নতুন জাতীয় পে স্কেল ২০২৬ অনুমোদনের পর সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন-ভাতা নিয়ে শুরু হয়েছে নানা আলোচনা। নতুন কাঠামোয় সর্বনিম্ন ২০তম গ্রেডের প্রারম্ভিক মূল বেতন ৮ হাজার ২৫০ টাকা থেকে বেড়ে ২০ হাজার টাকা এবং প্রথম গ্রেডের মূল বেতন ৭৮ হাজার টাকা থেকে বেড়ে ১ লাখ ৫৬ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
তবে মূল বেতন বাড়লেও বিভিন্ন ভাতার হার আগের মতো থাকছে না। বিশেষ করে বাড়িভাড়া ভাতায় গ্রেড ও কর্মস্থলভেদে পরিবর্তন আনার কথা বলা হয়েছে। এ কারণে অনেকের ক্ষেত্রে মূল বেতনের তুলনায় বাড়িভাড়া ভাতার শতাংশ কমতে পারে। তবে মূল বেতন উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ায় প্রকৃত টাকার হিসাবে বাড়িভাড়া ভাতাও অনেক ক্ষেত্রে আগের চেয়ে বেশি হবে।
সরকার ৩১ আগস্ট ২০২৬ মন্ত্রিসভা বৈঠকে জাতীয় পে স্কেল ২০২৬ অনুমোদন করে। নতুন কাঠামো ১ জুলাই ২০২৬ থেকে কার্যকর ধরা হয়েছে এবং মূল বেতন ধাপে ধাপে বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বিভিন্ন ভাতা ১ জানুয়ারি ২০২৮ থেকে কার্যকর হওয়ার কথা জানানো হয়েছে।
নতুন বেতন কাঠামোয় বিদ্যমান ২০টি গ্রেড বহাল রাখা হয়েছে। এতে সর্বনিম্ন ২০তম গ্রেডের মূল বেতন ৮ হাজার ২৫০ টাকা থেকে বেড়ে ২০ হাজার টাকা হয়েছে। অন্যদিকে প্রথম গ্রেডের মূল বেতন ৭৮ হাজার টাকা থেকে বেড়ে ১ লাখ ৫৬ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, সর্বনিম্ন গ্রেডে মূল বেতন বৃদ্ধির হার প্রায় ১৪২ শতাংশ। প্রথম গ্রেডে নির্ধারিত মূল বেতন বাড়ছে ১০০ শতাংশ। নবম গ্রেডে প্রবেশকারী কর্মকর্তাদের মূল বেতন ২২ হাজার টাকা থেকে বেড়ে ৪৪ হাজার টাকা এবং দশম গ্রেডে ১৬ হাজার টাকা থেকে বেড়ে ৩২ হাজার টাকা হবে।
তবে সব গ্রেডে বেতন বৃদ্ধির হার এক নয়। কমিশনের প্রস্তাব পর্যালোচনার পর কিছু গ্রেডে বেতন বৃদ্ধির হার কমানো হয়েছে। বিশেষ করে প্রথম গ্রেড এবং অষ্টম ও নবম গ্রেডে প্রস্তাবিত বেতনে কিছুটা কাটছাঁট করা হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
ঢাকার বাইরে অন্যান্য সিটি করপোরেশন এলাকা ও সাভার উপজেলায় বর্তমানে বাড়িভাড়া ভাতার হার মূল বেতনের ৪০ থেকে ৫৫ শতাংশ। নতুন কাঠামোয় এ হার ৩০ থেকে ৫০ শতাংশ হতে পারে।
এ ছাড়া সিটি করপোরেশন ও সাভারের বাইরে কর্মরতদের বাড়িভাড়া ভাতার হার বর্তমানে ৩৫ থেকে ৫০ শতাংশের মধ্যে থাকলেও নতুন কাঠামোয় তা ২৫ থেকে ৪৫ শতাংশে নামানোর কথা বলা হয়েছে।
তবে এখানে একটি বিষয় গুরুত্বপূর্ণ—শতাংশ কমলেও মূল বেতন বাড়ার কারণে মোট বাড়িভাড়া ভাতার পরিমাণ সবসময় কমবে না। যেমন, কারও মূল বেতন ১৬ হাজার টাকা থেকে বেড়ে ৩২ হাজার টাকা হলে আগের ৫০ শতাংশের তুলনায় নতুন ৪০ শতাংশ হার কম হলেও টাকার হিসাবে বাড়িভাড়া ৮ হাজার টাকা থেকে বেড়ে ১২ হাজার ৮০০ টাকা হতে পারে। অর্থাৎ হার কমলেও মোট প্রাপ্তি বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
প্রস্তাবিত হিসাব অনুযায়ী—
ফলে চিকিৎসা খাতে সরকারি চাকরিজীবী ও পেনশনভোগীদের আর্থিক সুবিধা আগের তুলনায় বাড়তে পারে। তবে বাস্তবে কত তারিখ থেকে এবং কোন বিধিমালায় এটি কার্যকর হবে, তা চূড়ান্ত প্রজ্ঞাপনের ওপর নির্ভর করবে।
প্রস্তাবিত কাঠামোয়—
মোবাইল ভাতা দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। আগের তুলনায় উচ্চ গ্রেডের কর্মকর্তাদের মোবাইল ভাতা কমলেও এবার নিম্ন গ্রেডের কর্মচারীরাও প্রথমবারের মতো এ সুবিধা পাবেন।
বাংলাদেশ সরকারের প্রকাশিত তথ্যেও সব গ্রেডের কর্মচারীকে মোবাইল ভাতার আওতায় আনার সিদ্ধান্তের কথা উল্লেখ করা হয়েছে।
নতুন কাঠামোয় জীবনযাত্রার ব্যয় ও পরিবহন খরচ বিবেচনায় কিছু ছোট ভাতার পরিমাণ বাড়ানোর কথা বলা হয়েছে।
প্রস্তাবিত পরিবর্তন অনুযায়ী—
হতে পারে।
অন্যদিকে বাংলা নববর্ষ ভাতা বিদ্যমান মূল বেতনের ২০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১৫ শতাংশ করার কথা বলা হয়েছে। পাহাড়ি ভাতা, হাওর, দ্বীপ ও চরভাতার ক্ষেত্রে মূল বেতনের ২০ শতাংশ হার বহাল রাখার প্রস্তাব রয়েছে। তবে এসব ভাতার সর্বোচ্চ সীমা নির্ধারণ করা হবে।
শিক্ষা সহায়ক ভাতা, কার্যভার ভাতা, আপ্যায়ন ভাতা, কুক অ্যান্ড সিকিউরিটি অ্যালাউন্স, উৎসব ভাতা এবং শ্রান্তি বিনোদন ছুটি ও ভাতার ক্ষেত্রে বিদ্যমান হার বহাল রাখার কথা বলা হয়েছে।
প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, প্রথম থেকে নবম গ্রেডের বর্ধিত মূল বেতন তিন ধাপে এবং দশম থেকে ২০তম গ্রেডের বেতনও তিন ধাপে বাস্তবায়নের পরিকল্পনা রয়েছে। নিম্ন আয়ের কর্মচারীদের কথা বিবেচনা করে ১০ম থেকে ২০তম গ্রেডকে অগ্রাধিকার দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
নতুন বাড়িভাড়া, চিকিৎসা, শিক্ষা, যাতায়াতসহ বিভিন্ন ভাতা ১ জানুয়ারি ২০২৮ থেকে কার্যকর করার কথা বলা হয়েছে। ফলে নতুন পে স্কেলের পূর্ণ আর্থিক সুবিধা পেতে সরকারি চাকরিজীবীদের আরও কিছু সময় অপেক্ষা করতে হতে পারে।
তবে বেতন বাড়ার সঙ্গে মূল্যস্ফীতি, বাজারদর, বাসাভাড়া, চিকিৎসা ও যাতায়াত খরচও বিবেচনায় নিতে হবে। শুধু মূল বেতন বাড়লেই জীবনযাত্রার চাপ কমবে—এমন নিশ্চয়তা নেই। একই সঙ্গে বাড়িভাড়া ভাতার হার কমানোর ফলে ঢাকার মতো ব্যয়বহুল শহরে কর্মরতদের ওপর অতিরিক্ত চাপ তৈরি হতে পারে।
আরেকটি বিষয় মনে রাখা জরুরি—অনলাইনে প্রচারিত বিভিন্ন হিসাব সবসময় চূড়ান্ত নয়। চূড়ান্ত প্রজ্ঞাপন, অর্থ মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরের বাস্তবায়ন আদেশ প্রকাশের পরই প্রত্যেক গ্রেডের নির্দিষ্ট বেতন-ভাতা নিশ্চিতভাবে জানা যাবে।
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো—বাড়িভাড়া ভাতার হার কমলেই যে মোট বাড়িভাড়া কমে যাবে, তা নয়। মূল বেতন কত বাড়ছে, তার ওপর প্রকৃত সুবিধা নির্ভর করবে। তাই নতুন পে স্কেল মূল্যায়নের সময় শুধু শতাংশ নয়, হাতে পাওয়া মোট টাকার হিসাবও দেখতে হবে।

মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
