বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে বাণিজ্য সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করতে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। সোমবার (১৫ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সহকারী বাণিজ্য প্রতিনিধি ব্রেন্ডান লিঞ্চের সঙ্গে এক বৈঠকে তিনি এ কথা জানান।
বৈঠকে দুই দেশের মধ্যে বিদ্যমান বাণিজ্য ঘাটতি কমানোর উপায় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। বিশেষ করে আমদানি–রপ্তানির ভারসাম্য কীভাবে আরও উন্নত করা যায়, সে বিষয়ে উভয় পক্ষ মতবিনিময় করে।
আলোচনায় বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্র থেকে তুলা, সয়াবিনসহ বিভিন্ন কৃষিপণ্য আমদানি বাড়ানোর আগ্রহ প্রকাশ করে। এতে ভবিষ্যতে বাণিজ্য সম্পর্ক আরও বিস্তৃত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়।
এছাড়া বৈঠকে জ্বালানি খাত নিয়েও আলোচনা হয়। এর মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র থেকে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) আমদানি, সিভিল এয়ারক্রাফট ক্রয় এবং জ্বালানি সহযোগিতা জোরদারের বিষয়গুলো উঠে আসে।
আলোচনায় মাদক নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা এবং চলমান রোহিঙ্গা মানবিক সংকট নিয়েও মতবিনিময় হয় বলে জানা গেছে। এসব ইস্যুতে দুই দেশ একসঙ্গে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করে।
বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস বলেন, যুক্তরাষ্ট্র থেকে আমদানি বাড়াতে বাংলাদেশ প্রস্তুত রয়েছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, এতে ভবিষ্যতে বাংলাদেশ অতিরিক্ত শুল্ক ছাড়সহ আরও বাণিজ্য সুবিধা পেতে পারে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের অন্যতম বড় রপ্তানি বাজার। বিশেষ করে তৈরি পোশাক খাতে এই বাজার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই দুই দেশের বাণিজ্য সম্পর্ক আরও শক্তিশালী হলে অর্থনৈতিকভাবে উভয় পক্ষই উপকৃত হতে পারে।
বৈঠকে আরও উপস্থিত ছিলেন বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশীর উদ্দিন, জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা খলিলুর রহমান, দক্ষিণ এশিয়া বিষয়ক ইউএসটিআর পরিচালক এমিলি অ্যাশবি, এসডিজি বিষয়ক সিনিয়র সচিব লামিয়া মুরশেদ, বাণিজ্য সচিব মাহবুবুর রহমান এবং যুক্তরাষ্ট্রের চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স ট্রেসি অ্যান জ্যাকবসন।
সব মিলিয়ে, এই বৈঠককে বাংলাদেশ–যুক্তরাষ্ট্র অর্থনৈতিক ও বাণিজ্য সম্পর্ক আরও গভীর করার একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

বুধবার, ২৭ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫
বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে বাণিজ্য সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করতে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। সোমবার (১৫ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সহকারী বাণিজ্য প্রতিনিধি ব্রেন্ডান লিঞ্চের সঙ্গে এক বৈঠকে তিনি এ কথা জানান।
বৈঠকে দুই দেশের মধ্যে বিদ্যমান বাণিজ্য ঘাটতি কমানোর উপায় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। বিশেষ করে আমদানি–রপ্তানির ভারসাম্য কীভাবে আরও উন্নত করা যায়, সে বিষয়ে উভয় পক্ষ মতবিনিময় করে।
আলোচনায় বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্র থেকে তুলা, সয়াবিনসহ বিভিন্ন কৃষিপণ্য আমদানি বাড়ানোর আগ্রহ প্রকাশ করে। এতে ভবিষ্যতে বাণিজ্য সম্পর্ক আরও বিস্তৃত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়।
এছাড়া বৈঠকে জ্বালানি খাত নিয়েও আলোচনা হয়। এর মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র থেকে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) আমদানি, সিভিল এয়ারক্রাফট ক্রয় এবং জ্বালানি সহযোগিতা জোরদারের বিষয়গুলো উঠে আসে।
আলোচনায় মাদক নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা এবং চলমান রোহিঙ্গা মানবিক সংকট নিয়েও মতবিনিময় হয় বলে জানা গেছে। এসব ইস্যুতে দুই দেশ একসঙ্গে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করে।
বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস বলেন, যুক্তরাষ্ট্র থেকে আমদানি বাড়াতে বাংলাদেশ প্রস্তুত রয়েছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, এতে ভবিষ্যতে বাংলাদেশ অতিরিক্ত শুল্ক ছাড়সহ আরও বাণিজ্য সুবিধা পেতে পারে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের অন্যতম বড় রপ্তানি বাজার। বিশেষ করে তৈরি পোশাক খাতে এই বাজার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই দুই দেশের বাণিজ্য সম্পর্ক আরও শক্তিশালী হলে অর্থনৈতিকভাবে উভয় পক্ষই উপকৃত হতে পারে।
বৈঠকে আরও উপস্থিত ছিলেন বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশীর উদ্দিন, জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা খলিলুর রহমান, দক্ষিণ এশিয়া বিষয়ক ইউএসটিআর পরিচালক এমিলি অ্যাশবি, এসডিজি বিষয়ক সিনিয়র সচিব লামিয়া মুরশেদ, বাণিজ্য সচিব মাহবুবুর রহমান এবং যুক্তরাষ্ট্রের চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স ট্রেসি অ্যান জ্যাকবসন।
সব মিলিয়ে, এই বৈঠককে বাংলাদেশ–যুক্তরাষ্ট্র অর্থনৈতিক ও বাণিজ্য সম্পর্ক আরও গভীর করার একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন