দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর
সর্বশেষ
প্রকাশ : সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬

দিনাজপুরে পাওনা টাকা চাইতে গিয়ে গণধর্ষণের অভিযোগ, গ্রেপ্তার ২

দিনাজপুরে পাওনা টাকা চাইতে গিয়ে গণধর্ষণের অভিযোগ, গ্রেপ্তার ২

ভারতের সঙ্গে সমঝোতা হলেই মোগলহাট স্থলবন্দর চালুর উদ্যোগ: নৌপ্রতিমন্ত্রী

নরসিংদী থেকে লোক ভাড়া করে এনে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সংঘর্ষ, গুলিবিদ্ধসহ আহত ১০

কুমিল্লায় কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযানে গ্রেপ্তার ২৭ কিশোর শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রে

ফেনীতে চেকপোস্টে দায়িত্ব পালনকালে ট্রাকের ধাক্কায় এসআরবি কর্মকর্তা নিহত

ভঙ্গুর অর্থনীতি ও খেলাপি ঋণে শীর্ষস্থান উত্তরাধিকার সূত্রে পেয়েছি: অর্থ উপদেষ্টা

এক ঘণ্টার ব্যবধানে পরপর ৩ ভূমিকম্প, কেঁপে উঠল চট্টগ্রাম-ফেনী-কুমিল্লাসহ বিভিন্ন এলাকা

গাজীপুরে মেট্রিক্স গার্মেন্টসে আগুন, ৬৯ জনকে জীবিত উদ্ধার

দিনাজপুরে পাওনা টাকা চাইতে গিয়ে গণধর্ষণের অভিযোগ, গ্রেপ্তার ২

দিনাজপুরে পাওনা টাকা চাইতে গিয়ে গণধর্ষণের অভিযোগ, গ্রেপ্তার ২
দিনাজপুরের হাকিমপুরে নারীকে ধর্ষণের অভিযোগে দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

দিনাজপুরের হাকিমপুরে পাওনা টাকা চাইতে গিয়ে এক নারী গণধর্ষণের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ওই নারীকে আটকে রেখে ধর্ষণ এবং ঘটনার ভিডিও ধারণ করে ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখানোর অভিযোগও করা হয়েছে।

ঘটনার পর স্থানীয় লোকজন দুজনকে আটক করে পুলিশে খবর দেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে দুজনকে হেফাজতে নেয়। ভুক্তভোগীর মায়ের করা মামলায় তাদের গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হয়েছে। মামলার আরেক আসামি পলাতক রয়েছেন।

রোববার (৪ অক্টোবর) দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেন হাকিমপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. বাদশা আলম।

পুলিশ ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, গত ৩০ সেপ্টেম্বর হাকিমপুর উপজেলার পালপাড়া গ্রামের রুহুল আমিনের বাড়িতে পাওনা টাকা চাইতে যান ওই নারী।

এজাহারে অভিযোগ করা হয়েছে, সেখানে রুহুল আমিন, শুকুর আলী ও ফেরদৌস হোসেন ওই নারীকে আটকে রেখে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন। মামলায় ঘটনাটিকে গণধর্ষণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

এ সময় অভিযুক্তরা মুঠোফোনে ঘটনার ভিডিও ধারণ করেন এবং ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখান বলেও এজাহারে অভিযোগ করা হয়েছে।

ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর স্থানীয় লোকজন রুহুল আমিন ও শুকুর আলীকে ওই বাড়ি থেকে আটক করেন। পরে খবর পেয়ে হাকিমপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে দুজনকে হেফাজতে নেয়।

একই সময় পুলিশ ভুক্তভোগী নারীকে উদ্ধার করে।

পরে তার মায়ের করা এজাহারের ভিত্তিতে হাকিমপুর থানায় গণধর্ষণের অভিযোগে মামলা করা হয়। মামলায় রুহুল আমিন, শুকুর আলী ও ফেরদৌস হোসেনকে আসামি করা হয়েছে।

মামলার পর রুহুল আমিন ও শুকুর আলীকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে পাঠিয়েছে পুলিশ। মামলার অপর আসামি ফেরদৌস হোসেন পলাতক রয়েছেন।

হাকিমপুর থানার ওসি মো. বাদশা আলম বলেন, রোববার দুপুরে ভুক্তভোগীর মা বাদী হয়ে থানায় মামলা করেছেন। মামলাটি তদন্তাধীন রয়েছে। পলাতক আসামিকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

ঘটনাটিতে ধর্ষণের অভিযোগের পাশাপাশি ভিডিও ধারণ ও তা ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখানোর অভিযোগও সামনে এসেছে। এ ধরনের অভিযোগ থাকলে তদন্তে ভিডিও ধারণের বিষয়টি, সংশ্লিষ্ট মোবাইল ফোন বা ডিজিটাল ডিভাইস এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কোনো কনটেন্ট ছড়ানো হয়েছে কি না—এসব বিষয়ও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।

তবে মামলার এজাহারে থাকা অভিযোগই এখন পর্যন্ত ঘটনার একমাত্র বর্ণিত দিক। তদন্ত ও আদালতের প্রক্রিয়ায় অভিযোগের সত্যতা যাচাই হবে।

বিষয় : দিনাজপুরে গণধর্ষণ নারী গণধর্ষণের অভিযোগ দিনাজপুর ধর্ষণ মামলা পাওনা টাকা চাইতে গিয়ে ধর্ষণ

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর

সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬


দিনাজপুরে পাওনা টাকা চাইতে গিয়ে গণধর্ষণের অভিযোগ, গ্রেপ্তার ২

প্রকাশের তারিখ : ০৫ অক্টোবর ২০২৬

featured Image

দিনাজপুরের হাকিমপুরে পাওনা টাকা চাইতে গিয়ে এক নারী গণধর্ষণের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ওই নারীকে আটকে রেখে ধর্ষণ এবং ঘটনার ভিডিও ধারণ করে ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখানোর অভিযোগও করা হয়েছে।

ঘটনার পর স্থানীয় লোকজন দুজনকে আটক করে পুলিশে খবর দেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে দুজনকে হেফাজতে নেয়। ভুক্তভোগীর মায়ের করা মামলায় তাদের গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হয়েছে। মামলার আরেক আসামি পলাতক রয়েছেন।

রোববার (৪ অক্টোবর) দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেন হাকিমপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. বাদশা আলম।

পুলিশ ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, গত ৩০ সেপ্টেম্বর হাকিমপুর উপজেলার পালপাড়া গ্রামের রুহুল আমিনের বাড়িতে পাওনা টাকা চাইতে যান ওই নারী।

এজাহারে অভিযোগ করা হয়েছে, সেখানে রুহুল আমিন, শুকুর আলী ও ফেরদৌস হোসেন ওই নারীকে আটকে রেখে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন। মামলায় ঘটনাটিকে গণধর্ষণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

এ সময় অভিযুক্তরা মুঠোফোনে ঘটনার ভিডিও ধারণ করেন এবং ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখান বলেও এজাহারে অভিযোগ করা হয়েছে।

ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর স্থানীয় লোকজন রুহুল আমিন ও শুকুর আলীকে ওই বাড়ি থেকে আটক করেন। পরে খবর পেয়ে হাকিমপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে দুজনকে হেফাজতে নেয়।

একই সময় পুলিশ ভুক্তভোগী নারীকে উদ্ধার করে।

পরে তার মায়ের করা এজাহারের ভিত্তিতে হাকিমপুর থানায় গণধর্ষণের অভিযোগে মামলা করা হয়। মামলায় রুহুল আমিন, শুকুর আলী ও ফেরদৌস হোসেনকে আসামি করা হয়েছে।

মামলার পর রুহুল আমিন ও শুকুর আলীকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে পাঠিয়েছে পুলিশ। মামলার অপর আসামি ফেরদৌস হোসেন পলাতক রয়েছেন।

হাকিমপুর থানার ওসি মো. বাদশা আলম বলেন, রোববার দুপুরে ভুক্তভোগীর মা বাদী হয়ে থানায় মামলা করেছেন। মামলাটি তদন্তাধীন রয়েছে। পলাতক আসামিকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

ঘটনাটিতে ধর্ষণের অভিযোগের পাশাপাশি ভিডিও ধারণ ও তা ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখানোর অভিযোগও সামনে এসেছে। এ ধরনের অভিযোগ থাকলে তদন্তে ভিডিও ধারণের বিষয়টি, সংশ্লিষ্ট মোবাইল ফোন বা ডিজিটাল ডিভাইস এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কোনো কনটেন্ট ছড়ানো হয়েছে কি না—এসব বিষয়ও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।

তবে মামলার এজাহারে থাকা অভিযোগই এখন পর্যন্ত ঘটনার একমাত্র বর্ণিত দিক। তদন্ত ও আদালতের প্রক্রিয়ায় অভিযোগের সত্যতা যাচাই হবে।


দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর

প্রকাশক ও সম্পাদকঃ মোঃ সাদ্দাম হোসেন
কপিরাইট © ২০২৬ দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর