেন্দ্রিক উন্নয়ন থেকে বের হয়ে বিকেন্দ্রীকরণভিত্তিক আধুনিক নগর গড়ে তোলার ওপর জোর দেন। তিনি বলেন, দেশের প্রতিটি অঞ্চলে সমান উন্নয়ন নিশ্চিত করতে পরিকল্পিত নগরায়ন প্রয়োজন। “একটি বাড়ি মানুষের মৌলিক অধিকার” তারেক রহমান আরও বলেন, নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ আবাসন প্রতিটি মানুষের মৌলিক অধিকার হওয়া উচিত। তিনি গ্রাম, শহর, নদী ও বনকে একই আবাসস্থলের অংশ হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, পরিবেশ ধ্বংস হলে টেকসই উন্নয়ন সম্ভব নয়। তার বক্তব্য অনুযায়ী, “একটি ভাঙা পরিবেশে একটি শক্তিশালী ঘর থাকতে পারে না এবং টেকসই উন্নয়ন ছাড়া আমরা একটি সমৃদ্ধ জাতি গড়ে তুলতে পারবো না।” বিশ্ব বাসস্থান দিবসে ৩১ দফার পুনরুল্লেখ বিশ্ব বাসস্থান দিবস উপলক্ষে দেওয়া ওই পোস্টে তিনি বিএনপির ৩১ দফা সংস্কার পরিকল্পনার কথাও তুলে ধরেন। বিশেষ করে জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা, পরিবেশ সুরক্ষা এবং পরিকল্পিত নগরায়নকে তিনি ভবিষ্যৎ বাংলাদেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে উল্লেখ করেন। তারেক রহমান দাবি করেন, বিএনপি সরকার গঠন করতে পারলে পরিবেশ রক্ষা ও টেকসই উন্নয়নকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। পাশাপাশি তিনি দেশের মানুষকে “সবুজ ও টেকসই বাংলাদেশ” গঠনে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান। কেন গুরুত্বপূর্ণ এই ঘোষণা? বিশেষজ্ঞদের মতে, বাংলাদেশ বর্তমানে জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকিতে থাকা দেশগুলোর অন্যতম। নদী ভাঙন, তাপপ্রবাহ, জলাবদ্ধতা ও বায়ুদূষণের মতো সমস্যাগুলো দিন দিন বাড়ছে। ফলে পরিবেশ ও নগর উন্নয়ন নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর সুস্পষ্ট পরিকল্পনা জনআলোচনায় গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে। বিশ্লেষকদের ধারণা, বড় পরিসরে বৃক্ষরোপণ, নবায়নযোগ্য জ্বালানি এবং বিকেন্দ্রীকরণভিত্তিক উন্নয়ন বাস্তবায়ন করা গেলে তা পরিবেশ ও অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।-ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান দেশের পরিবেশ, জলবায়ু ও নগর উন্নয়ন নিয়ে নতুন পরিকল্পনার ঘোষণা দিয়েছেন। তিনি জানিয়েছেন, “জাতীয় সবুজ মিশন” নামে একটি বৃহৎ কর্মসূচির আওতায় দেশজুড়ে ২৫ কোটি গাছ রোপণ করা হবে।

রোববার (৫ অক্টোবর) রাতে নিজের ফেসবুক পোস্টে তিনি এ পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন। সেখানে তিনি বলেন, শুধু গাছ লাগানো নয়—নদী পুনরুদ্ধার, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, আধুনিক কৃষি এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানিতেও গুরুত্ব দেওয়া হবে।

তার ভাষায়,
“আমরা একটি জাতীয় সবুজ মিশন চালু করব, ২৫ কোটি গাছ রোপণ করব, নদী পুনরুদ্ধার করব, বর্জ্যকে সম্পদে রূপান্তর করব, কৃষিকাজ আধুনিকীকরণ করব এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে বিনিয়োগ করব।”

তরুণদের জন্য নতুন সুযোগের কথা

পোস্টে তিনি সমুদ্র অর্থনীতি বা “ব্লু ইকোনমি” সম্প্রসারণের কথাও বলেন। তার মতে, সমুদ্রসম্পদকে কাজে লাগিয়ে দেশের তরুণদের জন্য নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করা সম্ভব।

একই সঙ্গে তিনি ঢাকাকেন্দ্রিক উন্নয়ন থেকে বের হয়ে বিকেন্দ্রীকরণভিত্তিক আধুনিক নগর গড়ে তোলার ওপর জোর দেন। তিনি বলেন, দেশের প্রতিটি অঞ্চলে সমান উন্নয়ন নিশ্চিত করতে পরিকল্পিত নগরায়ন প্রয়োজন।

“একটি বাড়ি মানুষের মৌলিক অধিকার”

তারেক রহমান আরও বলেন, নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ আবাসন প্রতিটি মানুষের মৌলিক অধিকার হওয়া উচিত। তিনি গ্রাম, শহর, নদী ও বনকে একই আবাসস্থলের অংশ হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, পরিবেশ ধ্বংস হলে টেকসই উন্নয়ন সম্ভব নয়।

তার বক্তব্য অনুযায়ী,
“একটি ভাঙা পরিবেশে একটি শক্তিশালী ঘর থাকতে পারে না এবং টেকসই উন্নয়ন ছাড়া আমরা একটি সমৃদ্ধ জাতি গড়ে তুলতে পারবো না।”

বিশ্ব বাসস্থান দিবসে ৩১ দফার পুনরুল্লেখ

বিশ্ব বাসস্থান দিবস উপলক্ষে দেওয়া ওই পোস্টে তিনি বিএনপির ৩১ দফা সংস্কার পরিকল্পনার কথাও তুলে ধরেন। বিশেষ করে জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা, পরিবেশ সুরক্ষা এবং পরিকল্পিত নগরায়নকে তিনি ভবিষ্যৎ বাংলাদেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে উল্লেখ করেন।

তারেক রহমান দাবি করেন, বিএনপি সরকার গঠন করতে পারলে পরিবেশ রক্ষা ও টেকসই উন্নয়নকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। পাশাপাশি তিনি দেশের মানুষকে “সবুজ ও টেকসই বাংলাদেশ” গঠনে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান।

কেন গুরুত্বপূর্ণ এই ঘোষণা?

বিশেষজ্ঞদের মতে, বাংলাদেশ বর্তমানে জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকিতে থাকা দেশগুলোর অন্যতম। নদী ভাঙন, তাপপ্রবাহ, জলাবদ্ধতা ও বায়ুদূষণের মতো সমস্যাগুলো দিন দিন বাড়ছে। ফলে পরিবেশ ও নগর উন্নয়ন নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর সুস্পষ্ট পরিকল্পনা জনআলোচনায় গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে।

বিশ্লেষকদের ধারণা, বড় পরিসরে বৃক্ষরোপণ, নবায়নযোগ্য জ্বালানি এবং বিকেন্দ্রীকরণভিত্তিক উন্নয়ন বাস্তবায়ন করা গেলে তা পরিবেশ ও অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর

বুধবার, ২৬ আগস্ট ২০২৬


জাতীয় সবুজ মিশন চালু করার ঘোষণা দিয়েছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান : তারেক রহমান

প্রকাশের তারিখ : ০৫ অক্টোবর ২০২৫

featured Image

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান দেশের পরিবেশ, জলবায়ু ও নগর উন্নয়ন নিয়ে নতুন পরিকল্পনার ঘোষণা দিয়েছেন। তিনি জানিয়েছেন, “জাতীয় সবুজ মিশন” নামে একটি বৃহৎ কর্মসূচির আওতায় দেশজুড়ে ২৫ কোটি গাছ রোপণ করা হবে।

রোববার (৫ অক্টোবর) রাতে নিজের ফেসবুক পোস্টে তিনি এ পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন। সেখানে তিনি বলেন, শুধু গাছ লাগানো নয়—নদী পুনরুদ্ধার, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, আধুনিক কৃষি এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানিতেও গুরুত্ব দেওয়া হবে।

তার ভাষায়,
“আমরা একটি জাতীয় সবুজ মিশন চালু করব, ২৫ কোটি গাছ রোপণ করব, নদী পুনরুদ্ধার করব, বর্জ্যকে সম্পদে রূপান্তর করব, কৃষিকাজ আধুনিকীকরণ করব এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে বিনিয়োগ করব।”

তরুণদের জন্য নতুন সুযোগের কথা

পোস্টে তিনি সমুদ্র অর্থনীতি বা “ব্লু ইকোনমি” সম্প্রসারণের কথাও বলেন। তার মতে, সমুদ্রসম্পদকে কাজে লাগিয়ে দেশের তরুণদের জন্য নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করা সম্ভব।

একই সঙ্গে তিনি ঢাকাকেন্দ্রিক উন্নয়ন থেকে বের হয়ে বিকেন্দ্রীকরণভিত্তিক আধুনিক নগর গড়ে তোলার ওপর জোর দেন। তিনি বলেন, দেশের প্রতিটি অঞ্চলে সমান উন্নয়ন নিশ্চিত করতে পরিকল্পিত নগরায়ন প্রয়োজন।

“একটি বাড়ি মানুষের মৌলিক অধিকার”

তারেক রহমান আরও বলেন, নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ আবাসন প্রতিটি মানুষের মৌলিক অধিকার হওয়া উচিত। তিনি গ্রাম, শহর, নদী ও বনকে একই আবাসস্থলের অংশ হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, পরিবেশ ধ্বংস হলে টেকসই উন্নয়ন সম্ভব নয়।

তার বক্তব্য অনুযায়ী,
“একটি ভাঙা পরিবেশে একটি শক্তিশালী ঘর থাকতে পারে না এবং টেকসই উন্নয়ন ছাড়া আমরা একটি সমৃদ্ধ জাতি গড়ে তুলতে পারবো না।”

বিশ্ব বাসস্থান দিবসে ৩১ দফার পুনরুল্লেখ

বিশ্ব বাসস্থান দিবস উপলক্ষে দেওয়া ওই পোস্টে তিনি বিএনপির ৩১ দফা সংস্কার পরিকল্পনার কথাও তুলে ধরেন। বিশেষ করে জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা, পরিবেশ সুরক্ষা এবং পরিকল্পিত নগরায়নকে তিনি ভবিষ্যৎ বাংলাদেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে উল্লেখ করেন।

তারেক রহমান দাবি করেন, বিএনপি সরকার গঠন করতে পারলে পরিবেশ রক্ষা ও টেকসই উন্নয়নকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। পাশাপাশি তিনি দেশের মানুষকে “সবুজ ও টেকসই বাংলাদেশ” গঠনে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান।

কেন গুরুত্বপূর্ণ এই ঘোষণা?

বিশেষজ্ঞদের মতে, বাংলাদেশ বর্তমানে জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকিতে থাকা দেশগুলোর অন্যতম। নদী ভাঙন, তাপপ্রবাহ, জলাবদ্ধতা ও বায়ুদূষণের মতো সমস্যাগুলো দিন দিন বাড়ছে। ফলে পরিবেশ ও নগর উন্নয়ন নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর সুস্পষ্ট পরিকল্পনা জনআলোচনায় গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে।

বিশ্লেষকদের ধারণা, বড় পরিসরে বৃক্ষরোপণ, নবায়নযোগ্য জ্বালানি এবং বিকেন্দ্রীকরণভিত্তিক উন্নয়ন বাস্তবায়ন করা গেলে তা পরিবেশ ও অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।


দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর

প্রকাশক ও সম্পাদকঃ মোঃ সাদ্দাম হোসেন
কপিরাইট © ২০২৬ দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর