দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর
সর্বশেষ
প্রকাশ : শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

লেবাননে ভয়াবহ ফসফরাস হামলার অভিযোগ ইসরায়েলের বিরুদ্ধে

লেবাননে ভয়াবহ ফসফরাস হামলার অভিযোগ ইসরায়েলের বিরুদ্ধে

‘ইসরায়েলকে জমি দিতে চাইলে নিউ জার্সি দিয়ে দিন’: ট্রাম্পকে সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট

আফগানিস্তানের ১০ সামরিক ঘাঁটিতে পাকিস্তানের বিমান-ড্রোন হামলার দাবি

রাশিয়ার সঙ্গে ‘জ্বালানি যুদ্ধবিরতিতে’ প্রস্তুত ইউক্রেন: জেলেনস্কি

বড় যুদ্ধের আশঙ্কায় ইউরোপে প্রস্তুতি, খাবার-পানি মজুতের নির্দেশ

যুদ্ধের মধ্যেই জাতিসংঘ অধিবেশনে যোগ দিতে নিউইয়র্কে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী

মালয়েশিয়ায় অভিযানে ৫৭ হাজারের বেশি অবৈধ অভিবাসী আটক

ইরানকে হুথিদের সমর্থন বন্ধের আহ্বান জি৭-এর, সৌদিতে হামলা নিয়ে কড়া বার্তা

লেবাননে ভয়াবহ ফসফরাস হামলার অভিযোগ ইসরায়েলের বিরুদ্ধে

লেবাননে ভয়াবহ ফসফরাস হামলার অভিযোগ ইসরায়েলের বিরুদ্ধে
দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলি হামলার পর ধ্বংসস্তূপ ও ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার চিত্র।

দক্ষিণ লেবাননের কয়েকটি এলাকায় গোলাবর্ষণের সময় ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী বিপজ্জনক ফসফরাস অস্ত্র ব্যবহার করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। লেবাননের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা এনএনএর বরাতে শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে আনাদোলু এজেন্সি।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, নাবাতিহ জেলার জওতার আল-শারকিয়াহ, মেফাদুন ও নাবাতিহ আল-ফাওকার আশপাশে গোলাবর্ষণ করা হয়। নাবাতিহ আল-ফাওকায় সরাসরি ফসফরাস শেল ব্যবহারের অভিযোগ রয়েছে। পরে জওতার আল-শারকিয়াহ এলাকাতেও একই ধরনের অস্ত্র দিয়ে হামলা চালানো হয় বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

টায়ার জেলার ওয়াদি জিবকিন এবং হারিস ও হাদাসার সীমান্তবর্তী এলাকাতেও ভারী কামানের গোলা নিক্ষেপ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে লেবাননের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা।

হামলার ক্ষয়ক্ষতি বা তাৎক্ষণিক হতাহতের বিষয়ে ওই প্রতিবেদনে বিস্তারিত তথ্য দেওয়া হয়নি।

এদিকে হামলার পর লেবানন সেনাবাহিনীর বিশেষজ্ঞ দল মারজায়ুন ও বিনত জবেইল জেলার মাজদাল সেলম এবং আল-ঘান্দুরিয়াহ এলাকা থেকে ইসরায়েলের দুটি অবিস্ফোরিত বিমান বোমা উদ্ধার করেছে।

সেনাবাহিনীর বিশেষ দল বোমা দুটি নিষ্ক্রিয় করে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেয় বলে লেবাননের কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।

লেবাননের কর্তৃপক্ষের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের মার্চের শুরু থেকে ইসরায়েলি সামরিক অভিযানে এখন পর্যন্ত অন্তত ৪ হাজার ৩৮৬ জন নিহত এবং ১২ হাজার ৪০৭ জন আহত হয়েছেন। একই সময়ে ১০ লাখের বেশি মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন বলেও দাবি করা হয়েছে।

তবে এসব পরিসংখ্যানের স্বাধীন যাচাই এই প্রতিবেদনে সম্ভব হয়নি।

প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছে, লেবাননের ভূখণ্ড থেকে পর্যায়ক্রমে ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহার, সেখানে লেবাননের সেনাবাহিনী মোতায়েন এবং হিজবুল্লাহর অস্ত্রসংবরণের শর্তে গত জুনে একটি সমঝোতা হয়েছিল।

এরপরও দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলি হামলা অব্যাহত রয়েছে বলে লেবাননের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হচ্ছে।

ফসফরাস অস্ত্র ব্যবহারের অভিযোগটি বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এ ধরনের অস্ত্রের ব্যবহার নিয়ে আন্তর্জাতিক মানবিক আইনের অধীনে গুরুতর প্রশ্ন উঠতে পারে। তবে কোনো নির্দিষ্ট হামলায় এমন অস্ত্র ব্যবহার হয়েছে কি না, তা নিশ্চিত করতে ঘটনাস্থলের প্রমাণ ও স্বাধীন তদন্ত প্রয়োজন।

বিষয় : লেবাননে ইসরায়েল হামলা ফসফরাস হামলা ইসরায়েল লেবানন সংঘাত নাবাতিহ হামলা ইসরায়েলি হামলা

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর

শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬


লেবাননে ভয়াবহ ফসফরাস হামলার অভিযোগ ইসরায়েলের বিরুদ্ধে

প্রকাশের তারিখ : ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

দক্ষিণ লেবাননের কয়েকটি এলাকায় গোলাবর্ষণের সময় ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী বিপজ্জনক ফসফরাস অস্ত্র ব্যবহার করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। লেবাননের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা এনএনএর বরাতে শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে আনাদোলু এজেন্সি।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, নাবাতিহ জেলার জওতার আল-শারকিয়াহ, মেফাদুন ও নাবাতিহ আল-ফাওকার আশপাশে গোলাবর্ষণ করা হয়। নাবাতিহ আল-ফাওকায় সরাসরি ফসফরাস শেল ব্যবহারের অভিযোগ রয়েছে। পরে জওতার আল-শারকিয়াহ এলাকাতেও একই ধরনের অস্ত্র দিয়ে হামলা চালানো হয় বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

টায়ার জেলার ওয়াদি জিবকিন এবং হারিস ও হাদাসার সীমান্তবর্তী এলাকাতেও ভারী কামানের গোলা নিক্ষেপ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে লেবাননের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা।

হামলার ক্ষয়ক্ষতি বা তাৎক্ষণিক হতাহতের বিষয়ে ওই প্রতিবেদনে বিস্তারিত তথ্য দেওয়া হয়নি।

এদিকে হামলার পর লেবানন সেনাবাহিনীর বিশেষজ্ঞ দল মারজায়ুন ও বিনত জবেইল জেলার মাজদাল সেলম এবং আল-ঘান্দুরিয়াহ এলাকা থেকে ইসরায়েলের দুটি অবিস্ফোরিত বিমান বোমা উদ্ধার করেছে।

সেনাবাহিনীর বিশেষ দল বোমা দুটি নিষ্ক্রিয় করে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেয় বলে লেবাননের কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।

লেবাননের কর্তৃপক্ষের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের মার্চের শুরু থেকে ইসরায়েলি সামরিক অভিযানে এখন পর্যন্ত অন্তত ৪ হাজার ৩৮৬ জন নিহত এবং ১২ হাজার ৪০৭ জন আহত হয়েছেন। একই সময়ে ১০ লাখের বেশি মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন বলেও দাবি করা হয়েছে।

তবে এসব পরিসংখ্যানের স্বাধীন যাচাই এই প্রতিবেদনে সম্ভব হয়নি।

প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছে, লেবাননের ভূখণ্ড থেকে পর্যায়ক্রমে ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহার, সেখানে লেবাননের সেনাবাহিনী মোতায়েন এবং হিজবুল্লাহর অস্ত্রসংবরণের শর্তে গত জুনে একটি সমঝোতা হয়েছিল।

এরপরও দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলি হামলা অব্যাহত রয়েছে বলে লেবাননের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হচ্ছে।

ফসফরাস অস্ত্র ব্যবহারের অভিযোগটি বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এ ধরনের অস্ত্রের ব্যবহার নিয়ে আন্তর্জাতিক মানবিক আইনের অধীনে গুরুতর প্রশ্ন উঠতে পারে। তবে কোনো নির্দিষ্ট হামলায় এমন অস্ত্র ব্যবহার হয়েছে কি না, তা নিশ্চিত করতে ঘটনাস্থলের প্রমাণ ও স্বাধীন তদন্ত প্রয়োজন।


দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর

প্রকাশক ও সম্পাদকঃ মোঃ সাদ্দাম হোসেন
কপিরাইট © ২০২৬ দৈনিক জাতীয় কণ্ঠস্বর