ভারত থেকে মৈত্রী পাইপলাইনের মাধ্যমে বাংলাদেশে এলো প্রায় ৪৭ লাখ লিটার ডিজেল। প্রায় ৪ হাজার মেট্রিক টন জ্বালানির এই চালান পৌঁছেছে দিনাজপুরের পার্বতীপুর রিসিভিং টার্মিনাল ডিপোতে। এটি পাইপলাইনের ৭২তম চালান।
বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ১৩ সেপ্টেম্বর সকাল ৯টায় চালানটির সরবরাহ শুরু হয় এবং ১৫ সেপ্টেম্বর তা শেষ হয়। পার্বতীপুর রেল ডিপোর পরিচালন ব্যবস্থাপক মো. রবিউল আলম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
জ্বালানি আমদানির এই চালান এমন সময়ে এলো, যখন বাংলাদেশ-ভারত মৈত্রী পাইপলাইনের মাধ্যমে নিয়মিত ডিজেল সরবরাহের পাশাপাশি অতিরিক্ত জ্বালানি আমদানির বিষয়টিও আলোচনায় রয়েছে।
এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়, ১৩ সেপ্টেম্বর সকাল ৯টায় সরবরাহ শুরু হয়ে ১৫ সেপ্টেম্বর শেষ হয়। পার্বতীপুর রেল ডিপোর পরিচালন ব্যবস্থাপক মো. রবিউল আলম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
চালানটি পাইপলাইনের ৭২তম চালান। তবে এই চালান থেকে দেশের কোন কোন এলাকায় কত জ্বালানি সরবরাহ করা হবে, সে বিষয়ে দেওয়া তথ্যে বিস্তারিত উল্লেখ নেই।
২০২৩ সালের মার্চে পাইপলাইনটি চালু হয়। চালুর পর এ পর্যন্ত এর মাধ্যমে বাংলাদেশে মোট ৩ লাখ ৩০ হাজার ৮৭ মেট্রিক টন ডিজেল এসেছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
পাইপলাইনটির মাধ্যমে প্রতি বছর সর্বোচ্চ ১০ লাখ মেট্রিক টন উচ্চগতির ডিজেল পরিবহনের সক্ষমতা রয়েছে। ফলে এটি বাংলাদেশের জ্বালানি আমদানির একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবহন ব্যবস্থা হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে।
এরপর এপ্রিল, মে ও জুলাইয়েও ভারত থেকে পরিশোধিত ডিজেল আমদানি করে বাংলাদেশ। ওই তিন মাসে যথাক্রমে ২৫ হাজার, ৮ হাজার ও ৮ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল আনা হয়।
এতে দেখা যায়, পাইপলাইনটি শুধু নিয়মিত আমদানির জন্য নয়, অতিরিক্ত জ্বালানি সরবরাহের প্রয়োজন হলেও ব্যবহার করা হচ্ছে।
তবে অতিরিক্ত সরবরাহের অনুরোধের বিষয়ে বাংলাদেশ সরকারের কোন মন্ত্রণালয় বা সংস্থা আনুষ্ঠানিকভাবে কী জানিয়েছে, তা দেওয়া তথ্যে উল্লেখ নেই। এ বিষয়ে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বক্তব্য পাওয়া গেলে প্রতিবেদনটি আরও পূর্ণাঙ্গ হবে।
জ্বালানির পরিমাণ: প্রায় ৪ হাজার মেট্রিক টন বা ৪৭ লাখ লিটার ডিজেল।
সরবরাহের সময়: ১৩ সেপ্টেম্বর সকাল ৯টা থেকে ১৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত।
গন্তব্য: পার্বতীপুর রিসিভিং টার্মিনাল ডিপো, দিনাজপুর।
চালান নম্বর: মৈত্রী পাইপলাইনের ৭২তম চালান।
বার্ষিক পরিবহন সক্ষমতা: সর্বোচ্চ ১০ লাখ মেট্রিক টন উচ্চগতির ডিজেল।
মৈত্রী পাইপলাইনের মাধ্যমে ডিজেল পরিবহন করা হলে জ্বালানি আমদানির একটি নির্দিষ্ট স্থলপথ তৈরি থাকে। তবে এই চালান সরাসরি বাজারে ডিজেলের দাম কমাবে কি না, বা দেশের সব এলাকায় জ্বালানি সরবরাহে কতটা প্রভাব ফেলবে, তা নির্ভর করবে আমদানির পরিমাণ, মজুত, বিতরণ ব্যবস্থা ও বাজার পরিস্থিতির ওপর।
আরেকটি বিষয় হলো, একটি চালান দেশে পৌঁছালেই জ্বালানি সংকট পুরোপুরি দূর হয়েছে—এমন সিদ্ধান্তে যাওয়া ঠিক নয়। আমদানির পর জ্বালানি কোথায় যাচ্ছে, কতদিনের মজুত রয়েছে এবং পরিবহন খাতে সরবরাহ স্বাভাবিক আছে কি না, সেসব তথ্যও গুরুত্বপূর্ণ।
জ্বালানির দাম বা সরবরাহ নিয়ে কোনো সিদ্ধান্তে যাওয়ার আগে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সর্বশেষ ঘোষণা দেখা উচিত। আমদানির পরিমাণ ও বাজারদর এক বিষয় নয়।

বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ভারত থেকে মৈত্রী পাইপলাইনের মাধ্যমে বাংলাদেশে এলো প্রায় ৪৭ লাখ লিটার ডিজেল। প্রায় ৪ হাজার মেট্রিক টন জ্বালানির এই চালান পৌঁছেছে দিনাজপুরের পার্বতীপুর রিসিভিং টার্মিনাল ডিপোতে। এটি পাইপলাইনের ৭২তম চালান।
বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ১৩ সেপ্টেম্বর সকাল ৯টায় চালানটির সরবরাহ শুরু হয় এবং ১৫ সেপ্টেম্বর তা শেষ হয়। পার্বতীপুর রেল ডিপোর পরিচালন ব্যবস্থাপক মো. রবিউল আলম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
জ্বালানি আমদানির এই চালান এমন সময়ে এলো, যখন বাংলাদেশ-ভারত মৈত্রী পাইপলাইনের মাধ্যমে নিয়মিত ডিজেল সরবরাহের পাশাপাশি অতিরিক্ত জ্বালানি আমদানির বিষয়টিও আলোচনায় রয়েছে।
এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়, ১৩ সেপ্টেম্বর সকাল ৯টায় সরবরাহ শুরু হয়ে ১৫ সেপ্টেম্বর শেষ হয়। পার্বতীপুর রেল ডিপোর পরিচালন ব্যবস্থাপক মো. রবিউল আলম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
চালানটি পাইপলাইনের ৭২তম চালান। তবে এই চালান থেকে দেশের কোন কোন এলাকায় কত জ্বালানি সরবরাহ করা হবে, সে বিষয়ে দেওয়া তথ্যে বিস্তারিত উল্লেখ নেই।
২০২৩ সালের মার্চে পাইপলাইনটি চালু হয়। চালুর পর এ পর্যন্ত এর মাধ্যমে বাংলাদেশে মোট ৩ লাখ ৩০ হাজার ৮৭ মেট্রিক টন ডিজেল এসেছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
পাইপলাইনটির মাধ্যমে প্রতি বছর সর্বোচ্চ ১০ লাখ মেট্রিক টন উচ্চগতির ডিজেল পরিবহনের সক্ষমতা রয়েছে। ফলে এটি বাংলাদেশের জ্বালানি আমদানির একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবহন ব্যবস্থা হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে।
এরপর এপ্রিল, মে ও জুলাইয়েও ভারত থেকে পরিশোধিত ডিজেল আমদানি করে বাংলাদেশ। ওই তিন মাসে যথাক্রমে ২৫ হাজার, ৮ হাজার ও ৮ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল আনা হয়।
এতে দেখা যায়, পাইপলাইনটি শুধু নিয়মিত আমদানির জন্য নয়, অতিরিক্ত জ্বালানি সরবরাহের প্রয়োজন হলেও ব্যবহার করা হচ্ছে।
তবে অতিরিক্ত সরবরাহের অনুরোধের বিষয়ে বাংলাদেশ সরকারের কোন মন্ত্রণালয় বা সংস্থা আনুষ্ঠানিকভাবে কী জানিয়েছে, তা দেওয়া তথ্যে উল্লেখ নেই। এ বিষয়ে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বক্তব্য পাওয়া গেলে প্রতিবেদনটি আরও পূর্ণাঙ্গ হবে।
জ্বালানির পরিমাণ: প্রায় ৪ হাজার মেট্রিক টন বা ৪৭ লাখ লিটার ডিজেল।
সরবরাহের সময়: ১৩ সেপ্টেম্বর সকাল ৯টা থেকে ১৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত।
গন্তব্য: পার্বতীপুর রিসিভিং টার্মিনাল ডিপো, দিনাজপুর।
চালান নম্বর: মৈত্রী পাইপলাইনের ৭২তম চালান।
বার্ষিক পরিবহন সক্ষমতা: সর্বোচ্চ ১০ লাখ মেট্রিক টন উচ্চগতির ডিজেল।
মৈত্রী পাইপলাইনের মাধ্যমে ডিজেল পরিবহন করা হলে জ্বালানি আমদানির একটি নির্দিষ্ট স্থলপথ তৈরি থাকে। তবে এই চালান সরাসরি বাজারে ডিজেলের দাম কমাবে কি না, বা দেশের সব এলাকায় জ্বালানি সরবরাহে কতটা প্রভাব ফেলবে, তা নির্ভর করবে আমদানির পরিমাণ, মজুত, বিতরণ ব্যবস্থা ও বাজার পরিস্থিতির ওপর।
আরেকটি বিষয় হলো, একটি চালান দেশে পৌঁছালেই জ্বালানি সংকট পুরোপুরি দূর হয়েছে—এমন সিদ্ধান্তে যাওয়া ঠিক নয়। আমদানির পর জ্বালানি কোথায় যাচ্ছে, কতদিনের মজুত রয়েছে এবং পরিবহন খাতে সরবরাহ স্বাভাবিক আছে কি না, সেসব তথ্যও গুরুত্বপূর্ণ।
জ্বালানির দাম বা সরবরাহ নিয়ে কোনো সিদ্ধান্তে যাওয়ার আগে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সর্বশেষ ঘোষণা দেখা উচিত। আমদানির পরিমাণ ও বাজারদর এক বিষয় নয়।

আপনার মতামত লিখুন