নতুন জাতীয় পে স্কেল ২০২৬ অনুমোদনের পর সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন-ভাতা নিয়ে শুরু হয়েছে নানা আলোচনা। নতুন কাঠামোয় সর্বনিম্ন ২০তম গ্রেডের প্রারম্ভিক মূল বেতন ৮ হাজার ২৫০ টাকা থেকে বেড়ে ২০ হাজার টাকা এবং প্রথম গ্রেডের মূল বেতন ৭৮ হাজার টাকা থেকে বেড়ে ১ লাখ ৫৬ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
তবে মূল বেতন বাড়লেও বিভিন্ন ভাতার হার আগের মতো থাকছে না। বিশেষ করে বাড়িভাড়া ভাতায় গ্রেড ও কর্মস্থলভেদে পরিবর্তন আনার কথা বলা হয়েছে। এ কারণে অনেকের ক্ষেত্রে মূল বেতনের তুলনায় বাড়িভাড়া ভাতার শতাংশ কমতে পারে। তবে মূল বেতন উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ায় প্রকৃত টাকার হিসাবে বাড়িভাড়া ভাতাও অনেক ক্ষেত্রে আগের চেয়ে বেশি হবে।
সরকার ৩১ আগস্ট ২০২৬ মন্ত্রিসভা বৈঠকে জাতীয় পে স্কেল ২০২৬ অনুমোদন করে। নতুন কাঠামো ১ জুলাই ২০২৬ থেকে কার্যকর ধরা হয়েছে এবং মূল বেতন ধাপে ধাপে বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বিভিন্ন ভাতা ১ জানুয়ারি ২০২৮ থেকে কার্যকর হওয়ার কথা জানানো হয়েছে।
নতুন বেতন কাঠামোয় বিদ্যমান ২০টি গ্রেড বহাল রাখা হয়েছে। এতে সর্বনিম্ন ২০তম গ্রেডের মূল বেতন ৮ হাজার ২৫০ টাকা থেকে বেড়ে ২০ হাজার টাকা হয়েছে। অন্যদিকে প্রথম গ্রেডের মূল বেতন ৭৮ হাজার টাকা থেকে বেড়ে ১ লাখ ৫৬ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, সর্বনিম্ন গ্রেডে মূল বেতন বৃদ্ধির হার প্রায় ১৪২ শতাংশ। প্রথম গ্রেডে নির্ধারিত মূল বেতন বাড়ছে ১০০ শতাংশ। নবম গ্রেডে প্রবেশকারী কর্মকর্তাদের মূল বেতন ২২ হাজার টাকা থেকে বেড়ে ৪৪ হাজার টাকা এবং দশম গ্রেডে ১৬ হাজার টাকা থেকে বেড়ে ৩২ হাজার টাকা হবে।
তবে সব গ্রেডে বেতন বৃদ্ধির হার এক নয়। কমিশনের প্রস্তাব পর্যালোচনার পর কিছু গ্রেডে বেতন বৃদ্ধির হার কমানো হয়েছে। বিশেষ করে প্রথম গ্রেড এবং অষ্টম ও নবম গ্রেডে প্রস্তাবিত বেতনে কিছুটা কাটছাঁট করা হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
ঢাকার বাইরে অন্যান্য সিটি করপোরেশন এলাকা ও সাভার উপজেলায় বর্তমানে বাড়িভাড়া ভাতার হার মূল বেতনের ৪০ থেকে ৫৫ শতাংশ। নতুন কাঠামোয় এ হার ৩০ থেকে ৫০ শতাংশ হতে পারে।
এ ছাড়া সিটি করপোরেশন ও সাভারের বাইরে কর্মরতদের বাড়িভাড়া ভাতার হার বর্তমানে ৩৫ থেকে ৫০ শতাংশের মধ্যে থাকলেও নতুন কাঠামোয় তা ২৫ থেকে ৪৫ শতাংশে নামানোর কথা বলা হয়েছে।
তবে এখানে একটি বিষয় গুরুত্বপূর্ণ—শতাংশ কমলেও মূল বেতন বাড়ার কারণে মোট বাড়িভাড়া ভাতার পরিমাণ সবসময় কমবে না। যেমন, কারও মূল বেতন ১৬ হাজার টাকা থেকে বেড়ে ৩২ হাজার টাকা হলে আগের ৫০ শতাংশের তুলনায় নতুন ৪০ শতাংশ হার কম হলেও টাকার হিসাবে বাড়িভাড়া ৮ হাজার টাকা থেকে বেড়ে ১২ হাজার ৮০০ টাকা হতে পারে। অর্থাৎ হার কমলেও মোট প্রাপ্তি বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
প্রস্তাবিত হিসাব অনুযায়ী—
ফলে চিকিৎসা খাতে সরকারি চাকরিজীবী ও পেনশনভোগীদের আর্থিক সুবিধা আগের তুলনায় বাড়তে পারে। তবে বাস্তবে কত তারিখ থেকে এবং কোন বিধিমালায় এটি কার্যকর হবে, তা চূড়ান্ত প্রজ্ঞাপনের ওপর নির্ভর করবে।
প্রস্তাবিত কাঠামোয়—
মোবাইল ভাতা দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। আগের তুলনায় উচ্চ গ্রেডের কর্মকর্তাদের মোবাইল ভাতা কমলেও এবার নিম্ন গ্রেডের কর্মচারীরাও প্রথমবারের মতো এ সুবিধা পাবেন।
বাংলাদেশ সরকারের প্রকাশিত তথ্যেও সব গ্রেডের কর্মচারীকে মোবাইল ভাতার আওতায় আনার সিদ্ধান্তের কথা উল্লেখ করা হয়েছে।
নতুন কাঠামোয় জীবনযাত্রার ব্যয় ও পরিবহন খরচ বিবেচনায় কিছু ছোট ভাতার পরিমাণ বাড়ানোর কথা বলা হয়েছে।
প্রস্তাবিত পরিবর্তন অনুযায়ী—
হতে পারে।
অন্যদিকে বাংলা নববর্ষ ভাতা বিদ্যমান মূল বেতনের ২০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১৫ শতাংশ করার কথা বলা হয়েছে। পাহাড়ি ভাতা, হাওর, দ্বীপ ও চরভাতার ক্ষেত্রে মূল বেতনের ২০ শতাংশ হার বহাল রাখার প্রস্তাব রয়েছে। তবে এসব ভাতার সর্বোচ্চ সীমা নির্ধারণ করা হবে।
শিক্ষা সহায়ক ভাতা, কার্যভার ভাতা, আপ্যায়ন ভাতা, কুক অ্যান্ড সিকিউরিটি অ্যালাউন্স, উৎসব ভাতা এবং শ্রান্তি বিনোদন ছুটি ও ভাতার ক্ষেত্রে বিদ্যমান হার বহাল রাখার কথা বলা হয়েছে।
প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, প্রথম থেকে নবম গ্রেডের বর্ধিত মূল বেতন তিন ধাপে এবং দশম থেকে ২০তম গ্রেডের বেতনও তিন ধাপে বাস্তবায়নের পরিকল্পনা রয়েছে। নিম্ন আয়ের কর্মচারীদের কথা বিবেচনা করে ১০ম থেকে ২০তম গ্রেডকে অগ্রাধিকার দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
নতুন বাড়িভাড়া, চিকিৎসা, শিক্ষা, যাতায়াতসহ বিভিন্ন ভাতা ১ জানুয়ারি ২০২৮ থেকে কার্যকর করার কথা বলা হয়েছে। ফলে নতুন পে স্কেলের পূর্ণ আর্থিক সুবিধা পেতে সরকারি চাকরিজীবীদের আরও কিছু সময় অপেক্ষা করতে হতে পারে।
তবে বেতন বাড়ার সঙ্গে মূল্যস্ফীতি, বাজারদর, বাসাভাড়া, চিকিৎসা ও যাতায়াত খরচও বিবেচনায় নিতে হবে। শুধু মূল বেতন বাড়লেই জীবনযাত্রার চাপ কমবে—এমন নিশ্চয়তা নেই। একই সঙ্গে বাড়িভাড়া ভাতার হার কমানোর ফলে ঢাকার মতো ব্যয়বহুল শহরে কর্মরতদের ওপর অতিরিক্ত চাপ তৈরি হতে পারে।
আরেকটি বিষয় মনে রাখা জরুরি—অনলাইনে প্রচারিত বিভিন্ন হিসাব সবসময় চূড়ান্ত নয়। চূড়ান্ত প্রজ্ঞাপন, অর্থ মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরের বাস্তবায়ন আদেশ প্রকাশের পরই প্রত্যেক গ্রেডের নির্দিষ্ট বেতন-ভাতা নিশ্চিতভাবে জানা যাবে।
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো—বাড়িভাড়া ভাতার হার কমলেই যে মোট বাড়িভাড়া কমে যাবে, তা নয়। মূল বেতন কত বাড়ছে, তার ওপর প্রকৃত সুবিধা নির্ভর করবে। তাই নতুন পে স্কেল মূল্যায়নের সময় শুধু শতাংশ নয়, হাতে পাওয়া মোট টাকার হিসাবও দেখতে হবে।

আপনার মতামত লিখুন