দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর
সর্বশেষ
আপডেট : শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬

গুম-শহীদ পরিবারের পাশে আমিনুল হক, ঈদ উপহার ও আর্থিক সহায়তা প্রদান

গুম-শহীদ পরিবারের পাশে আমিনুল হক, ঈদ উপহার ও আর্থিক সহায়তা প্রদান

ঈদযাত্রার সকালে রাজধানীতে ভয়াবহ বাস দুর্ঘটনা, নর্দ্দায় নিহত ৪, আহত বহু

নরসিংদীর রায়পুরায় তৃতীয় লিঙ্গের সদস্যকে কুপিয়ে হত্যা, আতঙ্কে এলাকাবাসী

টাঙ্গাইলে যমুনা সেতুর পূর্বপাড়ে ট্রাক দুর্ঘটনায় ১৫ প্রাণহানি, শোকে স্তব্ধ চাপাইনবাবগঞ্জ

বাংলাদেশ পরিচ্ছন্ন জ্বালানির পথে এগোচ্ছে, সংসদ ভবনে ১ মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প উদ্বোধন

রায়পুরায় নিজ ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা, আতঙ্কে স্থানীয়রা

ঈদে ঘরমুখো মানুষের নিরাপত্তায় তুরাগ থানার বিশেষ প্রস্তুতি, ২৪ দিনে গ্রেপ্তার ২৯৬

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সিআরপি প্রতিনিধিদের সাক্ষাৎ, পুনর্বাসন সেবার বিভিন্ন দিক তুলে ধরা হয়

ডেমু ট্রেন আমদানি করে প্রায় ৬০০ কোটি টাকার ক্ষতিসাধনের অভিযোগে রেলওয়ের সাবেক মহাপরিচালক

ডেমু ট্রেন আমদানি করে প্রায় ৬০০ কোটি টাকার ক্ষতিসাধনের অভিযোগে রেলওয়ের সাবেক মহাপরিচালক
-ছবি: সংগৃহীত

ডেমু ট্রেন আমদানি প্রকল্পে বড় ধরনের আর্থিক অনিয়ম ও রাষ্ট্রীয় ক্ষতির অভিযোগে রেলওয়ের সাবেক মহাপরিচালক তৌহিদুল আনোয়ার চৌধুরীসহ মোট ৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

বুধবার (১৭ সেপ্টেম্বর) দুদকের সংশ্লিষ্ট সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে।

মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, প্রায় ১০ বছর আগে চীন থেকে ২০টি ডেমু ট্রেন আমদানি করা হয়। এই প্রকল্পে সরকারের ব্যয় হয় প্রায় সাড়ে ৬০০ কোটি টাকা। কিন্তু চালু হওয়ার মাত্র কয়েক মাসের মধ্যেই ট্রেনগুলোতে যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দিতে শুরু করে।

প্রাথমিকভাবে ট্রেনগুলো চালু থাকলেও পাঁচ থেকে ছয় মাসের মধ্যেই একের পর এক ট্রেন বিকল হতে থাকে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। পরে মেরামতের একাধিক চেষ্টা করা হলেও তা কার্যকর হয়নি।

এজাহারে আরও বলা হয়, প্রকল্প বাস্তবায়নের সময় সংশ্লিষ্টদের পর্যাপ্ত প্রযুক্তিগত দক্ষতা ও প্রশিক্ষিত জনবল ছিল না। ফলে রক্ষণাবেক্ষণ জটিল হয়ে পড়ে এবং ধীরে ধীরে পুরো ট্রেন সেট অচল হয়ে যায়। প্রায় তিন বছর আগে সব ডেমু ট্রেনই স্থায়ীভাবে বন্ধ হয়ে যায়।

দুদকের অভিযোগ অনুযায়ী, এই প্রকল্প বাস্তবায়নের পেছনে জনস্বার্থের চেয়ে ব্যক্তিগত স্বার্থ ও অনিয়ম ছিল মূল কারণ, যার ফলে রাষ্ট্রের বিপুল অর্থ অপচয় হয়েছে।

উল্লেখ্য, ডেমু (Diesel Electric Multiple Unit) ট্রেন সাধারণত স্বল্প দূরত্বের যাত্রী পরিবহনের জন্য ব্যবহৃত আধুনিক ট্রেন ব্যবস্থা। উন্নত প্রযুক্তির এই ট্রেন চালাতে বিশেষ দক্ষতা ও নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ প্রয়োজন হয়, যা না থাকায় প্রকল্পটি ব্যর্থ হয়েছে বলে বিভিন্ন সময় সমালোচনা উঠে এসেছে।

দুদক জানিয়েছে, মামলাটি তদন্ত করে জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সব মিলিয়ে, ডেমু ট্রেন প্রকল্পটি এখন দেশের অন্যতম আলোচিত ব্যর্থ প্রকল্প হিসেবে সামনে এসেছে, যেখানে বড় অঙ্কের অর্থ ক্ষতির অভিযোগ তদন্তের আওতায় এসেছে।

বিষয় : ডেমু ট্রেন

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর

বুধবার, ২৭ মে ২০২৬


ডেমু ট্রেন আমদানি করে প্রায় ৬০০ কোটি টাকার ক্ষতিসাধনের অভিযোগে রেলওয়ের সাবেক মহাপরিচালক

প্রকাশের তারিখ : ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫

featured Image

ডেমু ট্রেন আমদানি প্রকল্পে বড় ধরনের আর্থিক অনিয়ম ও রাষ্ট্রীয় ক্ষতির অভিযোগে রেলওয়ের সাবেক মহাপরিচালক তৌহিদুল আনোয়ার চৌধুরীসহ মোট ৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

বুধবার (১৭ সেপ্টেম্বর) দুদকের সংশ্লিষ্ট সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে।

মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, প্রায় ১০ বছর আগে চীন থেকে ২০টি ডেমু ট্রেন আমদানি করা হয়। এই প্রকল্পে সরকারের ব্যয় হয় প্রায় সাড়ে ৬০০ কোটি টাকা। কিন্তু চালু হওয়ার মাত্র কয়েক মাসের মধ্যেই ট্রেনগুলোতে যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দিতে শুরু করে।

প্রাথমিকভাবে ট্রেনগুলো চালু থাকলেও পাঁচ থেকে ছয় মাসের মধ্যেই একের পর এক ট্রেন বিকল হতে থাকে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। পরে মেরামতের একাধিক চেষ্টা করা হলেও তা কার্যকর হয়নি।

এজাহারে আরও বলা হয়, প্রকল্প বাস্তবায়নের সময় সংশ্লিষ্টদের পর্যাপ্ত প্রযুক্তিগত দক্ষতা ও প্রশিক্ষিত জনবল ছিল না। ফলে রক্ষণাবেক্ষণ জটিল হয়ে পড়ে এবং ধীরে ধীরে পুরো ট্রেন সেট অচল হয়ে যায়। প্রায় তিন বছর আগে সব ডেমু ট্রেনই স্থায়ীভাবে বন্ধ হয়ে যায়।

দুদকের অভিযোগ অনুযায়ী, এই প্রকল্প বাস্তবায়নের পেছনে জনস্বার্থের চেয়ে ব্যক্তিগত স্বার্থ ও অনিয়ম ছিল মূল কারণ, যার ফলে রাষ্ট্রের বিপুল অর্থ অপচয় হয়েছে।

উল্লেখ্য, ডেমু (Diesel Electric Multiple Unit) ট্রেন সাধারণত স্বল্প দূরত্বের যাত্রী পরিবহনের জন্য ব্যবহৃত আধুনিক ট্রেন ব্যবস্থা। উন্নত প্রযুক্তির এই ট্রেন চালাতে বিশেষ দক্ষতা ও নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ প্রয়োজন হয়, যা না থাকায় প্রকল্পটি ব্যর্থ হয়েছে বলে বিভিন্ন সময় সমালোচনা উঠে এসেছে।

দুদক জানিয়েছে, মামলাটি তদন্ত করে জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সব মিলিয়ে, ডেমু ট্রেন প্রকল্পটি এখন দেশের অন্যতম আলোচিত ব্যর্থ প্রকল্প হিসেবে সামনে এসেছে, যেখানে বড় অঙ্কের অর্থ ক্ষতির অভিযোগ তদন্তের আওতায় এসেছে।


দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর

প্রকাশক ও সম্পাদকঃ মোঃ সাদ্দাম হোসেন
কপিরাইট © ২০২৬ দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর