দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর
সর্বশেষ
প্রকাশ : সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬

এক দিনেই ইয়েমেনে ১১০ বিমান ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা সৌদি বাহিনীর

এক দিনেই ইয়েমেনে ১১০ বিমান ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা সৌদি বাহিনীর

ইয়েমেনে সৌদি বিমান হামলায় শিশুসহ নিহত ১২, ক্লাস্টার বোমা ব্যবহারের অভিযোগ

মক্কায় দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর, অভিযোগ মসজিদে অনৈতিক কাজ

বাংলাদেশ আমাদের পথ দেখিয়েছে: ভারতের জেন জি আন্দোলন নিয়ে নেহা বোরা

ইসরায়েলগামী ফ্লাইটে ৩১ দেশের পাইলট-ক্রুদের বাদ দিল এয়ার ফ্রান্স

দিল্লিতে ব্যারিকেড সরানো ও ইন্টারনেট-গণপরিবহন স্বাভাবিকের নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের

ভারতে অঘোষিত জরুরি অবস্থা চলছে: সোনম ওয়াংচুক

মুকেশ আম্বানিকে ‘ভারতের প্রধানমন্ত্রী’ বলে কটাক্ষ ইলন মাস্কের

এক দিনেই ইয়েমেনে ১১০ বিমান ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা সৌদি বাহিনীর

এক দিনেই ইয়েমেনে ১১০ বিমান ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা সৌদি বাহিনীর
ইয়েমেনে ২৪ ঘণ্টায় ১১০টি বিমান ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানোর দাবি করেছে হুতিদের সামরিক মুখপাত্র।

ইয়েমেনজুড়ে ২৪ ঘণ্টায় ১১০টি বিমান ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানোর অভিযোগ তুলেছে হুতিরা। গোষ্ঠীটির সামরিক মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারি দাবি করেছেন, এসব হামলায় নারী ও শিশুসহ ৩০ জনের বেশি মানুষ নিহত বা আহত হয়েছেন।

হুতিদের সামরিক মুখপাত্রের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, রাজধানী সানাসহ ইয়েমেনের বিভিন্ন অঞ্চলে এসব হামলা চালানো হয়। তবে হতাহতের সংখ্যা এবং হামলার বিষয়ে স্বাধীনভাবে যাচাই করা তথ্য পাওয়া যায়নি।


ইয়াহিয়া সারির দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, রাজধানী সানা ছাড়াও হুদায়দাহ, তাইজ, আমদান, হাজ্জাহ, সায়দা, আল-জওফ, আল-ধালে ও মারিব গভর্নরেটের বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালানো হয়েছে।

হুতিদের দাবি, ২৪ ঘণ্টার মধ্যে এসব এলাকায় মোট ১১০টি বিমান ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হয়। এতে বেসামরিক নাগরিকদের হতাহত হওয়ার ঘটনাও ঘটেছে বলে উল্লেখ করেন মুখপাত্র।


তবে হামলার লক্ষ্যবস্তু, ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এবং নিহত ও আহত ব্যক্তিদের পৃথক সংখ্যা সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য বিবৃতিতে স্পষ্ট নয়।

ইয়াহিয়া সারি আরও দাবি করেছেন, সাম্প্রতিক সময়ে উত্তেজনা বৃদ্ধির পর থেকে ইয়েমেনে সৌদি বাহিনী মোট ২ হাজার ৬৫২টি বিমান ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে।

এটি হুতিদের সামরিক মুখপাত্রের দেওয়া হিসাব। এ সংখ্যা স্বাধীনভাবে যাচাই করা না হওয়ায় হামলার প্রকৃত পরিসর সম্পর্কে নিশ্চিত হতে আরও তথ্য প্রয়োজন।

হামলায় নারী ও শিশুসহ ৩০ জনের বেশি মানুষ হতাহত হওয়ার দাবি সত্য হলে তা বেসামরিক নাগরিকদের নিরাপত্তা নিয়ে গুরুতর উদ্বেগ তৈরি করে। সংঘাতপূর্ণ এলাকায় বিমান ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার সময় সাধারণ মানুষের প্রাণহানি এবং গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোর ক্ষতির ঝুঁকি বেড়ে যায়।

তবে হতাহতের সংখ্যা, হামলার প্রকৃতি এবং সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর দায় সম্পর্কে নিশ্চিত সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে নির্ভরযোগ্য ও স্বাধীন সূত্রের তথ্য গুরুত্বপূর্ণ।

বিষয় : ইয়েমেনে হামলা সৌদি আরব ইয়েমেন হুতি বিদ্রোহী ইয়েমেনে বিমান হামলা

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর

সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬


এক দিনেই ইয়েমেনে ১১০ বিমান ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা সৌদি বাহিনীর

প্রকাশের তারিখ : ১৯ অক্টোবর ২০২৬

featured Image

ইয়েমেনজুড়ে ২৪ ঘণ্টায় ১১০টি বিমান ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানোর অভিযোগ তুলেছে হুতিরা। গোষ্ঠীটির সামরিক মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারি দাবি করেছেন, এসব হামলায় নারী ও শিশুসহ ৩০ জনের বেশি মানুষ নিহত বা আহত হয়েছেন।

হুতিদের সামরিক মুখপাত্রের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, রাজধানী সানাসহ ইয়েমেনের বিভিন্ন অঞ্চলে এসব হামলা চালানো হয়। তবে হতাহতের সংখ্যা এবং হামলার বিষয়ে স্বাধীনভাবে যাচাই করা তথ্য পাওয়া যায়নি।


ইয়াহিয়া সারির দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, রাজধানী সানা ছাড়াও হুদায়দাহ, তাইজ, আমদান, হাজ্জাহ, সায়দা, আল-জওফ, আল-ধালে ও মারিব গভর্নরেটের বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালানো হয়েছে।

হুতিদের দাবি, ২৪ ঘণ্টার মধ্যে এসব এলাকায় মোট ১১০টি বিমান ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হয়। এতে বেসামরিক নাগরিকদের হতাহত হওয়ার ঘটনাও ঘটেছে বলে উল্লেখ করেন মুখপাত্র।


তবে হামলার লক্ষ্যবস্তু, ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এবং নিহত ও আহত ব্যক্তিদের পৃথক সংখ্যা সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য বিবৃতিতে স্পষ্ট নয়।

ইয়াহিয়া সারি আরও দাবি করেছেন, সাম্প্রতিক সময়ে উত্তেজনা বৃদ্ধির পর থেকে ইয়েমেনে সৌদি বাহিনী মোট ২ হাজার ৬৫২টি বিমান ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে।

এটি হুতিদের সামরিক মুখপাত্রের দেওয়া হিসাব। এ সংখ্যা স্বাধীনভাবে যাচাই করা না হওয়ায় হামলার প্রকৃত পরিসর সম্পর্কে নিশ্চিত হতে আরও তথ্য প্রয়োজন।

হামলায় নারী ও শিশুসহ ৩০ জনের বেশি মানুষ হতাহত হওয়ার দাবি সত্য হলে তা বেসামরিক নাগরিকদের নিরাপত্তা নিয়ে গুরুতর উদ্বেগ তৈরি করে। সংঘাতপূর্ণ এলাকায় বিমান ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার সময় সাধারণ মানুষের প্রাণহানি এবং গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোর ক্ষতির ঝুঁকি বেড়ে যায়।

তবে হতাহতের সংখ্যা, হামলার প্রকৃতি এবং সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর দায় সম্পর্কে নিশ্চিত সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে নির্ভরযোগ্য ও স্বাধীন সূত্রের তথ্য গুরুত্বপূর্ণ।


দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর

প্রকাশক ও সম্পাদকঃ মোঃ সাদ্দাম হোসেন
কপিরাইট © ২০২৬ দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর