দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর
সর্বশেষ
প্রকাশ : বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬

১ নভেম্বর থেকে খাবারের দোকান-রেস্তোরাঁর নিবন্ধন বাধ্যতামূলক

১ নভেম্বর থেকে খাবারের দোকান-রেস্তোরাঁর নিবন্ধন বাধ্যতামূলক

সাড়ে ৬ বছরে সড়ক দুর্ঘটনায় ৭ হাজার ৯৬৩ শিশুর মৃত্যু: রোড সেফটি ফাউন্ডেশন

ডিসেম্বরে প্রথমবার ইউএনও সম্মেলন, উন্নয়নের বাধা দূর করতে দিকনির্দেশনা দেবেন প্রধানমন্ত্রী

বায়োমেট্রিক না দিলে বাতিল হবে ভোটার নিবন্ধনের আবেদন, ইসির নতুন সিদ্ধান্ত

প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফরে ৩–৪টি সমঝোতা স্মারক সইয়ের আশা

৬৭৮ কোটি টাকার স্বর্ণ-হীরা চোরাচালান মামলা: দিলীপ আগরওয়ালার ৩ দিনের রিমান্ড আবেদন

‘সবাইকে সঙ্গে নিয়ে প্রত্যাশিত বাংলাদেশ গড়ব’—রংপুরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

সৌদিতে দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড, রায়ের কপি চেয়েছে ঢাকা

১ নভেম্বর থেকে খাবারের দোকান-রেস্তোরাঁর নিবন্ধন বাধ্যতামূলক

১ নভেম্বর থেকে খাবারের দোকান-রেস্তোরাঁর নিবন্ধন বাধ্যতামূলক
১ নভেম্বর থেকে রাস্তার পাশের খাবারের দোকান, রেস্তোরাঁসহ নির্ধারিত খাদ্য ব্যবসার নিবন্ধন বা লাইসেন্স বাধ্যতামূলক করার উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ।

রাস্তার পাশের অস্থায়ী খাবারের দোকান থেকে শুরু করে রেস্তোরাঁ, বেকারি, খাদ্যপণ্য প্রস্তুতকারক ও আমদানিকারকদের জন্য নিবন্ধন বা লাইসেন্স গ্রহণ বাধ্যতামূলক হচ্ছে আগামী ১ নভেম্বর থেকে। একই সঙ্গে বাজারজাত করা খাদ্যপণ্যের প্যাকেটে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের (বিএফএসএ) নিবন্ধন নম্বর উল্লেখ করতে হবে। নির্ধারিত ক্ষেত্রে নিবন্ধন বা লাইসেন্স ছাড়া খাদ্য ব্যবসা পরিচালনা করলে শাস্তির মুখে পড়তে হতে পারে।

জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা, নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করা এবং খাদ্য ব্যবসায় শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ‘নিরাপদ খাদ্য (রেজিস্ট্রেশন ও লাইসেন্স) প্রবিধানমালা, ২০২৬’ প্রণয়ন করেছে বিএফএসএ। সংস্থাটির জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. আবুল হাসনাত জানান, গত ১৬ জুলাই প্রবিধানমালাটি সরকারি গেজেটে প্রকাশিত হয়।

নতুন বিধান অনুযায়ী, ১৬ শ্রেণির খাদ্য ব্যবসা ও খাদ্য স্থাপনার জন্য নিবন্ধন নিতে হবে। এসব শ্রেণির ব্যবসার প্রথমবার নিবন্ধন বিনামূল্যে করার বিধান রাখা হয়েছে। অন্যদিকে, নির্ধারিত চার শ্রেণির বিশেষায়িত খাদ্য ব্যবসার জন্য লাইসেন্স বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

নতুন নিয়মে বড় রেস্তোরাঁ বা খাদ্য কারখানার পাশাপাশি ছোট ও অস্থায়ী খাবারের দোকানও নিবন্ধনের আওতায় আসবে। ফলে রাস্তার পাশে খাবার বিক্রি করেন—এমন ব্যবসায়ীদেরও নিজেদের ব্যবসার ধরন অনুযায়ী প্রযোজ্য নিবন্ধন নিতে হবে।

নিবন্ধনের আওতায় থাকা ব্যবসা ও স্থাপনাগুলোর মধ্যে রয়েছে—

  • রেস্তোরাঁ ও ক্যাটারিং প্রতিষ্ঠান

  • বেকারি, পেস্ট্রি শপ ও মিষ্টির দোকান

  • ফলের রসের দোকান

  • দুগ্ধজাত পণ্য প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান

  • প্যাকেটজাত খাবার উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান

  • রাস্তার পাশে পিঠা, পুরি, পেঁয়াজুসহ বিভিন্ন খাবার বিক্রির দোকান

  • পাইকারি মুদি ব্যবসা

  • খাদ্য সংরক্ষণাগার ও কোল্ড স্টোরেজ

  • কাঁচা ও তাজা খাদ্য আমদানিকারক

তবে ব্যবসার ধরন অনুযায়ী নিবন্ধন নাকি বিশেষ লাইসেন্স প্রয়োজন, তা সংশ্লিষ্ট শ্রেণির বিধান দেখে নিশ্চিত হতে হবে।

নিবন্ধনের পাশাপাশি নির্দিষ্ট কিছু বিশেষায়িত খাদ্য ব্যবসার জন্য লাইসেন্স গ্রহণ বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে শিশুদের ফর্মুলা দুধ, বিশেষ পুষ্টির চাহিদাসম্পন্ন ব্যক্তিদের খাবার, স্বাস্থ্য সহায়ক ও সম্পূরক খাদ্য এবং প্রোবায়োটিক ও প্রিবায়োটিক খাদ্য।

এ ছাড়া জৈব খাদ্য, পুষ্টিসমৃদ্ধ খাদ্য, জেনেটিক্যালি মডিফায়েড খাদ্য এবং খাদ্য সংযোজন দ্রব্যের উৎপাদন, প্রক্রিয়াকরণ, মজুদ, আমদানি, রপ্তানি ও বিপণনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য বিধান অনুসরণ করতে হবে।

এসব পণ্যের ক্ষেত্রে নিরাপত্তা, মান ও উৎপাদনপ্রক্রিয়া নিয়ে বিশেষ বিবেচনার প্রয়োজন থাকায় লাইসেন্সের বিধান রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

বিএফএসএর তথ্য অনুযায়ী, নিবন্ধনের জন্য ৫.১ নম্বর ফরমে আবেদন করতে হবে। নির্ধারিত লাইসেন্সের জন্য ব্যবহার করতে হবে ৬.১, ৭.১, ৮.১ ও ৯.১ নম্বর ফরম।

প্রাথমিক পর্যায়ে বিএফএসএর সংশ্লিষ্ট জেলা কার্যালয়ে আবেদন করা যাবে। পরবর্তী সময়ে পর্যায়ক্রমে শতভাগ অনলাইন আবেদন চালুর উদ্যোগ রয়েছে।

খাদ্য ব্যবসায়ীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হলো, আবেদন করার আগে নিজেদের ব্যবসা কোন শ্রেণির আওতায় পড়ে, নিবন্ধন নাকি লাইসেন্স প্রয়োজন এবং সংশ্লিষ্ট ফরম কোনটি—তা নিশ্চিত করা। এতে ভুল ফরমে আবেদন বা প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া অসম্পূর্ণ থাকার ঝুঁকি কমবে।

স্থাপনার আয়তনের ভিত্তিতে লাইসেন্স ফি নির্ধারণ করা হবে। কর্তৃপক্ষের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ১০০ বর্গমিটার বা তার কম আয়তনের স্থাপনার লাইসেন্স ফি ১০ হাজার টাকা। অন্যদিকে, ১০ হাজার বর্গমিটারের বেশি আয়তনের স্থাপনার নতুন লাইসেন্স ফি ৬০ হাজার টাকা।

নিবন্ধন ও লাইসেন্সের মেয়াদ হবে তিন বছর। মেয়াদ শেষ হলে তা নবায়ন করতে হবে।

এখানে উল্লেখিত ফি দুটি নির্দিষ্ট আয়তনের উদাহরণ। মাঝের বিভিন্ন আয়তনের স্থাপনার ফি কত, তা জানতে সংশ্লিষ্ট ফি-তালিকা ও বিধিমালা যাচাই করা প্রয়োজন।

নতুন ব্যবস্থায় বাজারজাত করা খাদ্যপণ্যের প্যাকেটে বিএফএসএর নিবন্ধন নম্বর উল্লেখ করাও বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

কর্তৃপক্ষের আশা, প্যাকেটে নিবন্ধন নম্বর থাকলে পণ্যের নিবন্ধনসংক্রান্ত তথ্য শনাক্ত করা সহজ হবে। পাশাপাশি কোনো পণ্য নিয়ে অভিযোগ উঠলে ভোক্তারা সংশ্লিষ্ট তথ্য খুঁজে পেতে সুবিধা পাবেন।

তবে শুধু নিবন্ধন নম্বর থাকলেই কোনো খাদ্যপণ্য শতভাগ নিরাপদ—এমন নিশ্চয়তা তৈরি হয় না। পণ্যের মান নিয়ন্ত্রণ, সঠিক সংরক্ষণ, স্বাস্থ্যসম্মত উৎপাদন এবং নিয়মিত তদারকিও সমান গুরুত্বপূর্ণ।

বিএফএসএ জানিয়েছে, যেসব খাদ্য ব্যবসার জন্য নিবন্ধন বা লাইসেন্স বাধ্যতামূলক, সেসব ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় অনুমোদন ছাড়া ব্যবসা পরিচালনা করলে নিরাপদ খাদ্য আইন, ২০১৩-এর সংশ্লিষ্ট বিধান অনুযায়ী শাস্তির মুখে পড়তে হতে পারে।

তাই ১ নভেম্বর থেকে কার্যকর হতে যাওয়া বিধানের আওতায় থাকা খাদ্য ব্যবসায়ীদের নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রয়োজনীয় নিবন্ধন বা লাইসেন্স নেওয়ার প্রস্তুতি নিতে বলেছে সংস্থাটি।

ব্যবসায়ীদের জন্য এখন সবচেয়ে জরুরি হলো নিজেদের ব্যবসার শ্রেণি শনাক্ত করা, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র প্রস্তুত রাখা এবং আবেদনপ্রক্রিয়া সম্পর্কে বিএফএসএর সংশ্লিষ্ট জেলা কার্যালয় থেকে সঠিক তথ্য নেওয়া।

বিষয় : খাবারের দোকানের নিবন্ধন রেস্তোরাঁর লাইসেন্স ২০২৬ বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ খাদ্যপণ্যের নিবন্ধন নম্বর

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর

বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬


১ নভেম্বর থেকে খাবারের দোকান-রেস্তোরাঁর নিবন্ধন বাধ্যতামূলক

প্রকাশের তারিখ : ২১ অক্টোবর ২০২৬

featured Image

রাস্তার পাশের অস্থায়ী খাবারের দোকান থেকে শুরু করে রেস্তোরাঁ, বেকারি, খাদ্যপণ্য প্রস্তুতকারক ও আমদানিকারকদের জন্য নিবন্ধন বা লাইসেন্স গ্রহণ বাধ্যতামূলক হচ্ছে আগামী ১ নভেম্বর থেকে। একই সঙ্গে বাজারজাত করা খাদ্যপণ্যের প্যাকেটে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের (বিএফএসএ) নিবন্ধন নম্বর উল্লেখ করতে হবে। নির্ধারিত ক্ষেত্রে নিবন্ধন বা লাইসেন্স ছাড়া খাদ্য ব্যবসা পরিচালনা করলে শাস্তির মুখে পড়তে হতে পারে।

জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা, নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করা এবং খাদ্য ব্যবসায় শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ‘নিরাপদ খাদ্য (রেজিস্ট্রেশন ও লাইসেন্স) প্রবিধানমালা, ২০২৬’ প্রণয়ন করেছে বিএফএসএ। সংস্থাটির জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. আবুল হাসনাত জানান, গত ১৬ জুলাই প্রবিধানমালাটি সরকারি গেজেটে প্রকাশিত হয়।

নতুন বিধান অনুযায়ী, ১৬ শ্রেণির খাদ্য ব্যবসা ও খাদ্য স্থাপনার জন্য নিবন্ধন নিতে হবে। এসব শ্রেণির ব্যবসার প্রথমবার নিবন্ধন বিনামূল্যে করার বিধান রাখা হয়েছে। অন্যদিকে, নির্ধারিত চার শ্রেণির বিশেষায়িত খাদ্য ব্যবসার জন্য লাইসেন্স বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

নতুন নিয়মে বড় রেস্তোরাঁ বা খাদ্য কারখানার পাশাপাশি ছোট ও অস্থায়ী খাবারের দোকানও নিবন্ধনের আওতায় আসবে। ফলে রাস্তার পাশে খাবার বিক্রি করেন—এমন ব্যবসায়ীদেরও নিজেদের ব্যবসার ধরন অনুযায়ী প্রযোজ্য নিবন্ধন নিতে হবে।

নিবন্ধনের আওতায় থাকা ব্যবসা ও স্থাপনাগুলোর মধ্যে রয়েছে—

  • রেস্তোরাঁ ও ক্যাটারিং প্রতিষ্ঠান

  • বেকারি, পেস্ট্রি শপ ও মিষ্টির দোকান

  • ফলের রসের দোকান

  • দুগ্ধজাত পণ্য প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান

  • প্যাকেটজাত খাবার উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান

  • রাস্তার পাশে পিঠা, পুরি, পেঁয়াজুসহ বিভিন্ন খাবার বিক্রির দোকান

  • পাইকারি মুদি ব্যবসা

  • খাদ্য সংরক্ষণাগার ও কোল্ড স্টোরেজ

  • কাঁচা ও তাজা খাদ্য আমদানিকারক

তবে ব্যবসার ধরন অনুযায়ী নিবন্ধন নাকি বিশেষ লাইসেন্স প্রয়োজন, তা সংশ্লিষ্ট শ্রেণির বিধান দেখে নিশ্চিত হতে হবে।

নিবন্ধনের পাশাপাশি নির্দিষ্ট কিছু বিশেষায়িত খাদ্য ব্যবসার জন্য লাইসেন্স গ্রহণ বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে শিশুদের ফর্মুলা দুধ, বিশেষ পুষ্টির চাহিদাসম্পন্ন ব্যক্তিদের খাবার, স্বাস্থ্য সহায়ক ও সম্পূরক খাদ্য এবং প্রোবায়োটিক ও প্রিবায়োটিক খাদ্য।

এ ছাড়া জৈব খাদ্য, পুষ্টিসমৃদ্ধ খাদ্য, জেনেটিক্যালি মডিফায়েড খাদ্য এবং খাদ্য সংযোজন দ্রব্যের উৎপাদন, প্রক্রিয়াকরণ, মজুদ, আমদানি, রপ্তানি ও বিপণনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য বিধান অনুসরণ করতে হবে।

এসব পণ্যের ক্ষেত্রে নিরাপত্তা, মান ও উৎপাদনপ্রক্রিয়া নিয়ে বিশেষ বিবেচনার প্রয়োজন থাকায় লাইসেন্সের বিধান রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

বিএফএসএর তথ্য অনুযায়ী, নিবন্ধনের জন্য ৫.১ নম্বর ফরমে আবেদন করতে হবে। নির্ধারিত লাইসেন্সের জন্য ব্যবহার করতে হবে ৬.১, ৭.১, ৮.১ ও ৯.১ নম্বর ফরম।

প্রাথমিক পর্যায়ে বিএফএসএর সংশ্লিষ্ট জেলা কার্যালয়ে আবেদন করা যাবে। পরবর্তী সময়ে পর্যায়ক্রমে শতভাগ অনলাইন আবেদন চালুর উদ্যোগ রয়েছে।

খাদ্য ব্যবসায়ীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হলো, আবেদন করার আগে নিজেদের ব্যবসা কোন শ্রেণির আওতায় পড়ে, নিবন্ধন নাকি লাইসেন্স প্রয়োজন এবং সংশ্লিষ্ট ফরম কোনটি—তা নিশ্চিত করা। এতে ভুল ফরমে আবেদন বা প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া অসম্পূর্ণ থাকার ঝুঁকি কমবে।

স্থাপনার আয়তনের ভিত্তিতে লাইসেন্স ফি নির্ধারণ করা হবে। কর্তৃপক্ষের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ১০০ বর্গমিটার বা তার কম আয়তনের স্থাপনার লাইসেন্স ফি ১০ হাজার টাকা। অন্যদিকে, ১০ হাজার বর্গমিটারের বেশি আয়তনের স্থাপনার নতুন লাইসেন্স ফি ৬০ হাজার টাকা।

নিবন্ধন ও লাইসেন্সের মেয়াদ হবে তিন বছর। মেয়াদ শেষ হলে তা নবায়ন করতে হবে।

এখানে উল্লেখিত ফি দুটি নির্দিষ্ট আয়তনের উদাহরণ। মাঝের বিভিন্ন আয়তনের স্থাপনার ফি কত, তা জানতে সংশ্লিষ্ট ফি-তালিকা ও বিধিমালা যাচাই করা প্রয়োজন।

নতুন ব্যবস্থায় বাজারজাত করা খাদ্যপণ্যের প্যাকেটে বিএফএসএর নিবন্ধন নম্বর উল্লেখ করাও বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

কর্তৃপক্ষের আশা, প্যাকেটে নিবন্ধন নম্বর থাকলে পণ্যের নিবন্ধনসংক্রান্ত তথ্য শনাক্ত করা সহজ হবে। পাশাপাশি কোনো পণ্য নিয়ে অভিযোগ উঠলে ভোক্তারা সংশ্লিষ্ট তথ্য খুঁজে পেতে সুবিধা পাবেন।

তবে শুধু নিবন্ধন নম্বর থাকলেই কোনো খাদ্যপণ্য শতভাগ নিরাপদ—এমন নিশ্চয়তা তৈরি হয় না। পণ্যের মান নিয়ন্ত্রণ, সঠিক সংরক্ষণ, স্বাস্থ্যসম্মত উৎপাদন এবং নিয়মিত তদারকিও সমান গুরুত্বপূর্ণ।

বিএফএসএ জানিয়েছে, যেসব খাদ্য ব্যবসার জন্য নিবন্ধন বা লাইসেন্স বাধ্যতামূলক, সেসব ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় অনুমোদন ছাড়া ব্যবসা পরিচালনা করলে নিরাপদ খাদ্য আইন, ২০১৩-এর সংশ্লিষ্ট বিধান অনুযায়ী শাস্তির মুখে পড়তে হতে পারে।

তাই ১ নভেম্বর থেকে কার্যকর হতে যাওয়া বিধানের আওতায় থাকা খাদ্য ব্যবসায়ীদের নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রয়োজনীয় নিবন্ধন বা লাইসেন্স নেওয়ার প্রস্তুতি নিতে বলেছে সংস্থাটি।

ব্যবসায়ীদের জন্য এখন সবচেয়ে জরুরি হলো নিজেদের ব্যবসার শ্রেণি শনাক্ত করা, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র প্রস্তুত রাখা এবং আবেদনপ্রক্রিয়া সম্পর্কে বিএফএসএর সংশ্লিষ্ট জেলা কার্যালয় থেকে সঠিক তথ্য নেওয়া।


দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর

প্রকাশক ও সম্পাদকঃ মোঃ সাদ্দাম হোসেন
কপিরাইট © ২০২৬ দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর