কারাগারের চার দেয়ালই ছিল তার শৈশবের পৃথিবী। বাইরে স্কুল কেমন, খেলার মাঠ কেমন, কিংবা মুক্ত আকাশের নিচে ছুটে চলা কাকে বলে—এসব জানার সুযোগ হয়নি সাত বছরের মোবাশ্বেরার।
মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরে কাশিমপুর মহিলা কেন্দ্রীয় কারাগারের ফটক দিয়ে মায়ের হাত ধরে বেরিয়ে আসে সে। নুসরাত জাহান রাফি হত্যা মামলায় মা কামরুন্নাহার মনি খালাস পাওয়ার দিনই শেষ হয় মোবাশ্বেরার সাত বছরের কারাজীবন।
মেয়েটির নাম রাখা হয় মোবাশ্বেরা। জন্মের পর থেকেই মায়ের সঙ্গে কারাগারে কাটতে থাকে তার শৈশবের দিনগুলো।
কারাগারের পরিবেশই হয়ে ওঠে তার পরিচিত জগৎ। সীমিত পরিসরের মধ্যেই শুরু হয় পড়াশোনা ও ধর্মীয় শিক্ষার হাতেখড়ি।
তিনি জানান, একটি জামা কেটে মেয়ের জন্য স্কুলব্যাগ তৈরি করেছিলেন। সেই ব্যাগে তিনটি বই নিয়ে স্কুলে যেত মোবাশ্বেরা।
স্কুলব্যাগ কী, সেটিও মেয়েকে কারাগারের ভেতর থেকেই শেখাতে হয়েছে—কারণ বাইরের স্বাভাবিক স্কুলজীবনের অভিজ্ঞতা তার ছিল না।
অর্থাৎ কারাগারের সীমাবদ্ধতার মধ্যেও মেয়ের পড়াশোনা ও ধর্মীয় শিক্ষার বিষয়টি নিজের মতো করে চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেছেন তিনি।
এখন প্রথমবারের মতো কারাগারের বাইরে বড় পরিসরের জীবন দেখার সুযোগ পাচ্ছে সে। স্কুল, পরিবার, খেলার মাঠ, মুক্ত পরিবেশ—সবকিছুই তার কাছে নতুন অভিজ্ঞতা হতে পারে।
এদিন কারাগারের বাইরে অপেক্ষায় থাকা স্বজনরা মুক্তিপ্রাপ্তদের ফুল দিয়ে বরণ করে নেন। দীর্ঘ অপেক্ষার পর স্বজনদের ফিরে পাওয়ার আনন্দে আবেগঘন হয়ে ওঠে পরিবেশ।
কাশিমপুর হাই সিকিউরিটি কেন্দ্রীয় কারাগারের জেলার জাকির হোসেন জানান, মুক্তির প্রয়োজনীয় কাগজপত্র কারাগারে পৌঁছানোর পর তা যাচাই-বাছাই করা হয়। প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর পর্যায়ক্রমে তাদের মুক্তি দেওয়া হয়েছে।

বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
কারাগারের চার দেয়ালই ছিল তার শৈশবের পৃথিবী। বাইরে স্কুল কেমন, খেলার মাঠ কেমন, কিংবা মুক্ত আকাশের নিচে ছুটে চলা কাকে বলে—এসব জানার সুযোগ হয়নি সাত বছরের মোবাশ্বেরার।
মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরে কাশিমপুর মহিলা কেন্দ্রীয় কারাগারের ফটক দিয়ে মায়ের হাত ধরে বেরিয়ে আসে সে। নুসরাত জাহান রাফি হত্যা মামলায় মা কামরুন্নাহার মনি খালাস পাওয়ার দিনই শেষ হয় মোবাশ্বেরার সাত বছরের কারাজীবন।
মেয়েটির নাম রাখা হয় মোবাশ্বেরা। জন্মের পর থেকেই মায়ের সঙ্গে কারাগারে কাটতে থাকে তার শৈশবের দিনগুলো।
কারাগারের পরিবেশই হয়ে ওঠে তার পরিচিত জগৎ। সীমিত পরিসরের মধ্যেই শুরু হয় পড়াশোনা ও ধর্মীয় শিক্ষার হাতেখড়ি।
তিনি জানান, একটি জামা কেটে মেয়ের জন্য স্কুলব্যাগ তৈরি করেছিলেন। সেই ব্যাগে তিনটি বই নিয়ে স্কুলে যেত মোবাশ্বেরা।
স্কুলব্যাগ কী, সেটিও মেয়েকে কারাগারের ভেতর থেকেই শেখাতে হয়েছে—কারণ বাইরের স্বাভাবিক স্কুলজীবনের অভিজ্ঞতা তার ছিল না।
অর্থাৎ কারাগারের সীমাবদ্ধতার মধ্যেও মেয়ের পড়াশোনা ও ধর্মীয় শিক্ষার বিষয়টি নিজের মতো করে চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেছেন তিনি।
এখন প্রথমবারের মতো কারাগারের বাইরে বড় পরিসরের জীবন দেখার সুযোগ পাচ্ছে সে। স্কুল, পরিবার, খেলার মাঠ, মুক্ত পরিবেশ—সবকিছুই তার কাছে নতুন অভিজ্ঞতা হতে পারে।
এদিন কারাগারের বাইরে অপেক্ষায় থাকা স্বজনরা মুক্তিপ্রাপ্তদের ফুল দিয়ে বরণ করে নেন। দীর্ঘ অপেক্ষার পর স্বজনদের ফিরে পাওয়ার আনন্দে আবেগঘন হয়ে ওঠে পরিবেশ।
কাশিমপুর হাই সিকিউরিটি কেন্দ্রীয় কারাগারের জেলার জাকির হোসেন জানান, মুক্তির প্রয়োজনীয় কাগজপত্র কারাগারে পৌঁছানোর পর তা যাচাই-বাছাই করা হয়। প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর পর্যায়ক্রমে তাদের মুক্তি দেওয়া হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন