দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর
সর্বশেষ
প্রকাশ : বৃহস্পতিবার, ২৮ আগস্ট ২০২৫

মাগুরার শিশু আছিয়া হত্যা-ধর্ষণ মামলার রায় পিছিয়েছে, সোমবার নতুন দিন

মাগুরার শিশু আছিয়া হত্যা-ধর্ষণ মামলার রায় পিছিয়েছে, সোমবার নতুন দিন

সেপ্টেম্বরে যুক্তরাষ্ট্রে যাচ্ছেন তারেক রহমান, ২০ বছর পর নিউইয়র্ক সফর

অনুমোদিত নকশার বাইরে ভবন নির্মাণ বন্ধে নতুন উদ্যোগ, কী বললেন গৃহায়নমন্ত্রী?

সৌদির স্কুলের বইয়ে আমূল পরিবর্তন, ইহুদি-খ্রিস্টানদের নিয়ে বদলে গেল পুরোনো বয়ান

৬ মাস শেষে সরকারের অর্জন-সীমাবদ্ধতা জানাবেন প্রধানমন্ত্রী, চলছে সূক্ষ্ম মূল্যায়ন

দিল্লিতে শেখ হাসিনার বক্তব্য ঘিরে ঢাকা–দিল্লি টানাপোড়েন, সম্পর্ক কি আবার কঠিন পথে?

জ্বালানি খাত নিয়ে বড় সতর্কবার্তা প্রধানমন্ত্রীর, নিয়োগ হবে ১ লাখ স্বাস্থ্যকর্মী

নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস: তরুণ প্রতিভাদের নিয়ে ঢাকার আর্মি স্টেডিয়ামে জমজমাট সমাপনী

সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় ঢাকায় বড় আদেশ, ১৬ আসামি জেলে

সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় ঢাকায় বড় আদেশ, ১৬ আসামি জেলে
-ছবি: সংগৃহীত

রাজধানীর শাহবাগ থানায় দায়ের করা সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় সাবেক মন্ত্রী আব্দুল লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জনকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

শুক্রবার (২৯ আগস্ট) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সারাহ ফারজানা হকের আদালত এ আদেশ দেন। আদালতের এই সিদ্ধান্তকে কেন্দ্র করে সংশ্লিষ্ট মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

মামলার অন্য আসামিদের মধ্যে রয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক শেখ হাফিজুর রহমান (কার্জন), মো. আব্দুল্লাহ আল আমিন, মঞ্জুরুল আলম, কাজী এটিএম আনিসুর রহমান বুলবুল, গোলাম মোস্তফা, মো. মহিউল ইসলাম ওরফে বাবু, মো. জাকির হোসেন, মো. তৌছিফুল বারী খাঁন, মো. আমির হোসেন সুমন, মো. আল আমিন, মো. নাজমুল আহসান, সৈয়দ শাহেদ হাসান, মো. শফিকুল ইসলাম দেলোয়ার, দেওয়ান মোহম্মদ আলী ও মো. আব্দুল্লাহীল কাইয়ুম।

আদালত সূত্রে জানা যায়, এর আগে সকালে আসামিদের আদালতে হাজির করা হয়। পরে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা শাহবাগ থানার উপপরিদর্শক তৌফিক হাসান তাদের কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন।

আবেদনে বলা হয়, একটি ব্যানারকে কেন্দ্র করে দেশকে অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্র এবং উসকানিমূলক বক্তব্য দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে আসামিদের বিরুদ্ধে। তদন্ত কর্মকর্তার দাবি, ওই বক্তব্যের মাধ্যমে উপস্থিত জনতার মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয় এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়।

রাষ্ট্রপক্ষের দাবি, আসামিরা পরস্পরের সহযোগিতায় দেশের বর্তমান পরিস্থিতি অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করেছে এবং এটি একটি পরিকল্পিত প্ররোচনার অংশ হতে পারে বলে তদন্তে উঠে এসেছে।

অন্যদিকে আসামিপক্ষের আইনজীবীরা আদালতে জামিনের আবেদন করেন। তারা বলেন, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন এবং আসামিদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ প্রমাণিত নয়। তবে রাষ্ট্রপক্ষ জামিনের বিরোধিতা করে।

উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে আসামিদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। একই সঙ্গে মামলার তদন্ত কার্যক্রম চলমান রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়।

আদালত সূত্রে আরও জানা গেছে, মামলার তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত এবং আসামিদের পরিচয় ও তথ্য যাচাই সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত তাদের কারাগারে রাখার প্রয়োজনীয়তা উল্লেখ করা হয়। প্রয়োজনে পরে রিমান্ডে নেওয়ার আবেদনও করা হতে পারে বলে তদন্ত কর্মকর্তা জানান।

এদিকে এই মামলাকে ঘিরে রাজনৈতিক ও সামাজিক অঙ্গনে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। কেউ কেউ এটিকে চলমান আইনি প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে দেখছেন, আবার কেউ বিচার প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন।

সব মিলিয়ে শাহবাগ থানার এই মামলায় সাবেক মন্ত্রীসহ ১৬ জনের কারাগারে পাঠানোর ঘটনা রাজধানীর আইন-আদালত ও রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। এখন পুরো বিষয়টি তদন্ত ও পরবর্তী বিচারিক প্রক্রিয়ার ওপর নির্ভর করছে।

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর

বুধবার, ২৬ আগস্ট ২০২৬


সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় ঢাকায় বড় আদেশ, ১৬ আসামি জেলে

প্রকাশের তারিখ : ২৮ আগস্ট ২০২৫

featured Image

রাজধানীর শাহবাগ থানায় দায়ের করা সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় সাবেক মন্ত্রী আব্দুল লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জনকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

শুক্রবার (২৯ আগস্ট) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সারাহ ফারজানা হকের আদালত এ আদেশ দেন। আদালতের এই সিদ্ধান্তকে কেন্দ্র করে সংশ্লিষ্ট মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

মামলার অন্য আসামিদের মধ্যে রয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক শেখ হাফিজুর রহমান (কার্জন), মো. আব্দুল্লাহ আল আমিন, মঞ্জুরুল আলম, কাজী এটিএম আনিসুর রহমান বুলবুল, গোলাম মোস্তফা, মো. মহিউল ইসলাম ওরফে বাবু, মো. জাকির হোসেন, মো. তৌছিফুল বারী খাঁন, মো. আমির হোসেন সুমন, মো. আল আমিন, মো. নাজমুল আহসান, সৈয়দ শাহেদ হাসান, মো. শফিকুল ইসলাম দেলোয়ার, দেওয়ান মোহম্মদ আলী ও মো. আব্দুল্লাহীল কাইয়ুম।

আদালত সূত্রে জানা যায়, এর আগে সকালে আসামিদের আদালতে হাজির করা হয়। পরে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা শাহবাগ থানার উপপরিদর্শক তৌফিক হাসান তাদের কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন।

আবেদনে বলা হয়, একটি ব্যানারকে কেন্দ্র করে দেশকে অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্র এবং উসকানিমূলক বক্তব্য দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে আসামিদের বিরুদ্ধে। তদন্ত কর্মকর্তার দাবি, ওই বক্তব্যের মাধ্যমে উপস্থিত জনতার মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয় এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়।

রাষ্ট্রপক্ষের দাবি, আসামিরা পরস্পরের সহযোগিতায় দেশের বর্তমান পরিস্থিতি অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করেছে এবং এটি একটি পরিকল্পিত প্ররোচনার অংশ হতে পারে বলে তদন্তে উঠে এসেছে।

অন্যদিকে আসামিপক্ষের আইনজীবীরা আদালতে জামিনের আবেদন করেন। তারা বলেন, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন এবং আসামিদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ প্রমাণিত নয়। তবে রাষ্ট্রপক্ষ জামিনের বিরোধিতা করে।

উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে আসামিদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। একই সঙ্গে মামলার তদন্ত কার্যক্রম চলমান রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়।

আদালত সূত্রে আরও জানা গেছে, মামলার তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত এবং আসামিদের পরিচয় ও তথ্য যাচাই সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত তাদের কারাগারে রাখার প্রয়োজনীয়তা উল্লেখ করা হয়। প্রয়োজনে পরে রিমান্ডে নেওয়ার আবেদনও করা হতে পারে বলে তদন্ত কর্মকর্তা জানান।

এদিকে এই মামলাকে ঘিরে রাজনৈতিক ও সামাজিক অঙ্গনে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। কেউ কেউ এটিকে চলমান আইনি প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে দেখছেন, আবার কেউ বিচার প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন।

সব মিলিয়ে শাহবাগ থানার এই মামলায় সাবেক মন্ত্রীসহ ১৬ জনের কারাগারে পাঠানোর ঘটনা রাজধানীর আইন-আদালত ও রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। এখন পুরো বিষয়টি তদন্ত ও পরবর্তী বিচারিক প্রক্রিয়ার ওপর নির্ভর করছে।


দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর

প্রকাশক ও সম্পাদকঃ মোঃ সাদ্দাম হোসেন
কপিরাইট © ২০২৬ দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর