দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর
সর্বশেষ
প্রকাশ : মঙ্গলবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫

মাগুরার শিশু আছিয়া হত্যা-ধর্ষণ মামলার রায় পিছিয়েছে, সোমবার নতুন দিন

মাগুরার শিশু আছিয়া হত্যা-ধর্ষণ মামলার রায় পিছিয়েছে, সোমবার নতুন দিন

সেপ্টেম্বরে যুক্তরাষ্ট্রে যাচ্ছেন তারেক রহমান, ২০ বছর পর নিউইয়র্ক সফর

অনুমোদিত নকশার বাইরে ভবন নির্মাণ বন্ধে নতুন উদ্যোগ, কী বললেন গৃহায়নমন্ত্রী?

সৌদির স্কুলের বইয়ে আমূল পরিবর্তন, ইহুদি-খ্রিস্টানদের নিয়ে বদলে গেল পুরোনো বয়ান

৬ মাস শেষে সরকারের অর্জন-সীমাবদ্ধতা জানাবেন প্রধানমন্ত্রী, চলছে সূক্ষ্ম মূল্যায়ন

দিল্লিতে শেখ হাসিনার বক্তব্য ঘিরে ঢাকা–দিল্লি টানাপোড়েন, সম্পর্ক কি আবার কঠিন পথে?

জ্বালানি খাত নিয়ে বড় সতর্কবার্তা প্রধানমন্ত্রীর, নিয়োগ হবে ১ লাখ স্বাস্থ্যকর্মী

নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস: তরুণ প্রতিভাদের নিয়ে ঢাকার আর্মি স্টেডিয়ামে জমজমাট সমাপনী

ডেমু ট্রেন আমদানি করে প্রায় ৬০০ কোটি টাকার ক্ষতিসাধনের অভিযোগে রেলওয়ের সাবেক মহাপরিচালক

ডেমু ট্রেন আমদানি করে প্রায় ৬০০ কোটি টাকার ক্ষতিসাধনের অভিযোগে রেলওয়ের সাবেক মহাপরিচালক
-ছবি: সংগৃহীত

ডেমু ট্রেন আমদানি প্রকল্পে বড় ধরনের আর্থিক অনিয়ম ও রাষ্ট্রীয় ক্ষতির অভিযোগে রেলওয়ের সাবেক মহাপরিচালক তৌহিদুল আনোয়ার চৌধুরীসহ মোট ৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

বুধবার (১৭ সেপ্টেম্বর) দুদকের সংশ্লিষ্ট সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে।

মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, প্রায় ১০ বছর আগে চীন থেকে ২০টি ডেমু ট্রেন আমদানি করা হয়। এই প্রকল্পে সরকারের ব্যয় হয় প্রায় সাড়ে ৬০০ কোটি টাকা। কিন্তু চালু হওয়ার মাত্র কয়েক মাসের মধ্যেই ট্রেনগুলোতে যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দিতে শুরু করে।

প্রাথমিকভাবে ট্রেনগুলো চালু থাকলেও পাঁচ থেকে ছয় মাসের মধ্যেই একের পর এক ট্রেন বিকল হতে থাকে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। পরে মেরামতের একাধিক চেষ্টা করা হলেও তা কার্যকর হয়নি।

এজাহারে আরও বলা হয়, প্রকল্প বাস্তবায়নের সময় সংশ্লিষ্টদের পর্যাপ্ত প্রযুক্তিগত দক্ষতা ও প্রশিক্ষিত জনবল ছিল না। ফলে রক্ষণাবেক্ষণ জটিল হয়ে পড়ে এবং ধীরে ধীরে পুরো ট্রেন সেট অচল হয়ে যায়। প্রায় তিন বছর আগে সব ডেমু ট্রেনই স্থায়ীভাবে বন্ধ হয়ে যায়।

দুদকের অভিযোগ অনুযায়ী, এই প্রকল্প বাস্তবায়নের পেছনে জনস্বার্থের চেয়ে ব্যক্তিগত স্বার্থ ও অনিয়ম ছিল মূল কারণ, যার ফলে রাষ্ট্রের বিপুল অর্থ অপচয় হয়েছে।

উল্লেখ্য, ডেমু (Diesel Electric Multiple Unit) ট্রেন সাধারণত স্বল্প দূরত্বের যাত্রী পরিবহনের জন্য ব্যবহৃত আধুনিক ট্রেন ব্যবস্থা। উন্নত প্রযুক্তির এই ট্রেন চালাতে বিশেষ দক্ষতা ও নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ প্রয়োজন হয়, যা না থাকায় প্রকল্পটি ব্যর্থ হয়েছে বলে বিভিন্ন সময় সমালোচনা উঠে এসেছে।

দুদক জানিয়েছে, মামলাটি তদন্ত করে জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সব মিলিয়ে, ডেমু ট্রেন প্রকল্পটি এখন দেশের অন্যতম আলোচিত ব্যর্থ প্রকল্প হিসেবে সামনে এসেছে, যেখানে বড় অঙ্কের অর্থ ক্ষতির অভিযোগ তদন্তের আওতায় এসেছে।

বিষয় : ডেমু ট্রেন

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর

বুধবার, ২৬ আগস্ট ২০২৬


ডেমু ট্রেন আমদানি করে প্রায় ৬০০ কোটি টাকার ক্ষতিসাধনের অভিযোগে রেলওয়ের সাবেক মহাপরিচালক

প্রকাশের তারিখ : ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫

featured Image

ডেমু ট্রেন আমদানি প্রকল্পে বড় ধরনের আর্থিক অনিয়ম ও রাষ্ট্রীয় ক্ষতির অভিযোগে রেলওয়ের সাবেক মহাপরিচালক তৌহিদুল আনোয়ার চৌধুরীসহ মোট ৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

বুধবার (১৭ সেপ্টেম্বর) দুদকের সংশ্লিষ্ট সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে।

মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, প্রায় ১০ বছর আগে চীন থেকে ২০টি ডেমু ট্রেন আমদানি করা হয়। এই প্রকল্পে সরকারের ব্যয় হয় প্রায় সাড়ে ৬০০ কোটি টাকা। কিন্তু চালু হওয়ার মাত্র কয়েক মাসের মধ্যেই ট্রেনগুলোতে যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দিতে শুরু করে।

প্রাথমিকভাবে ট্রেনগুলো চালু থাকলেও পাঁচ থেকে ছয় মাসের মধ্যেই একের পর এক ট্রেন বিকল হতে থাকে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। পরে মেরামতের একাধিক চেষ্টা করা হলেও তা কার্যকর হয়নি।

এজাহারে আরও বলা হয়, প্রকল্প বাস্তবায়নের সময় সংশ্লিষ্টদের পর্যাপ্ত প্রযুক্তিগত দক্ষতা ও প্রশিক্ষিত জনবল ছিল না। ফলে রক্ষণাবেক্ষণ জটিল হয়ে পড়ে এবং ধীরে ধীরে পুরো ট্রেন সেট অচল হয়ে যায়। প্রায় তিন বছর আগে সব ডেমু ট্রেনই স্থায়ীভাবে বন্ধ হয়ে যায়।

দুদকের অভিযোগ অনুযায়ী, এই প্রকল্প বাস্তবায়নের পেছনে জনস্বার্থের চেয়ে ব্যক্তিগত স্বার্থ ও অনিয়ম ছিল মূল কারণ, যার ফলে রাষ্ট্রের বিপুল অর্থ অপচয় হয়েছে।

উল্লেখ্য, ডেমু (Diesel Electric Multiple Unit) ট্রেন সাধারণত স্বল্প দূরত্বের যাত্রী পরিবহনের জন্য ব্যবহৃত আধুনিক ট্রেন ব্যবস্থা। উন্নত প্রযুক্তির এই ট্রেন চালাতে বিশেষ দক্ষতা ও নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ প্রয়োজন হয়, যা না থাকায় প্রকল্পটি ব্যর্থ হয়েছে বলে বিভিন্ন সময় সমালোচনা উঠে এসেছে।

দুদক জানিয়েছে, মামলাটি তদন্ত করে জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সব মিলিয়ে, ডেমু ট্রেন প্রকল্পটি এখন দেশের অন্যতম আলোচিত ব্যর্থ প্রকল্প হিসেবে সামনে এসেছে, যেখানে বড় অঙ্কের অর্থ ক্ষতির অভিযোগ তদন্তের আওতায় এসেছে।


দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর

প্রকাশক ও সম্পাদকঃ মোঃ সাদ্দাম হোসেন
কপিরাইট © ২০২৬ দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর