বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই দেশে ফিরতে পারেন বলে জানিয়েছেন দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন।
শনিবার (৬ সেপ্টেম্বর) জাতীয় প্রেসক্লাবে পূবালী ব্যাংক কর্মচারী সংঘের সম্মেলনে যোগ দিয়ে তিনি এই তথ্য জানান। তার এই বক্তব্যকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে, বিশেষ করে তারেক রহমানের দীর্ঘ সময় বিদেশে অবস্থানের পর দেশে ফেরার সম্ভাবনা নিয়ে।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিতে গিয়ে ডা. জাহিদ হোসেন বলেন, দেশে রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে ঘিরে নানা ধরনের ষড়যন্ত্র চলছে। তিনি অভিযোগ করেন, “পতিত স্বৈরাচার” পেছন দিক দিয়ে এসে জনগণের অধিকার ক্ষুণ্ণ করার চেষ্টা করছে। তবে তিনি নির্দিষ্ট কোনো ব্যক্তি বা ঘটনার বিস্তারিত উল্লেখ করেননি।
তিনি আরও বলেন, যারা দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বে বিশ্বাসী নয়, তারা বিভিন্নভাবে রাজনৈতিক অস্থিরতা তৈরি করার চেষ্টা করছে। বিএনপি এসব ষড়যন্ত্র প্রতিরোধে প্রস্তুত রয়েছে বলেও জানান তিনি।
তারেক রহমানকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক পরিস্থিতি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের নেতৃত্বে যেকোনো ধরনের নির্বাচন বানচালের চেষ্টা প্রতিহত করা হবে। একই সঙ্গে তিনি দাবি করেন, আগামী ফেব্রুয়ারিতেই জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে, এ বিষয়ে কোনো পরিবর্তনের সুযোগ নেই।
তিনি আরও বলেন, দেশে বর্তমানে নির্বাচন পদ্ধতি নিয়ে বিভিন্ন মতামত ও দাবি উঠলেও সংবিধানের বাইরে গিয়ে কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া সম্ভব নয়। তার ভাষায়, সংবিধানকে ইচ্ছেমতো পরিবর্তন বা উপেক্ষা করা যায় না। তিনি কিছু প্রস্তাবিত পদ্ধতিকে “বেআইনি দাবি” হিসেবে উল্লেখ করেন।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, বিএনপির পক্ষ থেকে তারেক রহমানের দেশে ফেরার বিষয়ে এমন ঘোষণা নতুন করে রাজনৈতিক উত্তেজনা ও আগ্রহ তৈরি করতে পারে। দীর্ঘদিন ধরে তারেক রহমান লন্ডনে অবস্থান করছেন এবং তার দেশে ফেরা নিয়ে বিভিন্ন সময় নানা আলোচনা হয়েছে।
বাংলাদেশের রাজনীতিতে বিএনপি একটি অন্যতম প্রধান দল হিসেবে পরিচিত। দলের নেতৃত্ব ও ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক কৌশল অনেকাংশেই তারেক রহমানকে ঘিরে আবর্তিত হচ্ছে। ফলে তার দেশে ফেরার সম্ভাবনা রাজনৈতিক সমীকরণে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে বলে মনে করছেন অনেকে।
অন্যদিকে আসন্ন নির্বাচনকে ঘিরে দেশের রাজনৈতিক পরিবেশ ক্রমেই সক্রিয় হয়ে উঠছে। বিভিন্ন দল তাদের অবস্থান স্পষ্ট করছে এবং নির্বাচন নিয়ে নানা বক্তব্য দিচ্ছে। এই প্রেক্ষাপটে বিএনপির এই বক্তব্য নতুন করে রাজনৈতিক আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে এসেছে।
সব মিলিয়ে তারেক রহমানের সম্ভাব্য দেশে ফেরা এবং আসন্ন নির্বাচন নিয়ে বিএনপির কঠোর অবস্থান—দুই বিষয়ই আগামী দিনের রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে আরও গুরুত্বপূর্ণ ও আলোচিত করে তুলছে।

বুধবার, ২৭ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই দেশে ফিরতে পারেন বলে জানিয়েছেন দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন।
শনিবার (৬ সেপ্টেম্বর) জাতীয় প্রেসক্লাবে পূবালী ব্যাংক কর্মচারী সংঘের সম্মেলনে যোগ দিয়ে তিনি এই তথ্য জানান। তার এই বক্তব্যকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে, বিশেষ করে তারেক রহমানের দীর্ঘ সময় বিদেশে অবস্থানের পর দেশে ফেরার সম্ভাবনা নিয়ে।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিতে গিয়ে ডা. জাহিদ হোসেন বলেন, দেশে রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে ঘিরে নানা ধরনের ষড়যন্ত্র চলছে। তিনি অভিযোগ করেন, “পতিত স্বৈরাচার” পেছন দিক দিয়ে এসে জনগণের অধিকার ক্ষুণ্ণ করার চেষ্টা করছে। তবে তিনি নির্দিষ্ট কোনো ব্যক্তি বা ঘটনার বিস্তারিত উল্লেখ করেননি।
তিনি আরও বলেন, যারা দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বে বিশ্বাসী নয়, তারা বিভিন্নভাবে রাজনৈতিক অস্থিরতা তৈরি করার চেষ্টা করছে। বিএনপি এসব ষড়যন্ত্র প্রতিরোধে প্রস্তুত রয়েছে বলেও জানান তিনি।
তারেক রহমানকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক পরিস্থিতি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের নেতৃত্বে যেকোনো ধরনের নির্বাচন বানচালের চেষ্টা প্রতিহত করা হবে। একই সঙ্গে তিনি দাবি করেন, আগামী ফেব্রুয়ারিতেই জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে, এ বিষয়ে কোনো পরিবর্তনের সুযোগ নেই।
তিনি আরও বলেন, দেশে বর্তমানে নির্বাচন পদ্ধতি নিয়ে বিভিন্ন মতামত ও দাবি উঠলেও সংবিধানের বাইরে গিয়ে কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া সম্ভব নয়। তার ভাষায়, সংবিধানকে ইচ্ছেমতো পরিবর্তন বা উপেক্ষা করা যায় না। তিনি কিছু প্রস্তাবিত পদ্ধতিকে “বেআইনি দাবি” হিসেবে উল্লেখ করেন।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, বিএনপির পক্ষ থেকে তারেক রহমানের দেশে ফেরার বিষয়ে এমন ঘোষণা নতুন করে রাজনৈতিক উত্তেজনা ও আগ্রহ তৈরি করতে পারে। দীর্ঘদিন ধরে তারেক রহমান লন্ডনে অবস্থান করছেন এবং তার দেশে ফেরা নিয়ে বিভিন্ন সময় নানা আলোচনা হয়েছে।
বাংলাদেশের রাজনীতিতে বিএনপি একটি অন্যতম প্রধান দল হিসেবে পরিচিত। দলের নেতৃত্ব ও ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক কৌশল অনেকাংশেই তারেক রহমানকে ঘিরে আবর্তিত হচ্ছে। ফলে তার দেশে ফেরার সম্ভাবনা রাজনৈতিক সমীকরণে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে বলে মনে করছেন অনেকে।
অন্যদিকে আসন্ন নির্বাচনকে ঘিরে দেশের রাজনৈতিক পরিবেশ ক্রমেই সক্রিয় হয়ে উঠছে। বিভিন্ন দল তাদের অবস্থান স্পষ্ট করছে এবং নির্বাচন নিয়ে নানা বক্তব্য দিচ্ছে। এই প্রেক্ষাপটে বিএনপির এই বক্তব্য নতুন করে রাজনৈতিক আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে এসেছে।
সব মিলিয়ে তারেক রহমানের সম্ভাব্য দেশে ফেরা এবং আসন্ন নির্বাচন নিয়ে বিএনপির কঠোর অবস্থান—দুই বিষয়ই আগামী দিনের রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে আরও গুরুত্বপূর্ণ ও আলোচিত করে তুলছে।

আপনার মতামত লিখুন